Ranjan's Boutique

Ranjan's Boutique When you think of a new personality, think of Ranjan's

একটা ঘরে চারটা মোমবাতিজ্বলছিল।প্রথম মোমবাতিটি বলল," আমি শান্তি".......বেশিক্ষন থাকিনা,এই বলে প্রথম মোমবাতিটি নিভেগেল।তখন...
03/07/2022

একটা ঘরে চারটা মোমবাতি
জ্বলছিল।
প্রথম মোমবাতিটি বলল," আমি শান্তি
".......বেশিক্ষন থাকিনা,
এই বলে প্রথম মোমবাতিটি নিভে
গেল।
তখন দ্বিতীয় মোমবাতিটি বলে উঠল,
"আমি
বিশ্বাস".......যেখানে শান্তি নেই
আমি ও সেখানে থাকতে পারবনা,
এই বলে দ্বিতীয় টিও নিভে গেল।
এবার তৃতীয় মোমবাতিটি বলল, "আমি
ভালবাসা"........যেখানে শান্তি আর
বিশ্বাস
নেই সেখানে আমার থাকা অসম্ভব,
এই বলে সেও নিভে গেল।
এবার একটা
বাচ্চা ছেলে ঘরটিতে প্রবেশ
করল দেখল চারটা মোমবাতির মধ্যে
তিনটা
নিভে গেছে আর একটা মিটমিট করে
জ্বলছে....।
তখন বাচ্চা ছেলেটা চতুর্থ মোমবাতির
কাছে
কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞেস করল তুমি
কেন জ্বলছ..? তুমিও তো নিভে যেতে
পারতে....?
চতুর্থ মোমবাতি তখন বলল "আমি
আশা".........আমি সবসময় থাকি,এখন তুমি
চাইলে আমাকে দিয়ে এই তিনটাকেও
জ্বালিয়ে তুলতে পারো....।
অর্থাৎ শান্তি, বিশ্বাস আর
ভালবাসাকে ফিরিয়ে আনতে
পার.......
'আশা'ইতো মানুষ কে বাচিয়ে
রাখে!!!!.

(সংগ্রহীত)

02/07/2022

ভালবাসার প্রকারভেদ...

সেই মধ্যবিত্ত পরিবারটির দিকে তাকান, যেখানে রোজ খুশি থাকার চেষ্টা চলে। আসল ভালোবাসা সেটাই, যখন বাবার পকেটের শেষ কুড়ি টাকা মেয়েটার হাতে দিয়ে বলে, 'কষ্ট করে কলেজে হেটে যাবি না'। সেটাই প্রকৃত ভালবাসা।

যখন মা প্লেটের শেষ মাংসের টুকরোটা ছেলের পাতে দিয়ে বলে, 'মাংস খেতে একদমই ভালো লাগে না'। সেটাই প্রকৃত ভালবাসা।

যখন ভাই তার ছোট বোনটিকে বলে চিন্তা করিস না। বেতন পেলেই তোর জন্য জামা কিনে দেব। ভালবাসা তখনই পরিপূর্ণ।

যখন এটা নেই, সেটা নেই বলে সারাদিন ঝগড়া শেষে স্বামী-স্ত্রী পাশাপাশি শুয়ে যখন স্ত্রী বলে, "আসলে আমার কিছু লাগবে না'। আমি ভালবাসার ভিন্ন মানে খুজি।

আর আমি ভালবাসা খুঁজি একজন মজুরের ৪০ টাকায় কেনা নুনের প্যাকেটে।

যে বোন তার ০৬ মাসের শিশুটিকে কোলে নিয়ে সারাদিন ইট ভাঙ্গে, ভালবাসা সেখানেই খুঁজে পাই।

সারাদিন কষ্ট করে যখন কোন রিক্সাচালক একটা মাঝারি সাইজের রুই কিনে বাড়িতে গিয়ে বলে, "খুব সস্তা পেলাম, তাই কিনলাম"। স্ত্রী হেসে বলে, 'টাকা নষ্ট করার কি দরকার ছিল'? সেখানেই পূর্ণ ভালবাসা।

- ক্ষুদ্র ভাবনার সংকলন

সুপ্রতিষ্ঠিত ছেলে জীবনে প্রথম মাসের বেতন বাবার হাতে তুলে দিয়ে বাবাকে বলছে -"বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয়ন...
01/07/2022

সুপ্রতিষ্ঠিত ছেলে জীবনে প্রথম মাসের বেতন বাবার হাতে তুলে দিয়ে বাবাকে বলছে -

"বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয়না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছ তুমি কি জান, আগামী তিন বছরে সে টাকা তোমায় আমি ফিরিয়ে দিতে পারবো"।

মুচকি হেসে বাবা বললো, "একটা গল্প শুনবি?"

ছেলেটা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নিচু স্বরে বললো, "বলো বাবা শুনবো..."

তোর বয়স যখন চার আমার মাসিক আয় তখন দুইহাজার টাকা। ওই টাকায় সংসার চালানোর কষ্ট বাড়ির কাউকে কখনো বুঝতে দেইনি। আমি আমার সাধ্যের মধ্যে সব সময় চেষ্টা করেছি তোর 'মাকে' সুখী করতে।

তোকে যেবার স্কুলে ভর্তি করলাম সেবারই প্রথম আমরা দুজন, আমি আর তোর মা পরিকল্পনা করেছি আমরা তোর পড়ার খরচের বিনিময়ে কি কি ত্যাগ করবো...

সে বছর তোর মাকে কিছুই দিতে পারিনি আমি।

তুই যখন কলেজে উঠলি আমাদের অবস্থা তখন মোটা মুটি ভাল। কিন্তু, খুব কষ্ট হয়ে গেছিল, যখন তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।
ঔষধ কেনার জন্য রোজ রোজ ওভারটাইম করে বাসে করে পায়ে হেটে ঘামে ভিজে বাড়ি ফিরতে খুব দুর্বিষহ লাগতো। কিন্তু, কখনো কাউকে বুঝতে দেইনি এমনকি তোর মাকেও না।
একদিন শো রুম থেকে একটা বাইক দেখে আসলাম।
সে রাতে আমি স্বপ্নেও দেখেছিলাম, বাইকে চড়ে আমি কাজে যাচ্ছি। কিন্তু, পরের দিন তুই বায়না ধরলি ল্যাপটপ এর জন্য। তোর কষ্টে আমার কষ্ট হয় বাবা। আমি তোকে ল্যাপটপটা কিনে দিয়েছিলাম।

আমার তখনকার এক টাকা, তোর এখন এক পয়সা! কিন্তু, মনে করে দেখ এই এক টাকা দিয়ে তুই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করেছিস। ব্রান্ড নিউ মোবাইলে হেড ফোন কানে লাগিয়ে সারা রাত গান শুনেছিস। পিকনিক করেছিস, ট্যুর করেছিস, কন্সার্ট দেখেছিস। তোর প্রতিটা দিন ছিল স্বপ্নের মত।

আর তোর একশ টাকা নিয়ে আমি এখন হার্টের বাইপাস করাই ডায়াবেটিক মাপাই । জানিস আমার মাছ-মাংস খাওয়া নিষেধ, কি করে এত টাকা খরচ করি বল!
তোর টাকা নিয়ে তাই আমি কল্পনার হাট বসাই। সে হাটে আমি বাইক চালিয়ে সারা শহর ঘুরে বেড়াই। বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখতে যাই। তোর মায়ের হাত ধরে তাঁত মেলায় ঘুরে বেড়াই।

বাবারা নাকি তোদের ভাষায় "খাড়ুশ টাইপ"। আমিও আমার বাবাকে তাই ভাবতাম। পুরুষ থেকে পিতা হতে আমার কোন কষ্ট হয়নি, সব কষ্ট তোর মা সহ্য করেছে।
কিন্তু, বিশ্বাস কর পিতা থেকে দ্বায়িত্বশীল পিতা হবার কষ্ট একজন পিতাই বুঝে। যুগে যুগে সর্বস্থানে মাতৃবন্দনা হলেও পিতৃবন্দনা কোথাও দেখেছিস?
পিতৃবন্দনা আমি আশাও করি না। সন্তানের প্রতি ভালোবাসা কোন পিতা হয়তো প্রকাশ করতে পারে না, তবে কোন পিতা কখনোই সন্তানের প্রতি দ্বায়িত্ব পালনে বিচ্যুত হয় না।

আমার যে কষ্টার্জিত অর্থ তোর পিছনে ব্যায় করেছি, তা হয়ত তুই তিন বছরে শোধ দিতে পারবি...
কিন্তু, যৌবনে দেখা আমার স্বপ্নগুলো??
যে স্বপ্নের কাঠামোতে দাঁড়িয়ে তুই আজ তোর ঋন শোধের কথা বলছিস...
সেই স্বপ্ন গুলো কি আর কোনও দিন বাস্তব রূপ পাবে??

বাবা চুপ করো প্লীজ!! আমি তোমার টাকা নয়, তোমার ভালবাসা তোমায় ফিরিয়ে দিব।
হা হা হা বোঁকা ছেলে! বাবাদের ভালবাসা কখনো ফিরিয়ে দেয়া যায় না। ছোট্ট শিশুর মল মুত্রও মোছা যায়, আর বুড়োদের ঘরেও ঢোকা যায় না।

তোকে একটা প্রশ্ন করি বাবা। ধর তুই আমি আর তোর খোকা তিন জন এক নৌকায় বসে আছি। হটাৎ নৌকাটা ডুবতে শুরু করলো...
যে কোন একজনকে বাঁচাতে পারবি, কাকে বাঁচাবি বল?

ছেলেটা হাজার চেষ্টা করেও এক চুল ঠোঁট নড়াতে পারছেনা!
থাক উত্তর দিতে হবে না। ছেলেরা বাবা হয়, বাবা কখনো ছেলে হতে পারে না।

পৃথিবীতে সব চেয়ে ভারী জিনিস কি জানিস?
পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ!

আমি শুধু ভগবানের কাছে একটা জিনিস চাই। আমার শেষ যাত্রায় যেন আমি আমার ছেলের কাঁধে চড়ে যাই।
তাহলেই তুই একটা ঋন শোধ করতে পারবি - তোকে কোলে নেবার ঋন...

30/06/2022

যেদিন সফল হবেন
সেদিন বুঝবেন
কি দারুণ পরিকল্পনা ছিল সৃষ্টিকর্তার!

ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংকম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকাব্যাংকে রাখতে চাই...ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত আছে?বুড়ি ব...
30/06/2022

ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংক
ম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকা
ব্যাংকে রাখতে চাই...

ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত আছে?
বুড়ি বললঃ হবে ১০ লাখের মত....

ম্যানেজার বললঃ বাহ! আপনার কাছে বেশ
ভালোই টাকা আছে। আপনি করেন কি?
বুড়ি বললঃ তেমন কিছু না খোকা।
ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় বাজি লাগাই।
আর বাকি সময় সবার সাথে যেকোনো
ব্যাপারে বাজি খেলি।

ম্যানেজার বললঃ শুধু বাজি লাগিয়েই এত
টাকা জমিয়েছো? তাজ্জব ব্যাপার!
বুড়ি বললঃ তাজ্জবের কিছু নেই খোকা।
আমি এখুনি এক লাখ টাকা বাজি ধরতে
পারি যে, তোমার মাথায় ফলস চুল
লাগানো...

ম্যানেজার হাসতে হাসতে বললঃ না
দিদা। আমি এখনো যথেষ্ট যুবক ।আর মাথায়
ফলস চুল লাগানো নেই।
বুড়িঃ তাহলে লাগাবে কি বাজি?

ম্যানেজার মনে মনে ভাবল, এই বুড়ি পাগল
মনে হচ্ছে। যাই হোক ১ লাখ টাকা ফ্রিতে
কামানো যাচ্ছে, তো অত ভেবে লাভ কি...?

ম্যানেজার রাজি হয়ে গেলো...
বুড়ি বললঃ যেহেতু এক লাখ টাকার ব্যাপার
তাই আমি কাল সকাল ১১ টায় আমার উকিল
নিয়ে এই কেবিনে আসব। আর ওর সামনেই
প্রমান করা হবে। আপনি কি রাজি?

ম্যানেজার বললঃ ঠিক আছে। আমি রাজি।
ম্যানেজারের রাতে ঘুম আসলো না, সারা
রাত ঐ বুড়ি আর ১ লাখ টাকার কথা ভাবতে
থাকে...
পরের দিন সকালে ঐ বুড়ি উকিল নিয়ে ঠিক
১১ টায় ম্যনেজারের কেবিনে এসে
উপস্থিত।

বুড়ি ম্যানেজার কে বললঃ আপনি কি
রেডি?
ম্যানেজার বললঃ একদম রেডি।
বুড়ি বললঃ যেহেতু প্রমানের দরকার তাই
আমি আমার উকিলের সামনে আপনার চুল
টেনে প্রমান করতে চাই যে চুল আসল না
নকল।
ম্যনেজার ভাবল, এক লাখ টাকার ব্যাপার...
একটু চুলই তো টানবে! তাই সে রাজি হয়ে
গেলো....

বুড়ি ম্যানেজার এর পাশে গেলো আর চুল
ধরে টানতে শুরু করল। আর ঠিক ঐ সময়ই বুড়ি'র
সাথে আসা উকিলটা দেওয়ালে মাথা
ঠুকতে শুরু করে দিলো...!

ম্যানেজার বলে উঠেঃ আরে আরে উকিল
বাবু কি হলো?
বুড়ি হাসতে হাসতে বললঃ কিছু না। শক
খেয়েছে। আসলে ওর সাথে ৫ লাখ টাকার
বাজি ধরেছিলাম যে আজ সকাল ঠিক ১১
টায়, শহরের সবথেকে বড় ব্যাংকের
মানেজারের চুলের মুঠি ধরে টানব।
বুড়ির লাভ হল ৪ লাখ টাকা😜😂

#সংগৃহীত

 #কবিতানির্ঘুম ব‍্যস্ত প্রহরীকলমেঃদিপ্তী রঞ্জনযামিনীর নিশ্চিন্তনগরীতেঅদ‍্য আমি হয়ে পড়েছি-নির্ঘুম ব‍্যস্ত প‍্রহরী।।বয়সের ...
29/06/2022

#কবিতা
নির্ঘুম ব‍্যস্ত প্রহরী
কলমেঃদিপ্তী রঞ্জন

যামিনীর নিশ্চিন্তনগরীতে
অদ‍্য আমি হয়ে পড়েছি-
নির্ঘুম ব‍্যস্ত প‍্রহরী।।
বয়সের পাড়ে বয়ে চলেছি ধীরে ধীরে।
হারিয়ে যাওয়াকে রাখিনা হৃৎকম্পের ঘেরে।

সময় যে বড্ড অল্প
জীবনের বাকীটা বেলা
যবে-পশ্চাৎপানে যাচ্ছে হারিয়ে,
সমস্তসুখের কড়ি যখন-
রোষানলের সম্মূখে;
আর ভালো থাকাগুলো
ঠিক জীবন্তলাশের মুখে।

ক্রান্তিকালে যদি অজস্র অনুরক্তি
হাতছানি দিতে চাই অবলীলায়
অমন মুহূর্তে মনটা যদি
আহ্লাদে আটখানা হয়ে খান খান হতে চাই;
সে কি শোভা পাই!
তখনতো ন‍্যাকাই মনে হবে!

না পারাগুলো ভর করেছে
ভালো থাকার অপঘনে।
হতো যদি এমন
থাকতোনা কোনো প্রশ্ন,দাঁড়ি,কমা
শূধুই বিচরণ হতো অবাধের মসৃণতায়।
তবে শূন‍্যতার রূপ নিত পরিপূর্ণতায়।

দিনের আকাশ পানে
পাখিরা উড়ে সুখের দামোদরে।
পারলামনা কেবল আমিই যেতে-
আমিত্বেই রইলাম পড়ে -সেই নীশিচরে।
শেষ হয়েও হলোনা শেষ
গৌরচন্দ্রিকায় থেকে গেল
পরজন্মের রেশ।

সরদহ্ সরকারি মহাবিদ‍্যালয়
চারঘাট,রাজশাহী।
সময়ঃ১•৩০মিনিট
তারিখঃ ২৮|০৭|২০২১

29/06/2022

অনুপ্রাণিত মানুষ পরাজিত হবে না...

১৮৮৫ সাল, প্যারিস। বাড়ির সদর দরজার সামনে খেলা করছিল নয় বছরের ছেলে যোসেফ। যোসেফ মেইস্টার। যোসেফের মা মাদাম মেইস্টার ব্যস্ত ঘরের কাজে।
হঠাৎ ছেলের কান্নার আওয়াজ শুনে চমকে উঠলেন তিনি। তাড়াতাড়ি দৌড়ে গেলেন সদর দরজায়, সামনের দৃশ্য দেখে ভয়ে অসাড় হয়ে গেল তাঁর শরীর।

একটা কুকুর, অদ্ভুত তার চোখের চাউনি! মুখ দিয়ে লালা গড়াচ্ছে। চাপা গর্জনের সঙ্গে কুকুরটা সজোরে কামড়ে ধরেছে যোসেফের পা! যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে যোসেফ।
সম্বিত ফিরে পেয়ে কুকুরটাকে একটা লাথি মারলেন মাদাম মেইস্টার, কুকুরটা একটু দূরে ছিটকে পড়লো। যোসেফের রক্তমিশ্রিত লালা ঝরছে তার মুখ থেকে। খানিকক্ষণ ক্রূর দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে ধীরে ধীরে চলে গেল কুকুরটা।

কুকুরটাকে চিনতে পেরেছেন মাদাম মেইস্টার। এটা পাশের পাড়ার সেই পাগলা কুকুরটা, যেটা ইতমধ্যেই দু'জনকে কামড়েছে। দু'জনেই ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে।
ডাক্তার বলেছেন, জলাতঙ্ক হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা! বাঁচার কোন আশা নেই! সেই কুকুরটাই কামড়েছে তাঁর একমাত্র ছেলে যোসেফকে!

মাথা খারাপ হয়ে গেল মাদাম মেইস্টারের। ছেলেকে নিয়ে ছুটলেন স্থানীয় ডাক্তারের কাছে, একটাই আর্জি… "ছেলেকে বাঁচিয়ে দিন"। যোসেফের পায়ের ক্ষতর ড্রেসিং করলেন ডাক্তার। বললেন, "এই রোগের কোন ওষুধ নেই - মৃত্যু আসবে দু' সপ্তাহের বা খুব জোর হলে একমাসের মধ্যে... ভবিতব্যকে মেনে নিন, তা ছাড়া কোন উপায় নেই"।

কাঁদতে কাঁদতে ডাক্তারের হাতে পায়ে ধরলেন মাদাম মেইস্টার…
"কিছু একটা করুন - কিছু একটা করে যোসেফকে বাঁচান"।
একটু চিন্তা করলেন ডাক্তারবাবু...
বললেন, "এখান থেকে একটু দূরে লুই পাস্তুর নামে কেমিস্ট্রির এক প্রফেসর থাকেন। শুনেছি তিনি জলাতঙ্ক রোগের টীকা আবিষ্কার করবার চেষ্টা করছেন। আপনি তাঁর সঙ্গে কথা বলুন"।

যোসেফকে কোলে নিয়ে ডাক্তারখানা থেকেই লুই পাস্তুরের বাড়ির উদ্দেশ্যে ছুটলেন মাদাম মেইস্টার। দেখা করলেন পাস্তুরের সঙ্গে। বললেন,
"আমার একমাত্র ছেলে...যেভাবে হোক বাঁচান"।

মাদাম মেইস্টারকে অনেক বোঝালেন পাস্তুর। বললেন, "একথা সত্যি যে আমি জলাতঙ্কর টীকা আবিষ্কার করবার চেষ্টা করছি এবং আংশিক সাফল্যও পেয়েছি। এই টীকা তৈরী করেছি জলাতঙ্কতে ভুগতে থাকা কুকুরের স্পাইনাল কর্ডের টিস্যুকে ফর্মালিন দিয়ে আংশিকভাবে অকেজো করে। এই টীকা কুকুরের দেহে প্রয়োগ করে সাফল্য পেয়েছি...
এই টীকা কুকুরের শরীরে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করতে সক্ষম। কিন্তু মানুষের শরীরে এর প্রয়োগ এখনও করা হয়ে ওঠেনি...
অর্থাৎ 'হিউম্যান ট্রায়াল' এখনও হয়নি। 'হিউম্যান ট্রায়াল' এ সফল হলে তবেই একমাত্র এই টীকা মানুষের শরীরে দেওয়ার উপযুক্ত বলে গণ্য হবে, তার আগে নয়"।

সব শুনে লুই পাস্তুরের সামনে যোসেফকে শুইয়ে দিলেন মাদাম মেইস্টার। বললেন, "ওর উপরেই 'হিউম্যান ট্রায়াল' করুন। ওকে পাগলা কুকুরে কামড়েছে...
আজ না হোক কাল ও মরবেই...
আপনার টীকার দৌলতে যদি বাঁচে!"

পাস্তুর পড়লেন আতান্তরে! একটা ন' বছরের বাচ্ছার উপর হিউম্যান ট্রায়াল! ওইটুকু শরীর কি এই মারাত্মক রোগের টীকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সহ্য করতে পারবে?
যদি টীকা'র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্যই যোসেফ মারা যায়, নিজের অন্তরাত্মাকে কি জবাব দেবেন তিনি?

পাস্তুর পরামর্শ করলেন নিজের সহকারীদের সঙ্গে, কথা বললেন যোসেফের বাবার সঙ্গে। স্থির হলো... যোসেফের উপরেই প্রথম প্রয়োগ করা হবে পাস্তুরের তৈরী টীকা!

প্রয়োগ করা হল। পাস্তুর এবং তাঁর সহকর্মীদের নেকনজরে রইলো নয় বছরের যোসেফ। একদিন - দুদিন করে কেটে গেল তিরিশটা দিন...
যোসেফের শরীরে জলাতঙ্কর কোন লক্ষণ দেখা গেল না...
হিউম্যান ট্রায়াল সাকসেসফুল...
আবিষ্কার হল জলাতঙ্কর টীকা!

"Person who saves one life saves the entire mankind"

লুই পাস্তুরের আবিষ্কৃত ওই টীকা প্রয়োগ করে এর পরের প্রায় একশো বছর ধরে প্রাণ বাঁচানো হয়েছে কোটি কোটি মানুষের। কয়েক বছর আগে অবধি ওই টীকাই ভারত সরকার প্রত্যেক সরকারী হাসপাতালে সাপ্লাই করতো।
বিজ্ঞান কখনও থেমে থাকে না। হিউম্যান ডিপ্লয়েড সেল কালচার ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসার পরে পাস্তুরের তৈরী ভ্যাকসিনের ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
কিন্তু "ফাদার অফ মাইক্রোবায়োলজি" লুই পাস্তুরের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে এবং চিরদিন লেখা থাকবে...
পথ প্রথমবার তিনিই দেখিয়েছিলেন।

যে বাড়িতে যোসেফের উপর এই হিউম্যান ট্রায়াল করা হয়েছিল, সেই বাড়ি আজ মহীরুহর আকার ধারণ করেছে।
নাম "পাস্তুর ইনস্টিটিউট"
দেশ বিদেশের বিজ্ঞানীরা এই ইনস্টিটিউটে কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকেন।

কিন্তু সেই ন'বছরের যোসেফ মেইস্টার...
তাঁর কি হলো? আপনি শুনলে অবাক হবেন! তিনি বেঁচেছিলেন পঁয়ষট্টি বছর বয়স অবধি!!
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তিনি ফ্রান্সের হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধ থেকে ফেরার পরে লুই পাস্তুর যোসেফকে 'পাস্তুর ইনস্টিটিউট' এর কেয়ারটেকারের পদে বহাল করেন। আমৃত্যু তিনি 'পাস্তুর ইনস্টিটিউট' এর পাহারাদার ছিলেন।

১৯৪০ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ফ্রান্স দখল করেছে জার্মানির নাৎসী বাহিনী। প্যারিস শহরে হত্যালীলা চলছে।
পাস্তুর ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা পালিয়ে গেছেন। নিজের স্ত্রী সন্তানদের নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠিয়ে দিয়ে পাস্তুর ইনস্টিটিউটের গেট আগলে বসে আছেন পঁয়ষট্টি বছরের বৃদ্ধ যোসেফ মেইস্টার!
তিনি পালিয়ে যাননি, যে ইনস্টিটিউট একদিন তাঁর প্রাণ বাঁচিয়েছিল... নরপিশাচদের হাতে সেই ইনস্টিটিউটকে ছেড়ে যেতে তাঁর মন সায় দেয়নি।

বিশাল নাৎসী বাহিনী যখন পাস্তুর ইনস্টিটিউটের গেটের সামনে, অশক্ত শরীরে নিজের সার্ভিস রিভলবার তাঁদের দিকে তাক করলেন যোসেফ মেইস্টার… "স্টপ"। নাৎসীরা বৃদ্ধ যোসেফের উপর ফায়ার করলো না... রাইফেলের কুঁদোর ঘায়ে তাঁকে ধরাশায়ী করে বেধড়ক মারধোর করলো। মার খেতে খেতে যোসেফ শুনলেন যে তাঁর স্ত্রী সন্তানেরা নাৎসীদের হাতে ধরা পড়েছেন। ওই অবস্থাতেও তিনি নাৎসীদের অনুরোধ করেছিলেন...
লুই পাস্তুরের সমাধিটা যেন নষ্ট না করা হয়…

"He saved millions of lives"

মার খেয়ে মৃতপ্রায় যোসেফ কোনমতে বাড়ি ফিরলেন। বুঝলেন, তাঁর স্ত্রী সন্তানেরা বন্দী... পাস্তুর ইনস্টিটিউট নাৎসীদের কবলে। নিজের সার্ভিস রিভলবার নিজের কপালে ঠেকিয়ে ট্রিগার টেনে দিলেন তিনি।

যোসেফের অনুরোধ মেনে নাৎসীরা পাস্তুরের সমাধি নষ্ট করেনি। যোসেফের স্ত্রী সন্তানরাও নাৎসীদের হাত এড়িয়ে শেষ অবধি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।

আজ সমগ্র পৃথিবী করোনা মহামারীর কবলে। এই ভাইরাসের মারক ক্ষমতা প্রায় ৩%। জলাতঙ্কর জন্য দায়ী রেবিস ভাইরাসের মারক ক্ষমতা কতো জানেন? ১০০%! একবার এই রোগ শিকড় গেড়ে বসলে কেউ বাঁচে না। সেই মৃত্যু বড় যন্ত্রণাদায়ক...
বড় ভয়ংকর। লুই পাস্তুর নিজের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন দ্বারা সময়মত 'পোস্ট এক্সপোজার প্রোফাইল্যাক্সিস' এর মাধ্যমে এই ১০০% কে প্রায় ০% এ নামিয়ে এনেছিলেন!
সেই পাস্তুর ইনস্টিটিউট আজও আছে। আমি নিশ্চিত, সেখানে দেশ বিদেশের বিজ্ঞানীরা আজ অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন করোনা'র ভ্যাকসিন তৈরী করবার জন্য। আমি নিশ্চিত, আজ না হোক কাল তাঁরা সফল হবেন।
তাই আশা ছাড়বেন না, ভেঙে পড়বেন না। আমরা মানুষ, পৃথিবীর সবচাইতে বুদ্ধিমান জীব, আমরা পারবো না তো আর কে পারবে? সফল আমরা হবই।
- সংগৃহীত

27/06/2022

শিক্ষনীয় - আত্মবিশ্বাসী অনূপ্রেরনার এক অণন্য দৃষ্টান্ত.....

এক তরুণী তার বাবাকে সাথে নিয়ে গাড়ি ড্রাইভ করছিলো। কিছুক্ষন পর আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে গেলো এবং তুমুল ঝড় এবং বৃষ্টি শুরু হলো।
তরুণী টি ভয় পেয়ে বাবাকে জিজ্ঞাসা করলো, বাবা কি করবো!
পেছনের সিট থেকে বাবা মেয়েকে সাহস যোগালেন,
''তুমি ড্রাইভ করতে থাকো। থেমো না"।
তরুণীটি গাড়ি ড্রাইভ করতে লাগলো, কিন্তু ঝড়ের প্রচন্ডতা আরো বেড়ে যাওয়াতে গাড়ি ড্রাইভ করা কঠিন হয়ে পড়ছিলো।
কিছুক্ষন পর গাড়ি নিয়ন্ত্রন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠলো।
তরুণীটি আবারো তার বাবার কাছে জানতে চাইলো থামবে কিনা।
বাবা আগের মতই ড্রাইভ করতে বললেন।
কিছুদুর ড্রাইভ করার পরে তরুণী লক্ষ্য করলো তার পথের কিছু সামনে ষোলো চাকার একটা লরি রাস্তার পাশে সাইড করে থেমে যাচ্ছে।
তার সামনে আরো কিছু গাড়ি রাস্তার একপাশে পার্ক করে থেমে আছে।
দৃশ্যটি দেখে তরুণীটি বাবাকে বললো,
"বাবা এবার আমাদের থামতেই হবে। আশেপাশের সবাই দেখো গাড়ি ড্রাইভ করা বন্ধ করে পথের পাশে থেমে যাচ্ছে"।
কিন্তু বাবা সেই আগের মতই তার সিদ্ধান্তে অটল। হাল ছেড়োনা। তুমি আস্তে আস্তে ড্রাইভ করতে থাকো।
বাবার কথা শুনে মেয়েটি সাহস পেলো এবং প্রচন্ড ঝড়ের মধ্যেও আস্তে আস্তে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো। এভাবে কয়েক মাইল যাবার পরে তরুণীটি লক্ষ করলো, ঝড় থেমে গেছে এবং সূর্য্য উঠে গেছে।
এবার বাবা বললেন,
'এবার গাড়ি থামিয়ে বাইরে বেরোতে পারো।'
তরুণীটি অবাক হয়ে বাবাকে জিজ্ঞাসা করলো, এখন কেন বলছো?
বাবা বললেন,
"এখন এজন্যই বের হতে বলছি যাতে তুমি পেছনের দিকে তাকাতে পারো এবং সেই সব মানুষদের দেখতে পারো যারা হাল ছেড়ে দিয়েছিলো এবং থেমে গিয়েছিলো। ওঁরা এখনো ঝড়ের মধ্যেই আছে।
কিন্তু তুমি হাল ছাড়োনি এবং থেমে যাওনি,
তাই তোমার ঝড় এখন শেষ!..."
জীবনের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার প্রযোজ্য।
জীবনে চলার পথে আমরা অর্থনৈতিক, আবেগিক, পারিবারিক, সামাজিক ক্ষেত্রে নানা ধরনের ঝড়ের মুখোমুখি হই এবং ভয় পেয়ে থেমে যাই। থেমে থাকার ফলে সেই ঝড়ে আমাদের জীবন গাড়ি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় যা আত্নবিশ্বাসে ঘাটতি এনে দেয়।
জীবনের রাস্তা রেসিং ড্রাইভের মত মসৃন নয়। জীবনের পথ বড়বন্ধুর। চলার পথে নানা ধরনের বাধা-বিপত্তিই আসবেই
কিন্তু, থেমে থাকলে ক্ষতির পরিমানই শুধু বাড়বে। কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে আশে পাশের মানুষগুলো কিংবা সবচেয়ে কঠিন লোকটিও হাল ছেড়ে দিয়েছে বলেই যে আপনাকেও হাল ছাড়তে হবে এমন নয়। পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক না কেন, ধীরে-ধীরে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকুন।
ঈশ্বরকে স্মরন করুন, ধৈর্য ধরুন, পূর্ণতা আসবেই জীবনে দেখবেন সাফল্যের ঝলমলে সূর্য্যটা আবারো আপনার মাথার উপর হেসে উঠবে।
- সংগৃহীত

25/06/2022
পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠিঃমা'রে,শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূ...
12/06/2022

পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠিঃ
মা'রে,
শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে নিজের মা হারানোর ব্যথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তোর মাকেও কোনদিন মা ছাড়া অন্য নামে ডাকেতে শুনিনি।

বিদ্যালয়ে প্রথম দিন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম। আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসছিলো। তাই চিঠির উপরে তোর নামের জায়গায় মা লিখেছি।
হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুঝতেই পারিনি। ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি? আমি তখন ভেতরে বসে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না। তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি। আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতির কাছে কি করে মুখ দেখাবো?

জানিস মা, তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুঁজে পেয়েছিস। কিন্তু আমার জীবন থেকে কুড়ি বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে। মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত জল করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে। তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে।
বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো মা, বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতোটা ভালবাসে তা বোঝাতে পারেনা, তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে। জানি মা, আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে। কি করবো বল?
তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস। কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করছিস সেদিন বুঝতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি, কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর প্রেমে পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম।
আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভালো লাগা টাকে সহজে মানতে চায় না? উত্তরটা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো, তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তরটা পেয়ে যাবি। তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না। কিন্তু একটা বাবা বোঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন। যেদিন তোর দিদার কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, যদি মেয়ে হয় তাহলে নিজের মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে কণ্যা দানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো। তাই তোর প্রতি এত অভিমান।
মারে বাবার উপর রাগ করিসনা। তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস, তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হবো না কেন? বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো?
আর যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোনো প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো? তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারি। যদি মন কাঁদে চলে আসিস বুক পেতে দেবো। হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা।
ইতি
তোর জন্মদাতা "পিতা"
(এই চিঠিটা পড়ে অন্তত একটি মেয়ে/ছেলেও যদি তাদের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে মন্দ কি...??)

পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার একটি মহতী উদ্যোগ। এটি হতে পারে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ...!যে স্কুলের মাসিক বেতন প্লাস্টিক বর্জ্য...
11/06/2022

পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার একটি মহতী উদ্যোগ। এটি হতে পারে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ...!

যে স্কুলের মাসিক বেতন প্লাস্টিক বর্জ্য!!

টাকা নয় প্লাস্টিকের বর্জ্য দিলেই পড়াশুনা করা যায় স্কুলটিতে। বাসা-বাড়ি কিংবা পথে-ঘাটে যে কোনো জায়গা থেকে কুড়িয়ে আনা পুরনো প্লাস্টিক পণ্য কিংবা পলিথিন বা এ ধরণের সামগ্রী হোক তাতেই চলবে। স্কুলের মাসিক বেতন কিংবা পরীক্ষার ফি সবই পরিশোধিত বলে গণ্য হবে।

এমন ব্যতিক্রমী স্কুলটি রয়েছে ভারতে। স্কুলটির নাম ‘অক্ষর’। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত পরিবেশের ক্ষতি মোকাবিলায় এমন উদ্যোগ। এতে করে অর্থাভাবে যেমন কারো লেখাপড়া ঠেকে থাকবে না তেমনি পরিবেশও থাকবে পরিচ্ছন্ন।

আসামের গুয়াহাটির পামোহিতে গাছপালা ঘেরা ‘অক্ষর’ স্কুলটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে। তবে গত ছয় মাস ধরে সেখানে টাকার পরিবর্তে প্লাস্টিকের বর্জ্য নেয়া হচ্ছে বেতন হিসেবে। স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা পারমিতা শর্মা এবং মজিন মুখতার বলেন, আমাদের স্বপ্ন ছিল এমন একটা স্কুল তৈরি করা যেখানে গড়পড়তা শিক্ষা নয়, পড়ুয়াদের নানা বিষয়ে উৎসাহী করে তোলা যাবে। তার প্রথম পদক্ষেপটাই হলো প্লাস্টিক দূষণ রোধ করা।

স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতি সপ্তাহে ১০ থেকে ২০ ব্যাগ করে প্লাস্টিক জমা করে। শুধু তাই নয়। মানুষ যাতে প্লাস্টিক বর্জ্য না পোড়ায় সে জন্যও সবাইকে অনুরোধ জানানো হয় এই স্কুল পড়ুয়াদের পক্ষ থেকে।

মজিন ও পারমিতা জানান, পামোহি গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করে। তাদের কেউ পাথর কাটে, কেউ নির্মাণ শ্রমিক কিংবা চা শ্রমিক। অভাবের সংসারে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোটা হলো এসব মানুষের কাছে বিলাসিতা। ফলে গ্রামে অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের স্কুলের পরিবর্তে পাথর খাদে পাঠান যাতে তারা প্রতিদিন কয়েক রুপি আয় করতে পারে।

‘অক্ষর ফোরাম’ এমন অবস্থার পরিবর্তন চেয়েছেন। তাই পরিবারগুলিকে কেবলমাত্র প্লাস্টিকের অপচয় হিসাবে ফি দিতে উৎসাহিত করেন। অক্ষর তাদের পরিবারের উপর কোন প্রকার আর্থ ছাড়াই সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে উৎসাহ দিয়েছিলেন।

শিক্ষার্থীদের জীবন যাপনে অভিজ্ঞতা এবং তাদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে ড. বর্থাকুর বলেন, সম্পূর্ণ পুনর্ব্যবহারযোগ্য কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের দ্বারা শুরু করা থেকে সম্পন্ন করা হয়। তাদের বিভিন্ন ধাপে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, স্কুলে এটিকে পৃথকীকরণ এবং সেটিকে পুনরায় ব্যবহারের জন্য প্রাথমিকভাবে উপযোগী করে রাখা তাদের শেখানো হয়। এখন স্কুলটি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতনের বিকল্প হিসেবে প্লাস্টিক ছাড়া আর কিছুই নেয়া হয় না।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি হিসাবে প্লাস্টিকের বর্জ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ‘অক্ষর ফোরাম’ শিক্ষাকে যে শুধুমাত্র সাশ্রয়ীই করছে তাই নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে তারা নাড়া দিয়েছে। এর হাত ধরে আসামের ছোট্ট গ্রামটিতে পরিবর্তন আসছে। ধীরে ধীরে সে পরিবর্তন হয়তো আরো বেগবান হবে।
- সংগৃহীত

 #কবিতাঃ স্বপ্ন বিমুখকলমেঃদিপ্তী রঞ্জনখুঁজতে নেই কিছু কিছু সুখআশারা বজায় থাক হয়ে স্বপ্ন বিমুখ।নিবিড় প্রশান্তি মনোনয়নের য...
12/05/2022

#কবিতাঃ স্বপ্ন বিমুখ
কলমেঃদিপ্তী রঞ্জন

খুঁজতে নেই কিছু কিছু সুখ
আশারা বজায় থাক হয়ে স্বপ্ন বিমুখ।
নিবিড় প্রশান্তি মনোনয়নের যে তটিনী
জীবন স্বাচ্ছন্দ‍্যের গহীন পেতে
ইহকালে তারে কখনোই খুঁজিনি।

বন‍্যার স্রোতে ভেসে চলা জীবনে-
কিনারায় ঠাঁই পাওয়াটাই যেন স্বপ্ন রোপনের
নব‍্যতা ফিরে পাওয়ার আলোকিত ক্ষণ -
অবলীলায় জানান দেয় সন্তুুষ্টির আলাপন।

দেখো কানন..............
বাগিচায় সমাহারের শত ফুল;
তবু সুবাসহীন কাটাযুক্ত হয়ে রয়ে যাওয়ার -
হর্ষ স্রোতের উচ্ছলতায়;
আনন্দলোকে দিয়েছি দোল।

মায়ার কানন ছেড়ে গহীন বনে
পারি দিতে পারলেই তুষ্ট হওয়া যায়!
এমনকি;জিতে যায় হেরে যাবার গল্প।
অসীম উপলব্দ্ধির সীমানায় যতটা অর্জন
তারও অধিক হারানোর গল্পের ব‍্যথারা
অবিন‍্যস্ত পড়ে রয়।

সরদহ্ সরকারি মহাবিদ‍্যালয়
রাজশাহী।

Address

Rajshahi
6205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ranjan's Boutique posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share