জোকস ৪২০+

Call Directions Contact the business

জোকস ৪২০+ This is a Fun store

www.facebook.com/sadless.jokes
The facebook.id www.facebook.com/sadless.royel This is a fun page .

I like to write trools jokes and have so much fun............

09/11/2018

2010 সালে চীনে
এক কলেজ ছাত্রী ওতার প্রেমিক পাবলিক বাসে কলেজে যাচ্ছে।
মেয়েটি ছিল খুব সুন্দরী এবং সে ছাড়া বাসটিতে অন্য সব যাত্রী ছিল পুরূষ।
হঠাৎ ৪-৫ জন যুবক মেয়েটির প্রেমিককে সরিয়ে মেয়েটিকে টেনে সিট থেকে বাসের দুই সিটের মাঝে অানে।
মেয়েটিকে বাচাতে তার প্রেমিক কিংবা বাসের অন্য কোন যাত্রী ভয়ে এগিয়ে অাসেনি
কিন্তু মেয়ে টির ধর্ষণ দেখে একজন মধ্য বয়স্ক লোক এগিয়ে অাসলে ধর্ষণ কারীরা মারধর করে. মেয়েটিকে এক এক করে ৫জন ধর্ষণ করে মেয়েটিকে অাবার পোষাক পরিয়ে মেয়েটির প্রেমিকের সিটের পাশের সিটে বসিয়ে রাখে।
তখন ও বাস চলতেছে।
সব যাত্রীরা স্বাভাবিক ভাবে বসে অাছে।
কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর মেয়েটি বাসের ড্রাইভারের পাশে বসা এক ধর্ষকের কোলে গিয়ে বসে,
একটু পর ধর্ষকদের অনুরোধ করে,
যে মধ্যবয়স্ক লোকটি তাকে বাচানোর চেষ্টা করেছিল ঐ লোকটিকে বাস থেকে নামিয়ে দিতে,
ধর্ষকরা লোকটিকে নামিয়ে দিল।
কিছুক্ষণ মেয়েটি নীরবে এক ধর্ষকের কোলে বসে রইল।
ধর্ষক ও বাসের যাত্রী সবাই অবাক দৃষ্টিতে
মেয়ে টির দিকে তাকিয়ে রইল।
হঠাৎ মেয়েটি ড্রাইভারের হাত সরিয়ে বাসটিকে দূর্ঘটনা ঘটাল।
বাসের সব যাত্রীমারা গেল।
;::,,,শিক্ষনীয়ঃ যারা অন্যায়ের প্রতিবাধ করতে পারে না,
তাদের পৃথীবিতে বেচে থাকার কোন অধিকার নেই।

09/11/2018

ইঞ্জিনিয়ার'স ডায়েরি - Engineer's Diary
#১.. মেয়েটা বাস ভাড়া দিতে ব্যাগ খোলার সাথে সাথে ব্যাগ থেকে সিগারেটের প্যাকেট টা টুক করে পড়ে গেলো।
আশে পাশের মানুষের ভ্রু কুচকে তাকালো। এক জন বলেই বসল "কি যুগ পড়ল মেয়েরাও ব্যাগে সিগারেট নিয়ে ঘোরে।"
কেউ জানেনা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মেয়েটা ছোট ভাইকে সিগারেট খাওয়ার জন্য থাপ্পড় মেরে সিগারেটের প্যাকেটটা নিজের ব্যাগে রেখেছিলো। রাস্তায় ফেলে দেবে ভেবেছিল কিন্তু বাস এসে যাওয়ায় ভুলে গেছে।
#২.. 40 বছর বয়সী একটি লোক নাইটে ক্লাশ করতে কলেজে এসেছে....
আশে পাশে সবাই যুবক।
একজন মন্তব্য করেই বসলো
"আঙ্কেলদের সঙ্গে আজকাল ক্লাশও করতে হয়!!"
কেউ জানেনা লোকটির বাবা অনেক আগে মারা গিয়েছে। সংসারের হাল ধরার জন্য বড় ছেলে হিসেবে তাকে তখন পড়াশোনা ছাড়তে হয়েছিলো।
এখন এই বয়সে সে আবার লেখাপড়া করার জন্য আর্থিক দিক দিয়ে সক্ষম, তাই আবার পড়াশোনা শুরু করেছে।
কারণ তার পড়তে ভালো লাগে।
#৩.. মহিলাটি লিপস্টিক লাগিয়ে পার্টিতে এসেছে। গতবছরই জোয়ান ছেলে রোড এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে।
চেনা একজন মন্তব্য করে বসলো
"শখ কি রে বাবা। ছেলেটা মারা গেছে…এসেছে লিপস্টিক ঠোঁটে লাগিয়ে !"
কেউ জানেনা। আজকের দিনেই মহিলা তার ছেলের জন্ম দিয়ে ছিলেন॥ পার্টিতে আসার আগে মা ছেলের ডায়েরি বুকে জড়িয়ে অঝোরে কেঁদে এসেছেন। ডায়রিতে যেখানে লেখা ছিলো
"আমার মা খুব সুন্দর… সাজলে মাকে অত্যন্ত সুন্দরী লাগে,আজ আমার জন্মদিন মা কিন্তু একটুও সাজেনি...ভাল্লাগেনা আমার"
#৪.. ছেলেটা ফুল কিনে মেয়েটার হাতে দিচ্ছিলো। পাশ থেকে একজন বলে উঠলো
"ভালোই মানিয়েছে রে!"
কেউ জানেই না মেয়েটা তার নিজের দিদি এবং মেয়েটার আজ চাকরির প্রোমোশন হয়েছে বলে ছোট ভাইয়ের সামর্থ্য অনুযায়ী ঐ ফুলটাই কেনা সম্ভব ছিলো তার পক্ষে।
#৫.. ছেলেটা বন্ধুদের আড্ডায় খুব হাসিখুশি । গত সপ্তাহেই তার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গিয়েছে।
প্রিয় বন্ধুদের মধ্যে একজন মন্তব্য করে বসলো
"এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলি সব!"
কেউ জানেই না যেদিন তার প্রেমিকার বিয়ে হলো সেদিন থেকে সে এক রাতও শান্তিতে ঘুমায় নি। শুধু কেঁদেছে।
মানুষের সামনে ভালো থাকার মিথ্যা অভিনয়ে সে আজ জয়ী।
#৬.. ছেলেটা খুব রোগা !
একেবারে পেংলা যাকে বলে।
একজন মন্তব্য করলো
"নেশা টেশা করে মনে হয়"
অথচ কেউ জানেই না ছেলেটা ক্যান্সার নামক ভয়াবহ রোগে ভুগছে।
এটাই আমরা । আমি, আপনি, আমরা সবাই । বদলাতে পারিনা নিজেদের কে একটু ! চলুন না, চেষ্টা করি নিজেদের মানসিকতা অল্প একটু বদলাতে, একটু অন্যভাবে ভাবতে !
চলুননা সবসময় পজেটিভ চিন্তা মাথায় আনি.........

11/10/2018

"দুনিয়া ও আখিরাতের উদাহরণ হচ্ছে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী স্ত্রীর মত; তুমি যদি তাদের একজনকে খুশি করো তাহলে অপরজনকে অবশ্যই অসন্তুষ্ট করতে হবে।"
- ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ (রহ.)

13/06/2018

ভাবছি ক্রাস এন্ড কনফেশনস ফর অল
নামে একটা পেজ খুলব যেটাতে শুধু ক্যাপশন লেখা হবে...
আর ক্যাপশন প্রতিযোগিতা করে পেজ বুস্ট মারব........
যেভাবে সাহিত্য চর্চা চলছে খুব তাড়াতাড়ি আমরা খুজে পাবো

20/04/2018

1st guy: Do you have phone?
2nd guy: I Phone

1st guy : Awesome man....
2nd: Guy Oops, It will be I have phone....

17/04/2018

মাঝে মাঝে চিন্ত হয়
এই পেজের এত ফ্যান ফলোয়ার
অন্যরা হয়ত অনেক ঈর্ষা কর

11/04/2018

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

07/04/2018

কে বলেছে তুমি সফল না
তুমি ৩ লাখ শুক্রাণুর সাথে দৌড়ে জয়ী হয়েছ

19/03/2018

গল্প - হানিসা →→Π পর্ব-১Π
TODAY · PUBLIC
2 Reads

Title: হানিশা

বাস্কেটবল খেলছিলাম বন্ধুরা মিলে। আমাদের সামনে ঢাবি এর সাথে ফাইনাল খেলা। বরাবরই রাবি কে হারিয়ে চলেছে ঢাবি। তাই এবার কোচের কড়া নির্দেশ হারাতেই হবে ঢাবি কে যেকোনো মর্ল্যেই হোক। এর আগে ৪ বার আমাদের ফাইনাল নষ্ট করেছে তারা। এবার তাই আমরাও হাল ছারব না। দিন রাত প্রাকস্টিস চলছে। দুই দলে ভাগ হয়ে চলছিলো খেলা বিপরীত দল আমাদের চেয়ে শক্তিশালি। অধিনায়ক সহঅধিনায়ক দল। আরমান অধিনায়ক। বেশ ভালো খেলোয়ার ওকে আটকানো অনেকটা অসম্ভব ব্যাপার আর ওদের ডিফেন্সের তানভীরকে ফাকি দিয়ে বাস্কেট করা অনেক কষ্টের ব্যাপার। আমরা তাই বাস্কেট খেতে খেতে পেট টা ভরিয়ে ফেলেছি। কোচ রীতিমত আমার ওপর খ্যাপা আজ আর রেহাই নেই ৫০ রাউন্ড দৌড় হবে শাস্তি। হঠাত শুরু হলো নাটকীয়তা। শব্দের ভীড়ে শুনতে পেলাম কেউ একজন আসছে। হাই হিলের শব্দ। আমার বুঝতে বাকি রইল না এটা নিশা। ভার্সিটিতে ভর্তি পরিক্ষায় আমার সাথেই সিট ছিলো। অনেক মেধাবী ছাত্রি। পরীক্ষা শুরু আগে আমাকে বলেছিলো সাহায্য করার জন্য। আমি বলেছিলাম যে এ পরীক্ষায় সাহায্য করা যায় না। কোনো কথা না বলে মাথা নারিয়ে বসে গেলো। পুরো পরীক্ষায় একবার ও তাকালো না। দেখলাম ৪০ মিনিট পর বসে আছে। ভাবলাম একটু সাহায্য করব কিন্তু আমার দিকে আর তাকাই নি। পরে জানতে পারলাম ল তে ভর্তি হয়েছে। আর আমার সাবজেক্ট সাংবাদিকতা। একই ভবন আমাদের। তাই মাঝে মাঝেই দেখা হতো। কিন্তু আমান সাথে কথা বলত না নিশা। মনে হয় সেদিনের রাগ এখোনো পুষে রেখেছে ।
ও আসার পর আমাদের দলে অন্য রকম জোস পেলো। একের পর এক বাস্কেট দিয়ে গেলাম আমরা। শেষে জিতেও গেলাম। কোচের হুইসেল আজকের খেলা শেষ। আরমান অনেক উত্তেজিত হয়ে আছে। ও হার সহ্য করতে পারে না। এর জন্য দুইবার তাকে খেলায় বহিস্কার করেছে কতৃপক্ষ। ওর খুব বাজে রাগ। নিশা ওকে উপহাস করার জন্য হাসছিলো। ভুল করে মুখ দিয়ে বলেই দিয়েছিলো '' তুমি ত খেলতেই পারো না, কতগুলো বাস্কেট খেয়েছো। ''
আমার কোনো কথা না বলে হাতের বলটি ছুরে মেরে দিলো আর একটা কষে থাপ্পর দিলো নিশা কে। কিছু বল্ল না নিশা। নিশা উত্তর দেয় না কখোনো। আশ্চর্য় ওর চোখ দিয়ে পানিও পরল না। অভ্যাস আছে মনে হলো আমার। কিন্তু কখন আমার চোখ দিয়ে পানি পরেছে নিজেও বুঝতে পারিনি। আমি তখোনো ড্রিবলিং করছিলাম। আমার ড্রেসিং রুমে কাপর পাল্টাচ্ছিলো। একবার ভাবলাম নিশাকে গিয়ে একটু শান্তনা দেই। কিন্তু আবার মনে হলো ও ত আমার সাথে কথাই বলে না। তবে আমাদের অনেকেই সন্দেহ করে আমি নিশাকে পছন্দ করি। কিন্তু আমি কাউকে কিছু বলি না এর উত্তরে কারণ আরমান আমাকে বিশ্বাস করে।
আরমান রেগে চলে যাচ্ছিলো তখন নিশা পিছন থেকে দৌড়ে গিয়ে আরমানের হাত ধরে বল্লো সরি।
আজব সম্পর্ক যেখানে সরি বলার কোথা আরমানের সেখানে সরি বলছে নিশা। ড্রিবলিং চালিয়ে যাচ্ছি আর ওদের দেখছি । হঠাত জায়েদ এসে বল কেরে নিলো আর বল্লো হবে না হবে না দেখলেই হবে না। যথারীতি আমি কোনো উত্তর দিলাম না
উত্তর দিলে কথা বলার প্রবণতা মানুষের বেরে যায়। আর বেশীর ভাগ সময়ই কইফিরত যারা দেয় তাদের ই দোষি বলে মনে করে মানুষ। আমি সেই কাতারে যেতে চাইনি।

আমি হানিফ। ভার্সিটি অনেক কষ্টে চান্স পেফেছি বলা যায় ভাগ্যের জোরে। ছোটোবেলা থেকে খেলধূলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। গ্রামের ছেলে হওয়া খুব একটা কিছু বুঝি না। ছোটোবেলা থেকে কাজ করার অভ্যাস। বাবাকে জমিতে সাহায্য করতাম। অনেক সময় রান্না ও করতে হতো। কেনান ছোটবেলায় মা মারা গেছে মায়ের আদর খুব একটা পাইনি এখন এসে পড়াশুনা করছি একটু আধটু। তবুও বেশির ভাগ সময় নিশা কে নিয়েই ভাবতাম। কি অপরুপ মেয়েটা আলাদা একটা মায়া আছে তাকিয়ে পুরো দিন পার করে দেওয়া যায়। চুপ চাপ লাজুক। অথচ তাকে কীভাবে মারল আরমান। এই ভেবেই যখন হলে বারেন্দায় বসে ছিলাম তখন রশিদ এসে বল্ল বন্ধু তুমি কি নিশাকে চাও?
- এ কেমন কথা। ও আমার বন্ধুর
- তাতে কি?
- ওদের সম্পর্ক ২ বছরের
- কত দিনের সম্পর্ক ভেন্ঙে যায়
- আমি পারব না
- আরে তোকে পারতে হবে না। আমি শিখিয়ে দিচ্ছি। তুই একটা ফেক আইডি খুলে আরমানের সাথে প্রেম কর
- যাহ পাগল। কি বলিস এগুলো ছেলরর সাথে কেনো প্রেম করব
- আরেক সত্যিকারের না ত। অভিনয় করবি। নিশার সামনে খারাপ দেখাবি। দিয়ে ওদের সম্পর্ক শেষ। তোর লাইন ক্লিয়ার
- নাহ নাহ। এগুলো করা যাবে না। আর তোকে কে বলেছে আমি নিশাকে পছন্দ করি
- সবকিছু বলতে হয় না বন্ধু।আমি বুঝি। না বিঝলে কিসের বন্ধু
- তোকে এত বেশি বুঝতে হবে না। চল টুকিটাকিতে যাই। চা খেয়ে আসি
- নাহ বন্ধু যাবো না। কিন্তু তুই আমার কথা টা ভেবে দেখ
চলে গেল রশিদ। ভাবলাম সত্যি কি আমি নিশাকে ভালবাসি? এটাই কি ভালোবাসা নাকি ভালো লাগা। এভাবে অন্যের সম্পর্ক ভান্ঙা কি ঠিক? ভাবতে ভাবতে সময় কেটে গেলো বিকেলের। সামনে খেলা আবার প্রাকটিসে গেলাম। আরমান কে দেখলাম হাসিখুশি। আবার আগের দিনের মত বাস্কেট খেতে লাগলাম। চেষ্টা করার ইচ্ছা জাগল না। কেমন জানি নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছিলো যে আমার জন্য অন্য কেউ চর- থাপ্পর খাবে। বাস্কেট কে মনে হতে লাগল নিশার গাল। আর বলটা আরমানের হাত।

মিনহাজুল ইসলাম রয়েল

Address

Www. Facebook. Com/sadless. Jokes
Rajshahi
THISISFORALLFUNLOVER

Telephone

01796021832

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জোকস ৪২০+ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জোকস ৪২০+:

Shortcuts

Share