Rajshahi Bazar

Rajshahi Bazar Rajshahi Bazaar

21/05/2016
07/03/2016

#রিজার্ভের_৮শ_কোটি_টাকা_হাতিয়ে_নিল_বিদেশি_হ্যাকাররা
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ১০ কোটি ডলার হাতিয়ে নিয়েছে বিদেশি হ্যাকাররা। দেশে এর আগে কখনও এত বড় সাইবার অপরাধ হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা চুরি হওয়ার খবরও কখনও শোনা যায়নি। চুরি হওয়া অর্থ ফেরত পেতে বাংলাদেশ ব্যাংক অত্যন্ত গোপনে মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে জোর তৎপরতা শুরু করেছে।

সম্প্রতি কয়েক দফায় এটিএম বুথে স্কিমিং ডিভাইস বসিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনার পর রিজার্ভ থেকে টাকা চুরির চাঞ্চল্যকর এ তথ্য জানা গেল। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সাইবার অপরাধীরা। প্রাথমিক তথ্যসূত্রের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, চীনা হ্যাকারদের একটি দল বিপুল এ অর্থ প্রথমে ফিলিপাইনের ব্যাংকিং চ্যানেলে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে অন্য কোথাও পাচার করে। হ্যাকের মাধ্যমে অর্থ চুরির বিষয়টি জানার পর দ্রুত তৎপরতা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই অর্থ ফিলিপাইনে স্থানান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সেখানে পাঠানো হয় দুই কর্মকর্তাকে। তারা ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও দেশটির অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করে এসেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্য জানতে নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করা হয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কিছু বলতে রাজি হননি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা হ্যাকের মাধ্যমে অর্থ চুরির বিষয়টি স্বীকার করলেও বিস্তারিত জানাতে চাননি। তিনি সমকালকে শুধু এটুকু জানিয়েছেন, 'হ্যাক হওয়ার বিষয়টি যেহেতু চিহ্নিত করা গেছে, তাই এখন অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে। ফিলিপাইনে যাওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছে। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের (বিএফআইইউ) তথ্য বিনিময়ের সমঝোতা চুক্তি থাকায় এ অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে।' তবে চুরি হওয়া অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের অথবা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কি-না তা জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে বিপুল এ অর্থ চুরির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের বিনিয়োগ যেভাবে সংরক্ষিত হয়, তাতে ভেতরের কারও সহযোগিতা ছাড়া হ্যাক করে অর্থ চুরি করা খুবই জটিল। বিষয়টি নিয়ে এখন বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া দাপ্তরিক কাজে তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার ও অনলাইন কার্যক্রমের বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার সতর্কতামূলক একটি অফিস আদেশও জারি করা হয়েছে।

এদিকে ফিলিপাইনের দৈনিক দ্য ইনকোয়েরার পত্রিকায় গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ থেকে ১০ কোটি ডলার মানি লন্ডারিং হয়েছে বলে একটা খবর প্রকাশ করে। ওই খবরে বলা হয়, দেশটির মাকাতি শহরে অবস্থিত রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের একটি শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ ফিলিপাইনে আসে। চীনা হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা সেখানকার কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ অর্থ হাতিয়ে নেয়। হ্যাকার দল এ অর্থ প্রথমে ফিলিপাইনে পাচার করে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অর্থ পাচারের এ ঘটনা তদন্ত করছে ফিলিপাইনের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল। বিভিন্ন তথ্যসূত্রের উদৃব্দতি দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পরে ওই অর্থ সেখান থেকে ক্যাসিনোসহ একাধিক হাত ঘুরে অন্য দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচারের তথ্য জানার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি তিন দিনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের ডিজিএম জাকের হোসেন ও বিএফআইইউর যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রবকে পাঠানো হয় ফিলিপাইনে। সেখানে গিয়ে এ দুই কর্মকর্তা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'ব্যাংকো সেন্ট্রাল এনজি ফিলিপিনাস' (বিএসপি) ও অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) সঙ্গে আলদা বৈঠক করেন। বিশেষ এ দুটি বৈঠকে হ্যাকার গ্রুপ চিহ্নিত করে টাকা ফেরতের ব্যবস্থার বিষয়ে তাদের সহায়তা চাওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, রিজার্ভের অর্থ কোন দেশে, কোথায় বিনিয়োগ বা সংরক্ষণ করা আছে তা সুইফট কোডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বিশ্বব্যাপী সুরক্ষিত হিসেবে বিবেচিত এ নেটওয়ার্ক হ্যাক করে রিজার্ভ থেকে টাকা চুরির ঘটনা ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ঘটেছে। এরপর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশের (এনপিএসবি) চ্যানেলের মাধ্যমে সুইফট ব্যবহার বন্ধ রাখা হয়েছে।

অর্থ চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতামূলক অফিস আদেশে সবাইকে বাংলাদেশ ব্যাংকের 'তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিমালা ও নির্দেশনা' মেনে চলতে বলা হয়েছে। সব কর্মকর্তার অনুপস্থিত অবস্থায় পিসি খোলা না রাখা, অন্যের পিসি ব্যবহার না করা, অননুমোদিত কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার না করা, অপরিচিত বা সন্দেহজনক ই-মেইল না খুলে সরাসরি ডিলেট, অননুমোদিত কোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অফিস সময়ের পর বা ছুটির দিনে অফিসে উপস্থিত থেকে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের প্রয়োজন হলে আইটি বিভাগের পূর্বানুমতি নিতে বলা হয়েছে।

এ আদেশে আরও বলা হয়েছে, কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ, সার্ভারসহ অন্যান্য আইসিটি উপকরণ এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ও অন্যান্য সফটওয়্যারের ব্যবহারে আগে থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা রয়েছে। এর পরও লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ব্যবহারকারীরা এসব নির্দেশনা পরিপালন করছেন না। ফলে সার্বক্ষণিক অনলাইনে যুক্ত আইসিটি সিস্টেমের নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময়ের নির্দেশনার পাশাপাশি কমপক্ষে মাসিক ভিত্তিতে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছে এ আদেশে।

23/02/2016
17/02/2016

আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।
নিশ্চয় আল্লাহর রহমত থেকে কাফের সম্প্রদায়, ব্যতীত অন্য কেউ নিরাশ হয় না।
(সূরা ইউসূফ:87)

15/02/2016

রাগ মানুষের ইমানকে নস্ট করে, হিংসা মানুষের নেক আমলকে ধব্বংস করে, আর মিথ্যা মানুষের হায়াত কমিয়ে দেয়।

15/02/2016

মসজিদ থেকে বের হয়ে যেমন টুপি ভাঁজ করে পকেটে রেখে দিই, ঠিক তেমনি আজ আমরা ইসলামকেও শুধু মসজিদের মনে করে ভাঁজ করে স্বযত্নে রেখে দিই।
আযান দিলে রাস্তাঘাট, অফিস,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সবখানে মেয়েরা যেমন মাথায় কাপড় দেয়, ইসলামকেও আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেধে ফেলেছি।
কিন্তু ইসলাম কি নির্দিষ্ট জায়গা আর নির্দিষ্ট সময়ে পালন করার কিছু? ইসলাম তো এসেছে আপনার প্রত্যেকটি সেক্টরকে কন্ট্রোল করার জন্য। ' লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ' পড়ার সাথে আমার পুরো দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আবশ্যক।
তাইতো হাদীসে এসেছে এ 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এর ওজন সাত আসমান সাত জমিনের চেয়েও বেশি। প্রত্যেকটা জিনিসকে, জীবনের প্রত্যেক ডিপার্টমেন্টকে,প্রত্যেকটা মুহুর্তকে আল্লাহর রঙে সাজানোর কাজটির মধ্যেই রয়েছে ইসলামের প্রকৃত তত্ত্ব।

স্থান এবং সময়ের চারকোনে আবদ্ধ ইসলাম মুক্ত হউক।

08/02/2016
31/01/2016

একটি খারাপ সূচনা খারাপ সমাপ্তি ডেকে আনে ।
-ইউরিপিডিস

31/01/2016

-স্যার,ও খুব ভালো স্টুডেন্ট।সব সময় কলেজে আসে।ফাস্ট বেঞ্চিতে বসে সব সময়।ওকে কি ফেল করানো যায়?
এই ছেলে তুমি পারবে বল...-এই তুমি পারবে উত্তরটা।আমিই তো শিখিয়েছি তোমাকে।আমার কাছে টার্মেও বলেছো।পারবে বল।ছাত্র কিছুক্ষন আকাশ কুসুম ভাবে।ছাদের দিকে তাকিয়ে উত্তর খুজতে থাকে।এক সময় হাল ছেডে দেয়।সামনে এক্সর্টানাল এর পাশে ইন্টার্নার বলতে থাকে-কি ভয় পেয়েছ?ভয়ের কিচ্ছু নেই।ওহ!তুমি মনে হয় সকালে নাস্তা করনি নাহ!আহা...আমার সব চাইতে ভালো ছেলেটি!!!.....খুব কমন একটি সিনারিও।নিজের স্টুডেন্টকে পাস করানোর জন্য আপ্রাণ চেস্টা।একটু মাথা ঠান্ডা করে সিনারিওটা পাল্টে দিন..এই ইন্টার্নারই যখন অন্য কলেজে এক্সর্টানাল হয়ে যায় তখন ওনার চেহারা পালটে যায়।ইনার কাছ থেকেই নিজ ছাত্রকে পাস করানোর জন্য হয়তো অন্য একজন আপ্রান চেস্টা করতে থাকে...একটি ভাইস-ভার্সা রিয়েকশন এর মত।এই স্রোতে দেখা যায়,অনেক ভালো স্টুডেন্ট ফেল করে যায়।আবার অনেক খারাপ স্টুডেন্টও পাস করে যায়কিছুই না পেরে।........একজন প্রফেসর স্যারকে আমি বলতে শুনেছি...'কেউ না পড়ে পাস করতে পারবে না।মানুষ মারার ডা. মারার ডা. আমি বানাতে পারবো না।'আমার মনে হয় সব স্যারদেরই এমনটা চিন্তা।কেউ মানুষ মারার ডা. বানাতে চায় না বলেই ফেল করায়।কিন্তু,যদি তাই হয়...তবে কেউ একজন মানুষের দু' রকম চেহারা।নিজের স্টুডেন্ট এর জন্য দূত আর অন্যের স্টুডেন্ট এর জন্য জম???কেন আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এত্ত বৈষম্যতা?কেন সবার জন্য সমান সুযোগ নেই?.....যারা নিজ যোগ্যতায় সেকেন্ড প্রফ পাস করেছ..সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দ্যন।আর যারা ফেল করেছ..আশা করি খুব শীঘ্রই দু:খ ভুলে পড়তে বসবে।পাস হবেই!---

31/01/2016

>তোমার বাবা কি করে?
জ্যি ম্যাম! মেডিসিন স্পেশালিষ্ট।
অ আচ্ছা!স্যারকে আমার সালাম দিও
তারপর নেক্সট,তোমার বাবা কি করে?
জ্যি ম্যাম!ভার্সিটির অধ্যাপক।
তারপর তোমার বাবা কি করে?
ছেলেটা একটু মাথা নিচু করে রিপ্লাই দেয়,জ্যি
ম্যাম, বাবা গ্রামের বাড়িতে কৃষি কাজ করে।
অ...
সেই প্রথম দিনের এই পরিচয় এর পর থেকে স্যার
ম্যামদের মাথায় একটা জিনিস সেট হয়ে যায়
কার বাবা ডক্টর,ইঞ্জিনিয়ার বা উচ্চপদস্থ
কেউ।এর পর থেকে প্রতি ক্লাস,কার্ড টার্ম বা
ভাইবা,প্রেসেন্টেশন এমনকি সেমিস্টার
ফাইনালেও তাদের একটা এক্সট্রা প্রায়োরিটি
দেয়া হয়।
অজোপারা গায়ের ক্ষেত থেকে উঠে আসা
ছেলেটা মেধার জোড়ে এগিয়ে থাকলেও বাবার
জোড়ে অনেকটা পিছিয়ে পড়ে।সে যতই ভাল
পারফরমেন্স করুক না কেন তার সি,জি,পি,এ
লেকচারার হিসেবে নিজের ভার্সিটিতে ঢোকার
মত হবে না।
সে যতই এক্সক্লুসিভ কোশ্চেন এর উত্তর দেক
না কেন কখনোই অনার্স(মেডিকেলে)পাওয়ার
উপযোগী হবে না।
কারন অই সিটগুলি কিছু বিশেষ ব্যক্তিবর্গের
ধনরত্নের জন্য সিলেক্ট করা।তাদের ছেলেমেয়ে
যতই ট্যলেন্ট হোক তারা নিজ আলোয়
আলোকিত হবে না,বাবার আলোয় আলোকিত
হবে।
কোনদিন যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হই
তাহলে অই তিন নম্বর এর ছেলেটিকে কানের
ঠিক দুই ইঞ্চি নিচে একটা থাপ্পর লাগিয়ে বলব:
শালা!মাথা নিচু করে বলস কেন বাবা কৃষি কাজ
করে?
সবার সামনে দাঁড়িয়ে মাথা উচু করে বল,বাবা
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কৃষি কাজ করে তার
সন্তানকে দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছে।
মাথা উচু করে বল,তোর বাবা প্রাইমারী স্কুল
শিক্ষক হয়ে তোকে এই জায়গায় পড়াচ্ছে।
I m proud of my father....
তোমাকে অই ছোট ভার্সিটির লেকচারার হবার
দরকার নেই।তুমি অক্সফোর্ডের লেকচারার হবা।
তোমাকে অই ছোট্ট মেডিকেল কলেজের
ছোট্ট একটা জবের জন্য লড়াই করতে হবে না।
তুমি সিঙাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ কর্তব্যরত
চিকিৎসক এর দায়িত্ব নিবা।
ক্ষেত থেকে উঠে এসে আকাশ ছোয়ার দৃষ্টান্ত
এইদেশে একটা দুইটা না, হাজারটা।
কাউকে ছোট করে দেখলে সে ছোট হয়ে যায়
না,যে ছোট করে দেখে সে ছোট হয়ে যায়।
আমাদের পকেটের ব্যসার্ধ বড় করার চেয়ে মনের
ব্যসার্ধ বড় করাটা অনেক জরুরী।
কথাগুলো জীবন থেকে নেয়া.....
তোমার...
আমার....
আমাদের সকলের........

31/01/2016

একটি নারীর যখন জন্ম হয়, ইসলাম
বলে “যার ঘরে প্রথমে কন্যা সন্তান হয়
সেই ঘর বরকতময়”।

29/01/2016

Welcome to Rajshahi Bazar

Address

Rajshahi
6000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajshahi Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share