Nibedita

Nibedita We are in finished leather product business since 1986. sourcing from BD,China,Thailand & India. now dealing with various lifestyle products.

Nibedita was founded back in 1986 by late Raihan ul Haque as a "footwear" shop.In present days by grace of almighty Allah & encouragement of authentic customer base, we added lifestyle items in our product line; whereas also started sourcing from China, Thailand as well as India.Our motto is to satisfy customer with quality lifestyle products in reasonable price,as we believe in "VALUE OF MONEY".

13/04/2023

নিবেদিতা এক্সক্লুসিভ লাইফ স্টাইলে আপনাদের স্বাগতম #নিবেদিতা #ঈদেকেনাকাটা #ঈদফ্যাশন
We are in finished leather product business since 1986. sourcing from BD,China,Thailand & India. now dealing with various lifestyle products.
adress:Batar mor, Ranibazar,Rajshahi-6100

31/12/2022

হোক শুরু নতুনভাবে।
সবাইকে
Happy New Year
2023

🙋‍♂️কে কোন team support করেন?
20/06/2022

🙋‍♂️কে কোন team support করেন?

29/05/2022

জুতা পালিশ
পর্ব ২

ব্যবহার

জুতা পালিশ ন্যাকড়া, কাপড়, বা বুরুশ ব্যবহার করে প্রয়োগ করা হয়। এটা কোন পরিষ্কারক উপাদান নয়, আর তাই এটি প্রয়োগের আগে জুতা ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে। ভালোভাবে ঘষে ঘষে জুতা বা বুটে পালিশ লাগাবার পর নরম পরিষ্কার কাপড় বা বুরুশ দিয়ে ভালোভাবে ঘষে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আরেকটি পদ্ধতি আছে, যা থুথু পালিশ বা বুল পালিশ নামে পরিচিত। এ পদ্ধতিতে কাপড় দিয়ে কোমলভাবে চামড়ায় পালিশ লাগানো হয় এবং সাথে পানি বা লালা ব্যবহার করা হয়। এর ফলে আয়নার মতো চকচকে জুতো পাওয়া যায়। এটি সেনাবাহিনীতে অনেক গুরুত্ব বহন করে। নাম থুথু পালিশ হলেও তরল হিসেবে পানির ব্যবহারই বেশি লক্ষণীয়। যেসব পালিশে কার্নোবা মোম থাকে, সেগুলো চামড়ার জুতার স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য বর্ধন করে তোলে। [১]

বর্তমানে জুতাপালিশ স্পঞ্জে লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায়, ফলে পরবর্তীতে স্পঞ্জ বা চামড়ায় আর কোন অতিরিক্ত পালিশ লাগাবার দরকার হয়না। একে প্রলেপক বলা হয়। কিছু জুতা যত্নসামগ্রী প্রস্তুতকারক কোম্পানি চাপ দেয়া যায় এরকম প্লাস্টিকের বোতলে তরল জুতা পালিশ উৎপাদন করে। ঘনত্ব কমাবার জন্য বোতলজাত পালিশে মোমজাতীয় উপাদান খুব কম থাকে।

ঠিক জুতার পালিশ নয়, কিন্তু এর মতো অনেক পণ্য আছে। অন্যান্য রাসায়নিক পণ্য জুতা পরিষ্কার বা চকচকে করার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, সাদা জুতার জন্য রঙ সাদাকারী উপাদান, জুতা পরিষ্কার বা পানিরোধী করার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্প্রে ও এরোসল। [২] কলার খোসা দিয়েও জুতা চকচকে করা যায়,[৩] কিন্তু সেটা করা অনুচিৎ।

যদিও জুতা পালিশ চামড়ার জুতার জন্য লক্ষ্য করে বানানো, কিছু ব্র্যান্ড এর পালিশ নিরন্ধ্র উপাদান, যেমনঃ ভাইনাল এ ব্যবহার করা যায়। পালিশ ও যে জুতায় এটা লাগানো হবে, তার রঙ সাধারণত একই হয়। কিংবা এটি কোন নির্দিষ্ট বর্ণহীনও হতে পারে।

27/05/2022

জুতা পালিশ
পর্ব ১

জুতা পালিশ (কিংবা বুট পালিশ), একটি নরম চটচটে পেস্ট, ক্রিম, বা তরল যা জুতা বা বুট পালিশ, চকচকিকরণ, ও চামড়াকে পানিরোধী করে একে দীর্ঘস্থায়ী ও আকর্ষণীয় করে তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়।

প্রাকৃতিক মোম ও চর্বি থেকে শুরু করে শতশত বছর ধরে অনেক কিছুই জুতা পালিশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আধুনিক পালিশ প্রস্তুতের উপায় ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে উদ্ভাবিত হয়, আর সেগুলোর অনেকগুলো এখনো ব্যবহৃত হয়। বর্তমান জুতার পালিশ সাধারণত প্রাথমিক রসায়ন প্রকৌশলকে কাজে লাগিয়ে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম রাসায়নিক উপাদান, যেমনঃ ন্যাপ্‌থা, তারপেন্টাইন, ডাই রঙ, বাবলা গাছের আঠা থেকে প্রস্তুত করা হয়। জুতা পালিশ সাধারণত দাহ্য, ও বিষাক্ত হতে পারে, এবং অসতর্কতার কারণে চামড়ায় দাগ ফেলে যেতে পারে। আলোবাতাস যুক্ত পরিবেশে এর ব্যবহার করা উচিৎ, যাতে পোশাক, কার্পেট ও আসবাবপত্রে না লেগে যায়।

১৯শ শতাব্দী থেকে শুরু করে আসল ও কৃত্রিম চামড়ার ব্যপক উৎপাদন ও ব্যবহারের কারণে জুতার পালিশের চাহিদাও অনেক বেড়েছে। বিশ্বযুদ্ধের সময় সেনাদের বুট পালিশ করার জন্য এর জাহিদা হু হু করে বেড়ে যায়।

12/05/2022

পর্ব ৭

প্রকারভেদ

জুতোর ধরন ও ডিজাইন সময়ের সাথে সাথে বদলায়: যেমন জুতোয় উঁচু হিল থাকতে পারে, আবার নাও পারে। সমসাময়িক জুতা স্টাইল, সুবিধা এবং দামের দিক থেকে হরেক রকমের হয়। জুতা প্রধানত চামড়া, কাঠ, ক্যানভাস ইত্যাদি এবং অন্যান্য পেট্রোকেমিক্যাল জাত পদার্থ থেকে তৈরি হয়। সভ্যতা যত বিকশিত হচ্ছিল, বস্তুটি তত আধুনিকতা লাভ করে। তবে জুতার আধুনিকায়ন শুরু হয় আজ থেকে ৪০০ বছর আগে এবং এ ধারা আজও চলছে। একেক সময় একেক ধরনের কাঠের জুতা তৈরি করে তার নতুন নতুন নামকরণও করা হয়েছে। পাদুকার প্রথম আধুনিকায়নে হাত দেয় ইউরোপীয়রা। ক্রমে পৃথিবীর অন্যান্য দেশও এতে অংশগ্রহণ করে। ১৮০০ শতকের দিকে জাপানিরা কাঠ দিয়ে তৈরি করে 'ওকোবো' নামে এক ধরনের জুতা, যার পরিমাপ ছিল ১৪ সেন্টিমিটার। সাধারণত বৃষ্টির দিনে কাদা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এ জুতা পায়ে দিত জাপানের নারীরা। জুতাটির ফিতা হতো লাল। নারী-পুরুষ উভয়ের কথা মাথায় রেখেই ১৭০০ শতকের দিকে ইউরোপীয়রা তৈরি করে এক ধরনের উঁচু জুতা, যা 'হাই হিল' নামে পরিচিত। এ জুতা প্রথম ব্যবহার শুরু করেন ফ্রান্সের সম্রাট পঞ্চদশ লুই। খ্রিস্টীয় চতুর্দশ থেকে সপ্তদশ শতক পর্যন্ত লেবানিজরা ব্যবহার করত 'কাবকাবস' নামে এক ধরনের কাঠের জুতা। মূলত এটি মধ্যযুগে ব্যবহৃত জুতা দেখে নকশা করা হয়েছে। কর্দমাক্ত রাস্তা এবং গোসলখানায় ব্যবহার করার জন্য এটিই উত্তম বস্তু। বেশ উঁচু হওয়ায় কাদাপানি লাগার সম্ভাবনা একেবারেই কম। বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ফিনল্যান্ড গাছের ছাল দিয়ে তৈরি করে এক ধরনের পাদুকা। বৃষ্টি, কাদা এবং বরফ আচ্ছাদিত পথ পাড়ি দেওয়ার জন্যই মূলত এ জুতা তৈরি করা হয়। পরে অবশ্য নরওয়ে, সুইডেন এবং রাশিয়া এটি আধুনিকায়ন করে। পঞ্চদশ শতকের শেষদিকে ইতালিও কাঠ দিয়ে তৈরি করে 'চোপিনস' নামে এক ধরনের ক্ষুদ্রাকৃতির জুতা। নারীদের ব্যবহারের জন্য এ জুতার পরিমাপ ৫ ইঞ্চি। ভারতবর্ষে ১৭০০ শতকের দিকে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল কাঠের খড়ম। উনিশ শতকের দিকে ফ্রান্সে একবার কাঠ দিয়ে তৈরি হয়েছিল বিয়ের জুতা। তারা এ জুতার ধারণা পেয়েছিল নবম শতকের দিকে প্রাচীন আফ্রিকার মরিসাসের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষের ব্যবহৃত জুতা দেখে।জুতা রপ্তানির দিক থেকেে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান অন্যতম।এ দেশ থেকে সাধারণত চামড়ার তৈরি জুতা রপ্তানি করা হয়।

11/05/2022

পর্ব ৬
আধুনিক জুতা

১৮০০ সালের আগে পর্যন্ত ইউরোপে নারী-পুরুষের জন্য আলাদা কোনো জুতা ছিল না। একই ডিজাইন এবং দৈর্ঘ্যের জুতা সবাইকে পরিধান করতে হতো। কিন্তু ১৮০০ সাল পরবর্তীকালে জুতার উপরিতলের অংশে চামড়ার বদলে সিল্কের কাপড় ব্যবহার করে নারীদের জন্য পৃথক জুতা তৈরি করা হয়। সিল্কের ব্যবহারের পর জার্মানি, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ডও সিল্কের জুতা তৈরি করতে শুরু করে। এক্ষেত্রে বেলজিয়াম অনেকটাই অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে। তারা নারীদের জন্য তৈরিকৃত জুতায় সিল্কের উপর বিভিন্ন নকশা করতে শুরু করে, যা সেই যুগের এবং সময়ের সাংস্কৃতিক চর্চার ধারাবাহিকতা ধারণ করতো।

09/05/2022

পর্ব ৫
জুতার ব্যবসা

১৮৫০ সালের আগ পর্যন্ত জুতা আমদানি বা রপ্তানি করা হতো না। সেসময় ১৬৬৫-৭০ সালের মধ্যে নির্মিত ‘অক্সফোর্ড স্যু’ বিশ্বের অনেক দেশেই রপ্তানি করতে শুরু করে লন্ডন। একই সময়ে ১৪৯০ সালে জার্মানিদের তৈরিকৃত ‘ভাল্লুকের থাবা’ নামে পরিচিত জুতাও রপ্তানি শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৮৪৫ সালে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে জুতা তৈরির কারখানা স্থাপন করে। এই সময়ই প্রথম যন্ত্র দ্বারা জুতা তৈরি করা হয়। আর এই যন্ত্রের আবিষ্কার করেন এলিস হাও। অবশ্য ১৮৫৮ সালে লেম্যান আর. ব্লেক নামের অপর এক ইংলিশ ম্যান জুতা বানানোর আধুনিক যন্ত্র তৈরি করেন। যদিও গর্ডন ম্যাককে নামক এক ব্যক্তি লেম্যানের যন্ত্রের পেটেন্ট কিনে নেন। এই গর্ডনের প্রতিষ্ঠিত জুতা কোম্পানিই যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীর জুতা তৈরি করে। যুদ্ধ পরবর্তীকালে এই কোম্পানিটি জনসাধারণের জন্য জুতা তৈরি শুরু করে।

04/05/2022

পর্ব ৪

স্যান্ডেল

ইতিহাস বলে, স্যান্ডেলের ব্যবহার সর্বপ্রথম শুরু করে মিসর। মিসরের ফারাও রাজারা স্যান্ডেল পরিধান করে রাজকার্য পরিচালনা করতেন। এবং রাষ্ট্রে ফারাও ব্যতীত অন্য কেউ স্যান্ডেল পরিধান করতে পারতো না। মিসরের সমাজে স্যান্ডেলকে সম্মানীয়ের পরিধানযোগ্য উপাদান হিসেবে গণ্য করা হতো। ওদিকে উত্তর আমেরিকার ইন্ডিয়ান জাতিগোষ্ঠি নিজেদের প্রয়োজনেই ঠান্ডা থেকে বাঁচার জন্য একপ্রকার জুতা তৈরি করে নিয়েছিল যাকে মোকাসিন নাম দেয়া হয় পরবর্তী সময়ে। তবে ইন্ডিয়ানরা শুধু ঠান্ডা থেকে বাঁচার জন্যই নয়, চারিত্রিক দৃঢ়তা বোঝানোর জন্যও বিভিন্ন রংয়ে আঁকা জুতা পরিধান করতেন। ইন্ডিয়ানদের উপর যারা তৎকালীন সময়ে আগ্রাসন চালিয়েছিল সেই আগ্রাসনকারীরাই নিজেদের প্রয়োজনে মোকাসিন জুতাকে নিজেদের জুতা বলে দাবি করে। ইউরোপে রানী এলিজাবেথের সময়ে আইন করা হয়েছিল যে কেউ যদি জুতা বানাতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই ৫১/২ ইঞ্চি জুতা তৈরি করতে হবে। এই দৈর্ঘ্য প্রস্থের বাইরে জুতা তৈরির অধিকার একমাত্র রাজপরিবারেরই ছিল।

খড়ম

খড়ম কাঠের তৈরী এক প্রকার পাদুকা। ১৭০০ শতকের দিকে কাঠের তৈরি খড়ম ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
(চলবে)

01/05/2022

পর্ব ৩

হাইহিল জুতা

বর্তমানে আমরা জুতার মধ্যে হাইহিল জুতা প্রায়শই দেখতে পাই। হাইহিল জুতার প্রচলন শুরু হয় প্রথম ফ্রান্সে। তৎকালীন ষোড়শ লুই প্রথম হাইহিল জুতার প্রচলন করেন। সেসময় ফরাসি রাজপরিবার রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জনসাধারণের হাইহিল জুতা পরিধানের উপর নিশেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এমনকি ফ্রান্সের ইতিহাস থেকে জানা যায়, হইহিল জুতা নিয়ে ফ্রান্সে ছোটো-খাটো বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়েছিল এবং সেই যুদ্ধগুলোতে বিপুল সংখ্যক মানুষ নিহত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে লন্ডনের কিছু ব্যবসায়ি ফ্রান্সের হাইহিল জুতার অনুকরণে জুতা প্রস্তুত শুরু করে এবং লন্ডনের রাজপরিবারেও সমান জনপ্রিয় হয় সেই জুতা। প্রায় একশ বছরেরও বেশি সময় হাইহিল জুতা ছিল জনসাধারণের জন্য নিষিদ্ধ।

29/04/2022

পর্ব ২

প্রাচীন জুতা

সবচেয়ে প্রাচীন স্পেনের গুহায় আমরা ১৫০০০ বছর আগের কিছু গুহাচিত্র দেখতে পাই। সেই গুহাচিত্রে দেখা যায় আদিম মানুষদের পায়ে পশুর চামড়া জড়ানো ছিল। এছাড়াও ৫০০০ বছর আগে বরফ যুগের সময়ে তৎকালীন মানুষেরা খড়যুক্ত চামড়ায় মোড়া জুতা পরিধান করতো বলে জানা যায়। এছাড়া, এশিয়াতে এযাবৎ যত চিত্রকর্ম দেখা যায়, তাতে এশিয়ায় যে কাঠের জুতার প্রচলন ছিল তা জানা যায়। এমনকি জাপানের প্রাচীন মিথ সাহিত্যেও কাঠের জুতার ব্যবহার লক্ষ করা যায়। বর্তমান জুতাকে এই অবস্থায় আসতে দীর্ঘ বিবর্তনের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে এটা অনস্বীকার্য। এমনও ইতিহাস আছে যে, ইউরোপের কিছু অঞ্চলে জুতা ছিল স্রেফ রাজাদের পরিধানযোগ্য। কোনো প্রজা যদি জুতা পরিধান করতো তাহলে তাকে রাজার আদেশে হত্যা পর্যন্ত করা হতো। এশিয়াতেও একই ঘটনা আমরা দেখতে পাই ভিন্ন দৃষ্টিতে। এশিয়াতে রাজন্যবর্গের রাস্তায় জনসাধারণের জুতা পায়ে হাটাও নিষিদ্ধ ছিল

(চলবে)

28/04/2022

পর্ব ১

জুতা বা জুতোর উদ্ভাবন হয়েছিল মূলত মানুষের পা এর নিরাপত্তা বিধানের জন্যে, তবে এখন তা কেবল নিরাপত্তাই যোগায় না, বরং এটি সাজ-সজ্জারও একটি অংশ। মানুষের পা এ শরীরের অন্য যে কোনো জায়গা অপেক্ষা অধিক হাড় আছে; আছে বহু শত সহস্র বছরের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ভূমি ও আবহাওয়াগত পরিবেশের মধ্য দিয়ে বিবর্তনের ইতিহাস। পা এবং মানুষের ইন্দ্রিয় - এই দ্বৈত সমন্বয়ের ফলেই আমাদের ভারসাম্য রক্ষা ও হাঁটা সম্ভবপর হয়েছে।

ইতিহাস

বর্তমান সভ্যতায় মানুষের ব্যবহার্য উপাদানের মধ্যে জুতা অন্যতম। শহরাঞ্চলে জুতা ছাড়া এক মুহূর্তও কল্পনা করা যায়না। বয়স-লিঙ্গ-দেশ-কাল ভেদে জুতার রয়েছে বাহারি ডিজাইন। পা’কে ক্ষতবিক্ষত ও নোংরা থেকে দূরে রাখার জন্যই ব্যবহার করা হয় জুতার। মহাদেশগুলোর মধ্যে এশিয়া এবং আফ্রিকাতেই স্যান্ডেলের ব্যবহার বেশি হলেও অন্যান্য মহাদেশগুলোতে স্যান্ডেলের ব্যবহার তুলনামূলক কম। বেশিরভাগ অঞ্চলেই চামড়ায় মোড়া জুতাই বেশি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ঠিক কবে থেকে এই জুতার ব্যবহার শুরু হয়েছে, তা জানতে গেলে আমাদের অনেকটা পেছনে তাকাতে হবে।

(চলবে)

Address

Batargoli, Rani Bazar
Rajshahi
6100

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+880-17-11984441

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nibedita posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nibedita:

Share