Perikhali Online Bazar

Perikhali Online Bazar Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Perikhali Online Bazar, PERIKHALI BAZAR MAIN Road, Rampal.

জন্মদিন বা যেকোন পার্টির কেকের অর্ডার নেওয়া হয় ।  এবং এক দিনের মধ্যে ডেলিভারী দেওয়া হয়।অর্ডারের জন্য ফোন করুনঃ ০১৬১১-৬৫৯...
10/02/2023

জন্মদিন বা যেকোন পার্টির কেকের অর্ডার নেওয়া হয় । এবং এক দিনের মধ্যে ডেলিভারী দেওয়া হয়।
অর্ডারের জন্য ফোন করুনঃ ০১৬১১-৬৫৯৫৩৮, অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন

16/02/2018

ফেসবুক : নতুন সেটিংসের পয়লা পাঁচ

সম্প্রতি ফেসবুকের সকল প্রাইভেসি সেটিংস আবারো আপডেট করা হয়েছে। জনপ্রিয় এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের আপডেটেড প্রাইভেসিতে যোগ করা হয়েছে বেশকিছু নতুন অপশন। ফেসবুক জানিয়েছে, ব্যক্তিগত তথ্যাদির উপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতেই মূলত নতুন অপশনগুলো যোগ করা হয়। তবে প্রাইভেসি সেটিংস আপগ্রেড করার পর থেকেই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমালোচনার পাত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে ফেসবুক। খবর অনলাইন সংবাদ সংস্থা এমএসএনবিসি’র।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন প্রাইভেসি সেটিংসের ভালো-খারাপ উভয় দিকই রয়েছে। তারা জানিয়েছেন- অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ব্যক্তিগত তথ্য এবং পোস্ট সবার সামনে উন্মুক্ত রাখার জন্য ফেসবুক পরোক্ষভাবে ব্যবহারকারীদের উদ্বুদ্ধই করছে।

আসুন, নতুন পরিস্থিতিতে ফেসবুকের নতুন নিরাপত্তা পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি দিক জেনে নেয়া যাক।

সার্চ সেটিংস

নতুন সেটিংসে আপনার প্রোফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ও পাবলিক লিস্টিংয়ের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যেতে পারে। অনেকেই বলছেন, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ও পাবলিক লিস্টিংয়ে অন্তর্ভূক্ত না হওয়ার অপশন চালু রাখার পরও নতুন প্রাইভেসি সেটিংসের সঙ্গে সঙ্গে তাদের প্রোফাইলও জনসম্মুখে প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে; যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার নীতি বিরুদ্ধ।

তবে আপনি চাইলে সার্চ সেটিংস এর পরিবর্তন করতে পারেন। প্রাইভেসি সেটিংস অপশন থেকে ‘অ্যালাউ ইনডেক্সিং’ চেকবক্স থেকে টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিলেই আপনার প্রোফাইল বাইরের কেউ খুঁজে পাবে না।

প্রাইভেসি সেটিংসে পাসওয়ার্ড বলয়

ফেসবুক জানিয়েছে, নতুন প্রাইভেসি সেটিংসের আওতায় আপনি প্রাইভেসি সংক্রান্ত যে কোনো কিছু আপডেট করার সময় প্রথমে আপনাকে পাসওয়ার্ড দিতে হবে। অর্থাৎ, আপনি লগইন থাকাকালীন অন্য কেউ যাতে আপনার প্রাইভেসি সেটিংস বদলে দিতে না পারেন, সে জন্যই নিরাপত্তার এই বাড়তি স্তর। এতে করে পুনরায় পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করে প্রাইভেসি সেটিংসে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না।

তবে অনলাইন সংবাদ সংস্থা এমএসএনবিসি’র প্রতিবেদক জানিয়েছেন, তিনি বারবার পাসওয়ার্ড দেয়া ছাড়াই প্রাইভেসি সেটিংসে পরিবর্তন করতে পেরেছেন। তিনি আরো জানান, প্রাইভেসি সেটিংসে বিভিন্ন বিষয় কোনোরকম নিরাপত্তা বলয় ছাড়াই তিনি পরিবর্তন করতে পেরেছিলেন। অর্থাৎ, তার বেলায় এভাবে বারবার পাসওয়ার্ড চাওয়া হয়নি।

পরে অবশ্য তিনি জানিয়েছেন যে, প্রাইভেসি আপডেটের প্রায় আধা ঘণ্টা পর পাসওয়ার্ডের এই বাড়তি বলয়টি কার্যকরী হয়। আগে ঘোষণা দিয়ে পরে সুবিধা সক্রিয় করার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল ইনফরমেশন

ফেসবুকের পরিবর্তিত প্রাইভেসি সেটিংসে রয়েছে পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল ইনফরমেশন, সংক্ষেপে পিএআই। এর অধীনে আপনার প্রোফাইলের ছবি, আপনি যেসব পেজের ফ্যান সেসব পেজের তালিকা, জেন্ডার, ধর্ম, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি তথ্যাদি সবার প্রতি উন্মুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ, চাইলেই যে কেউ আপনার সম্পর্কে এসব তথ্য সার্চ ফলাফল পাতা থেকে জানতে পারবেন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি সার্চ পাতায় নিজের প্রোফাইল উন্মুক্ত রাখছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, এইসব তথ্য মুছে ফেলার কোনো উপায় নেই বললেই চলে। সার্চ পাতায় নিজেকে দৃশ্যমান রাখতে হলে উপরোক্ত তথ্যগুলোও প্রকাশ করতে হবে; যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রশ্নে খানিকটা অস্বস্তিকরই বটে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি এমন কোনো সামাজিক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজের ফ্যান হয়ে থাকেন যার সম্পর্কে আপনার ফেসবুক বন্ধু বা অন্য কাউকে জানাতে চান না, তাহলে নতুন এই পদ্ধতির আওতায় তা সম্ভব নয়। কেননা, সার্চ ফলাফলে আপনি নিজেকে দৃশ্যমান রাখতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এসব তথ্য সবার সামনে চলে আসবে, যা ফেসবুকের নতুন এই প্রাইভেসি আপডেট সমালোচিত হওয়ার অন্যতম মূল কারণ।

বিশেষ নিয়ন্ত্রণ সুবিধা

পিএআই ফেসবুক প্রাইভেসির একটি বিতর্কিত দিক হলেও ফেসবুকে আপনার অন্যান্য কর্মকান্ডের উপর আপনি পাচ্ছেন পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এমনকি আপনি যখন প্রতিবার স্ট্যাটাস আপডেট করেন, তখনই ঠিক করে দিতে পারবেন কে কে এই পোস্ট বা স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন এবং কে কে এই পোস্ট দেখতে পারবেন না। একইভাবে আপলোড করা ছবির বেলাতেও আপনি প্রাইভেসি লেভেল নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন।

ফেসবুকের নতুন এই প্রাইভেসি সেটিংস একইসঙ্গে প্রশংসা এবং সমালোচনা দুইই কুড়াচ্ছে। কিছু কিছু আপডেট সত্যিকার অর্থেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় কার্যকর। অন্যদিকে কিছু ব্যাপার আবার মোটেই সন্তোষজনক নয়।

ফেসবুক প্রাইভেসি আপডেটে ব্যবহারকারীদের তথ্য সবার প্রতি উন্মুক্ত করে দিতে পরোক্ষভাবে আহ্বান করা হয় বলে দাবি করেছেন একাধিক প্রযুক্তিবিদ। তাদের মতে, গুগলের রিয়েল-টাইম সার্চ রেজাল্টের মাধ্যমে বাড়তি হিট পাওয়ার আশায়ই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি আপডেট করতে বলছে, যদিও সোজা-সাপ্টা ভাষায় ফেসবুক তেমন কিছু বলেনি। অন্যদিকে অনেক প্রযুক্তিবিদদের ধারণা, ফেসবুক নকল করতে চাচ্ছে টুইটারের আইডিয়া, যা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন তারা।

23/05/2016

যখন কেউ ভালোবাসার মানুষটারসাথে থাকে তখন সবারই খুব ভালোলাগে...তখন কেউ এটা ভাবেনা যে এই মুহূর্তগুলো একটু পরেই অতীত হয়ে যাবে, আররয়ে যাবে স্মৃতির পাতায়.. যতদিনসে সাথে থাকবে এই স্মৃতি গুলো হাসাবে,আর যখন সে থাকবেনা তখন এইস্মৃতিগুলোই আবার কাঁদাবে........

23/05/2016

যে যেতে চায় তাকে যেতে দাও আটকিয়ে রাখার
চেস্টা করো নাহ। আটকালেই
সে ভাব্বে যে তাকে তোমার কোন গতি নেই,
তুমি অচল। যে তোমার মুল্য বোঝে নাহ
তাকে আটকে রাখার কোন দরকার নেই। AvOid
koro খুশি থাকো। avoid করার মাঝে ও
একটা মজা আছে। বিশ্বাস নাহ করলে একবার
ট্রাই করেই দেখো।

23/05/2016

ভাগ্য তোমার হাতে নেই, কিন্তু
সিদ্ধান্ত তোমার হাতে ।
ভাগ্য সিদ্ধান্ত নেয় না, কিন্তু তোমার
সিদ্ধান্তই তোমাকে ভাগ্য
এনে দিতে পারে ৷

03/05/2016

আমাদের সমাজে ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ-কবজ
ইত্যাদির ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। বুজুর্গ
আলেম ও পির-মাশায়েখগণ জানা-অজানা
নানা রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকজনকে
ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ-কবজ দিয়ে থাকেন। আর
বিপদগ্রস্ত লোকজন এসব ব্যবহার করে
উপকার লাভ করেন। এসবের প্রচলন আবহমান
কাল থেকেই চলে আসছে।
ইদানিং এক শ্রেণীর লোককে ঝাড়-ফুঁক,
তাবিজ-কবজকে হারাম, শেরেকী
আমলরূপে সাব্যস্ত করতে তৎপর দেখা যায়।
সুতরাং ঝাড়-ফুঁক ও তাবিজ-কবজের বৈধতা
শরীয়তের দলীলদ্বারা প্রমাণ এবং
তৎসঙ্গে যারা এগুলিকে হারাম সাব্যস্ত
করে থাকেন ও এই চরম সিদ্ধান্তের অনুকূলে
কিছু দলীল-প্রমাণ ও যুক্তির অবতারণা
করেন, সেগুলি অবশ্যই পর্যালোচনার দাবি
রাখে।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, হালাল এবং
হারামের দলীল আমাদিগকে কুরআন এবং
সুন্নাহ্ থেকেই গ্রহণ করতে হবে। পবিত্র
কুরআনে বা সুন্নায় প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ বা
ইশারা-ইঙ্গিতেও যদি কোন বিষয়ের
বৈধতার দলীল থাকে, তবে সে বিষয়টাকে
সরাসরি হারাম বলা চরম ধৃষ্ঠতা ছাড়া আর
কিছু হতে পারে না। তাছাড়া যুগ পরম্পরায়
নির্ভরযোগ্য আলেমগণের আমলও শরীয়তের
একটি দলীলরূপে গণ্য। শেষোক্ত এই
দলীলটিকে ‘এজমায়ে উম্মত’ বলা হয়।
পবিত্র কুরআনের অনেকগুলি আয়াতে বলা
হয়েছে যে, ‘কুরআন হচ্ছে মানবজাতির জন্য
শেফা ও হেদায়াতের উৎস।’ আলোচ্য
আয়াতগুলোতে উল্লেখিত ‘শেফা’ শব্দের
তফসীরে শাহ্ আব্দুল হক মোহাদ্দেস
দেহলভী (রহ.) লিখেছেন, ‘কুরআন শরীফের
চাইতে ব্যাপক উপকারী এবং মানবজাতির
রোগ-ব্যাধি নিরাময়কারী আর কিছু
নাযিল হয়নি।’ যেমন বলা হয়েছে, ‘আর
আমি কুরআনে এমন কিছু আয়াত নাযিল
করেছি যা মু’মিনদের জন্য শেফা এবং
রহমত স্বরূপ।’ (বনী ইস্রাঈল: ৮২)
এতদসঙ্গে পবিত্র কুরআনের আয়াতে শেফা
নামে পরিচিত আয়াতগুলোর কথা উল্লেখ
করা যায়। আয়াতগুলো হচ্ছে :
১. সুরা তাওবার ১৪ নং আয়াত, ২. সুরা
ইউনূসের ৫৭ নং আয়াত, ৩. ছুরা নাহ্লের ৬৯
নং আয়াত, ৪. সুরা বনী ইস্রাঈলের ৮২ নং
আয়াত, ৫. সুরা আশ্-শোয়ারার ৮৫ নং আয়াত
এবং ৬. সুরা হা-মীম ছাজদার ৪৪ নং
আয়াত। উপরোক্ত প্রতিটি আয়াতেই
কুরআনে মুমিনদের জন্য ‘শেফা’, ‘রহমত’
প্রভৃতির কথা উল্লেখিত হয়েছে।
তফসীরবিদ ইমাম বায়হাকী (রহ.) ‘শেফা’
অর্থ আত্মা এবং দেহ উভয়ের শেফা বা
নিরাময় বলেছেন। অর্থাৎ পবিত্র কুরআনে
যেমন আত্মার যাবতীয় রোগ এবং মন্দ
প্রবণতার চিকিৎসা রয়েছে, তেমনি দেহের
যাবতীয় রোগ-ব্যাধীরও চিকিৎসা রয়েছে।
কুরআনের আয়াত দ্বারা রোগ-ব্যাধির
চিকিৎসা হতে পারে এ কথা অনুধাবন করার
জন্য শেষ দু’টি সুরার তফসীর ও শানে-নুযুল
পাঠ করাই যথেষ্ট। উল্লেখ্য যে, এই দুইটি
সুরা হযরত নবি করীম (সা.)-কে যাদু করার
প্রেক্ষিতে নাযিল হয়েছিল। আল্লাহ্পাক
যাদুর প্রতিকার করার উদ্দেশ্যে সুরা দু’টি
দান করেছিলেন।
ইমাম কুশাইরী (রহ.) তাঁর মারাত্মক অসুস্থ
শিশুপুত্রের চিকিৎসার লক্ষ্যে যে আয়াতে
‘শেফা’ পাত্রে লেখে তা পানিতে ধুয়ে
পান করিয়েছিলেন। ফলে মৃতকল্প শিশুটি
আশ্চর্যজনকভাবে সুস্থ হয়ে উঠেছিল। ইমাম
সাহেব এই তদবীরটি একটি মোবারক
স্বপ্নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশের
ভিত্তিতে করেছিলেন। তারপর থেকে
আয়াতে ‘শেফা’ গুরুতর অসুস্থতা নিরাময়ের
লক্ষ্যে যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে
আসছে। ইমাম আবু বাকর ইবনে আবী শাইবাহ
‘মুনান্নাফ’ গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন, আমর
ইবনে শুআইব তাঁর পিতা ও তিনি তাঁর দাদা
থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (স.) ইরশাদ
করেন, তোমাদের কেউ যখন ঘুম অবস্থায়
ঘাবড়িয়ে উঠে, সে যেন ******** দো’আটি
পাঠ করে। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর তাঁর
উপযুক্ত সন্তানদের তা শিক্ষা দিতেন এবং
ছোটদের গলায় তা লিখে লটকিয়ে
দিতেন। এই হাদীসটি ইমাম আবূদাউদ (রাহ.)
তাঁর সুনানে আবূ দাউদের কিতাবু-তিব্বের
**** অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন।
উপরোক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হল-
তাবিজ দেয়া জায়েজ। যদি শিরক হত
তাহলে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস
(রা.) এর মত বিখ্যাত বুযুর্গ সাহাবী তাবীজ
লিখে ছোট ছোট শিশুদের গলায় লটকিয়ে
দিতেন না। বিধায় কোন হাদীস পেলেই
তার ব্যাখ্যা, মর্মার্থ, প্রয়োগ স্থল না
বুঝে কোন কিছুর ব্যাপারে শিরকের
সার্টিফিকেট লাগানো আদৌ ঠিক নয়।
ঃ ‘ইবনে আবী শাইবাহ মুজাহিদ (রাহ.)
থেকে বর্ণনা করেন যে, মুজাহিদ (রাহ.)
লোকদের জন্য তাবিজ লিখে তাদের গলায়
লটকিয়ে দিতেন। এ মত তিনি আবু জাফর,
মুহাম্মদবিন সীরিন, উবায়দুল্লাহ ইবনে
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর এবং যাহহাক প্রমুখ
থেকে লটকানো, অথবা হাতে বাঁকানো
বৈধ মনে করতেন।’
উপরে যেসব তাবিয়ীর কথা বলা হলো
তারা বিখ্যাত সর্বজন অনুসৃত। এসব
তাবিয়ীদের থেকেও কি শিরকের কল্পনা
করা যায়? না এসব দুনিয়া বিখ্যাক
মুহাদ্দিস তাবিয়ীগণ লেখক কর্তৃক উদ্ধৃত
হাদীসগুলো সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন?
ঃ আয়িশা (রা.) বলেন, বিপদ আসার পর যা
লটকানো হয় তা তামীমা (অর্থাৎ
নাজায়েজ তাবীজ) এর অন্তর্ভূক্ত নয়।
(৪) বিশেষত: সালাফিরা যার পদে পদে
অনুসরণ করে সেই ইমাম ইবনে তাইমিয়া এর
দৃষ্টিতেও তাবিজ-কবচ বৈধ। তিনি
ফাতাওয়ায়ে ইবনে তাইমিয়ার ১৯নং
খন্ডের ৬৪ নং পৃষ্ঠায় লিখেন, বিপগ্রস্থ বা
অসুস্থ লোকদের জন্য কালি দ্বারা
আল্লাহর কিতাব লিখে তাবিজ দেয়া
এবং ধুয়ে পান করানো জায়িজ।
উক্ত আলোচনার শেষদিকে ইবনে তাইমিয়া
তাবিজাত বৈধ হওয়ার পক্ষে হযরত ইবনে
আব্বাস (রা.) এর একটি আছর পেশ করেন।
ইবনে আব্বাস (রা.) কাগজের টুকরায়
তাবিজ লিখে দিতেন, তা সন্তানসম্ভবা
নারীদের বাহুতে বেঁধে দেয়া হত।
শাফেয়ী মাযহাবের ইমাম তাজউদ্দীন
সুবকী (রহ.) রোগ-ব্যাধী নিরাময়ের
উদ্দেশ্যে আয়াতে শেফা এবং পবিত্র
কুরআনের অন্য কয়েকটি আয়াতের ব্যবহার
সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা শেষে মন্তব্য
করেছেন যে, ‘আমাদের মাশায়েখগণ রোগ-
ব্যাধী নিরাময়ের উদ্দেশ্যে পবিত্র
কুরআনের আয়াত ব্যবহার করতেন।’
হাদিস শরীফের সহীহ্ বর্ণনায় বিচ্ছুর
দংশনজনিত বিষ নিরাময়ের দোয়ার
উল্লেখ আছে। সুতরাং ঝাড়-ফুঁক কুরআন-
হাদিস পরিপন্থী, এমন কথা বলা মোটেও
বাস্তবতা-সংগত নয়।
সাহাবি হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে ওমর (রা.)
শিশুদিগকে সর্বপ্রকার ভয়-ভীতি ও আপদ-
বালাই থেকে নিরাপদ থাকার একটি
দোয়া শিক্ষা দিতেন। যারা দোয়াটি
উচ্চারণ করতে সম হতো না তাদের জন্য
দোয়াটি কাগজে লিখে তা ওদের গলায়
ধারণ করতে দিতেন। [যাদুল-মাআদ]
হাদিস শরীফের কোনো কোনো বর্ণনায়
‘তাবিজ’ শব্দটিরও উল্লেখ পাওয়া যায়।
সুতরাং সন্দেহাতীতভাবেই প্রমাণিত হয়
যে, ঝাড়-ফুঁক যেমন একটি মছনূন আমল,
তেমনি তাবিজ ব্যবহারও সাহাবায়ে
কেরামের যুগ থেকে প্রচলিত একটি বৈধ
আমল।
আবু দাউদ এবং ইবনে মাজাহ্ শরীফে
‘রোক্বা তামায়েম ও তোলা হারাম’
উল্লেখ করে যে হাদিসটি বর্ণনা করা
হয়েছে, সে হাদিসের তিনটি শব্দ রোক্বা
অর্থ-দুর্বোধ্য বা শেরেকী শব্দাবলী
সম্বলিত ঝাড়-ফুঁক, তামায়েম অর্থ-তন্ত্রমন্ত
্র লিখিত তাবিজ এবং তোলা অর্থ-তুক-
তাক বা যাদুমন্ত্র। জাহেলিয়াতের যুগে
যেমন এসবের প্রচলন রয়েছে। এসব কুফরী
যাদুমন্ত্রের ব্যবহার যে হারাম তাতে
কারো দ্বিমত নাই।
ইবনে মাজাহ্ শরীফে হযরত আলী
(রা.)কর্তৃক বর্ণিত এক হাদিসে আছে যে,
সর্বাপো বড় নিরাময়কারী হচ্ছে কুরাআন।
ইমাম বায়হাকী (রহ.) ও শাফী (রা.)
আয়াতে শেফার তফসীরে পবিত্র কুরআনের
আয়াত দ্বারা রোগের চিকিৎসা সম্পর্কিত
দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। এ সম্পর্কিত
বিস্তারিত বিবরণ ‘মাওয়াহেবে
রাদুন্নিয়া’ নামক বিখ্যাত কিতাবে
আলোচিত হয়েছে। এতদসঙ্গে একথাও বলা
হয়েছে যে, কুরআনের আয়াত বা হাদিস
শরীফে উল্লেখিত দোয়া কালাম পাঠ
করে বা অন্যান্য প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করে
সমান উপকার পাওয়া যায়।
ইমাম কুশাইরী (রাহ.) ঝাড়-ফুঁক এবং
তাবিজকে দোয়ার বিকল্পরূপে উল্লেখ
করেছেন। কারণ, দোয়া তাবিজ এবং ঝাড়-
ফুঁক প্রভৃতি সবকিছুতেই আল্লাহর নামের
ওছিলা গ্রহণ করে আল্লাহ্র নিকটই সাহায্য
প্রার্থনা করা হয়, যা অবৈধ হওয়ার কোন
কারণ নেই। বরং এগুলিও একান্তভাবে
আল্লাহ্র নিকটই সাহায্য প্রার্থনার একটি
পদ্ধতিরূপে গ্রহণযোগ্য। এই গ্রহণযোগ্য
পদ্ধতিকে কুফুরী ও জাহেলিয়াত যুগের
শেরেকী কালামের কুফুরী ও জাহেলিয়াত
যুগের শেরেকী কালামের সাথে একাকার
গণ্য করা মোটেও যুক্তিযুক্ত হতে পারে
না।

Address

PERIKHALI BAZAR MAIN Road
Rampal

Telephone

01911536308

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Perikhali Online Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share