আদি মার্ট

Directions Website

আদি মার্ট Online Shopping Site.

কখন কফি পান করলে হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে?কফি পান করা আমাদের অনেকেরই নিয়মিত অভ্যাসের একটি অংশ। কিন্তু দিনের ঠিক কোন সময়...
30/03/2025

কখন কফি পান করলে হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে?
কফি পান করা আমাদের অনেকেরই নিয়মিত অভ্যাসের একটি অংশ। কিন্তু দিনের ঠিক কোন সময়ে আপনি কফি পান করেন, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এক গবেষণার তথ্য বলছে, সঠিক সময়ে কফি পানে কমতে পারে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি।
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সকালে কফি পান করেন তাদের হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কম থাকে। এমনকি যারা দিনের অন্য সময়েও কফি পান করেন, তাদের তুলনায় শুধু সকালে কফি পানকারীদের মৃত্যুর ঝুঁকি কম। তবে এই মৃত্যুঝুঁকি কমে যাওয়ার পেছনে কফিই একমাত্র কারণ কি না, গবেষণায় তা প্রমাণ করা যায়নি। গেল বুধবার ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। ‘তবে এর একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো, দুপুর বা সন্ধ্যায় কফি পান করলে সার্কাডিয়ান রিদম (শরীরের ২৪ ঘণ্টার শারীরিক, মানসিক ও আচরণগত পরিবর্তনের চক্র) এবং মেলাটোনিনের মতো হরমোনের মাত্রা বিঘ্নিত হতে পারে। ফলস্বরূপ, এটি হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কিত কারণগুলো যেমন প্রদাহ এবং রক্তচাপের পরিবর্তন ঘটায়,’ যোগ করেন তিনি।

নিউ অরলিন্সের টুলেইন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ৪০ হাজার ৭১৫ জন প্রাপ্তবয়স্ককে পর্যবেক্ষণ করেছেন, যারা ১৯৯৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরীক্ষা সমীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের প্রতিদিনের খাবার ও পানীয়ের ব্যবহার এবং তারা কফি পান করেছেন কি না, করলেও কতটা এবং কখন; সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। গবেষকরা দেখতে পান, যারা কফি পান করেন না তাদের তুলনায়, যারা সকালে কফি পান করেন তাদের মৃত্যুঝুঁকি ১৬ শতাংশ কম ছিল এবং হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কম ছিল ৩১ শতাংশ।
#আদিমার্ট

বলছে গবেষণা এনার্জি ড্রিংকে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি! সহজে খাবার হজম কিংবা দ্রুত চনমনে ভাব ফিরে পেতে অনেকেই হাতে তুলে নেন ক...
29/03/2025

বলছে গবেষণা এনার্জি ড্রিংকে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!
সহজে খাবার হজম কিংবা দ্রুত চনমনে ভাব ফিরে পেতে অনেকেই হাতে তুলে নেন কোমল পানীয় এনার্জি ড্রিংক। কিন্তু এ পানীয়তেই আপনার মৃত্যুফাঁদ লুকিয়ে রয়েছে তা কি আপনি জানেন?
এক প্রতিবেদন বলছে সপ্তাহে দুই লিটার কিংবা তার বেশি কোমল পানীয়র সোডা ও চিনি হৃদস্পন্দনকে অনিয়মিত করে তোলে। আমেরিকান হার্ট এসোশিয়েশন নিউট্রিশন কমিটির সদস্য ক্রিস এথারটন বলছেন, এনার্জি ড্রিংক বা কোমল পানীয় হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে তার প্রমাণ মিলেছে। তবে আমাদের আরও গবেষণা প্রয়োজন এ বিষয়ে সুক্ষ্ম ধারণার জন্য।

এনার্জি ড্রিংকের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ার। গবেষণায় উঠে এসেছে, এনার্জি ড্রিংক সেবনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে হৃদরোগের ( কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট)। এছাড়া ওজন বেড়ে যাওয়া, ব্যক্তিভেদে আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকিও রয়েছে এনার্জি ড্রিংক খাওয়ার অভ্যাসে। কারণ হিসেবে গবেষণায় উঠে এসছে পানীয়তে থাকা ক্যাফিনের কথা। ক্যাফিন হার্টের কার্ডিয়াক কোষের ক্যালসিয়াম বাড়িয়ে দেয়। যা ‘হার্ট অ্যারিথমিয়াস’-এর ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। এতে করে হার্টে অক্সিজেন কম পৌঁছায়। রক্ত চাপ বাড়ার পাশাপাশি স্নায়ুগত সমস্যাও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এ পানীয়। তাই কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংক খাওয়ার পরিবর্তে বেশি বেশি পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে। আপনি সুস্থ থাকবেন।
#আদিমার্ট

হার্টের ব্যথা নাকি গ্যাস্ট্রিকের? দেখুন বোঝার উপায়হার্টের ব্যথা (হার্ট অ্যাটাক বা এনজাইনা) এবং গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মধ্য...
28/03/2025

হার্টের ব্যথা নাকি গ্যাস্ট্রিকের? দেখুন বোঝার উপায়
হার্টের ব্যথা (হার্ট অ্যাটাক বা এনজাইনা) এবং গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মধ্যে পার্থক্য বোঝা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হার্টের ব্যথা জীবনঘাতী হতে পারে। দেখে নিন এই দুই ব্যথার কিছু পার্থক্য—

হার্টের ব্যথার লক্ষণ-
১. অবস্থান ও প্রকৃতি: বুকের মাঝখানে বা বাঁ পাশে ভারী চাপ বা সংকুচিত অনুভূতি হয়।
২. ব্যাপ্তি: ব্যথা কাঁধ, হাত (বিশেষ করে বাম হাত), পিঠ, গলা বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৩. সময়: সাধারণত কয়েক মিনিট স্থায়ী হয় এবং বিশ্রাম নিলে কমে না।
৪. উদ্রেককারী কারণ: ভারী কাজ, হাঁটা, দৌড়ানো বা উত্তেজনার কারণে হতে পারে।
৫. অন্যান্য উপসর্গ: শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, দুর্বলতা।

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার লক্ষণ-
১. অবস্থান ও প্রকৃতি: বুকের মাঝখানে বা উপরের পেটে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভূত হয়।
২. ব্যাপ্তি: অনেক সময় পিঠেও ব্যথা ছড়াতে পারে, তবে কাঁধ বা হাত পর্যন্ত যায় না।
৩. সময়: খালি পেটে বা ভারী খাবারের পর বেশি হয়, এবং খাবার বা অ্যান্টাসিড নিলে কমে।
৪. উদ্রেককারী কারণ: মশলাদার খাবার, ধূমপান, দেরিতে খাওয়া, অতিরিক্ত চা/কফি।
৫. অন্যান্য উপসর্গ: ঢেকুর তোলা, গ্যাস বের হওয়া, বমি ভাব, পেটে ফাঁপা অনুভব করা।

কখন ডাক্তার দেখানো জরুরি?
১. যদি ব্যথা বুক থেকে হাতে বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়ে।
২. যদি ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব বা ঠান্ডা ঘাম হয়।
৩. যদি ব্যথা বিশ্রামের পরও না কমে বা ক্রমাগত বাড়ে।
৪. এমন পরিস্থিতিতে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যান, কারণ হার্টের ব্যথা জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
এরপরও যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে ইসিজি বা অন্যান্য পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া ভালো।
#আদিমার্ট

ঈদের ছুটিতে হার্টের রোগীদের ৫ সতর্কতা---ঈদের ছুটিতে হার্টের রোগীদের জন্য বাড়তি সতর্কতা নেয়া জরুরি, কারণ এই সময় খাবার, ঘু...
27/03/2025

ঈদের ছুটিতে হার্টের রোগীদের ৫ সতর্কতা---
ঈদের ছুটিতে হার্টের রোগীদের জন্য বাড়তি সতর্কতা নেয়া জরুরি, কারণ এই সময় খাবার, ঘুম ও দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আসতে পারে।

দেখে নিন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা-
১. খাবারের বিষয়ে সতর্কতা: ঈদে সাধারণত তেল-চর্বিযুক্ত ও মিষ্টি খাবারের পরিমাণ বেড়ে যায়। তবে হার্টের রোগীদের জন্য এই ধরনের খাবার বিপজ্জনক হতে পারে। তাই— লাল মাংসের বদলে মাছ ও চর্বিহীন মাংস খান। অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া ও মিষ্টি এড়িয়ে চলুন। প্রচুর শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার খান।
২. ওষুধ খেতে ভুলবেন না: ঈদের ব্যস্ততায় অনেকেই নিয়মিত ওষুধ খেতে ভুলে যান, যা বিপজ্জনক হতে পারে। তাই সবসময় সঙ্গে ওষুধ রাখুন। ওষুধ খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় ঠিক রাখুন। প্রয়োজনে অ্যালার্ম বা রিমাইন্ডার সেট করুন।
৩. চাপ ও অতিরিক্ত পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন: ঈদের সময় বাড়তি কাজ, বেড়ানো ও অতিরিক্ত ব্যস্ততা হার্টের ওপর বাড়তি চাপ ফেলতে পারে। অতিরিক্ত কাজ বা দৌড়ঝাঁপ থেকে বিরত থাকুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন ও পর্যাপ্ত ঘুমান। মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
৪. পর্যাপ্ত পানি পান করুন: গরমের দিনে পর্যাপ্ত পানি না খেলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে, যা হার্টের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। অতিরিক্ত কফি ও চা পান এড়িয়ে চলুন। শরীর যদি দুর্বল লাগে, দ্রুত বিশ্রাম নিন ও পানি পান করুন।
৫. জরুরি নম্বর ও ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখুন: হার্টের রোগীদের জন্য জরুরি মুহূর্তে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকের পরামর্শে জরুরি ওষুধ সঙ্গে রাখুন। পরিবারের সদস্যদের জরুরি পরিস্থিতিতে কী করতে হবে, তা জানিয়ে দিন। নিকটস্থ হাসপাতাল বা চিকিৎসকের নম্বর সংরক্ষণ করে রাখুন।
এই সতর্কতা অনুসরণ করলে ঈদের আনন্দ উপভোগ করা সহজ হবে এবং হার্টের সমস্যা এড়ানো সম্ভব হবে।
#আদিমার্ট

ইফতারে খালি পেটে বেলের শরবত খেলে কী হয়?স্বাস্থ্যসচেতন অনেকেই ইফতারে পানীয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন বেলের শরবত। সারাদিন রোজা র...
09/03/2025

ইফতারে খালি পেটে বেলের শরবত খেলে কী হয়?
স্বাস্থ্যসচেতন অনেকেই ইফতারে পানীয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন বেলের শরবত। সারাদিন রোজা রাখার পর খালি পেটে ইফতারে এ শরবত খাওয়া শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই শরীরে নানা উপকারিতা পেতে বেলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ পুষ্টিবিদদের। বেল পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। সেই সঙ্গে এতে আছে নানান ঔষধি গুণ, যা আমাদের দেহের অনেক উপকার করে।

বেলের শরবত খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-

১। কোষ্ঠকাঠিন্য: নিয়মিত বেল খেলে এর ল্যাকোটিভগুণ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও মুখের ব্রণ দূর হয় এবং ত্বক ভালো থাকে। টানা ৩ মাস যদি আপনি নিয়মিত বেল খান, তাহলে আপনি সহজেই মুক্তি পেতে পারেন এই সমস্যা থেকে।
২। আলসারের ওষুধ: আলসারের ওষুধ হিসেবে খেতে পারেন বেল। পাকা বেলের শাঁসে সেই ফাইবার আছে, যা আলসার উপশমে খুবই কার্যকরী। এ জন্য সপ্তাহে তিন দিন খান বেলের শরবত।
৩। ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে বেল। পাকা বেলে আছে মেথানল নামের এক উপাদান, যা ব্লাড সুগার কমাতে অনবদ্য কাজ করে। তবে শরবত করে নয়, বেল খেতে হবে এমনিই।
৪। আর্থ্রাইটিস: শরীরে হাড়ে কিংবা মাংসে ব্যাথা ছাড়া এখন খুব কম মানুষই আছেন। আর্থ্রাইটিসের কারণে এমনটা হয়ে থাকে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও বেলকে সঙ্গী করে নিতে পারেন।
৫। এনার্জি: পুষ্টিবিদরা বলছেন, ফাইবারে ভরপুর বেল হজম ক্ষমতা বাড়ায়। এনার্জি বাড়াতে বেলের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১০০ গ্রাম বেল ১৪০ ক্যালরি এনার্জি দেয়। পাচনক্রিয়াকেও শক্তিশালী করে তোলে এই বেল।
৬। ব্লাড প্রেশার: ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাওয়ার কারণে চিন্তায় রয়েছেন? এ সময় বেল খেলে দূর হবে এই সমস্যা? চিকিৎসকরা বলছেন, ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেলের জুড়ি মেলা ভার।
৭। পানিশূন্যতা কমিয়ে শরীরকে শীতল রাখা: বেল খাওয়ার সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো এটি শরীরের ইমিউনিটি বুস্ট করার পাশাপাশি শরীরকে শীতল রাখে।
৮। হজম শক্তি বাড়ায়: বেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এটি অন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। পাচন প্রক্রিয়া সবল করে হজম শক্তি বাড়াতে পারে।
এ ছাড়া ডায়রিয়া, আমাশয়, জন্ডিস, যক্ষ্মা, অপুষ্টিতেও ভালো কাজে আসে এই বেল। তাই গরমের এই সময় ইফতারে নিয়মিত খেতে পারেন বেল অথবা বেলের শরবত।
#আদিমার্ট

ইফতারে ৪ খাবারে গ্যাস্ট্রিক বাড়েইফতারে কিছু খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে যাদের পেটে গ্যাসের সমস...
07/03/2025

ইফতারে ৪ খাবারে গ্যাস্ট্রিক বাড়ে
ইফতারে কিছু খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে যাদের পেটে গ্যাসের সমস্যা বা অ্যাসিডিটি আছে, তাদের এড়িয়ে চলা উচিত এই ৪ ধরনের খাবার।

১. ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার: সমুচা, পুরি, পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ ইত্যাদির মতো ভাজাপোড়া খাবার হজম হতে সময় নেয় এবং অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দিতে পারে।

২. অতিরিক্ত মসলা ও ঝাল খাবার: মরিচ, গরম মসলা বা বেশি ঝালযুক্ত খাবার পাকস্থলীর এসিড বৃদ্ধি করে, যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়াতে পারে।

৩. সফট ড্রিংকস ও কোল্ড ড্রিংকস: ইফতারে ঠান্ডা কোল্ড ড্রিংক বা সোডা জাতীয় পানীয় খেলে পেটে গ্যাস তৈরি হয় এবং এসিড রিফ্লাক্স হতে পারে।

৪. অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার: রসগোল্লা, জিলাপি, মিষ্টি শরবত ইত্যাদি বেশি পরিমাণে খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে এবং পাকস্থলীর অম্লতা বাড়তে পারে।
ইফতারে খেজুর, শসা, দই, ফলমূল এবং হালকা খাবার রাখলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমতে পারে। এছাড়া হালকা গরম পানি বা লেবু পানি খেলে হজম ভালো হয়।
# আদিমার্ট

মেথি পানি কেন খাবেন?ছোট দানা মেথিতে রয়েছে অসংখ্য ভেষজ গুণ। এটি রান্নায় ব্যবহৃত হলেও সকালে পানীয় হিসেবে এটি খেতে পারেন। ক...
21/02/2025

মেথি পানি কেন খাবেন?
ছোট দানা মেথিতে রয়েছে অসংখ্য ভেষজ গুণ। এটি রান্নায় ব্যবহৃত হলেও সকালে পানীয় হিসেবে এটি খেতে পারেন। কারণ মেথি ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী। প্রাচীনকাল থেকেই সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে ভেষজ উপাদান মেথির ব্যবহারের প্রচলন ছিল। বতমানে বিশেষজ্ঞরাও বলছেন মেথির নানা উপকারী গুণের কথা। তাই নিয়মিত আধা কাপ পরিমাণ খেতে পারেন মেথি পানি। তবে এর থেকে বেশি পরিমাণে মেথি পানি খাবেন না। পুষ্টিবিদদের মতে, মেথিতে রয়েছে ভিটামিন কে, থায়ামিন, ফোলিক অ্যাসিড, রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ভিটামিন এ, বি আর খনিজের মধ্যে রয়েছে কপার, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেশিয়াম। আসুন জেনে নিই, নিয়মিত মেথি পানি খাওয়ার কিছু উপকারিতার কথা-

১. কোষ্ঠকাঠিন্য: আমাদের জীবনযাপনে এখন এই সমস্যা যেন সবারই। তাই কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে মেথি খেতে পারেন। আসলে এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হজম ক্ষমতা বাড়ায়। সকালে খেলে উপকারটা বেশি পাওয়া যায়। তাই সারারাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে পান করুন মেথি পানি।
২. ওজন কমানো: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুধা কমে। যা ওজন কমতে সাহায্য করে।
৩. ক্যানসার: মেথি দানা ক্যানসারের মতো রোগের প্রকোপও কমায়। মেথি শরীরে ক্যানসারের টিস্যু বাড়তে দেয় না। তবে নিয়মিত খেলে ফল পাওয়া যায়।
৪. কালো দাগ: নিয়মিত মেথি খেলে ত্বকের ছোপ ছোপ বিভিন্ন ধরনের কালো দাগ দূর হয়। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে নিয়মিত খেতে পারেন মেথি পানি।
৫. চুল: স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্যও মেথি পানি ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল পড়া কমবে আর চুল হবে মজবুত।

৬। শরীরের তাপ কমে: মেথি ভেজানো পানিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও আয়রন থাকে। তাই এটি পান করলে কোনো ক্ষতি হয় না বরং শরীরের তাপ কমে।
#আদিমার্ট

খালি পেটে পাকা পেঁপে কেন খাবেন?সারাবছরই পাওয়া যায় এমন ফলের মধ্যে অন্যতম ফল পাকা পেঁপে। এ ফল অনেকেই খেতে পছন্দ করেন আবার ...
20/02/2025

খালি পেটে পাকা পেঁপে কেন খাবেন?
সারাবছরই পাওয়া যায় এমন ফলের মধ্যে অন্যতম ফল পাকা পেঁপে। এ ফল অনেকেই খেতে পছন্দ করেন আবার অনেকেই খেতে চান না। তবে আপনি কি জানেন, এ ফলটি খালি পেটে খেলে কী হয়?
পুষ্টিবিদদের মতে, পেঁপের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন, খনিজের প্রাকৃতিক উৎস, বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই, ক্যারোটিনয়েড, ফাইবার, পটাশিয়াম ইত্যাদি। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাসে রয়েছে বেশকিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা। তবে খালিপেটে পাকা পেঁপে খেলে আরও বেশি উপকার মেলে।

১। অ্যান্টি অক্সিড্যান্টে ভরপুর: ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর পাকা পেঁপে ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধি প্রতিরোধ করে। এছাড়াও পেঁপেতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন সি এবং ই ত্বকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২। হজমে সহায়ক: পাকা পেঁপে মুখের রুচি ফেরায়। সেই সঙ্গে ক্ষুধাও বাড়ায় এবং পেট পরিষ্কার রাখে। পেট পরিষ্কার থাকলে গ্যাসের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। শুধু তাই নয়, যাদের পাইলসের সমস্যা রয়েছে, চিকিৎসকরা তাদের পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন।


৩। প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: পেঁপেতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই শরীরে কোনও সংক্রমণ হলে, তা কমাতে চিকিৎসকরা পাকা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন।

৪। ওজন কমাতে: পাকা পেঁপেতে যথেষ্ট পরিমাণ ফাইবার থাকায় তা অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। পাশাপাশি বিপাকহারও বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও যারা ওজন কমাতে ডায়েট মেনে খাবার খেয়ে থাকেন, তাদের জন্যও ভালো পাকা পেঁপে।
৫। হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে: হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পটাশিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদ্‌রোগ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে এ যৌগ। প্রাকৃতিকভাবে পটাশিয়ামের উৎস হলো পাকা পেঁপে।
৬। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও বয়স নিয়ন্ত্রণ: পাকো পেঁপে নিয়মিত খেলে এতে থাকা ভিটামিন এ ত্বকে পুষ্টি যোগায়। পেঁপের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের বয়স বাড়ার প্রবণতাকে রুখে দিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখে।
#আদিমার্ট

ডাবের পানি কাদের জন্য ক্ষতিকর জানেন?ডাবের পানি সাধারণত স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর হলেও কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে প...
19/02/2025

ডাবের পানি কাদের জন্য ক্ষতিকর জানেন?
ডাবের পানি সাধারণত স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর হলেও কিছু মানুষের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে। নিচে উল্লেখ করা হলো যাদের ডাবের পানি পান করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
১. কিডনি রোগী: ডাবের পানিতে পটাসিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে, যা কিডনি রোগীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। যদি কিডনি সঠিকভাবে পটাসিয়াম ফিল্টার করতে না পারে, তাহলে এটি রক্তে জমে গিয়ে হার্টের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
২. ডায়াবেটিস রোগী: ডাবের পানিতে প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের এটি সীমিত পরিমাণে পান করা উচিত।
৩. নিম্ন রক্তচাপ: ডাবের পানি রক্তচাপ কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক, কিন্তু যাদের স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ কম থাকে, তাদের জন্য এটি বিপজ্জনক হতে পারে।
৪. অ্যালার্জি: কিছু মানুষের ডাবের পানিতে অ্যালার্জি হতে পারে, বিশেষ করে যারা নারকেলজাতীয় খাবারে সংবেদনশীল। এটি ত্বকে র‍্যাশ, বমি বমি ভাব বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।
৫. হার্টের সমস্যা: উচ্চ মাত্রার পটাসিয়াম থাকার কারণে কিছু হার্টের রোগীদের জন্য ডাবের পানি ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে যদি তাদের পটাসিয়াম নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়।
৬. ওজন কমানোর পরিকল্পনায় থাকলে: যদিও ডাবের পানি কম ক্যালোরিযুক্ত, তবে অতিরিক্ত পান করলে ক্যালোরি বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
৭. ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা থাকলে: ডাবের পানি হালকা ল্যাক্সেটিভের মতো কাজ করতে পারে, তাই যদি কারও আগে থেকেই পেট খারাপ থাকে, তাহলে এটি ডায়রিয়ার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
আপনার যদি এসব সমস্যার কোনোটি থাকে, তবে ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো।
#আদিমার্ট

আপনি জানেন কি সাদা তিল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের বিশাল ভাণ্ডার !!রান্নায় খুব একটা তিল ব্যবহার হয় না। সাধারণত মিষ্টি জাতীয় খাব...
18/02/2025

আপনি জানেন কি সাদা তিল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের বিশাল ভাণ্ডার !!
রান্নায় খুব একটা তিল ব্যবহার হয় না। সাধারণত মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতে কিংবা ঝাল কোনো খাবারের ওপরে ছিটিয়ে দেয়া হয় সাদা তিল। অথচ সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে এ খাবারের রয়েছে নানা উপকারিতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা ওষুধি গুণ লুকিয়ে রয়েছে সাদা তিলে। নিয়মিত সাদা তিল খেলে শরীরে বেশকিছু ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে আসুন এক নজরে জেনে নিই, সাদা তিলের কিছু জাদুকরী উপকারিতা সম্পর্কে-

১। সাদা তিল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের বিশাল ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত সাদা তিল খাওয়ার অভ্যাস ত্বকের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। ত্বক উজ্জ্বল করার পাশাপাশি বলিরেখা দূর করে।
২। সাদা তিলে তিলে ‘সিস্যামোলিন্স’ এবং ‘সেসামিন’ নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এ দুটি উপাদান অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
৩। হাড়ের গঠন নিশ্চিত ও ক্ষয় রোগ দূর করতে ওষুদের বিকল্প বলা যেতে পারে সাদা তিলকে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস। যা হাড়ের জোর বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৪। শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে পারে সাদা তিল। যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।
৫। সাদা তিলে থাকা জিঙ্ক মৌসুমী সংক্রামক রোগ থেকে বাঁচায়।
৬। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন তারা ডায়েট লিস্টে নিয়মিত রাখতে পারেন সাদা তিল। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দারুণ কাজ করে।
৭। বিপাক প্রক্রিয়ার জন্য উপকারি সাদা তিল। শরীরের যেকোনো ব্যথা কমাতেও কাজ করে সাদা তিল।
৮। সাদা তিলে একাধিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। তাই প্রতিদিনের খাবারে এই উপকরণটি ব্যবহার করলে শরীরের ক্যানসার প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
৯। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণেও অত্যন্ত কার্যকরী সাদা তিল। যারা ওজন কমাতে চান তারাও নিয়মিত খেতে পারেন সাদা তিল।
১০। সাদা তিলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে।
#আদিমার্ট

Address

Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আদি মার্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share