Bondhu

Bondhu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bondhu, Shopping & retail, RANGPUR, Rangpur.

20/11/2021

ঘড়িয়ালডাঙ্গা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

20/11/2021
20/11/2021

নারীর মোবাইল চুরি করে ধরা পড়লেন ১৬ মামলার আসামি

কুড়িগ্রাম পৌর শহরে এক শীর্ষ তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। কুড়িগ্রাম শহরের এক নারীর মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা চুরি করার পর তিনি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ১৬ মামলার এই আসামি।

আটককৃত চোর ও মাদক ব্যবসায়ী আসিফ ইকবাল ওরফে শামীম (৩৫) কুড়িগ্রাম পৌর শহরের রৌমারী পাড়ার সাইফুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ নভেম্বর কুড়িগ্রাম সদরের কৃষ্ণপুর এলাকার রৌমারী পাড়ার বাসীন্দা আরফিন নাহার আশার দুটি মোবাইল ফোন ও নগদ ২ হাজার টাকা চুরি হয়। চুরির রহস্য উদঘাটন করতেই ধরা পড়েন শামীম। পুলিশ আরও জানায়, আসামির কাছ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। কুখ্যাত চোর আসিফ ইকবাল শামীম শীর্ষ তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। আসামির বিরুদ্ধে চুরির ৪টি মামলাসহ মাদকের ৯টি মামলা ও অন্যান্য ধারার তিনটি মামলাসহ সর্বমোট ১৬টি মামলা রয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার জানান, আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

প্রতিবেদকঃ মো. জুয়েল রানা

18/11/2021

কুড়িগ্রামে দীর্ঘসূত্রিতায় বন্ধ স্কুল ফিডিং কার্যক্রম


কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় সাড়ে চারমাস ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম। দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ৩০ জুন। সময় পেরিয়ে গেলেও নতুন করে চুক্তি না হওয়ায় শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে পুষ্টির চাহিদা থেকে। সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে দীর্ঘ সাড়ে ৪ মাস এই জেলার শিশুরা সরকারি এই সেবা থেকে বঞ্চিত হলো।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দ্রুতই বিস্কুট বিতরণ কার্যক্রম চালু করা হবে। বিতরণের এই দীর্ঘসূত্রিতায় ক্ষুব্ধ শিক্ষক, অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ২০০২ সাল থেকে চালু করা হয়েছিল স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর হার বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সরকার এগিয়ে আসে। এ কর্মসূচির আওতায় টিফিনের সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৭৫ গ্রাম ওজনের পুষ্টিমান সম্পন্ন এক প্যাকেট করে বিস্কুট দেওয়া হত। এই বিস্কুট বিতরণের ফলে পাল্টে যায় ক্লাসের চিত্র। বেড়ে যায় উপস্থিতির হার। শিশুদের মধ্যে বৃদ্ধি পায় প্রাণচাঞ্চল্য। করোনা পরিস্থিতিতেও বিশেষ ব্যবস্থায় চালু ছিল এই কর্মসূচি। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে গেলেও গত ৪ মাস ধরে বন্ধ থাকায় হতাশ শিক্ষকসহ অভিভাবকরা।

একটি সূত্র জানায়, কুড়িগ্রামে বিস্কুট বিতরণের জন্য ৩ বছরের জন্য বেসরকারি এনজিও আরডিআরএস বাংলাদেশ ও ইএসডিও’র সাথে চুক্তি করে সরকার। কিন্তু মেয়াদ শেষের আগে তাদের সাথে চুক্তি নবায়ন বা নতুন করে এনজিও সিলেকশনের ব্যাপারে দেখা যায় দীর্ঘসূত্রিতা। সূত্রটির মতে, এনজিওগুলোর কাছে সুবিধা নিতে না পেরে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সরকারের খতিয়ে দেখা দরকার। বরাদ্দ থাকার পরও কোন জটিলতায় সাড়ে ৪ মাস বিস্কুট পেল না এই জেলার শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে রয়েছে ১ হাজার ২৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক চরে রয়েছে ৪শ’টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব এলাকার দরিদ্র পরিবারের জন্য পুষ্টিমান বিস্কুটটি শিশুদের শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে ওঠায় সহযোগিতা করলেও হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিশুদের ক্লাসে যাওয়ার আগ্রহ কমে গেছে। ফলে দিনে দিনে স্কুলগুলোতে কমে যাচ্ছে উপস্থিতি। ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় খোঁজখবর নিতে গেলে একই প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষকরা, কবে বিস্কুট দেওয়া হবে? এর উত্তর জানা নেই তাদের।

কুড়িগ্রাম সদরের খলিলগঞ্চ এলাকার অভিভাবক তানজিনা, লাভলী ও নজরুল ইসলাম জানান, খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানদের জন্য উচ্চ প্রোটিন সম্পন্ন বিস্কুটগুলো পুষ্টির চাহিদা পূরণ করত। এখন বন্ধ হওয়ায় পুষ্টিবঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা। আমরা দ্রুত স্কুলে বিস্কুট বিতরণের দাবি করছি।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার কানিজা আক্তার জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিদ্যালয়গুলো খোলার পর প্রথম দিকে শিক্ষার্থীর হার একটু বেশি থাকলেও স্কুল ফিডিংয়ের বিস্কুট না দেওয়ায় কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা চেষ্টা করেও উপস্থিতি বাড়াতে হিমশিম খাচ্ছি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতি তিনবছর পরপর বাজেটের ভিত্তিতে বিস্কুট বিতরণের চুক্তি করা হয়। বিভিন্ন এনজিওর সাথে করা চুক্তিটি গত জুন মাসে শেষ হওয়ায় বন্ধ রয়েছে বিস্কুট বিতরণ কার্যক্রম। আশা করছি, আগামী মাস থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে আবারও বিস্কুট বিতরণ কার্যক্রম চালু হবে।

প্রতিবেদকঃ হুমায়ুন কবির সুর্য

18/11/2021

উলিপুরে হুকুম দখলকৃত জমির টাকা প্রদান

কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার আবর্জনা ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত তিন একর জমি হুকুম দখলের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উলিপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম হুকুম দখলকৃত জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৯১লাখ ৬২ হাজার ৯৪২ টাকার চেক ১১ জন জমির মালিকের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, উলিপুর পৌরসভার মেয়র মামুন সরকার মিঠু, উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল কুমার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল আলম রাসেল,এল.এ. ও গোলাম ফেরদৌস, অতিরিক্ত ভূমি কর্মকর্তা আ.ন.ম জাহিদুল ইসলাম,কানুনগো জালাল উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উলিপুর পৌরসভার নাওডাঙ্গা মৌজায় হুকুম দখলকৃত তিন একর জমির উপর আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আবর্জনা ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এতে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন দাতা সংস্থা জাইকা। ডাম্পিং স্টেশন টি নির্মাণ হলে উলিপুর পৌরসভার আবর্জনা নিক্ষেপ করার একটি নির্দিষ্ট স্থান তৈরি হবে।

প্রতিবেদকঃ সাইফুর রহমান শামীম

18/11/2021

রাজারহাটে ছাত্র আনজুমানে আল বাইয়্যিনাতের সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন


পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ তথা সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ শরীফ(ঈদে মীলাদে হাবিবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনার স্বরণে প্রতিবছর আরবি মাসের ১২ রবিউল আউয়াল পালনার্থে রাজারহাট উপজেলা ছাত্র আনজুমানে বায়্যিনাতের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল দশঘটিকায় সোনালী ব্যাংক চত্বরে
আলোচনা, মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত মাহফিল ও দবারক বিতরণ করা হয়েছে।অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করেন- মুহম্মদ মাহমুদুল হাসান।

শেখ মুহাম্মদ মাহামুদুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনায় হয়রত মাওলানা ক্বারি আহমদ তালুকদার বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফের সুরা ইউনুস উনার ৫৭-৫৮ নং আয়াত শরীফ তুলে ধরে বলেন, মহান আল্লাহ পাক প্রিয় নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করতে আদেশ করেছেন। এই আদেশ পালন করা সমস্ত মুসলমানদের জন্য তো অবশ্যই এমনকি সমস্ত মাখলুকাতের জন্য ফরজ এবং নাজাতের কারন। সেই সাথে সুরা আহযাবের ৫৬ নং আয়াত শরীফ এবং হাদিস শরীফ থেকে উল্লেখ করে পবিত্র মিলাদ শরীফের গুরুত্ব তুলে ধরেন।আলোচনা শেষে তিনি দোয়া পরিচালনা করেন।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন ছিলেনঃ ইঞ্জি. সাইয়্যিদ মুহম্মদ আশরাফুর রহমান, মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মুহম্মদ সরোয়ার হুসাইন, মুহম্মদ মাসুম বিল্লাহ, মুহম্মদ আলী, মুহম্মদ সোহানুর রহমান শামীম, মুহম্মদ রফিকুল ইসলাম সুমন, আহমাদুর রহমান মারুফ, মুহম্মদ আবু তাহির, সাইয়্যিদ আহমাদ, মুহম্মদ মমিনুল ইসলাম, মুহম্মদ মিজানুর রহমান, মুহম্মদ হাবীবুর রহমান, মুহম্মদ জাহিদ হাসান, মুহম্মদ কামরুল ইসলাম নাহিদ, মুহম্মদ হাসানুর রহমান আশিক, মুহম্মদ আল আমীন, মুহম্মদ নোমান খন্দকার, মুহম্মদ নাজমুল ইসলাম, মুহম্মদ নাঈম, মুহম্মদ আরিফুর রহমান, মুহম্মদ মাহফুজুর রহমান, মুহম্মদ মাহবুবুর রহমান, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজারহাট আনজুমানে আল বাইয়্যিনাতের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সহ শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমান। আলোচনা ও মীলাদ শেষে তবারক বিতরনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়

প্রতিবেদকঃ এনামুল হক সরকার, রাজারহাট

18/11/2021

অভিমান করে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকায় চলে এলো শিশু নাঈম

পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে ঢাকা শহরে পাড়ি জমিয়েছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নাঈম (১০) নামের এক শিশু। সে বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১ বেড়িবাঁধ এলাকার এক রেস্তোরাঁকর্মীর হেফাজতে রয়েছে।

নাঈম কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার মনিরচর এলাকার ভাঙারি ব্যবসায়ী বাদশার ছেলে। সে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র বলে জানা গেছে।

পরিবার সূত্র জানায়, বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকালে শিশু নাইম বাড়ি থেকে একই উপজেলার বেরুবাড়ী এলাকায় তার নানার বাড়িতে যায়। সে সেখান থেকে বাড়ি না ফিরে ঢাকায় চলে যায়। রাত ১টার দিকে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে তাকে কান্না করতে দেখেন বরিশালের বাসিন্দা ঢাকার মিরপুর-১ বেড়িবাঁধ এলাকার সেয়ারিল্যান্ড রেস্টুরেন্টের কর্মী সবুজ হোসেন। পরে তিনি শিশুটিকে নিজের কাছে রেখে দেন।

সবুজ শিশু নাঈমের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) ‘ঐক্যবদ্ধ নাগেশ্বরী’ নামের ফেসবুকের একটি গ্রুপ পেজে ছবি-সম্বলিত একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি শিশুটির এলাকাবাসীর নজরে এলে সে খবর পৌঁছে যায় পরিবারের কাছে। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে শিশুটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সবুজ।

নাইমের বাবা বাদশা বলেন, ছোট ভাই বাদলের মাধ্যমে জানতে পেরেছি সে ঢাকা শহরে আছে। বাদল তার ছবি ফেসবুকে দেখেছে। আমরা এখনই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবো।

তিনি বলেন, নাইম মাঝে মধ্যে তার নানার বাড়িসহ এলাকার বিভিন্ন স্থানে যায়। বেশিরভাগ সময় আমার কথার অবাধ্য হয়ে চলে। বুধবার সকালে সে তার নানার বাড়ি চলে যায়। পরে শাসনের ভয়ে বাড়ি ফিরে না এসে অভিমান করে ঢাকায় চলে যায়।

শিশু নাঈমকে নিজ হেফাজতে রাখা মিরপুর-১ বেড়িবাঁধ এলাকার সেয়ারিল্যান্ড রেস্টুরেন্টের কর্মী সবুজ হোসেন বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করে শিশুটিকে নিয়ে এসে খাবার খাইয়ে যত্নসহকারে নিজের কাছে রেখে দিয়েছি। সে নাকি রাগ করে বাসা থেকে ঢাকায় চলে এসেছে। আমি শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

প্রতিবেদকঃ মাসুদ রানা

18/11/2021
18/11/2021

গরিবের সাধ্যের বাজার সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেট

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে শুরু হয়েছে শীতের আগমনী বার্তা। শেষ বিকালে মাঝারি কুয়াশার সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে শীতের আমেজ। প্রতিদিন নামছে তাপমাত্রার পারদ। দিনে সূর্যের উত্তাপ থাকলেও রাতের চিত্র ভিন্ন। ভোর পর্যন্ত ঠাণ্ডার ফলে মার্কেটগুলোতে বেড়েছে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগার অফিস সূত্র জানিয়েছে, এ মৌসুমে গত ১৬ নভেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক

শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও গত এক সপ্তাহে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে।

এ দিকে শীতের আগমনের সাথে সাথে দিনমজুর, ছিন্নমূল, নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষজন ভিড় জমাচ্ছে সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেট গুলোতে। এই মার্কেট গুলোতে বেশি বিক্রি বাট্টা হয় শীত মৌসুমে। বাকিটা সময় তাদের কেনাকাটা কম হওয়ায় লসের মধ্যে থাকতে হয়। ফলে এই সময়টাতে পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তারা।

জেলা শহরে এ ধরণের সবচেয়ে বড় মার্কেট সাবেক ঝিনুক সিনেমা হল সংলগ্ন নছর উদ্দিন মার্কেটের ব্যবসায়ী আজমত আলী জানান, নভেম্বর মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ মাস আমাদের ব্যবসার মৌসুম। বছরের এই সময়টাতে ব্যবসা করে আমরা লাভের মুখ দেখি।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, শীত মৌসুমে নছর উদ্দিন ও শহরের অন্য প্রান্তে অবস্থিত আইনজীবী সমিতি মার্কেটসহ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রায় অর্ধশতাধিক দোকানপাট রয়েছে। এরা বাইরের জেলাগুলো থেকে পুরাতন কাপড়ের গাইট কিনে এনে সেসব কাপড় বিক্রি করেন।

নছর উদ্দিন মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী হুজুর আলী ও দৌলত আলী জানান, আমরা রংপুর ও সৈয়দপুর থেকে পুরাতন কাপড়ের গাইট কিনে আনি। প্রতিটি গাইট ৮ থেকে ২০ হাজার টাকায় কেনা হয়। প্রতিদিন ৪ থেকে ৮হাজার টাকার পুরাতন কাপড় বিক্রি হয়। দিন শেষে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা লাভ হয়।

অপর কাপড় ব্যবসায়ী রোস্তম আলী ও নজরুল ইসলাম জানান, এখন শীত কম থাকায় বেচাকেনা কম। শীত বাড়লে বিক্রি বেড়ে যাবে। আমাদের এখানে নিম্ন ২০ টাকা থেকে ঊর্ধ্বে ৩০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যের কাপড় বিক্রি হয়। গাইট খুললে এখানে সব শ্রেণির মানুষ এসে তাদের পছন্দমত কাপড় কিনে নিয়ে যায়।

শহরের বকসীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহানা আক্তার তার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে এসেছেন আইনজীবী সমিতি মার্কেটে। তিনি বললেন, ২০০ টাকায়

মেয়ের জন্য ৫ সেট গরম কাপড় কিনলাম। অন্য মার্কেটে এই কাপড় কিনলে তিনগুণ দাম নিতো। পাশর্বর্তী রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের অচীনগাছ এলাকার মীনা রানী ও শ্রীকৃঞ্চ ৩০০ টাকায় বাচ্চাদের জন্য ৬ সেট কাপড় কিনেছেন। কমদামে পছন্দের কাপড় কিনতে পেরে খুশি তারা।

উলিপুরের জনতার হাট এলাকার অটোচালক খয়বর ও জামিল জানান, ভোরে ও সন্ধ্যার পর অটোচালাতে ঠাণ্ডা লাগে। এখানে ১২০ টাকায় গরম জ্যাকেট কিনতে পেরে খুশি তারা।

খবর আরও জানান, ফার্স্টহ্যান্ড মার্কেটে এক একটা জ্যাকেটের দাম ৩শ’টাকা থেকে ২ হাজার টাকা। মানও তেমন ভাল না।

এখানে মনের মত একটি জ্যাকেট কমদামে কিনতে পারলাম। এরকম দূর-দূরান্ত থেকে এই মার্কেটগুলোতে কাপড় কিনতে আসছে মানুষ। শীতের এই সময়টিতে যাদের কাপড় বিবর্ণ বা নষ্ট হয়ে যায় তারা সাধ্যের মধ্যে সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটগুলো থেকে কিনতে পারেন তাদের নতুন পছন্দের কাপড়। ফলে শীত এলে কিছু স্বল্প পূঁজির ব্যবসায়ী কাপড় বিক্রি করে পরিবারে নিয়ে আসেন সচ্ছলতা।

এ সময় বৃদ্ধি পায় পুরাতন কাপড়ের চাহিদা পাশাপাশি নিম্ন আর খেটে খাওয়া মানুষ তাদের সাধ্যের মধ্যে কিনতে পারেন এসব কাপড়।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবওহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগার কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, দিনে দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে থাকবে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ জেলার উপর দিয়ে একটি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

প্রতিবেদকঃ হুমায়ুন কবির সূর্য

18/11/2021

কুড়িগ্রামে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার হলেন মোস্তফা কামাল

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তফা কামাল তাজুল। সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার হাওলাদার কামরুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পেশায় শিক্ষক মোস্তফা কামাল তাজুল কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার পিতার নাম মৃত: মকবুল হোসেন। তিনি ঘোগাদহ শান্তির ভিটা গ্রামের বাসিন্দা। তিন ভাই, চার বোনের মধ্যে ৪র্থ তিনি।

মোস্তফা কামাল তাজুল সম্পর্কে স্থানীয় অধিবাসী ও পাশ্ববর্তী ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের রাজারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বাবলু জানান, মোস্তফা কামাল তাজুল একজন শিক্ষক ও সমাজকর্মী। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও দুর্যোগে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। স্থানীয় কোন সালিশ বৈঠক হলে তার ডাক পরতো। ন্যায়-নীতির কারণে তিনি এলাকায় খুব জনপ্রিয় ছিলেন। এবারে ঘোগাদহ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। তার জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় তিনি মোস্তফা কামাল নির্বাচনে প্রার্থী হবে জেনে আর এগিয়ে আসেনি। তিনি নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় দীনবন্ধু মিত্র প্রার্থীতার জন্য জনসংযোগ করছিলেন। কিন্তু এলাকাবাসী মোস্তফা কামালের পাশে আছেন বুঝতে পেরে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন।

তিনি বলেন, বর্তমান শাষকদল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত মোস্তফা কামাল ঘোগাদহ ইউনিয়ন যুবলীগের একজন সক্রিয় সদস্য। তিনি গাইবান্ধা ডক্টর জেড আই চৌধুরী ট্রেনিং এন্ড রিসার্স ইন্সটিটিউট থেকে ৪ বছর মেয়াদী কৃষি ডিপ্লোমা শেষ করে ২০০৫ সালে পাঁচগাছী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত মোস্তফা কামালের স্ত্রীসহ দু’কন্যা সন্তান রয়েছে।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়লাভ করে মোস্তফা কামাল তাজুল জানান, এলাকার বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় এবার এলাকার বয়োজেষ্ঠ্যরা আমাকে নির্বাচনে দাঁড়াতে উৎসাহিত করে। আমিও চ্যালেঞ্জটি গ্রহণ করেছি। এখন শিক্ষকতার পাশাপাশি এলাকার ২ হাজার ৫৯২ জন ভোটার ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে যাতে কাজ করতে পারি সেই চেষ্টা করবো।

18/11/2021

খোলা চিঠি
---------------- 💦

প্রিয় মেয়র মহোদয়,

শুভেচ্ছা নেবেন।
অনেকদিন হয়ে গেলো- তবু নীচের দুটি ছবির নির্দয় দৃশ্য আমাদের দেহ-মনে কাঁটা দেয়। সংস্কৃতিকর্মীদের পরিব্যাপ্ত স্বপ্নের জায়গাটি সেদিন গুড়িয়ে- পদদলিত করা হয়েছিলো।
কুড়িগ্রামের প্রগতিশীল ও প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক চর্চার প্রতি এটা ছিলো সুনির্দিষ্ট, পরিকল্পিত আঘাত। যা কিনা অনেক অনুরোধ-উপরোধ করার পরেও সাবেক মেয়র সাহেব তার লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি। আমরা, কুড়িগ্রামের সকল স্তরের মানুষ সেদিন গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছিলাম, যা আজো সমানভাবে পীড়িত করে চলেছে।

যখন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড স্তিমিত বা দুর্বল হয়- তখন উগ্র সাম্প্রদায়িকতা- মৌলবাদ তার দাঁত-নখর দিয়ে আক্রমণ চালায় বাঙালির সহবত ও সংস্কৃতির উপর। করোনাকালে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো, তেমনি প্রাণের পৌরহলটি ভেঙ্গে ফেলে হাজারো সাহিত্য ও সংস্কৃতিসেবীর কফিনের উপর শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়া হয়েছিলো সেদিন নির্বিকারে। সহজ, সরল, নিরাপদ স্থানটি সেদিন বিধ্বস্ত হয়েছিলো অশিষ্ট, অমার্জিত ঔদ্ধত্যে।

আপনার সদিচ্ছার কথা আমরা জানি। তবু দেরি হয়ে যাচ্ছে, অনেক ক্ষতিও হয়েছে এর মধ্যে। সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো আপনার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে তীর্থের কাকের মতো।
আশকরি আর দেরি হবে না- অতি দ্রুতই আগের জায়গায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি পৌর মিলনায়তন গড়ে তোলার জন্য সচেষ্ট হবেন। যা শিল্পী, সাহিত্য-সংস্কৃতিককর্মীর আরাধ্য স্বপ্ন ও সাধনাকে সহজসাধ্য, দুর্নিবার করে তুলবে।

আপনি মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় আমরা অনেক আনন্দিত হয়েছিলাম। যে কোনো মূল্যে আপনি পৌরহলটি যথাস্থানে নির্মাণের কথা বলেছিলেন, আমাদের অনেকগুলো মানব- বন্ধন, আন্দোলনে আপনার উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছিলো। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আপনিও চান কুড়িগ্রাম জেলার সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের প্রাণকেন্দ্র হোক আগামীর পৌরহলটি, যার প্রাঙ্গণ প্রতিটি দিন মুখর থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক-নৃত্য ও কাব্য-কথার বিবিধ আয়োজনে।

আমরা প্রত্যশা নিয়ে আছি যে- দ্রুত আরাধ্য, পবিত্র কাজটি আপনার হাতে সুসম্পন্ন হবে। সবার স্নেহ-ভালোবাসা-শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে উঠুন আপনি- এই প্রত্যাশা নিয়ে শেষ করছি।

লেখকঃ জ্যোতি আহমেদ

18/11/2021

Address

RANGPUR
Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bondhu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share