Tazkia Mart

Tazkia Mart আর তোমরা দুর্বল হয়ো না এবং দুঃখিত হয়ো না, আর তোমরাই বিজয়ী যদি মুমিন হয়ে থাক।( সূরা ইমরান ৩/ ১৩৯)

মা ও মেয়ের ভালোবাসার মিল—এবার পোশাকেও ফুটে উঠুক প্রতিদিন 🌸একই ডিজাইনের এই খিমার সেটে মা ও মেয়ে দুজনেই থাকবেন আরামদায়ক, শ...
04/06/2026

মা ও মেয়ের ভালোবাসার মিল—এবার পোশাকেও ফুটে উঠুক প্রতিদিন 🌸

একই ডিজাইনের এই খিমার সেটে মা ও মেয়ে দুজনেই থাকবেন আরামদায়ক, শালীন ও স্টাইলিশ।
দেখতেও দারুণ, পরতেও স্বস্তিদায়ক—প্রতিদিনের জন্য একদম পারফেক্ট ✨

🖤 ফ্যাব্রিক: নরম ও আরামদায়ক কাপড়
🌿 গরমেও দেয় স্বস্তি

📏 সাইজ ডিটেইলস:

👩 মা'দের জন্য:
উচ্চতা ৪'৮" থেকে ৫'৬" — সহজেই ফিট হবে

👧 ছোট মেয়েদের জন্য ২টি সাইজ:
🔹 ৪–৬/৭ বছর
🔹 ৮–১১/১২ বছর

💥 মা-মেয়ের ম্যাচিং লুক—একসাথে আরও সুন্দর 💥

🛒 অর্ডার করতে কমেন্টে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন ✅

#মুসলিমপর্দা

লাক্সারি প্রিন্টেড সেমি লং খিমার ও জিলবাব বোরকাসৃজনশীল প্রিয় আপুদের জন্য একেবারে পারফেক্ট—যারা নতুনত্ব পছন্দ করেন, কিন্ত...
03/06/2026

লাক্সারি প্রিন্টেড সেমি লং খিমার ও জিলবাব বোরকা
সৃজনশীল প্রিয় আপুদের জন্য একেবারে পারফেক্ট—যারা নতুনত্ব পছন্দ করেন, কিন্তু শালীনতায় কোনো কম্প্রোমাইজ করেন না।

সকাল/বিকেলে হালকা হাঁটাহাঁটি
বাচ্চাকে স্কুল/মাদ্রাসায় দেওয়া
অফিসে তাড়াহুড়ো করে বের হওয়া
কোথাও বেড়াতে যাওয়া
—প্রতিটি মুহূর্তেই এটি হবে আপনার আউটলুকের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।

বিশেষত্বঃ
হিজাব + এডজাস্টেবল নিকাব একসাথে—এক মিনিটেই ঝটপট রেডি

শালীন ও স্নিগ্ধ প্রিন্ট—রুচিসম্মত, এলিগ্যান্ট লুক
হজ্জ/ওমরাহসহ যেকোনো জায়গায় মানানসই
চাইনিজ চেরি ইমপোর্টেড ফেব্রিক—সফট, হালকা ও টেকসই
দীর্ঘ অফিস টাইম বা জার্নিতেও আরামদায়ক

সাইজ ডিটেইলসঃ
ফ্রি সাইজ
মাথা থেকে লং— সামনে ৫৮”, পিছনে ৬০”
ঘের— ২২০+
নিকাব— ৩২”

#মুসলিমপর্দা

03/06/2026

✨ লাক্সারি প্রিন্টেড সেমি লং খিমার বোরকা ✨
সৃজনশীল ও রুচিশীল আপুদের জন্য এক অনন্য কালেকশন—
যেখানে আধুনিকতা ও শালীনতা মিলেছে নিখুঁত সামঞ্জস্যে 🤍
🌿 ব্যস্ত দিনেও থাকুন পরিপাটি ও আত্মবিশ্বাসী
🖤 রোজায় হালকা হাঁটাহাঁটি
🤍 বাচ্চাকে স্কুল/মাদ্রাসায় দেওয়া
💜 অফিসে তাড়াহুড়ো করে বের হওয়া
💛 ঘুরতে যাওয়া
—প্রতিটি মুহূর্তে এটি হবে আপনার এলিগেন্ট লুকের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী ✨

🌸 প্রোডাক্ট হাইলাইটসঃ
✔️ হিজাব + এডজাস্টেবল নিকাব — ১ মিনিটেই কমপ্লিট লুক
✔️ স্নিগ্ধ ও রুচিশীল প্রিন্ট — সফট, ক্লাসি ও নজরকাড়া
✔️ হজ্জ/ওমরাহসহ যেকোনো পরিবেশে মানানসই
✔️ ইমপোর্টেড চাইনিজ চেরি ফেব্রিক — লাইটওয়েট, সফট ও টেকসই
✔️ দীর্ঘ সময় পরলেও কমফোর্টেবল — ডেইলি ইউজে পারফেক্ট

📏 সাইজ ডিটেইলসঃ
🔸 ফ্রি সাইজ (সবাই পরতে পারবেন)
🔸 লং: সামনে ৫৮" | পিছনে ৬০"
🔸 ঘের: ২২০+
🔸 নিকাব: ৩২"

💫 শালীনতা ও স্টাইল—দুটোই এখন একসাথে

🚚 হোম ডেলিভারি সুবিধা
📩 ইনবক্স করুন এখনই — স্টক সীমিত!

Send a message to learn more

14/02/2026

ধানের শিষে যে ভোট দিলেন।আপনার ভোট পেয়ে তারা যে নির্বাচনের পরের দিন থেকেই কুকর্ম শুরু করছে তার ফল কিন্তু আপনার আমলনামায়ও যুক্ত হবে!

“শয়তান নিবাস: ৫টি স্থানে শয়তান বসত গড়ে” শীর্ষক ফেসবুকে বহুল প্রচারিত লেখাটির পর্যালোচনা এবং এ সংক্রান্ত কিছু বিভ্রান্তি ...
24/09/2025

“শয়তান নিবাস: ৫টি স্থানে শয়তান বসত গড়ে” শীর্ষক ফেসবুকে বহুল প্রচারিত লেখাটির পর্যালোচনা এবং এ সংক্রান্ত কিছু বিভ্রান্তি অপনোদন

বর্তমানে ফেসবুকে নিম্নোক্ত লেখাটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে। কিন্তু এখানে কিছু হাদিস সম্মত ও ভালো কথা থাকলেও কিছু বিষয় আছে যেগুলো বানোয়াট ও বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী। তাই প্রথমে আমরা উক্ত প্রচারিত লেখাটি হুবহু উল্লেখ করে সেখানকার বিভ্রান্তি মূলক বিষয়গুলো সংক্ষেপে পর্যালোচনা করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। الله الموفق

◯ ফেসবুকে প্রচারিত মূল লেখাটি হুবহু নিম্নরূপ:

শয়তান নিবাস!
আমাদের বাড়িঘরের ৫টি স্থানে শয়তান ‘বসত’ গাড়ে। এসব স্থান সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষ করে ঘরে ছোট সন্তান থাকলে।

এক: দীর্ঘদিন যাবত যে বিছানো বিছানায় কেউ শোয়া হয়নি। শয়তান এমন বিছানা দখল করে বসে। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
فِراشٌ لِلرَّجُلِ، وفِراشٌ لأهلِهِ، والثّالِثُ لِلضَّيْفِ، والرّابِعُ لِلشَّيْطانِ
“পুরুষের জন্য একখানা চাদর, তার স্ত্রীর জন্য একখানা চাদর এবং তৃতীয়টি অতিথির জন্য। আর চতুর্থটি শয়তানের জন্য (জাবের রা। মুসলিম: ২০৮৪)।
বসীরাহ: এজন্য অব্যবহৃত বিছানা ভাঁজ করে রাখা নিরাপদ। ভাঁজ না করলেও নিয়মিত বিছানা ঝাড়া উচিত। অথবা আয়াতুল কুরসি ও রুকিয়ার আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া পানি ছিটানো উচিত। দুই বা তিনদিন পরপরই এমনটা করা উচিত। তবে মৌলিকভাবে এই হাদিসে অহেতুক বিলাসিতাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

দুই:
হাম্মাম (বাথরুম)। এটা সবার জানা আছে। হাম্মামে সবচেয়ে দুষ্ট আর খবিস প্রকৃতির শয়তানরাই থাকে। এজন্য হাম্মামে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা ভীষণ জরুরী। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إنَّ هذه الحُشوشَ مُحتَضرةٌ، فإذا أتى أحَدُكم الخلاءَ فلْيَقُلْ: أعوذُ باللهِ مِن الخُبُثِ والخبائثِ
এসব পায়খানার স্থান হচ্ছে (জিন ও শয়তানের) উপস্থিতির স্থান। সুতরাং যারা পায়খানায় যাবে তারা যেন এ দোয়া পড়ে: আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাল খুবুসি ওয়াল খবা-য়িস।
অর্থাৎ- আমি নাপাক নর-নারী শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই (যায়েদ বিন আরকাম রা। আবু দাউদ: ২)।

তিন:
দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা অব্যবহৃত, অধোয়া জামাকাপড়, আলমারি ওয়ারড্রবে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা পোশাকআশাকও এই ঝুঁকির আওতামুক্ত নয়। নবীজি বলেছেন,
اطووا ثيابَكُم ترجِعُ إليها أرواحُها، فإنَّ الشَّيطانَ إذا وجدَ ثوبا مطويًّا لم يَلبَسهُ، وإذا وجدَهُ مَنشورًا لبسَهُ
তোমাদের জামাকাপড় ভাঁজ করে রাখো। কারণ, এসব জামাকাপড়ের কাছে সেগুলোর মালিকের প্রাণগুলো ফিরে আসে/প্রেতাত্মারা ফিরে আসে। আর শয়তান ভাঁজ করা জামাকাপড় পরে না। মেলে দেয়া পোশাক পেলে পরে (জাবের রা। সিলসিলাহ যয়ীফা: ২৮০১)।

বসীরাহ: আমরা অনেকেই জামাকাপড় ঝুলিয়ে রাখি। হাতের নাগালে রেখে, যখন ইচ্ছা পরার সুবিধার্থে আমরা সাধারণত জামাকাপড় লটকে রাখি। যে কোনও ক্ষতি-অনিষ্ট থেকে বাঁচতে হলে, এসব পোশাকে কুরআন পড়া পানি ছিটিয়ে দেয়া নিরাপদ। মাঝেমধ্যে আলমারি, ওয়ারড্রব খুলে জামাকাপড়ে সূরা ফাতিহা ও আয়াতুল কুরসি পড়ে ফুঁক দিতে পারি।

চার:
প্রাণী বা মানুষের মূর্তি ও পুতুল। এসব পুতুল-মূর্তি ঘরে থাকলে, ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। ফেরেশতার আগমন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে, এসব পুতুল-মূর্তির আড়ালে শয়তান (দুষ্ট জিন) আশ্রয় গ্রহণ করে। নবীজি বলেছেন,
لا تَدْخُلُ المَلائِكَةُ بَيْتًا فيه كَلْبٌ، ولا تَماثِيلُ
যে ঘরে কুকুর ও মূর্তি-ভাস্কর্য থাকে, সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না (আবু তালহা রা। মুসলিম: ২১০৬)।
বসীরাহ: আরেক বর্ণনায় আছে, ঘরে ‘ছবি’ থাকলেও ফেরেশতা প্রবেশ করে না।

পাঁচ:
আগুন জ্বালানোর স্থান। উনুন-চুলা। এসব স্থান জিন-শয়তানের খুবই প্রিয় জায়গা। কারণ তারা আগুনেরই সৃষ্টি। এজন্য যখনই আগুনের কাছে যাবো, রান্নাবান্নার কাজে চুলার কাছে যাবো, মুখে মনে আল্লাহর জিকির করার অভ্যাস গড়ে তুলব। ইনশাআল্লাহ।
নাউজুবিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বনির রজীম।
ইয়া আল্লাহ, আমাদেরকে ও আমাদের সন্তান-সন্ততিকে জিন-শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
------------------------------
পোস্ট পর্যালোচনা এবং বিভ্রান্তি নিরসন:

❑ ১ম: বাড়িতে অতিরিক্ত বিছানা থাকলে কি তা শয়তানের আশ্রয়স্থল? অতিরিক্ত বিছানা রাখা কি হারাম?
উত্তর:
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছেন,
فِرَاشٌ لِلرَّجُلِ، وَفِرَاشٌ لِامْرَأَتِهِ، وَالثَّالِثُ لِلضَّيْفِ، وَالرَّابِعُ لِلشَّيْطَانِ
“একটি বিছানা পুরুষের, একটি বিছানা তার স্ত্রীর, তৃতীয়টি মেহমানের জন্য আর চতুর্থটি শয়তানের জন্য।” [সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), ৩৮/ পোশাক ও সাজসজ্জা, পরিচ্ছেদ: ৮. প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিছানা, পোশাক ইত্যাদি (সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা) মাকরূহ]
এ ব্যাপারে বর্ণিত হাদিসে বর্ণিত “চতুর্থটি শয়তানের জন্য”-এ কথার উদ্দেশ্যের ব্যাপারে অধিকাংশ মুহাদ্দিস বলেন, এর অর্থ হল, অতিরিক্ত বিছানা থাকা অপচয় ও বিলাসিতার অন্তর্ভুক্ত। 'অতিরিক্ত বিছানা থাকলে তাতে শয়তান বসবাস করে' এমন অর্থ সর্বগ্রায্য নয়।

এ ব্যাপারে বিজ্ঞ মুহাদ্দিসগণের ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:

◈ ক. মিশাকাতুল মাসাবিহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ আল মিফতাহের লেখক আল হুসাইন আল মুজহেরি আল হানাফি [মৃত্যু: ৭২৭ হিজরি] বলেন, “চতুর্থটি শয়তানের জন্য” এ কথার অর্থ: যা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তা হল, অপচয়। আর অপচয় করা শয়তানের কাজ।”
◈ খ. আবু দাউদের ব্যাখ্যাগ্রন্থ আউনুল মাবুদে বলা হয়েছে, ইমাম নওবি বলেন, “চতুর্থটি শয়তানের জন্য” এ কথার অর্থ হল, যা কিছু প্রয়োজন অতিরিক্ত তা গ্রহণ করা হল, গর্ব-অহংকার ও পার্থিব সাজ-সজ্জা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকার নামান্তর। কারও মধ্যে এমন বৈশিষ্ট্য থাকা নিন্দনীয়। আর প্রতিটি নিন্দনীয় বিষয় শয়তানের দিকে সম্বন্ধ করা হয়। কারণ শয়তান তাকে পরিতুষ্ট করে, সুশোভিত করে এবং তাতে সহায়তা করে। যেমনটি কোনও ঘরে যদি নৈশকালে প্রবেশের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ না করা হয় তাহলে সেখানে শয়তানের রাত কাটানোর সুযোগ হয়ে যায়।
আর স্বামী-স্ত্রীর একাধিক বিছানা থাকায় কোনও সমস্যা নেই। কারণ তাদের প্রত্যেকেরই অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে আলাদা বিছানার প্রয়োজন হতে পারে।”
এটাও বলা হয়েছে যে, “এ হাদিসটি বাহ্যিক অর্থেই। তা হল, বিছানা যদি নিষ্প্রয়োজনীয় হয় তাহলে তা হয় শয়তানের বাসস্থান।”

◈ গ. শাইখ আলবানি বলেন, উক্ত হাদিসের অর্থ হল, "একজন মুসলিম যেন বাড়িতে প্রচুর আসবাবপত্র না রাখে এবং বাড়িতে এমন কিছু না আনে যার আদৌ প্রয়োজন নেই। আর 'চতুর্থ বিছানাটি শয়তানের জন্য' এ কথার উদ্দেশ্য হল, এটা বিলাসিতার অন্তর্ভুক্ত যার কোন দরকার ছিল না।”

◈ ঘ. আমির সানয়ানি বলেন, চতুর্থ বিছানা রাখা কি হারাম যার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যার ব্যাপারে বলেছেন যে, তা শয়তানের জন্য?
আমি বলি, আলেমগণ বলেন, তা হারাম নয়। কারণ এটা হল, যে খাবারে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় না তা শয়তান ভোগ করে-এর পর্যায়ভুক্ত। (অর্থাৎ অতিরিক্ত বিছানা শয়তান ভোগ করে) আর তা হারাম প্রমাণ করে না।

❑ ২য়: পোস্টে নিম্নোক্ত বানোয়াট হাদিস পেশ করে দলিল বহির্ভূত আমল করার কথা বলা হয়েছে। তা হল:

اطووا ثيابَكُم ترجِعُ إليها أرواحُها، فإنَّ الشَّيطانَ إذا وجدَ ثوبا مطويًّا لم يَلبَسهُ، وإذا وجدَهُ مَنشورًا لبسَهُ

“তোমাদের জামাকাপড় ভাঁজ করে রাখো। কারণ, এসব জামাকাপড়ের কাছে সেগুলোর মালিকের প্রাণগুলো ফিরে আসে/প্রেতাত্মারা ফিরে আসে। আর শয়তান ভাঁজ করা জামাকাপড় পরে না। মেলে দেয়া পোশাক পেলে পরে (জাবের রা. থেকে বর্ণিত, সিলসিলাহ যয়ীফা: ২৮০১) [তাবরানি আওসাত]

◆ হাদিসটির মান: হাদিস বিশারদগণের দৃষ্টিতে এটি মাওজু বা বানোয়াট হাদিস।

শাইখ আলবানি বলেন, এ হাদিসটি মাউজু (বানোয়াট)। তিনি উক্ত হাদিসের সনদ (বর্ণনা সূত্র) উল্লেখ করার পর বলেন, عمر بن موسى هذا؛ من الوضاعين المعروفين بالوضع “এই উমর বিন মুসা বানোয়াট হাদিস রচনাকারীদের মধ্যে একজন সুপ্রসিদ্ধ ব্যক্তি। এ কারণেই হায়সামি তার আল মাজমা গ্রন্থে (৫/১৩৫) বলেছেন, " فيه عمر بن موسى بن وجيه وهو وضاع “এর বর্ণনা সূত্রে উমর বিন মুসা বিন ওয়াজিহ নামক একজন বর্ণনাকারী আছে। সে হল, বানোয়াট হাদিস রচনাকারী।”

শাইখ আলবানি আরও বলেন, সুয়ুতি তার জামে সাগির গ্রন্থে (হা/১১০৩৯) বলেছেন, “এর বর্ণনা সূত্রে ‘ইয়াসিন বিন মুয়ায বিন সাইয়াত’ নামক যে বর্ণনাকারী আছে সে মাতরূক متروك (পরিত্যাজ্য)। ইবনে হিব্বান তার ব্যাপারে বলেন, “এই বর্ণনাকারী বানোয়াট হাদিস বর্ণনা করে।” [সিলসিলা যাইফা ওয়াল মাউযুআহ, ১২/৮৩১, হা/৫৯০৪]

❑ ৩য়. এখানে বলা হয়েছে, “যে কোনও ক্ষতি-অনিষ্ট থেকে বাঁচতে হলে, এসব পোশাকে কুরআন পড়া পানি ছিটিয়ে দেওয়া নিরাপদ। মাঝে-মধ্যে আলমারি, ওয়ারড্রপ খুলে জামাকাপড়ে সূরা ফাতিহা ও আয়াতুল কুরসি পড়ে ফুঁক দিতে পারি।”

◆ ১মত: শয়তান খোলা জামা-কাপড় পরিধান করে-এ কথার ভিত্তি হল, বানোয়াট হাদিস (যেমনটি উপরে আলোচনা করা হল)।

◆ ২য়ত: উক্ত বানোয়াট হাদিসের উপর ভিত্তি করে বলা হয়েছে, জামা-কাপড় পরিধানের পূর্বে তাতে সূরা ফাতিহা ও আয়াতুল কুরসি ইত্যাদি পড়ে ফুঁ দিলে জিন-শয়তান পালাবে। এ কথার দলিল কোথায়? কোন হাদিসে বলা হয়েছে যে, সূরা ফাতিহা ও আয়াত কুরসি পড়ে ফুঁ দিলে শয়তান পালাবে? আমার জানামতে, এমন কোনও হাদিস নেই।

হ্যাঁ, ঘর থেকে শয়তান দূর করা এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচার বিশুদ্ধ হাদিস সম্মত একাধিক আমল রয়েছে। সেগুলো করা যেতে পারে। যেমন: ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা, সকাল-সন্ধ্যা আয়াতুল কুরসি পাঠ করা (তা পাঠ করে শরীর, কাপড়, কাপড়ের ওয়ারড্রপ, পানি ইত্যাদি কোনও কিছুতে ফুঁ দেওয়া হাদিস সম্মত নয়), বাড়িতে প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ এবং বাড়িতে প্রবেশের দুআ পাঠ, ঘুমানোর পূর্বে দুআ পাঠ, টয়লেটে প্রবেশের দুআ পাঠ, স্ত্রী সহবাসের পূর্বে দুআ পাঠ, শয়তানের কুমন্ত্রণা অনুভব করলে 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বনের রাজীম' (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি) পাঠ করা ইত্যাদি সুন্নাহ সমর্থিত আমল।

❑ ৪র্থ: উক্ত পোস্টে বলা হয়েছে, “আগুন জ্বালানোর স্থান, উনুন-চুলা। এসব স্থান জিন-শয়তানের খুবই প্রিয় জায়গা।” এ কথার দলিল কোথায়? আমার জানামতে, এসব কথার পক্ষে কোনও দলিল নেই। আর দলিল ছাড়া অদৃশ্য বিষয়ে কথা বলা বৈধ নয়।
মোটকথা, আমাদের কর্তব্য, ঘর-বাড়ি যেন শয়তানের আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয় সে জন্য কুরআন-সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত আমল সমূহ করা এবং ভিত্তিহীন ও বিদআতি কার্যক্রম থেকে দূরে থাকা। কারণ দলিল বহির্ভূত বিদআতি আমলে শয়তান বেশি খুশি হয়। সুতরাং শয়তান থেকে আত্মরক্ষা‌ করতে গিয়ে যদি বিদআতি আমল দ্বারা শয়তানকে খুশি করা হয় তাহলে এর চেয়ে বড় নির্বুদ্ধিতা আর কী হতে পারে?
আল্লাহ আমাদেরকে সুন্নাহ সম্মত আমল করার তওফিক দান করুন এবং বিদআত ও সর্বপ্রকার ভ্রান্তি থেকে হেফাজত করুন। আমিন। আল্লাহু আলাম।
পর্যালোচনাকারী:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ,আমি যদি একটি সুন্নাহ শপ দেই। যেখানে দ্বীনি ভাই ও বোনদের জন্য সুন্নাহ স্টা...
11/06/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ,

আমি যদি একটি সুন্নাহ শপ দেই। যেখানে দ্বীনি ভাই ও বোনদের জন্য সুন্নাহ স্টাইলের এর পোশাক থাকবে।

👉যেমন দ্বীনিবোনদের জন্য: বোরখা, সালাত খিমার, সহিহ আকিদার বই।

👉দ্বীনি ভাইদের জন্য: পাঞ্জাবি, জুব্বা, আতর।
তাহলে আপনারা কি দ্বীনি বোনের কাছ থেকে এগুলো কিনবেন?

মতামত চাচ্ছি।

গল্পটি ভালো লাগলো। তাই শেয়ার দিলাম। গল্পটি সংগৃহিত। তিন বন্ধু একটি দেশে বেড়াতে গিয়ে থাকার জন্য তারা একটি হোটেলে রুম ভা...
11/06/2025

গল্পটি ভালো লাগলো। তাই শেয়ার দিলাম। গল্পটি সংগৃহিত।

তিন বন্ধু একটি দেশে বেড়াতে গিয়ে থাকার জন্য তারা একটি হোটেলে রুম ভাড়া করলো। তারা রুম পেলো ৭৫ তলায়।

একদিন তারা শহরটা ঘুরে দেখার জন্য বের হলো। কিন্তু তাদের ফিরতে ফিরতে একটু রাত হয়ে গেলো। হোটেলে এসে দেখে লিফট অফ হয়ে আছে। হোটেলের নিয়ম অনুযায়ী, রাত ১২টার পর থেকে লিফট বন্ধ থাকে, এটা তারা জানতো না।

তারা চিন্তায় পড়ে গেলো। এক দুই তলা না, ৭৫ তলা। এতো উঁচুতে হেটে হেটে কিভাবে উঠবে! সারারাত তো এভাবে বাইরে বসে থাকাও যায়না। অগত্যা কোন উপায় না দেখে তারা উপরে উঠার সিদ্ধান্ত নিলো।

তাদের মধ্যে একজন গল্প শুরু করলো। তার জীবনের নানান গল্প বলতে বলতে উপরে উঠছিলো। সে গল্প শেষ হতে হতে তারা পৌঁছে গেলো ২৫ তলায়! এরপর আরেক জন তার জীবনের গল্প বলা শুরু করলো। সে গল্প শেষ হতে হতে তারা পৌঁছে গেলো ৫০ তলায়। এখন কি করা যায়? সবার পা অচল হয়ে গেছে। পা যেনো আর চলে না। কিন্তু তবুও তো থেমে থাকা যাবে না। তৃতীয় জন শুরু করলো তার দুঃখ-কষ্টের কথা। তার সব ঘটনা যখন বলা শেষ হয়, তখন তারা ৭৫ তলায় গিয়ে পৌঁছে।

সবাই একটু বিশ্রাম করে রুমের দিকে আগায়। কিন্তু তখন ঘটে আসল বিপত্তি। তারা যখন দরজা খুলতে গেলো, দুর্ভাগ্য ক্রমে দেখা গেলো, ভুল করে চাবি রেখে এসেছে রিসেপশনে।

তাদের কারোরই এখন এই অবস্থা নেই যে তারা আবার নীচে নামবে আর চাবি নিয়ে আসবে। উপড়ে উঠতে গিয়ে চাবি না নিয়ে আসার মতো একটা ভুলের জন্য তাদের এতো কষ্ট বিফলে গেলো। অগত্যা এভাবেই রাত কাটাতে হলো বসে বসে।

গল্পটার দিকে একটু তাকান। নিজের জীবনকে দেখতে পান? আমরা জীবনের ২৫বছর কাটিয়ে দেই লেখাপড়া করে। এরপরের ২৫ বছর কেটে যায় চাকরি বা ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে। আর বাকী ২৫ বছর, অথবা যা সময় বেঁচে থাকি তা কেটে যায় ক্লান্ত শ্রান্ত শরীরে, বিভিন্ন রোগে ডাক্তারের কাছে ছুটাছুটি করে।

জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ার জন্য আপনি-আমি হয়তো এতো কিছু করছি। কিন্তু একটা সময় আমরা যখন মৃত্যুর দ্বার প্রান্তে পৌছে যাই, তখন পেছন ফিরে দেখি আখেরাতের জন্য কোন কিছু সঙ্গে নিয়ে আসিনি। কবর জীবনের সফলতার চাবি ফেলে এসেছি জাগতিক ব্যস্ততায়।
আখেরাতের ঐ কঠিন দিনে নিজেকে বাঁচানোর জন্য যদি দুনিয়াতে এখন থেকে কিছু না করি, তাহলে কষ্ট করে ঐ তিন বন্ধুর মত গন্তব্যে পৌঁছাব ঠিকি, কিন্তু জান্নাতের চাবিটা দুনিয়াতেই থেকে যাবে।

তিন বন্ধু যেমন নির্দিষ্ট লক্ষে গিয়েও আফসোস করছে। ঠিক তেমনি ভাবে, কাল কিয়ামতের দিনও, আপনার-আমার হয়তো আফসোস করা ছাড়া উপায় থাকবে না।

তাই আসুন
১- আমরা ঈমান পরিশুদ্ধ করি।
২- শরীয়াতের সকল হুকুম আহকাম মেনে চলি।
৩- সালাত, সাওম, যাকাত, হজ্জ, যথাযথ আদায় করি।
৪- অতীতের অপরাধের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করি।

তাহলেই আমরা কিয়ামতের দিন মুক্তি পাব ইন'শাআল্লাহ।

উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমলের দোয়া।
11/06/2025

উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমলের দোয়া।

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tazkia Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share