Hamarbazar

Hamarbazar Online Shopping with Home delivery within Rangpur Division.

Currently we are offering home delivery within Rangpur City, other places will come to our network soon.

Microtek Solar UPS (ips) 1435 (880 watts, 12 Volt) Pure Sine Wave Inverter• Dual Charging, Mains Mode and Solar Mode.(So...
24/09/2020

Microtek Solar UPS (ips) 1435 (880 watts, 12 Volt) Pure Sine Wave Inverter

• Dual Charging, Mains Mode and Solar Mode.(Solar Panel up to 600W-12V model).
• LCD and Graphical Display Indications (Status & Fault).
• Smart and Faster Overload Sense and Short Circuit Protection.
• Input Voltage (Standard Range)100 V ~ 300 V
• Output: 1100 VA (880 Watts approx.)

Price: 15,950 Taka
Call: 01868500070

করোনা থেকে বাঁচাতে বাচ্চা কে কি খাওয়াবেন?-------------------------------------------------------------------------------...
07/05/2020

করোনা থেকে বাঁচাতে বাচ্চা কে কি খাওয়াবেন?
--------------------------------------------------------------------------
--------------------------------
জিংকযুক্ত খাবার
----------------------------------------------------
জিংকের অভাবে বাচ্চা এমনকি বড়োদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। অথচ দেখা গেছে জিংক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমাতে সহায়ক। আর জিংকের উল্লেখযোগ্য উত্স মটরশুঁটি, লাল মাংস ও বাদাম।
সেলিনিয়ামযুক্ত খাবার
এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও লিভারের কাজে সহায়ক। উত্স :শস্য, রসুন, ব্রুকলি, মাছ, গরুর মাংস ও ডিম।
লৌহযুক্ত খাবার
বাচ্চাদের দৈহিক বিকাশ, স্নায়ুবিক বিকাশে এটি অপরিহার্য উপাদান। শিশুর রোগ প্রতিরোধক কোষের জন্যও প্রয়োজন। উত্স : ডাল, পালংশাক, মাংস, গাঢ় সবুজ শাক।
----------------------------------
ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার
------------------------------------------------------
এটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাপনা, কোষীয় কাজে সাহায্য করে।
এটি বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। তাই সর্দি কাশির সময় ভিটামিন সি নিয়মিত খেতে বলা হয়। এটি লৌহ শোষণেও সাহায্য করে। উত্স : কমলা, লেবু, আমলকী, আনারস, জাম, আঙুর, টম্যাটো, পেয়ারা, পেঁপে।
--------------------------------------
ভিটামিন ই-যুক্ত খাবার
---------------------------------------------
এটি প্রতিরোধক কোষের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও ভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা বাড়ায়। উত্স : বাদাম তেল, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, আখরোট, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি।
তাছাড়া ভিটামিন এ-যুক্ত খাবার যথা গাজর, আম, মিষ্টি আলু, গরুর কলিজা ইত্যাদি দিতে হবে বাচ্চাদের। তাছাড়া দুধ, দই, পনির অর্থাত্ দুগ্ধজাত খাবারও দিতে হবে।
করোনার ঝুঁকি কমানোর জন্য এখন বাচ্চাদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। তাই এমন খাদ্য নির্বাচন করতে হবে, যাতে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

01/05/2020
07/04/2020

রংপুর নগরীতে টিসিবি’র ২ লাখ টাকার মাল অবৈধভাবে মজুদ রাখার অভিযোগ একজনকে আটক করেছে ভ্রাম্যামাণ আদালত। এসময় গোডাউ....

রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহারে ৭ রোগের ঝুঁ’কি কমে------------------------------------------------------------হৃদরোগজনিত জটি...
04/03/2020

রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহারে ৭ রোগের ঝুঁ’কি কমে
------------------------------------------------------------
হৃদরোগজনিত জটিলতায় কারণে বিশ্বে প্রতিবছর অনেক মানুষ মা’রা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ও হৃদরোগের ঝুঁ’কি কমায়।

---------------------------------------------------------------------------
গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে থাকা ওমেগা থ্রি পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলন ক্যান্সারের ঝুঁ’কি কমায়।
-----------------------------------------------------------------------------------
এই তেল রান্নায় ব্যবহারে করলে শতকরা ৫০ ভাগ টিউমা’রের আশ’ঙ্কা কমে যায়।
----------------------------------------------------------------------------------
সরিষার তেলে থাকা অ্যালিল আইসোথিয়োকানেট উপাদান মূত্রাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ৩৪ ভাগ কমায়।
---------------------------------------------------------------------------------
সরিষার তেলে থাকা অ্যান্টিবমাইক্রোবিয়াল উপাদান হ’জমশক্তি উন্নত করে ও দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
----------------------------------------------------------------------------------
প্রদাহ’জনিত সমস্যা কমাতে সরিষার তেলের খুব ভালো কাজ করে।
-----------------------------------------------------------------------------------
সরিষার তেলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম থাকায় ওজন কমায়।

---------------------------------------------------------------------------------
>>

টমেটো ও গাজর হাঁপানির ঝুঁকি কমায়----------------------------------------------পরিবেশ দূষণ ও খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে ওষ...
29/02/2020

টমেটো ও গাজর হাঁপানির ঝুঁকি কমায়
----------------------------------------------
পরিবেশ দূষণ ও খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে ওষুদের প্রতিক্রিয়ার কারণে অনেক দেশেই হাঁপানি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে; কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মহিলার প্রচুর টমেটো, গাজর ও সবুজ পাতাওয়ালা শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে, তারা অপেক্ষাকৃত কম হাঁপানিতে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। গবেষণায় প্রতিটি শাকসবজির সুনির্দিষ্ট ভূমিকা জানা গেলেও প্রাপ্তবয়স্কদের হাঁপানি থেকে এদের রক্ষাকারী ভূমিকা সুস্পষ্টভাবে জানা গেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, শাকসবজির অ্যান্টিএক্সিডেন্ট শ্বাসনালি রক্ষার ভূমিকা রাখে। গাজর, টমেটোর রস ও পাতাকপিতে ক্যারোটিনয়েড নাম একটি উপাদান থাকে যা কি না পরবর্তীতে ভিটামিন-এ’তে পরিবর্তিত হয়। ভিটামিন-এ অন্য অনেক কাজের সঙ্গে সঙ্গে দেহের রোগপ্রতিরোধক ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং শ্বাসনালীর আবরণ কলাকে সুসংহত করে। বিশেষজ্ঞের অভিমত, একজন মানুষের সুস্থতার জন্য প্রত্যেকের কমপক্ষে ৫ ধরনের শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রত্যেকের জানা জরুরি যে, তার জন্য কোন শাকসবজি বা ফলমূল বেশি উপকারী বা কোনটি বাদ পড়লে তাকে ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হবে। সর্বোচ্চ তাজা সবুজ শাকসবজি ভক্ষণকারী সর্বনিম্ন হারে হাঁপানিতে ভোগে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পারিবারিক রোগ, পরিবেশ, শরীরের এলার্জেনের মাত্রা এসব কিছুও হাঁপানি সংক্রমণে ভূমিকা পালন করে বিধায় শুধু ভিটামিন বা শাকসবজি একক ভূমিকা অনেক ক্ষেত্রে হাঁপানি প্রতিরোধে কাজে নাও আসতে পারে।

ডা. হাফিজা লুনা
লেখিকা : প্রভাষক, উত্তরা মহিলা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, জুন ২৭, ২০০৯

ফরমালিন (-CHO-)n থেকে বাঁচার উপায়-----------------------------------------------ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH...
29/02/2020

ফরমালিন (-CHO-)n থেকে বাঁচার উপায়
-----------------------------------------------
ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়
------------------------------
ফরমালিনের ক্ষতিকর দিক:
------------------------------------
ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।
ধীরে ধীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেন সব কিছুুকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি ব্লাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।
মানবদেহে ফরমালিন ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
-----------------------------------------------------------
কিভাবে মাছ থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন-
----------------------------------------------------------
ফরমালিনবিহীন মাছের ফুলকা উজ্জ্বল লাল র্বণ , চোখ ও আঁইশ উজ্জ্বল হয়,শরীরে আঁশটে গন্ধ পাওয়া যায়,মাছের দেহ নরম হয় ।অন্যদিকে ফরমালিনযুক্ত মাছের ফুলকা ধূসর, চোখ ঘোলাটে ও ফরমালনিরে গন্ধ পাওয়া যায় হয়,আঁইশ তুলনামূলক ধূসর র্বণরে হয় ,শরীরে আঁশটে গন্ধ কম পাওয়া যায়, দেহ তুলনামূলক শক্ত হয় ।
পরীক্ষায় দেখা গেছে পানিতে প্রায় ১ ঘন্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের মাত্রা শতকরা ৬১ ভাগ কমে যায়।
লবনাক্ত পানিতে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফর্মালিনের মাত্রা কমে যায়।
প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারন পানিতে ফর্মালিন যুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফর্মালিন দূর হয়।
সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে (পানিতে ১০ % আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফর্মালিনই দূর হয়।
---------------------------------------------------------------------------
কিভাবে ফল ও সবজি থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন-
---------------------------------------------------------------------------
যে ধরনের রাসায়নিক দেয়া হোক না কেন যদি একটু আমরা একটু সচেতন হই তাহলে ফল খাওয়া সম্ভব। আমাদের যা করতে হবে তা হল- খাওয়ার আগে এক ঘণ্টা বা তার চেয়ে একটু বেশী সময় ফলগুলো পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে।
লিচু কাঁচা অবস্থায় সবুজ। পাকার পর হয় ইটা লাল। এখন গাছে রাসায়নিক স্প্রে করে যার ফলে লিচু গাঁড় মেজেনটা রং ধারন করে তা বড়ই মনমুগ্ধকর। কিন্তু চকচক করলে সোনা হয় না সেটা মনে রেখে কখনোই গাঁড় মেজেনটা রঙ্গের লিচু কেনা যাবে না।
সবজি রান্না করার আগে গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন।
বেগুনে এক ধরনের রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করা হয় । এই রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার ক্ষতিকর না যদি নিয়মানুসারে দেয়া হয়। কিন্তু আমাদের দেশের কৃষকেরা এ ব্যাপারে অজ্ঞ। তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। প্রতিটি কীটনাশকের ক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত থাকে।
যেমন- একটি কীটনাশকের সেলফ লাইফ বা জীবন সীমা ৭দিন, তার মানে কীটনাশকটা ব্যবহারের ৭দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে, যা কীটপতঙ্গের জন্য ক্ষতিকর। তাই কৃষকদের উচিত কীটনাশক ব্যবহারের অন্তত ৭দিন পর ফলন তোলা। কিন্তু তারা তা না করে ২-১ দিনের মাঝেই ফলন তোলেন। ফলে কীটনাশকের ক্রিয়া ক্ষমতা থেকে যায়, যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে আমাদের উপর। তাই বাজারে সতেজ, উজ্জ্বল বেগুন না কিনে কিছুটা অনুজ্জ্বল, পোকায় কিছুটা আক্রান্ত এমন বেগুন কেনাই ভালো।
সূত্রঃ ইন্টারনেট।

এক ‘বাঘ-বিধবা’র দুঃখগাথা--------------------------------------ছেড়ে গেছে সন্তানেরা, বর্জন করেছে প্রতিবেশীরা। তার তকমা জুট...
25/02/2020

এক ‘বাঘ-বিধবা’র দুঃখগাথা
--------------------------------------
ছেড়ে গেছে সন্তানেরা, বর্জন করেছে প্রতিবেশীরা। তার তকমা জুটেছে ‘অলক্ষ্মী’ হিসেবে। কিন্তু মোসাম্মৎ রাশিদার অপরাধ? অপরাধ তার স্বামীকে বাঘে খেয়েছে! সুন্দরবনের বাঘের হাতে স্বামীর প্রাণ হারানোর ‘দায়’ এই প্রৌঢ়াকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে বছরের পর বছর।

রাশিদার মতোই দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় এমন হাজারো নারী বয়ে বেড়াচ্ছেন স্বামীর ‘দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি’র কারণ হিসেবে ‘অলক্ষ্মী’ বা ‘হতভাগী’ অপবাদ। এই অপবাদ মাথায় তাদের যাপন করতে হচ্ছে চরম মানবেতর জীবন।

রাশিদার বাড়ি সুন্দরবনের সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা গ্রামে। মধু আহরণকারীদের এই গ্রামে নিজের জীর্ণ কুঁড়েঘরে কাতর স্বরে রাশিদা বলছিলেন তার দুঃখগাথা, ‘সবাইতো মুখ ফিরিয়ে নিলোই, আমার ছেলেরাও আমায় বলল, আমি নাকি অলক্ষ্মী! তারাও আমায় ছেড়ে গেল!’

গাবুরা গ্রামের আরও কয়েকজনের সঙ্গে মধু আহরণে গিয়েছিলেন রাশিদার স্বামী। আকস্মিক রয়েল বেঙ্গল টাইগার আক্রমণ করে তাকে। মানুষখেকো ওই বাঘের থাবায় প্রাণ হারান তিনি।

স্বামীকে হারানোর পর রাশিদার ২৪ ও ২৭ বছর বয়সী দুই সন্তানও তাকে ছেড়ে চলে যায়। চোখের জল মুছতে মুছতেই ৪৫ বছর বয়সী রাশিদা বলেন, ‘সবশেষে তারাও আসলে সমাজেরই অংশ।’

তিনি যে ছোট্ট খুপরি ঘরে থাকেন, সেটার চালাও নেই। একবার এক ঘূর্ণিঝড়ে সেই চালা উড়ে গিয়েছিল। তখন গ্রামবাসীর সাহায্য চাইলেও কেউ এগিয়ে আসেনি।
পাশের ঘরের ভাঙা চালা ঠিক করছিলেন মোহাম্মদ হোসেন। জিজ্ঞেস করা হলে তিনি রাশিদাকে সাহায্য না করার কথা স্বীকার করেন। ৩১ বছর বয়সী মধু আহরণকারী হোসেন বলেন, আমার স্ত্রীই আমাকে রাশিদার সঙ্গে কথা বলতে মানা করেছে। কারণ তার সঙ্গে কথা বললে অলক্ষুণে কিছু হয়ে যেতে পারে।

রাশিদার মতো আরেক ‘বাঘ-বিধবা’ রেজিয়া খাতুন। ১৫ বছর আগে তার মধু আহরণকারী স্বামীকে বাঘে খেলে রেজিয়াকেও ‘হতভাগী’ অপবাদ দেয়া হয়। তবে তিনি ধীরে ধীরে সামলে ওঠেন। রেজিয়াকে জীবনে স্বাভাবিক করতে সমাজের মানুষের আড়ালে গোপনে সহায়তা করে আসছেন তার ভাগনে ও অন্য আত্মীয়রা।

রেজিয়া বলছিলেন, ‘তিনি (স্বামী) মারা যাওয়ার সময় আমার ছেলেরা খুব ছোট্ট ছিল। কেউ আমাকে তখন সাহায্য করতে এগিয়ে আসছিল না। তারা স্বামীর মৃত্যুর জন্য আমাকে দায়ী করছিল বিধায় প্রথম দিকে আমার খারাপ লাগতো, কারণ আমি জানতাম না যে আমার অপরাধ কী। এখন আমি এই দুর্দশার মধ্যেই বেঁচে থাকার লড়াই শিখে গেছি।’

রেজিয়ার ভাগনে ইয়াদ আলী তার মামাসহ অনেক মধু আহরণকারীর ওপর বাঘের আক্রমণ নিজ চোখে দেখেছেন। তার মামা মারা যাওয়ার পর সমাজের লোকজনের আচরণও দেখেছেন মামীর ওপর। তাই অনেক ঝুঁকি সত্ত্বেও তিনি মামীর জন্য এগিয়ে আসেন।
লেডারস বাংলাদেশের এক পরিসংখ্যান মতে, ২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কেবল সাতক্ষীরা জেলার ৫০ গ্রামেই বাঘের থাবায় প্রাণ গেছে ৫১৯ জনের। তাদের মৃত্যু স্ত্রীদের যেমন করেছে স্বামীহারা, তেমনি ফেলে গেছে রাশিদা-রেজিয়াদের মতোই মানবেতর জীবনে।

রান্নাঘরের  প্রয়োজনীয় টিপস !------------------------------------যদি কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে কষ্ট হয়, তাহলে বাদামগুলোকে গ...
24/02/2020

রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় টিপস !
------------------------------------
যদি কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে কষ্ট হয়, তাহলে বাদামগুলোকে গরম পানিতে অন্তত ১৫-২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। খোসা নরম হয়ে সহজেই উঠে আসবে।

আপনার চিনির বয়ামে খুব বেশী পিঁপড়ার আক্রমণ হচ্ছে? বয়াম এর মুখ খুলে চিনির উপর ৩-৪ টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ে বাপ বাপ করে পালিয়ে যাবে।

যদি চামড়ায় কোথাও পুড়ে যায়, ঠান্ডা পানি ঢেলে দিন। এরপর পাকা কলা চ্যাপ্টা করে নিয়ে পোড়া স্থানে লাগিয়ে দিন। জ্বলুনি একদম কমে যাবে।

পাতিলে যদি খাবারের পোড়া দাগ লেগে যায়, অনেক সময় ঘষেও তোলা যায় না।এই ক্ষেত্রে কী করবেন? রান্নাঘরে গিয়ে অল্প কিছু পেঁয়াজ কেটে নিন।এরপর খাবার পোড়া পাতিলে গরম পানি ঢেলে তাতে পেঁয়াজ কুচি রেখে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।তারপর পরিষ্কার করুন। দেখবেন পোড়া দাগ উঠে গেছে

রান্নাঘরে খুব তেলাপোকার উপদ্রপ? রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণাগুলোতে বোরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা রান্নাঘর তো বটেই, বাড়ি ছেড়ে পালাবে

এখনই ফেলে দিন! !!!----------------------------------- রান্নাঘর, যে কোনও বাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান।রান্নাঘর অ...
19/02/2020

এখনই ফেলে দিন! !!!
-----------------------------------
রান্নাঘর, যে কোনও বাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান।রান্নাঘর অপরিষ্কার থাকলেই সেখানে বাসা বাঁধে জীবাণুরা। আর তাই দেখে নিন আপনার সাধের লক্ষ্মীঘরকে সুরক্ষিত রাখতে ঠিক ঠিক জিনিস এখনই ছুঁড়ে ফেলবেন।

১.খোলা খাবার বা পানীয়- কোনও রকম খোলা খাবার, পানীয় রান্নাঘরে রাখবেন না। অপনার অজান্তেই তাতে মুখ দিতে পারে পোকামাকড়। পড়তে পারে টিকটিকি। যা কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

২.প্লাস্টিকের তেলের বোতল- প্লাস্টিকের বোতলে তেল অনেকেই ব্যবহার করেন। কিন্তু তা মোটেই বেশিদিন ব্যবহার করবেন না। খুব বেশি ২ মাস। আপনার অজান্তেই ওতে বাসা বাঁধে জীবানুরা।

৩.জলের বোতল কখনই খোলা বা আলগা অবস্থায় রান্নাঘরে রেখে দেবেন না।
৪. ওয়াইনের বোতল খোলা অবস্থায় রাকবেন না। দুদিন পর থেকেই ওই বোতলে ফাংগাস জন্মায়। বোতল খুললেই কটূ গন্ধ বা ব্রাউন রঙের কিছু ভাসতে আপনি দেখতে পাবেন।

৫. মশলা বা হার্বস খোলা অবস্থায় বেশিদিন বাইরে ফেলে রাখবেন না। এতে মশলার গন্ধ নষ্ট হয়ে যায়।

৬. খাবার বেশি হলে আমরা ফ্রিজে রাখি। কিন্তু কখনই তা তিন দিনের বেশি রাখবেন না। তিন দিনের পুরনো খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

৭. যে স্পঞ্জ দিয়ে বাসন ধোওয়া হয় তা এক সপ্তাহ অন্তর পরিবর্তন করে ফেলুন। জল আর সাবান লেগে থাকায় ওর মধ্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা আপনি বুঝতে পারবেন না।

৮. বিয়ারের ক্যান ফ্রিজে রাখলেও তা একমাসের বেশি রাখবেন না। একমাসের পর থেকেই ওর মধ্যে ফারমেন্টেশন শুরু হয়।

৯. বেকিং পাউডার, খাবার সোডা ছ মাসের বেশি ব্যবহার করেবেন না। আপনি হয়তো ডেট, মাস মিলিয়েই কিনেছেন। বোতলের গায়ে লেখা থাকে একবছর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু তা করবেন না।

১০. জ্যাম, সসের বোতল সবসময় ভালো করে মুখ বন্ধ করে রাখুন। ফ্রিজে রেখেছেন, হয়তো ভালো করে মুখ বন্ধ করেননি তা কিন্তু খেলে শরীরে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Address

Munshipara
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hamarbazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share