Betra Shop BD

Betra Shop BD Betra Shop (বেট্টা শপ)

"ভেজালের ভীড়ে বিশুদ্ধ ?

ব্যবসায়ীরা যদি আল্লাহর ভয়ে শুধুমাত্র খাদ্য উপকরণের ভেজাল রোধ করতে পারতো, তাহলে হয়তো ঘরে ঘরে মরণব্যাধি ক্যানসার, স্ট্রোক, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হতো। তাই আমাদের লড়াই এই ভেজালের বিরদ্ধে। এ লড়াই প্রাকৃতিক ও খাঁটি পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার।

উপরের কথাটি কেবলমাত্র একটি নীতিবাক্য নয়, ক্রেতা সাধারনের কাছে আমাদের পবিত্র প্রতিশ্রুতি। ক্রেতার আস্থাই আমাদের আমানত। চারদিকে ছড়

িয়ে পড়া ভেজালের ভিড়ে আজ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যও আক্রান্ত, যার অসহায় বলি এদেশের আপামর জনগণ। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে দেখা যায়, কতিপয় ব্যবসায়িরা বিভিন্ন অযুহাতে পন্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করে। ফলে জনমনে দেখা দেয় আস্থার সংকট। এছাড়া আমাদের দেশের কিছু নামধারি অনলাইন শপ গুলোর ধোঁকাবাজির কারনে আজ প্রকৃত ও সত্যিকার ব্যবসায়িরা জনগনের নিকট আস্থা অর্জনে ও তাদের সেবা দানে ব্যার্থ হচ্ছে।

এ কারনেই, Betra Shop (বেট্টা শপ) চালুর প্রথম দিন থেকে আপনাদের কাছে খাঁটি পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে ও সঠিক পরিমাণে পৌঁছে দিচ্ছে। আপনি যেমন আপনার সন্তান ও পরিবারকে ভেজাল মিশ্রিত খাবার খাওয়াতে চান না, তেমনি আমরাও চাই না, আমাদের সন্তান ও পরিবার ভেজালে অভ্যস্ত হোক। তাই, Betra Shop (বেট্টা শপ) - এর প্রতিটি পণ্যের প্রথম ক্রেতা আমাদের নিজেদের পরিবার।

বেট্টা শপ-এর কোন পণ্য ক্রয়ের পর কিংবা ব্যবহারের সময় কোন প্রকার ত্রুটি পরিলক্ষিত হওয়ার সাথে সাথে আমাদেরকে জানান। ত্রুটিপূর্ণ পণ্য অবশ্যই ফেরত/ক্ষতিপূরণযোগ্য।

আপনার যে কোন প্রকার পন্য বা সেবা সংক্রান্ত সমস্যা/মতামত জানাতে সরাসরি কল করুন - ০১৯৬৫ ১০ ১০ ২০

  খেজুর একটি মিষ্টি জাতীয় ফল, উৎকৃষ্ট খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন পটাসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ক্যালসিয়াম এবং ভিটামি...
13/07/2022



খেজুর একটি মিষ্টি জাতীয় ফল, উৎকৃষ্ট খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন পটাসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে সহ প্রচুর খাদ্য গুণ রয়েছে । যা প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা পূরন করতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন সকালে ৭টি করে খেজুর খেলে কি হয় তা আমরা হাদিস দ্বারা জানবো । তার পূর্বে বিজ্ঞানভিত্তিক কিছু উপকারের কথা জানব যা প্রমাণিত হয়েছে ।

(১) #খেজুর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে সাহায্য করে ।
(২) খেজুর শরীরে সোডিয়াম এবং পটাশিয়ামের সমতা রক্ষা করে ।
(৩) খেজুরের #ক্যালসিয়াম হাড়কে মজবুত করে।
(৪) খেজুর হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে।
(৫) খাদ্যে অরুচি দূর করতে সহায়তা করে।
(৬) খেজুরে থাকা ভিটামিন এবং ভিটামিন সি #দৃষ্টিশক্তি ভালো করতে সহায়তা করে।
(৭) খেজুরে থাকা পুষ্টি উপাদান #ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
(৮) খেজুরে থাকা ডায়েটরি ফাইবার কলেস্টরেল এর সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
(৯) খেজুর তারুণ্য, যৌবন, চেহারার সৌন্দর্য ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
(১০) খেজুরে থাকা #আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করে ।
ইত্যাদি বহু গুণ রয়েছে এই খেজুরের মধ্যে মূলত খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের মধ্যে মাল্টি ভিটামিন সঞ্চিত হয় ।

মনে রাখবেন :- যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা খেজুর গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই #ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন ।

এবার জানবো প্রতিদিন সকালে ৭টি করে খেজুর খেলে কি হয় ?

সা’দ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন,
রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেকদিন সকালে সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন কোন #বিষ ও যাদু তার ক্ষতি করবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৮)
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৪৪৫

প্রতিদিন নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে প্রচন্ড পরিমাণ রোগ #প্রতিরোধের ক্ষমতা তৈরি হয় এমনকি বিষ ও জাদু পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারেনা । (কাউকে যদি জাদু করা হয় বা তার অজান্তে বিষ খাইয়ে দেওয়া হয় তাহলে আল্লাহর রহমতে সে ক্ষতি থেকে বেঁচে যাবে )

#অর্গানিক_ফুড

  খেজুর, আরবিতে যাকে বলা হয় তুমুর। সৌদি আরবে রয়েছে নানা জাতের  #খেজুর। নামও বিভিন্ন। যেমন: আজুয়া, আনবারা, সাগি, সাফাওয়ি,...
12/07/2022



খেজুর, আরবিতে যাকে বলা হয় তুমুর। সৌদি আরবে রয়েছে নানা জাতের #খেজুর। নামও বিভিন্ন। যেমন: আজুয়া, আনবারা, সাগি, সাফাওয়ি, মুসকানি, খালাস, ওয়াসালি, বেরহি, শালাবি, ডেইরি, মাবরুম, ওয়ান্নাহ, সেফরি, সুক্কারি, খুদরি। নানা জাতের খেজুর আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫০ রিয়াল।

মদিনার হাইয়াল মাসনিয়া এলাকায় ‘তুমুর তাইয়াবা’ খেজুরের দোকানের কর্ণধার হামদুল্লাহ মোহাম্মদ জানান, রমজান মাস থেকে খেজুর ওঠে, শাওয়াল মাস পর্যন্ত থাকে। এখনো কিছু খেজুরবাগানে খেজুর পাওয়া যাচ্ছে। #খেজুর ফ্রিজে সংরক্ষণ করা শুরু হলে দাম কিছুটা বাড়বে।

মদিনায় খেজুরের বাগান মাজরায় কাজ করেন মো. আনোয়ার। তিনি জানালেন, চারটি পর্যায়ে খেজুর পাকানো হয়। সেগুলো কিমরি (কাঁচা), খলাল (পূর্ণাঙ্গ, ক্রাঞ্চি), রুতাব (পাকা, নরম), তুমুর (পাকা, সূর্যে শুকানো) নামে পরিচিত। গাছে ফল আসার জন্য সচরাচর চার থেকে আট বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তবে বাণিজ্যিকভাবে ফসল উৎপাদনের উপযোগী খেজুরগাছে ফল আসতে সাত থেকে দশ বছর সময় লেগে যায়। পূর্ণাঙ্গ খেজুরগাছে প্রতি মৌসুমে গড়ে ৮০ থেকে ১২০ কিলোগ্রাম (১৭৬ থেকে ২৬৪ পাউন্ড) ফল পাওয়া যায়।

যেমন দেখতে ও স্বাদে
আজওয়া: মদিনা শরিফের সর্বোত্তম খেজুর। এটা দেখতে কালো, বিচি ছোট এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।

সাফাওয়ি: এই খেজুর নরম। গাঢ় বাদামি রঙের লম্বাটে। খেতে মোটামুটি মিষ্টি।

আমবার: মদিনার বিখ্যাত খেজুরগুলোর মধ্যে একটি। খেতে কম মিষ্টি।

সুগায়ি: এই খেজুর বড় ও ছোট দুই আকারেই হয়। মুখে দিলে একটু কস লাগে। খেতে মিষ্টি। বাইরের আবরণ নরম।

মরিয়ম: লালচে রঙের এই খেজুর এক​ থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়।

#অর্গানিক_ফুড

  হৃদরোগ : হজরত সায়ীদ (রা.) বর্ণনা করেন, একদা আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে রসুলে পাক (সা.) আমাকে দেখতে তাশরিফ নিয়ে এলেন। রসুলে পা...
11/07/2022



হৃদরোগ : হজরত সায়ীদ (রা.) বর্ণনা করেন, একদা আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে রসুলে পাক (সা.) আমাকে দেখতে তাশরিফ নিয়ে এলেন। রসুলে পাক (সা.) পবিত্র হাতের শীতলতা আমার অন্তর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। অতঃপর রসুলে আকরাম (সা.) এরশাদ ফরমালেন- 'তুমি অন্তরে কষ্ট অনুভব করছ। তুমি হারেস ইবনে কালদাহ সাকি্বফীর কাছে যাও। কারণ সে একজন চিকিৎসক। সে যেন মদিনার সাতটি আজওয়া #খেজুর নিয়ে বীজসহ পিশে তোমার মুখে ঢেলে দেয়।' -আবু দাউদ, মিশকাত।

বিষক্রিয়া বন্ধে : আজওয়া খেজুর বিষের কার্যক্ষমতা কমাতে বিশেষভাবে কার্যকর। এই সম্পর্কে রসুল (সা.) এরশাদ ফরমাইছেন, 'আজওয়া জান্নাতের ফল। এর মধ্যে বিষের নিরাময় রয়েছে।' তিরমিজি, মিশকাতুল মাসাবিহ। 'হজরত সা'আদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা.) বর্ণনা করেন, রসুল পাক (সা.) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সে দিন বিষ এবং জাদু তার কোনো #ক্ষতি করতে পারবে না।' বুখারি শরিফ।

শক্তি বর্ধনে : খেজুর শারীরিক ও মানসিক শক্তিবর্ধক। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উপাদান যা শারীরিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধিসহ হজম শক্তি, যৌনশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করে। এ সম্পর্কে মা আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, 'রসুলে পাক (সা.) হাসিস পছন্দ করতেন।' হাসিস তিনটি উপাদানযোগে প্রস্তুত যা হচ্ছে (১) খেজুর (২) মাখন (৩) জমাট দই। এটা শারীরিক, মানসিক শক্তি ও যৌনশক্তি বর্ধক। খেজুর ফুলের পরাগরেণু বন্ধ্যত্ব দূর করে, শুক্রাণু বৃদ্ধি করে। খেজুর ও খেজুরের ফুল পরাগরেণু ডিএনএর গুণগতমান বৃদ্ধি করে এবং অণ্ডকোষের শক্তি বাড়ায়।

পাতলা পায়খানা বন্ধে : খেজুরে বিদ্যমান পটাশিয়াম, সোডিয়াম, জিংক ও অন্যান্য #খনিজ লবণ পাতলা পায়খানায় উপকারী। এটা খাদ্যশক্তি শারীরিক দুর্বলতা দূর করে। এ ছাড়াও খেজুরের বীজ পাতলা পায়খানা বন্ধে কার্যকর।

#অর্গানিক_ফুড

  পৃথিবীতে সাড়ে চারশ’ জাতেরও বেশি  #খেজুর পাওয়া যায়। তামার বা খেজুর শব্দটি আল কোরআন ও রাসূলের বাণীতে অনেক বার এসেছে।হজরত...
10/07/2022



পৃথিবীতে সাড়ে চারশ’ জাতেরও বেশি #খেজুর পাওয়া যায়। তামার বা খেজুর শব্দটি আল কোরআন ও রাসূলের বাণীতে অনেক বার এসেছে।

হজরত মারইয়াম (আ.) যখন প্রসব-বেদনায় কাতর হয়ে যান, সে সময়ে তিনি খেজুর গাছের নিচে অবস্থান করছিলেন, তখন আল্লাহ তাকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘তুমি এ খেজুর গাছের কাণ্ড তোমার দিকে নাড়া দাও, (দেখবে) তা তোমার ওপর পাকা ও তাজা খেজুর ফেলছে। ’ -সূরা মারইয়াম: ২৫

খেজুরের উপকারিতায় হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনেক বাণী এসেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেহ সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোনো বিষ ও যাদু ক্ষতি করতে পারবে না। আজওয়া খেজুর হলো মদিনার উৎকৃষ্ট মানের খেজুর। ’ -সহিহ বোখারি ও মুসলিম
আলেমরা আবশ্য আজওয়া ব্যতীত অন্য খেজুরের মাঝেও এমন উপকারিতা পাওয়া যায় বলে উল্লেখ করেছেন। খেজুর তিনটি, পাঁচটি বা সাতটি বেজোড় করে খাওয়ায় শরীরের উপকারিতা সবচেয়ে বেশি। এজন্য #হাদিসে বেজোড় সংখ্যার কথা বলা হয়েছে।

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আলিয়ার (মদিনার গ্রাম) আজওয়া খেজুরে রোগ নিরাময়কারী এবং প্রাতঃকালীন প্রতিষেধক। ’ –সহিহ মুসলিম

বলা হয়ে থাকে, বছরে যতগুলো দিন আছে, খেজুরে তার চেয়ে বেশি গুণ আছে।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তিনি রোজাদারকে খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙার পরামর্শ দিয়ে বলেন, যে ব্যক্তি খেজুর পাবে সে যেন তা দিয়ে ইফতার করে। আর যদি না পায়, তাহলে পানি দিয়ে ইফতার করবে কেননা তা অধিক পরিষ্কারক ও পবিত্র। -সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিজি

খেজুর জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম। #রমজান মাসের ইফতারিতে ব্যাপকভাবে গ্রহণ করতে দেখা যায়। ইফতারিতে খেজুর গ্রহণের ব্যাখ্যা হলো, সারাদিন রোজা থাকার কারণে শরীরের যে খাদ্য ঘাটতি দেখা যায়, শরীরের যে খাদ্য শক্তির প্রয়োজন হয় খেজুর তা অল্প সময়ের মধ্যেই পূরণ করে। কেননা খেজুর খুব সহজে হজম হয়ে শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে থাকে।

খেজুরের স্বাস্থ্য উপযোগিতা অনেক। খেজুরের মধ্যে প্রাকৃতিক আঁশের আধিক্য থাকায় এর উপকারিতা ও গুরুত্ব অনেক। গবেষকদের মতে শুকনা খাবারের মধ্যে খেজুরেই সবচেয়ে বেশি পলিফেনল থাকে। বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে পলিফেনল। খেজুরের চেয়ে ভালো পটাশিয়াম উৎস আর হয় না। এটা সোডিয়ামেরও ভালো উৎস। কিডনি ও স্ট্রোক জটিলতা এড়াতে এর ব্যাপক প্রয়োজন রয়েছে। এ কারণে চিকিৎসকরা প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

খেজুরের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণে তেল, ক্যালসিয়াম, সালফার, আইরন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম বিদ্যমান যা সুস্বাস্থের জন্য অতি দরকারি।

এ ছাড়াও খেজুরে আরও যে সব উপকারিতা আছে-
-স্নায়ুবিক #শক্তি বৃদ্ধি করে।
-হৃদরোগীদের জন্য খেজুর বেশ উপকারী।
-খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী।
-হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক।
-খেজুর রুচি বাড়ায়।
-খেজুর ত্বক ভালো রাখে।
-খেজুর দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।
-খেজুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
-পক্ষাঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী।
-খেজুর ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে।
-খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন-প্রসারণ ঘটিয়ে, প্রসব হতে সাহায্য করে। প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়।
-খেজুরে কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়।
-নারীদের শ্বেতপ্রদর ও #শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা অনেক।
-খেজুর পাতলা পায়খানা বন্ধ করে।
-খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমার জন্য উপকারী।
-উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাটসম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী।

-খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে।
-যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী।
-খেজুর লৌহসমৃদ্ধ ফল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। রক্তে লৌহিত কণিকার প্রধান উপাদানের অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। খেজুর লৌহসমৃদ্ধ বলে এই রক্তশূন্যতা দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
-শিশুদের জন্যও খেজুর খুব উপকারী।

রমজান মাসে ইফতারের তালিকায় খেজুরের পাশাপাশি সারা বছর পরিবারের সবার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় খেজুর রাখুন, তাহলে সুস্থ জীবন-যাপন সহজ হবে।

#অর্গানিক_ফুড

  এর বৈজ্ঞানিক নাম ফিনিক্স ড্যাকটিলিফেরা (Phoenix dactylifera)। মানব সভ্যতার ইতিহাসে সুমিষ্ট ফল হিসেবে এর গ্রহণযোগ্যতা প...
09/07/2022


এর বৈজ্ঞানিক নাম ফিনিক্স ড্যাকটিলিফেরা (Phoenix dactylifera)। মানব সভ্যতার ইতিহাসে সুমিষ্ট ফল হিসেবে এর গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ায় অনেক বছর পূর্ব থেকেই এর চাষাবাদ হয়ে আসছে। এ গাছটি প্রধানতঃ মরু এলাকায় ভাল জন্মে। #খেজুর গাছের ফলকে খেজুররূপে আখ্যায়িত করা হয়। মাঝারি আকারের গাছ হিসেবে খেজুর গাছের উচ্চতা গড়পড়তা ১৫ মিটার থেকে ২৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর লম্বা পাতা রয়েছে যা পাখির পালকের আকৃতিবিশিষ্ট। দৈর্ঘ্যে পাতাগুলো ৩ থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত হয়। পাতায় দৃশ্যমান পত্রদণ্ড রয়েছে। এক বা একাধিক বৃক্ষ কাণ্ড রয়েছে যা একটিমাত্র শাখা থেকে এসেছে।

#পুষ্টি উপাদান

খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি। যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয়, চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মি.লি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২ দশমিক ৮ গ্রাম ফাইবার। এছাড়াও খেজুরের রয়েছে আরও অনেক পুষ্টি উপাদান। উদাহরণস্বরূপ #খুরমা খেজুর।

#অর্গানিক_ফুড

  কালোজিরা গুণে তিক্তরসধারী, উগ্র সুগন্ধযুক্ত, ক্ষুধা বৃদ্ধিকারক, পেটের বায়ুনাশক ও মূত্রকারক। এটি উদরি বা ফুসফুসজনিত রোগ...
08/07/2022



কালোজিরা গুণে তিক্তরসধারী, উগ্র সুগন্ধযুক্ত, ক্ষুধা বৃদ্ধিকারক, পেটের বায়ুনাশক ও মূত্রকারক। এটি উদরি বা ফুসফুসজনিত রোগে উপকারী। এ ছাড়া কৃমির উপদ্রব নিবারণের জন্যও এটি ব্যবহৃত হয়। কেউ কেউ কাশি ও জন্ডিসে এটি সেবনের কথা বলেন। ইউনানি মতে, এটি বিরেচক ও অর্শ্বে হিতকর। তা ছাড়া প্রসূতীর দুধ বাড়ায় এটির ব্যবহার রয়েছে। এর ব্যবহারবিধি নিচে দেয়া হলো :
১. স্তন্যস্বল্পতা: পেটে আমদোষ থাকলে অথবা শরীরের রসধাতু শুকাতে থাকলে স্তন্য কমে যায়। এ সময় কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে ওই মাত্রায় সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।
২.মাসিক ঋতু: যেসব মহিলা অনিয়মিত অথবা স্বল্প অথবা অধিক স্রাবের জন্য কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাদের ঋতু হওয়ার পাঁচ-সাত দিন আগে থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে সামান্য গরম এমন পানিসহ সকালে ও বিকেলে খেতে হয়। তার পরও অসুবিধা থেকে গেলে পরপর ২-৩ মাস ওভাবে খেতে হবে।
৩. বাধক দোষ: এ দোষ হলে মেয়েরা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে, কেউবা আত্মসুখে তৎপর থাকে, কেউবা শূচীবায়ুগ্রস্ত হয়, কারো কারো দেহটা স্থূল হয়ে যায় আবার কখনো বা তা হয় না। আবার সবাই যে শুকিয়ে যাবে, তাও নয়। কিন্তু মনের ওপর এ রোগের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর ফলে কেউ কেউ কামজ উন্মাদ রোগেও আক্রান্ত হয়। আবার এ দোষে কোনো কোনো মহিলা জননগ্রন্থির ক্রিয়াশক্তি হারিয়ে ফেলে। সেই সাথে আরো অনেক উপসর্গ এসে জোটে। এ ক্ষেত্রে কালোজিরা সামান্য ভেজে নিয়ে গুঁড়ো করে সকালে ও সন্ধ্যায় ৭৫০ মিলিগ্রাম মাত্রায় খেতে হয় এবং তা মাসিকেও খেতে হবে। এভাবে ২-৩ মাস খেলে রোগের উপশম হবে।

৪. গর্ভাশয়ের দ্বার সঙ্কোচন: প্রসবের পর কালোজিরার ক্বাথ খেলে গর্ভাশয়ের দ্বার সঙ্কুচিত হয় এবং সেই সাথে স্তন্য বাড়ে।
৫.কক্টরজ ও ঋতুরোধ : অল্প মাত্রায় কালোজিরা মেয়েদের ঋতুস্রাব বাড়ায়, কষ্টরজ ও ঋতুরোধ অসুখ সারায়। তবে বেশি মাত্রায় খেলে গর্ভস্রাব হয়।
৬. মাথায় যন্ত্রণা: কাঁচা সর্দি হয়ে মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়। তা ছাড়া সির্কাতে ভিজিয়ে শুঁকলেও মাথাব্যথা সারে।
৭. মাথায় সর্দি বসা (শ্লেষ্মা বসে যাওয়া): এ অবস্থায় কালোজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়।
৮. নতুন সর্দি: এ অবস্থায় কালোজিরার নস্যি নিলে উপকার মেলে।
৯. চুলকানি: কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। এতে ১০০ গ্রাম সরষের তেলে ২৫-৩০ গ্রাম কালোজিরা ভেজে সে তেল ছেঁকে নিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
১০. বিছের হুলের জ্বালা: কালোজিরা বেটে তা লাগিয়ে দিলে অল্প সময় পরই হুলের জ্বালা কমে যায়।
১১. গলা ফোলা: সর্দি-কাসির দোষে গ্লান্ড ফুলেছে, সে ক্ষেত্রে কালোজিরা, চাল পোড়া, মুসাববর সমান পরিমাণে নিয়ে বেটে প্রলেপ দিলে এক দিনের মধ্যে ফোলা ও ব্যথা উভয়ই উপশম হয়।
অন্য খবর ত্বক ও চুলের যত্নে বেশ কার্যকরী অলিভ অয়েল
১২. শোথ: পানিতে কালোজিরা বেটে প্রলেপ দিলে হাত-পা ফোলাসহ সব শোথ কমে।
১৩. দাঁতের ব্যথা: গরম পানিতে কালোজিরা নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ব্যথার উপশম হয়।
১৪. দাদ: কালোজিরা বেটে প্রলেপ দিলে এসবে উপকার হয়। তা ছাড়া ওপরে উল্লিখিত চুলকানির নিয়মে দিলে আরো ভালো হয়।
১৫. ধবল: কালোজিরা বেটে প্রলেপ দিলে এসবে উপকার হয়। তা ছাড়া ওপরে উল্লেখিত চুলকানির নিয়মে দিলে আরো ভালো হয়।
১৬. নতুন চুল গজানো: কালোজিরা বেটে নিয়ে মাথায় অনেক দিন ধরে মালিশ করলে নতুন চুল গজায়।
১৭. লাবণ্য: ঘিয়ের সাথে মিশিয়ে খেলে মুখ উজ্জ্বল হয় ও রং ফর্সা হয়।
১৮. সন্তান প্রসব: কালোজিরা পানিতে সিদ্ধ করে খেলে সন্তানের প্রসব তাড়াতাড়ি হয়।
১৯. কৃমি: ভিনেগারে ভিজিয়ে কালোজিরা খেলে কৃমি নষ্ট হয়।
২০. স্মৃতিভ্রংশ: স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুব কার্যকর। ৩ গ্রাম কালোজিরা ২০ মিলিলিটার বিশুদ্ধ মধুসহ চাটলে এ রোগ সারে।
২১. জন্ডিস, প্লীহাবৃদ্ধি, ২৩. শূল ব্যথা, বুকের ব্যথা, বমনেচ্ছা: কালোজিরা বেটে খেলে এসব রোগ সারে। সেই সাথে বাটা গায়েও মালিশ করতে হয়।
২২. প্রস্রাবের বাধকতা: পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়।

#অর্গানিক_ফুড

   #কালিজিরা মসলা হিসেবে ব্যাপক ব্যবহার হয়। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। কালিজিরা সরাসরি তেল হিসেবে, কাঁচা চিবিয়ে, ভেজে ...
07/07/2022



#কালিজিরা মসলা হিসেবে ব্যাপক ব্যবহার হয়। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। কালিজিরা সরাসরি তেল হিসেবে, কাঁচা চিবিয়ে, ভেজে পরিমাণমতো খাওয়া যায়। সরাসরি খাওয়ার থেকে শুরুতে ভাত রুটি বা মুড়ির সাথে #কালিজিরা খাওয়াটা অভ্যাস করতে পারলে ভালো। যখনই গরম পানীয় বা চা পান করা হয় তখনই কালিজিরা কোনো না কোনোভাবে সাথে খাওয়া ভালো। গরম খাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালিজিরা বেশ #উপকারী। কালিজিরা একটা দারুণ ঘরোয়া ওষুধ। দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলকুচ করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে স্বস্তি এনে দেবে। জিহ্বা, টাকরা বা মাড়িতে থাকা খাদ্যের জীবাণু সহজেই মরে যায়। ফলে মুখে আর দুর্গন্ধ হয় না। চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুল পড়া কমায় বন্ধ করে। ত্বকের #তারুণ্য ধরে রাখে পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস থেকে ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে। কালিজিরা তরকারির সাথে রান্না করে, ভর্তা করে, চাটনি করে খাওয়া হয়। মিষ্টি, কেক, হালুয়া, ফিরনি, বিস্কুট, বরফি এসবের সাথে দেয়া যায়। বিভিন্ন #বাণিজ্যিক খাদ্যপণ্যে কালিজিরা মেশানো হয়। কালিজিরা খেলে অপারেশনের দাগ দূর হয়, ব্রেইন #টনিক হিসেবে কাজ করে। কালিজিরার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে অতুলনীয়, আর তা কালোজিরার রস/তেলের মধ্যেই আছে। ফলে কালিজিরার তেল ব্যবহার ও সেবন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উত্তরোত্তর বাড়ায় এবং রোগমুক্ত রাখে। তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাটা বা কালোজিরার তেল মিশিয়ে ফোঁড়াতে লাগলে, ফোঁড়ার উপশম হয়। মধু ও কালিজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘণ্টা বা একঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক উজ্জ্বল হয়। নিয়মিত লাগালে ব্রণ দূর হবে। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালিজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত সুরক্ষা করে।

#অর্গানিক_ফুড

  বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, “তোমরা  #কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত সর্ব রোগের মুক্তি ...
06/07/2022



বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, “তোমরা #কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত সর্ব রোগের মুক্তি রয়েছে”। কালোজিরার ১২টি ঔষধি গুণ. এক কাপ দুধ ও ১ চা চামচ কালো জিরা তেল একসাথে মিশিয়ে #দৈনিক পান করুন। পেটে গ্যাসের সমস্যা থাকলে তা কমে যাবে। বাতের ব্যাথা সারাতে কালো জিরার তেল নিয়মিত মালিশ করুন। চা বা গরম পানির সাথে কালো জিরার তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার পাওয়া যায় তেমনি শরীরের বাড়তি মেদও কমে। ভেষজবিদরা কালোজিরা কে বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে অভিহিত করেছেন হাঁপানি রোগীদের #শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন কালোজিরা সেবনে উপকার পাওয়া যায়। কালোজিরা হরমোন সমৃদ্ধ হওয়ায় #পুরুষত্বহীনতায় বা নারী-পুরুষের #যৌন অক্ষমতায় নিয়মিত কালোজিরা সেবনে যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায়। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। -চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী। -কালোজিরা চূর্ণ ও ডালিমের খোসাচূর্ণ মিশ্রন, কালোজিরা তেল ডায়াবেটিসে উপকারী। -চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়। -মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়। -কফির সাথে কালোজিরা সেবনে স্নায়ুবিক উত্তেজনা দুরীভুত হয়। -জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে #ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান।

#অর্গানিক_ফুড

  কালোজিরাতে প্রায় শতাধিক পুষ্টি ও উপকারী উপাদান আছে। কালিজিরা খাদ্যাভাসের ফলে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে স...
05/07/2022



কালোজিরাতে প্রায় শতাধিক পুষ্টি ও উপকারী উপাদান আছে। কালিজিরা খাদ্যাভাসের ফলে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কালিজিরা ফুলের মধু উৎকৃষ্ট মধু হিসেবে বিশ্বব্যাপী বিবেচিত, #কালোজিরার তেল আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। বর্তমানে কালিজিরা ক্যাপসুলও বাজারে পাওয়া যায়। এতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক ক্যারোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাব বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের #প্রতিষেধক। এর প্রধান উপাদানের মধ্যে আমিষ ২১, শতাংশ, শর্করা ৩৮ শতাংশ, স্নেহ বা ভেষজ তেল ও চর্বি ৩৫ শতাংশ। এছাড়াও ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ আছে। প্রতি গ্রাম কালিজিরা পুষ্টি উপাদান হলো-প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম; ভিটামিন বি১ ১৫ মাইক্রোগ্রাম; নিয়াসিন ৫৭ মাইক্রোগ্রাম; ক্যালসিয়াম ১.৮৫ মাইক্রোগ্রাম; আয়রন ১০৫ মাইক্রোগ্রাম; ফসফরাস ৫.২৬ মিলিগ্রাম; কপার ১৮ মাইক্রোগ্রাম; জিংক ৬০ মাইক্রোগ্রাম; ফোলাসিন ৬১০ আইউ। কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আরও আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি ছাড়াও #জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান যা হাজারও উপকার করে।

#অর্গানিক_ফুড

   #কালোজিরা একটি মাঝারি আকৃতির মৌসুমী গাছ, একবার ফুল ও ফল হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa Linn। এর স্ত্রী, পুরুষ দ...
04/07/2022



#কালোজিরা একটি মাঝারি আকৃতির মৌসুমী গাছ, একবার ফুল ও ফল হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa Linn। এর স্ত্রী, পুরুষ দুই ধরনের ফুল হয়, রং সাধারণত হয় নীলচে সাদা (জাত বিশেষে হলুদাভ), পাঁচটি পাঁপড়ি বিশিষ্ট । কিনারায় একটা বাড়তি অংশ থাকে। তিন-কোনা আকৃতির কালো রং এর বীজ হয় । গোলাকার ফল হয় এবং প্রতিটি ফলে ২০-২৫ টি বীজ থাকে । আয়ুর্বেদীয় , ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। মশলা হিসাবে ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে, এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। বীজ থেকে পাওয়া যায় তেল।

কালোজিরাতে আছে ফসফেট,লৌহ ও ফসফরাস। এছাড়াও রয়েছে #ক্যানসার প্রতিরোধক কেরটিন, বিভিন্ন #রোগ প্রতিরোধকারী #উপাদান এবং অম্ল রোগের প্রতিষেধক।

#অর্গানিক_ফুড

  সুমিষ্ট মধুর রয়েছে অনেক গুণ। কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে জখম শুকাতে বা সংক্রমণ ঠেকাতে—সবকিছুতে মধুর ব্যবহার করা হয়। কিন...
03/07/2022



সুমিষ্ট মধুর রয়েছে অনেক গুণ। কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে জখম শুকাতে বা সংক্রমণ ঠেকাতে—সবকিছুতে মধুর ব্যবহার করা হয়। কিন্তু মধুর আরেকটি জাদুকরী গুণ আছে। তা হচ্ছে, মধুতে ওজন কমানোর শক্তিশালী উপাদান রয়েছে।
গবেষকদের বরাত দিয়ে জিনিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা চিনির বদলে মধু খেতে পারেন। এটাও মনে রাখতে হবে যে, মধুতে চিনি থাকে, তাই মধু খেতে হবে পরিমাণমতো। প্রশ্ন হচ্ছে, মধু ওজন কমায় কীভাবে বা কীভাবে মধু খেলে উপকার পাওয়া যাবে। এই পদ্ধতির কথা অনেকেই জানেন। মধুর সঙ্গে হালকা গরম পানি আর লেবুর রস মিশিয়ে খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে পরিমাণমতো মধু এ পদ্ধতিতে খাওয়া যেতে পারে। যাঁরা ডায়েট করেন, তাঁদের জন্য এটি বেশ উপকারী।
যাঁরা ওজন কমানোয় আগ্রহী, তাঁরা চিনির বদলে চা, কফিতেও মধু ব্যবহার করতে পারেন।
মধুর অন্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদানে পূর্ণ, যা হজম শক্তি বাড়ায়। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে এবং ক্যানসার, হৃদ্রোগের মতো জটিল রোগের ক্ষেত্রেও মধু উপকারী।

#অর্গানিক_ফুড

  আসুন জেনে নিই  #খাঁটি মধু চেনার উপায়-১. এক গ্লাস পানিতে এক চামচ পরিমাণ  #মধু দিন। তার পর আস্তে আস্তে গ্লাসটি নাড়া দিন...
02/07/2022



আসুন জেনে নিই #খাঁটি মধু চেনার উপায়-

১. এক গ্লাস পানিতে এক চামচ পরিমাণ #মধু দিন। তার পর আস্তে আস্তে গ্লাসটি নাড়া দিন। মধু পানির সঙ্গে মিশে গেলে নিশ্চিত হবেন সেটা ভেজাল মধু। আর মধু যদি ছোট পিণ্ডের মতো গ্লাসের পানিতে ছড়িয়ে যায়, তা হলে বুঝবেন সেটি খাঁটি মধু।

২. নকল মধুতে ফেনা হয়। এ ছাড়া একটু টকটক গন্ধ থাকবে এবং গন্ধ তেমন ভালো হয় না।

৩. নকল মধু বেশ পাতলা হয়। স্তরগুলো আলাদা করা যায়। এ ছাড়া খেতে সুস্বাদু হয় না। এ ছাড়া তলানিটা খসখসে থাকে।

৪. সামান্য মধু আঙুলে নিন, এর পুরুত্ব দেখুন। আসল মধু অনেক বেশি আঠালো হবে।

৫. খাঁটি মধু ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যাবে। তার পর আস্তে আস্তে গ্লাসটি নাড়া দিন। মধু পানির সঙ্গে মিশে গেলে নিশ্চিত হবেন সেটি ভেজাল মধু। আর মধু যদি ছোট পিণ্ডের মতো গ্লাসের পানিতে ছড়িয়ে যায়, তা হলে বুঝবেন সেটি খাঁটি মধু।

৬. মধু যদি #নকল না হয়, তবে দীর্ঘদিন থাকলেও মধুর নিচে জমাট বাঁধবে না। এ ছাড়া পিঁপড়া ধরবে না।

#অর্গানিক_ফুড

Address

Asmatara Cottage (2nd Floor), Circuit House
Satkhira
9400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Betra Shop BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Betra Shop BD:

Share