Athoy Bristy Bithi

21/08/2026

সবচেয়ে বেশি দরিদ্রতা হচ্ছে—মূর্খতা।

মানুষের পকেট খালি থাকতে পারে,
কিন্তু যদি তার জ্ঞান, বিবেক ও শেখার আগ্রহ থাকে—তাহলে সে আবার উঠে দাঁড়াতে পারে।

কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর দারিদ্র্য হলো—
জানার প্রয়োজন না অনুভব করা।
নিজের ভুল স্বীকার না করা।
নতুন কিছু শেখার দরজা বন্ধ করে দেওয়া।
আর নিজের অজ্ঞতাকেই জ্ঞান মনে করা।

টাকা হারালে আবার উপার্জন করা যায়।
সুযোগ হারালে নতুন সুযোগ তৈরি করা যায়।
কিন্তু মূর্খতার কারণে যে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়, তার মূল্য অনেক সময় পুরো জীবন দিয়ে দিতে হয়।

তাই নিজেকে প্রশ্ন করুন—

আমি কি শুধু অর্থের দিক থেকে সমৃদ্ধ হতে চাই,
নাকি জ্ঞান, বিবেক, চরিত্র ও প্রজ্ঞাতেও সমৃদ্ধ হতে চাই?

কারণ জীবনে সবচেয়ে বড় সম্পদ শুধু টাকা নয়—
সঠিক সময়ে সঠিকটা বুঝতে পারার ক্ষমতাই আসল সম্পদ।

🌱 প্রতিদিন কিছু শিখুন।
নিজের ভুল থেকে শিখুন।
প্রশ্ন করতে শিখুন।
নিজেকে পরিবর্তন করতে শিখুন।

কারণ জ্ঞান মানুষকে শুধু সফল করে না—
জ্ঞান মানুষকে মানুষ করে।

বরকতময় রাতের সেই নারী—উম্মে সুলাইম রুমাইসা (রাঃ) ছিলেন আনসারদের-মহীয়সী নারী। তাঁর স্বামী সাহাবি আবু তালহা (রাঃ) ছিলেন র...
21/08/2026

বরকতময় রাতের সেই নারী—
উম্মে সুলাইম রুমাইসা (রাঃ) ছিলেন আনসারদের-মহীয়সী নারী। তাঁর স্বামী সাহাবি আবু তালহা (রাঃ) ছিলেন রাসূলের ঘনিষ্ঠ সাহচর্যপ্রাপ্ত একজন সাহাবি।

তাঁদের একমাত্র সন্তান ছিল, এক-সময় কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়।
আবু তালহা রাসূলের নিকট অবস্থান করছিলেন, সেই দিনই বাড়িতে তাঁদের একমাত্র সন্তান ইন্তেকাল করে!

স্ত্রী উম্মে সুলাইম নিজেকে সংযত রাখলেন, পরিবারের অন্যদের কঠোরভাবে নিষেধ করলেন, তার বাবাকে এখনই সন্তানের মৃত্যুর খবর না দেয়ার জন্যে।

সন্ধ্যায় আবু তালহা বাড়ি ফিরে এসে জিজ্ঞেস করলেন,
আমার ছেলে কেমন আছে? স্ত্রী সরাসরি মৃত্যুর কথা না বলে অত্যন্ত প্রজ্ঞার সাথে উত্তর দিলেন: বেশি শান্তিতে আছে। আশা করি আরামে ঘুমাচ্ছে!

এরপর উম্মে সুলাইম স্বামী ও তাঁর সাথে আগত অতিথিদের জন্য রাতের খাবার পরিবেশন করলেন।
সবাই চলে যাওয়ার পর, ঘরের কাজ শেষ করে সুন্দরভাবে নিজেকে সাজালেন, সুগন্ধি ব্যবহার করলেন এবং স্বামীর কাছে গেলেন।
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে স্বাভাবিক দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হলো।

কল্পনা করছে! সন্তানের লাশ ঘরে এমতাবস্থায়-ও তিনি স্বামী খেদমত, অনুগত, এমনকি শারিরীক চাহিদাও পূরণ করলেন!
স্বামীর মানসিক প্রশান্তিকে অগ্রাধিকার দিলেন।

বর্তমান নারীবাদীরা বলে ওঠবে একজন মা সন্তানের লাশ রেখে স্বামীর মানসিক প্রশান্তির জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছে, এটা বর্বরতা ও অমানবিক কাজ।
মাতৃত্বের প্রতি সম্মান না রেখে, স্বামীকেন্দ্রিক র্আনুগত্যকে মহিমান্বিত করা এবং নারীর অধিকার, অনুভূতি, মানসিক সুরক্ষা সবকিছু ধৈর্য এবং ত্যাগের নামে হজম করা চরম বন্দিত্ব।

অথচ এই সবকিছু কিন্তু উম্মে সুলাইমকে বাধ্য করা হয়নি, বরং তিনি স্বামীর আনুগত্য ও স্বামী হক যথাযথ বুঝতেন বলেই স্বেচ্ছায় নিজের আবেগ, অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করছেন।

রাতের শেষ প্রহরে স্ত্রী অত্যন্ত শান্ত স্বরে বললেন—হে আবু তালহা: যদি কেউ কাউকে কোনো জিনিস ধার দেয়, আর পরে মালিক সেই জিনিস ফিরিয়ে নেয় অতঃপর ব্যবহারকারীর কি আপত্তি করার অধিকার থাকে?

আবু তালহা বললেন: না, কোনো অধিকার নেই!
স্ত্রী বললেন: তাহলে ধৈর্য ধরুন এবং নেকীর আশা করুন। আল্লাহ আপনাকে যে সন্তান আমানত হিসেবে দিয়েছিলেন, তিনি তা ফিরিয়ে নিয়েছেন।

হঠাৎ করে এমন খবর শুনে আবু তালহা কষ্ট পেলেন ও আবেগাপ্লুত হলেন, তিনি নিজেকে সামলে নিলেন, ইন্না-লিল্লাহ পড়লেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করলেন।

পরদিন সকালে আবু তালহা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নিকট পুরো ঘটনা বর্ণনা করলেন, রাসূল (ﷺ) গভীর প্রশংসার সাথে বললেন: بَارَكَ اللَّهُ لَكُمَا فِي لَيْلَتِكُمَا
সাহাবিদের বর্ণনায় এসেছে সেই রাতেই উম্মে সুলাইম(রাঃ) গর্ভবতী হন এবং পরবর্তীতে আল্লাহ তাঁদের আরেকটি নেক সন্তান দান করেন!

অনুগত স্ত্রী কাকে বলে বুঝছেন! সন্তান হারানোর পর-ও স্বামীর হক, এবং কৃতজ্ঞতার কি দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন!

❑ রেফারেন্সঃ
▬▬▬▬▬▬☞
১. সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর: ১৩০১ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন অনুবাদে)
উম্মে সুলাইম (রাঃ)-এর ধৈর্য ও কৌশলের বিবরণ আছে।

২. সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর: ২১৪৪
আবু তালহা (রা.)-এর কাছে উম্মে সুলাইম (রাঃ)-এর বক্তব্য এবং রাসূল (সা.)-এর দোয়ার উল্লেখ রয়েছে।

৩. সুনানে আবু দাউদ ও মুসনাদে আহমদ-এও এ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।

©️

28/07/2026

গরিব ঘরের মেয়ের তালাক হয় না। পড়াশোনা জানা বেশি শিক্ষিত মেয়েরা স্বামীর ঘর করতে পারে না। তাদের কপালে স্বামী সংসার থাকে না। এ কথা আমার নয়। পরিচিত একজন বলে। তবে তার কথা শতভাগ সত্যি। মফস্বলে স্বল্পশিক্ষিত কিংবা পড়াশোনা না জানা মেয়েদের সংসার খুব একটা ভাঙে না। এর মানে এই নই যে তারা আহামরি সুখী। বরং তাদের পায়ের নিচের শক্ত মাটি নেই, লোকের কথা হজম করার শক্তি নেই, নিজের খাওয়া-পরা নিজে রোজগার করবে এমন মুরোদ নেই। উদাহরণ দিয়ে বলি-

১.
আমার পরিচিত এক ভাবি আছে। সেভেনে পড়ার সময়ে স্কুল বন্ধ করে মা-বাপ বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। যে ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছে, তার এর আগেও একবার বিয়ে ছিল। প্রথম বউকে তালাক দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে। বিয়ের দিন বাসরঘরে বউ রেখে বাড়ি ছেলে চলে গিয়েছে কারণ বাড়ি ফেরার পথে বউয়ের পিরিয়ড শুরু হয়েছে। এবং এই কথা সে তার চাচা, ভাই বন্ধু কাউকে বলতে বাদ রাখেনি। খুব স্পষ্ট স্বরে বলেছে- ওর কাছে থেকে কী করব। ওকে আমার পছন্দ হয়নি। সংসার হবে না।

অথচ এই ছেলে বিয়ের আগে মেয়েকে দেখেছে। নিজে পছন্দ করে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর বউ পছন্দ হয় না। ছেলের মায়েরও পছন্দ হয় না। শুধু বউ পছন্দ হয় না এমন না। শ্বশুর বাড়িও পছন্দ হয় না। শ্বশুর বাড়ি থেকে জামাইকে কিছু দেয়নি। ঘরের জিনিসপত্র কিছু দেয়নি। অন্তত জামাইকে একটা সাইকেল তো দেওয়া লাগে। তা-ও দেয়নি। নানান ফ্যাকড়া। বউ রোজ গা'লা'গা'লি শোনে, স্বামীর হাতে মা'র খায়। যেনতেন মা'র নয়৷ একবার ঘুসি মে'রে নাক ফাটিয়ে দিয়েছে। সারা গায়ে কালশিটে নিয়ে নিয়মমাফিক ঘরের কাজকর্ম করতে হয়। এর মধ্যে জামাই আবার তার প্রথম বউয়ের সাথে ফোনে কথা বলে। তাই নিয়ে অশান্তি। মেয়ে চুপচাপ সহ্য করে। তবুও মেয়ে মানুষ। মা'র'ধ'র খেলেও স্বামীর ভাগ কাউকে দিতে মন চায় না৷ সে একদিন প্রথম বউয়ের কল রিসিভ করে বলে, 'এত প্রেম ভালোবাসা থাকলে চলে গেছিস কেন?'

এই কথা আবার তার বর শুনে ফেলে। ব্যাস! মা'র দেখে কে! একটাও মাটিতে পড়ে না। বউ তার বাপের বাড়ি চলে যায়। সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে। অপারেশন হয়। মেয়ের স্বামীকে জানানো হয়, শ্বশুর বাড়িতে জানানো হয়। কেউ দেখতে যায়নি। এক পয়সা খরচ দেয়নি। যাইহোক সেবারের মতো সে সুস্থ হয়ে ওঠে। এর মধ্যে আবার শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘরে রান্নার লোক নেই৷ ছেলের চাচি, ভাবি বউকে আনতে যায়। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, মেয়ের বাপ মা চাচি ভাবির হাতে মেয়েকে দিয়ে দেয়। মেয়ে আসে। সংসারের কাজ করে। শাশুড়ি বলে, ছোটখাটো একটা বউ হবে। কাজকর্ম করবে। দেখতে ভালো লাগবে। তা না, ধারেঙ্গা কালো ষাঁড় নিয়ে এসেছে। মেয়ে শোনে, কখনো কিছু বলে কখনো বলে না৷ স্বামীর গায়ে হাত তোলার স্বভাব বদলায় না৷ এর মধ্যে তাদের একটা মেয়ে হয়। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বউ তাকে কাছে যেতে দিতো না বিধায় সে লোক সবাইকে নিজের কষ্টের কথা বলে বেড়ায়। আমি নিজের কানে দু'দিন শুনেছি৷ দোকানে বসে বলছে- ভীষণ কষ্ট আছি। আর একটা বিয়ে করব। বউ ছোঁয়া-খায়া দিতে দেয় না। আর কত কী! চা দিতে খানিকক্ষণ দেরি হয়েছিল বলে গায়ে গরম পানি ঢেলে পু'ড়ি'য়ে দিয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ছিল কিছুদিন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আবারও সংসার করছে। এইতো ক'দিন আগের কথা, বাড়িতে ঘরে পরা স্যান্ডেল বিক্রি করতে এসেছিল একজন। আমরা সবাই কিনেছি। ভাবিও এক জোড়া নিয়ে বরকে দেখিয়েছে৷ তার জুতো নেই৷ খালি পায়ে হাঁটে। বর জুতোর দাম দেয়নি। বরং বলেছে- ওই জুতো কী তুই পরতে এনেছিস নাকি? এনেছিস আমার দুই গালে দু'টো বাড়ি দিতে। ভাবি জুতো নেয়নি৷ ফেরত দিয়ে গেছে৷ তাদের সংসার এখনও টিকে আছে। বউ বাচ্চা নিয়ে আলাদা খাটে ঘুমায়, স্বামী ঘুমায় অন্য খাটে। এই নিয়ে প্রায়ই শাশুড়ি সমাজে শালিশ বসে৷ নানান কথা হয়। চাচি শাশুড়ি বলে, বউ মানুষের এত জেদ কিসের? বেটারা কামাই করে।

এই ভাবির সংসার কিন্তু ভাঙেনি৷ নানান কিছু হওয়ার পরেও টিকে আছে।

২.
মহিলার চেহারা ভালো। বিয়ের আগে ছেলে গিয়ে বাড়ির সামনে বসে থাকত। নানান কাহিনি করে বিয়ে করেছে। এখন বউকে পছন্দ হয় না৷ দু'দিন পরপর এর ওর বউয়ের সাথে অপ্রস্তুত ভঙ্গিতে এক ঘরে ধরা পড়ে। সারাক্ষণ ফোনে কথা বলে। পরকীয়ার উপর পিএইচডি করে ফেলেছে৷ এই হাতে গোনা সপ্তাহ দুয়েক আগে এক মহিলার সাথে ধরা পড়েছিল। বউ ফলো করে ধরেছে। বউকে মে'রে রাস্তায় পুঁতে দিতো। মেইন রাস্তা, লোকজন ভর্তি বিধায় পারেনি। ঘরে নিয়ে মে'রে'ছে। বউয়ের মা বাপ নেই। ভাই ছিল। সে-ও ম'রে গিয়েছে। যাওয়ার মতো জায়গা বাপের বাড়ি। ঘর থাকলেও খাওয়ানো পরানোর লোক নেই। মহিলা রাগ করে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিল৷ বর গিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। মহিলাও চলে এসেছে। স্বামী থাকে তার কাজের জায়গায়। বউ থাকে বাড়িতে। সম্পর্ক কেমন জানি না৷ কিন্তু এত কিছুর পরেও তালাক হয়নি।

আশেপাশে তাকালে এমন উদাহরণের অভাব নেই। স্বামীর সাথে বাড়ি পাশির ভাবিকে ঘুমতে দেখার পরেও এক মহিলা সংসার করছে। দু'দিন পরপর স্বামীর হাতে মা'র খায়। আবার মিলে যায়। আবার মা'র খায়। তারও তালাক হয় না। তালাক হয়েছে পরিচিত এক বড় বোনের। সে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি করে। বর ছিল পুলিশ অফিসার। পরপর কয়েকবার বরের পরকীয়া ধরা পড়েছে। আপু স্পষ্ট ভাষায় বলেছে- এসব ছেড়ে দেন। বর ছাড়তে পারবে না৷ তার জবাব ভাবলেশহীন- মানিয়ে নাও। বিয়ে করে ঘরে নিয়ে আসছি না।

আপুর সাথে তার বরের ছাড়াছাড়ি হয়েছে। বর আরেকজনের বউ বিয়ে করেছে মেয়েসহ। দিব্যি সংসার করছে। আপু বিয়ে করেনি৷ একটা সন্তান আছে। তাকে মানুষ করছে। ভদ্রলোক সেই সন্তানের খোঁজখবর করে না। বউয়ের আগের ঘরের মেয়েকে নিয়ে ফেজবুকে পোস্ট পরে। জানবাচ্চা লিখে স্টোরি দেয়। আপুর এসব নিয়ে চিন্তা হয় না৷ মাস শেষে সে ভালো অংকের বেতন পায়। দামী পোশাক পরে, ভালো খাবার খায়। তার এসব নিয়ে ভাবার সময় নেই।

সমাজের কিছু মানুষ এজন্যই মেয়েদের পড়াশোনা করতে দিতে চায় না। কারণ মেয়েরা পড়াশোনা করলে, নির্ভরশীল না থাকলে তারা নিজেদের কর্তৃত্ব ফলাতে পারবে না। দয়া করে কেউ ইসলাম ধর্ম টেনে ফতোয়া দিতে আসবেন না। ইসলাম ধর্ম মেয়েদের যে পরিমাণ অধিকার দিয়েছে তার সবকিছু জানলে কেউ কেউ ইসলাম ধর্মকেও নারীবাদী ধর্ম বলে বসতে পারে। যেমন ধরেন- বউয়ের দেনমোহর দেওয়া ফরজ৷ বিয়ের সময়েই পরিশোধ করে দিতে হয়৷ ভরণপোষণ দেওয়া ফজর। কটু কথা ছাড়াই এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। কাজে সাহায্য করা, একসাথে সুন্দর সময় কাটানো, খাবার খাইয়ে দেওয়া, রান্নাবান্নার কাজে সাহায্য করা এসব সুন্নাতের কথা শুনলে তো কেউ কেউ হার্টফেল করে বসতে পারে। বিয়ে খুব সুন্দর একটা সম্পর্ক। দূর্ভাগ্যবশত বেশিরভাগ মানুষ সুন্দর হয় না।

এমন নয় যে বিয়ে করে কেউই ভালো থাকে। থাকে। অনেকেই থাকে৷ সে ব্যাপারে অন্যদিন লিখব। তবে সে সংখ্যা অনেক কম। বেশিরভাগেরই জীবন মানিয়ে গুছিয়ে নিয়ে থাকতে হয়।

#ফারহানা_কবীর_মানাল

24/07/2026

অস্থির লাগলে দিনে কয়েকবার হাতমুখ ধুবেন,ওয়াক্তের বাইরেও অযূ করবেন। রাতে ঘুমানোর সময় কিংবা বেশি ঘামলে পোশাক পাল্টে নিবেন। মাথার চুল চিরুনি করে সবসময় পরিপাটি রাখবেন। যদি মনে হয় এই খাবারটা খেতে ইচ্ছে করছে তাহলে রূহকে সেটা দিবেন। আয়োজন করে মাঝেমধ্যে নিজের জন্য রান্না করবেন। সুন্দর নতুন কাপে নিজের জন্য চা ঢালবেন, ঝকঝকে থালায় ভাত খেয়ে নিজেকেও দামী মনে করবেন।

আমার একটাও মেকআপ আইটেম নেই,সত‍্যি বলতে বেসিক জিনিসগুলোও আমি চিনিনা। না আছে কোনো লিপস্টিক। কিন্তু আমার ঠোঁটে সারাবছর সাদা লিপবাম লাগাই। ভ‍্যাসলিনের কৌটা আছে অন্ততপক্ষে কুড়িটা। ঘুমানোর সময় বালিশের পাশে সবসময় একটা রাখি। ড্রেসিং টেবিল, ভ‍্যানিটি ব‍্যাগ, বোরকার পকেট, হাজবেন্ডের ব্লেজারের পকেট সবজায়গায় আছে। এমন একটা রাত নেই ব্রাশ করে চিরুনী করে ড্রেস না পাল্টে ঘুমিয়েছি। বিছানাটা না ঝেড়ে বসতে পারিনা, রুমটা অগোছালো থাকলে অরুচি আসে। এমনকি নিজের স্বামী সন্তানকেও পরিপাটি করে সুগন্ধি মেখে দিই। পড়তে বসলে নিজের টেবিলটা ভালো করে গুছাই, স্বামী পড়লেও তার টেবিল পড়া চলাকালীনই কয়েকবার সাজিয়ে দিই। আমি পড়ার সুযোগ পাই বা না পাই একটা গল্পের বই সবসময় সাথে নিয়ে ঘুরি। এরকম বহু কিছু আছে যেগুলো আমার সজ্জা, মন ভালো রাখে।

মানুষ ছ‍্যাকা খেলে, প্রতারিত হলে, অসম্মানিত হবার পরে বুলি আওড়ায় যে নিজেকে ভালোবাসো! নিজের ক‍্যারিয়ার স্ট্রং করো, পছন্দের জিনিস বেশি বেশি করো, সময়গুলোকে প্রোডাক্টিভলি কাজে লাগাও। আমার কথা হলো এই কাজ তো সবসময়ের‍! কেন আমরা নিজেদের ভালো রাখার জন্য চেষ্টাগুলো করিনা! কেন এ জীবনটা শুধু অন‍্যের ভালোতেই কাটাতেই হবে!

আমার কাছে সমানভাবে প্রিয় মানুষের ভালোবাসা দরকার, নিজের প্রতি নিজ ভালোবাসাও দরকার। কখনো কেউ ভালোবাসলো না তারমানে এই না যে নিজের ভালোটা বুঝে নেওয়া যাবেনা। আবার মন প্রান দিয়ে ভালোবাসার মানুষ থাকলেও যে নিজের যত্ন নিজেকেই করতে হয় এটা মেয়েদের বুঝতে হবে!

আমাদের তো সবসময় নিজেকে ভালো রাখবার জন্য চেষ্টা করা দরকার, নিজ সৃষ্টিকর্তার কাছে দুআ করা উচিত।
সৃষ্টিকর্তার পরে এই পৃথিবীতে নিজের থেকে বেশি আর কেউ আমাদের ভালোবাসেনা….

#আশফিকানওশিন

20/07/2026
দৃশ্যটা আপনার চেনা। ফেসবুক খুললেই পাবেন।একটা পেজ, নাম ধরা যাক "খাঁটি ফুডস"। লাইভে একজন মধুর চাক হাতে দাঁড়িয়ে, পেছনে সু...
19/07/2026

দৃশ্যটা আপনার চেনা। ফেসবুক খুললেই পাবেন।

একটা পেজ, নাম ধরা যাক "খাঁটি ফুডস"। লাইভে একজন মধুর চাক হাতে দাঁড়িয়ে, পেছনে সুন্দরবনের ছবি। ক্যাপশনে লেখা, শতভাগ অর্গানিক, কেমিক্যালমুক্ত, নিজস্ব খামার থেকে সরাসরি। কমেন্টে শত শত অর্ডার।

কারা অর্ডার করছেন? যার বাবার ক্যানসার, ডাক্তার বলেছেন ভেজাল খাবার এড়াতে। যার বাচ্চা প্রথম ভাত খাবে, মা চান প্রথম চালটা যেন বিষমুক্ত হয়। যার নিজের ডায়াবেটিস, তাই দ্বিগুণ দামে লাল চাল।

ঢাকার দোকানগুলোতে এই ‘অর্গানিক’ লেবেলের দাম কেমন? অর্গানিক ঘি, পাঁচশো গ্রাম সাড়ে সাতশো টাকা। অর্গানিক দুধ, লিটার নব্বই। অন্যান্য কিছু পণ্যে সাধারণ বাজারের প্রায় দ্বিগুণ। মানুষ দিচ্ছে। ভয়ে দিচ্ছে, ভালোবাসায় দিচ্ছে।

এখন প্রশ্নটা করি।

এই যে প্যাকেটের গায়ে "অর্গানিক" লেখা, এই দাবিটা বাংলাদেশে কে যাচাই করে? উত্তরটা এক শব্দের। কেউ না।

আক্ষরিক অর্থে কেউ না। কোনো সরকারি সংস্থা না, কোনো ল্যাব না, কোনো পরিদর্শক না। আপনি চাইলে কালকে সকালে কারওয়ান বাজার থেকে সাধারণ চাল কিনে, প্যাকেটে "অর্গানিক" ছাপিয়ে, তিনগুণ দামে বেচা শুরু করতে পারেন। কেউ আপনাকে একটা প্রশ্নও করবে না।

এই লেখা সেই প্রশ্ন-না-করা নিয়ে।



কথাটা অবিশ্বাস্য শোনায়, তাই কাগজপত্র ধরে দেখাই।

পৃথিবীতে "অর্গানিক" কোনো মুখের কথা না, একটা আইনি মর্যাদা। ভারতে কোনো কৃষক অর্গানিক লেবেল লাগাতে চাইলে স্বীকৃত সংস্থা তার ক্ষেতে যাবে, মাটি-পানি-বীজের রেকর্ড দেখবে, তিন বছর নজরে রাখবে, তারপর সনদ দেবে।

প্রতি বছর আবার আসবে। মিথ্যা বললে সনদ যাবে, মামলা হবে। চীনে তাই, থাইল্যান্ডে তাই, এমনকি ভুটানেও ব্যবস্থাটা দাঁড় করানোর কাজ চলছে।

বাংলাদেশে? ২০১৬ সালে সরকার একটা জাতীয় জৈব কৃষি নীতি করেছিল। সেই নীতিতে সনদ দেওয়ার সংস্থা বানানোর কথাও লেখা ছিল। দশ বছর হয়ে গেল। সংস্থাটা আজও বানানো হয়নি।

এটা আমাদের কথা না। আন্তর্জাতিক জৈব কৃষি ফেডারেশন আইফোমের এশিয়ার নীতি-পরিচালক নিজে বলছেন, নীতিটা বাস্তবায়িতই হয়নি। জৈব কৃষি আইনের বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশের ঘরে আজও লেখা, অসম্পূর্ণ।

দেশি গবেষকদের ভাষ্য আরও করুণ, দেশে অর্গানিক খাদ্যের কোনো আইনি সংজ্ঞাই নাই।

মানে দাঁড়াল, "অর্গানিক" এই দেশে একটা মালিকবিহীন শব্দ। "সুস্বাদু" লেখা আর "অর্গানিক" লেখার মধ্যে আইনের চোখে কোনো তফাত নাই। দুটোই বিজ্ঞাপনের বিশেষণ।

তফাত শুধু একটাই। "সুস্বাদু" লিখলে দাম দ্বিগুণ করা যায় না। "অর্গানিক" লিখলে যায়।



তারপরও কেউ বলতে পারেন, লেবেল যাচাইহীন হোক, জিনিসটা তো সত্যি হতে পারে। দেশে তো জৈব চাষ হয়ই।

হয়। কতটুকু হয়, সেই অঙ্কটাই এবার করি।

দেশে জৈব পদ্ধতিতে চাষ করেন মাত্র হাজার বারো কৃষক, এবং সেটা মাত্র সাত হাজার হেক্টর জমিতে। শুনতে ভারি লাগে। কিন্তু দেশের মোট কৃষিজমির হিসাবে এটা শূন্য দশমিক ঊনিশ শতাংশ। ভাগ করলে দাঁড়ায়, প্রতি পাঁচশো বিঘা জমিতে এক বিঘারও কম।

এবার সুপারশপে যান। অর্গানিক চাল আছে, ডাল আছে, তেল, মসলা, মধু, ঘি, চিনি, মুরগি, ডিম, সবজি, সব আছে। ফেসবুকে শত শত পেজ, কারও স্টক ফুরায় না। রেস্টুরেন্ট খুলেছে, বিয়ের গিফট বক্স হচ্ছে।

পাঁচশো ভাগের এক ভাগ জমি থেকে এত জিনিস আসে কীভাবে?

আসে না। আসা সম্ভব না। বাকিটা কোথা থেকে আসে, সেই উত্তরটা আপনি নিজেই জানেন। ওই কারওয়ান বাজার থেকেই আসে, মাঝপথে শুধু প্যাকেটটা বদলায়।

আর যে এক ভাগ সত্যিকারের চেষ্টা, তার পথও কতটা কঠিন, একটা তথ্যেই বুঝবেন। অর্গানিক হতে হলে শুধু নিজের খেতে বিষ না দিলে হয় না। পাশের খেতের স্প্রে বাতাসে ভেসে আসবে, সেটাও ঠেকাতে হয়। সেচের খালের পানি পরিষ্কার হতে হয়।

এবার ভাবেন, এই দেশের খেতের বাস্তবতা কী। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের হিসাবে দেশে যত কীটনাশক বিক্রি হয়, তার তিন বোতলের এক বোতলই ভেজাল। ভেজাল বিষে পোকা মরে না, তাই কৃষক ডোজ বাড়ায়।

জরিপ বলছে, প্রতি দুইজন কৃষকের প্রায় একজন মাত্রার চেয়ে বেশি বিষ দেন, আর প্রশিক্ষণ পাওয়া কৃষক প্রতি পঁচিশজনে একজন।

চারদিকে বিষের এই সমুদ্র, তার মাঝখানে এক টুকরা জমি, একই খালের পানি, একই বাতাস। ওই জমির ফসলকে দেশি বিশেষজ্ঞরা তাই সর্বোচ্চ যে নামটা দিতে রাজি, সেটা হলো "তুলনামূলক নিরাপদ।"

তুলনামূলক নিরাপদ। এই সৎ শব্দটা কোনো প্যাকেটে লেখা থাকে না। প্যাকেটে লেখা থাকে শতভাগ অর্গানিক।



আচ্ছা, এবার সবচেয়ে বড় ছাড়টা দিই। ধরে নিলাম আপনার কেনা প্যাকেটটা একশো ভাগ খাঁটি। ক্ষেত সত্যি বিষমুক্ত। তাহলে দ্বিগুণ দামে আপনি কী পেলেন?

উত্তরটা দিয়েছে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের গবেষকরা চার বছর ধরে কয়েক দশকের হাজার হাজার গবেষণা ঘেঁটে ২৩৭টা বাছাই করে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তুলনাটা করেছিলেন। অর্গানিক বনাম সাধারণ। ফল, সবজি, শস্য, দুধ, ডিম, মাংস, সব।

ফলাফল, পুষ্টিতে কোনো ধারাবাহিক পার্থক্য তারা পান নাই। ভিটামিন সমান, মিনারেল সমান, প্রোটিন সমান।

একটা মাত্র জিনিস অর্গানিকে বেশি পাওয়া গেছিল। ফসফরাস। আর গবেষকরা নিজেরাই লিখে দিয়েছেন, ফসফরাসের ঘাটতি মানুষের এত কম হয় যে এই পার্থক্যের কোনো চিকিৎসাগত মূল্য নাই।

কয়েক দশকের বিজ্ঞান ঘেঁটে অর্গানিকের পক্ষে মিলল একটা জিনিস, যেটার অভাব কারও হয় না।



"পুষ্টির জন্য তো কিনি না, কিনি বিষ থেকে বাঁচতে।" আপত্তিটা ন্যায্য। কিন্তু এইখানে এসে বাজারের সবচেয়ে বড় গোপন কথাটা বলার দরকার পড়ে।

অর্গানিক চাষেও কীটনাশক দেওয়া হয়।

অবাক লাগছে? নিয়মটা শোনেন। অর্গানিক মানে বিষমুক্ত না। অর্গানিক মানে কারখানায় বানানো বিষ নিষিদ্ধ, কিন্তু "প্রাকৃতিক" বিষ অনুমোদিত। খোদ আমেরিকার অর্গানিক আইনের অনুমোদিত তালিকায় পঁচিশটার মতো সিন্থেটিক পদার্থও আছে।

আর সেই তালিকার সবচেয়ে ব্যবহৃত জিনিসটার নাম কপার সালফেট। বাংলায় তুঁতে। আঙুর, আলু, টমেটো, আপেলের ক্ষেত্রে অর্গানিক চাষিরা এটা দেদার ছিটায়। এই তুঁতে মাটির উপকারী অণুজীব মেরে ফেলে, মাছের জন্য বিষ, আর মাটিতে জমতে থাকে বছরের পর বছর।

গবেষণার ভাষায়, কৃষিতে ব্যবহৃত সবচেয়ে বিষাক্ত জিনিসগুলার একটা। ইউরোপ আমেরিকার চেয়ে একরপ্রতি দেড়-দুই গুণ কীটনাশক ব্যবহার করে, এবং তার বড় কারণ এই তুঁতেই।

"প্রাকৃতিক" শব্দটা শুনতে নিরীহ। সাপের বিষও প্রাকৃতিক।

সততার খাতিরে উল্টো দিকের সংখ্যাটাও দিই। স্ট্যানফোর্ডের সেই গবেষণাতেই মিলেছে, সাধারণ ফল-সবজির প্রতি তিনটার মধ্যে একটায় কীটনাশকের অবশেষ থাকে, অর্গানিকে প্রতি চৌদ্দটায় একটায়। হ্যাঁ, অর্গানিকে কম। কিন্তু "মুক্ত" না।

যে বিষ থেকে বাঁচতে আপনি দ্বিগুণ দাম দিলেন, প্রতি চৌদ্দ প্যাকেটের একটায় সেটা আছেই। এবং মনে রাখবেন, ওই হিসাবটা সনদওয়ালা দেশগুলোর। বাংলাদেশের মত সনদহীন দেশের হিসাব কেউ জানে না।



তাহলে সনদওয়ালা দেশে সব ঠিক আছে? সেই গল্পটাও আনন্দদায়ক না।

আমেরিকার মিসৌরির কৃষক র‍্যান্ডি কনস্ট্যান্ট। সাধারণ ভুট্টা আর সয়াবিন চাষ করতেন, বেচতেন "অর্গানিক" লেবেলে। কত টাকার? পঁচিশ কোটি ডলারের।

বাংলাদেশি টাকায় হাজার কোটির উপরে, একজন কৃষকের একার জালিয়াতি। ধরা পড়ে দশ বছরের জেল হয়েছে।

ইতালিতে পুলিশ এমন চক্র ধরেছে, যারা পচা আপেল, যেটা মানুষের খাওয়ার অযোগ্য ঘোষিত, সেটা থেকে জুস আর জ্যাম বানিয়ে "ইউরোপীয় অর্গানিক" লেবেলে বেচত। জব্দ হয়েছে চৌদ্দশো টন।

ইতালি থেকে জার্মানির বাজারে ঢুকে গিয়েছিল সাড়ে পাঁচশো টন ভুয়া লেবেলের শস্য, যেটা দিয়ে টফু হয়েছে, বাচ্চার খাবার হয়েছে।

আর মার্কিন অর্গানিক শস্য-ব্যবসায়ীদের নিজেদের সংগঠনের শীর্ষ কর্তার প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি, এই খাতের এক নম্বর হুমকি জালিয়াতি, প্রতিদিন সাধারণ ফসল ভুয়া সনদে বিকোচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা এই পণ্যের একটা নাম দিয়েছেন। বিশ্বাসের পণ্য। আম চেখে বলা যায় মিষ্টি কি টক। কিন্তু চেখে, শুঁকে, এমনকি ল্যাবে দিয়েও বলা যায় না চালটা অর্গানিক ছিল কি না। ক্রেতার হাতে যাচাইয়ের কিছুই নাই, পুরোটাই সনদের উপর ভরসা।

এখন মিলিয়ে দেখেন। যেসব দেশে সনদ আছে, পরিদর্শক আছে, ল্যাব আছে, জেলে ভরার আইন আছে, সেখানেই হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি চলছে।

আর আমাদের দেশে ওই চারটার একটাও নাই। আছে শুধু ফেসবুক লাইভ, সুন্দরবনের ছবি, আর আপনার ভয়।



দুইটা কথা এখানে আলাদা করে লেখা থাকুক, নইলে ভুল মানুষের গায়ে লাগবে।

এক, এই দেশে সত্যিকারের বিষমুক্ত চাষের লড়াই আছে। হাজার বারো কৃষক, কিছু নিবেদিত সংগঠন, বছরের পর বছর প্রায় কোনো সরকারি সহায়তা ছাড়া লড়ছেন। এই লেখা তাদের বিরুদ্ধে না।

বরং সবচেয়ে বড় প্রতারণাটা হচ্ছে তাদের সঙ্গেই। তাদের তিন বছরের পরিশ্রমের ফসল আর কারওয়ান বাজারের বস্তা-বদলানো চাল, দুটোর প্যাকেটে একই শব্দ, একই দাম। যাচাই নাই বলে সৎ মানুষটার সততার কোনো বাজারমূল্যই তৈরি হলো না।

দুই, আপনার ভয়টাও অমূলক না। এই দেশের সাধারণ বাজারের সবজিতে সত্যিই মাত্রাছাড়া বিষ মেলে, ঢাকা-ময়মনসিংহ-বরিশালের বাজারে গবেষকরা বারবার হাতেনাতে পেয়েছেন। আপনি অর্গানিক খুঁজছেন, কারণ সাধারণ খাবারটাই আপনার ভরসাহীন।



ভেবে দেখেন, এই অর্গানিক বাজারটা দাঁড়িয়ে আছে কীসের উপর।

ফরমালিন-আতঙ্কের উপর। বিষাক্ত সবজির খবরের উপর। ভেজালের মহামারির উপর। অর্থাৎ রাষ্ট্র আপনার প্লেটে নিরাপদ খাবার দিতে পারে নাই, এই ব্যর্থতাটাই এই বাজারের একমাত্র মূলধন।

হিসাবটা দাঁড়াল এরকম। আপনি ট্যাক্স দিয়েছেন, বিনিময়ে নিরাপদ বাজার পান নাই। সেই ভয়ের সুযোগে একদল বিক্রেতা এসে বলল, দ্বিগুণ দাম দেন, ভয়টা আমরা নিয়ে নিচ্ছি। এবং তাদের সেই প্রতিশ্রুতি যাচাই করার ব্যবস্থাটাও ওই একই রাষ্ট্র দশ বছরে বানায়নি।

মানে আপনি ঠকছেন দুইবার। প্রথমবার সাধারণ বাজারে, বিষ কিনে। দ্বিতীয়বার অর্গানিক দোকানে, স্টিকার কিনে।

আপনার বাবার ক্যানসার তাদের মার্কেটিং। আপনার বাচ্চার প্রথম ভাত তাদের টার্গেট গ্রুপ। আপনার ভয় তাদের পুঁজি, আর সেই পুঁজিতে কোনো অডিট নাই।

এই ব্যবসার নাম অর্গানিক না। এই ব্যবসার নাম ভয়ের খাজনা। রাষ্ট্রকে ট্যাক্স দিয়ে যে নিরাপত্তা পাওয়ার কথা ছিল, সেটাই এখন ব্যক্তিখাতে, দ্বিগুণ দামে, রসিদ ছাড়া বিক্রি হচ্ছে।

সমাধান কী? আরও দামি লেবেল না। সমাধানটা পুরনো আর নীরস। বাজারের সব খাবারে বিষের মাত্রা পরীক্ষা। ভেজাল কীটনাশকের চক্র ভাঙা।

আর প্যাকেটে "অর্গানিক" শব্দটা লেখার আগে সনদ বাধ্যতামূলক করা, যে সনদের কথা ২০১৬ সালের নীতিতে লেখা আছে, শুধু কেউ বানায়নি।

যতদিন সেটা না হচ্ছে, ততদিন সাড়ে সাতশো টাকার ওই ঘিয়ের বয়ামে আপনি নিরাপত্তা কিনছেন না। কিনছেন একটা শব্দ। যে শব্দের জবাব দেওয়ার দায় এই দেশে কারও নাই।

#ব্রডশিট #অর্গানিক #খাদ্যনিরাপত্তা #বাংলাদেশ #ভোক্তা

যিনি চিকিৎসাটা আবিষ্কার করলেন,তিনি নিজেই ছিলেন প্রথম রোগী।মার্শা লিনেহান।পৃথিবীর অন্যতম প্রভাবশালী মনোবিজ্ঞানী।DBT থেরাপ...
17/07/2026

যিনি চিকিৎসাটা আবিষ্কার করলেন,
তিনি নিজেই ছিলেন প্রথম রোগী।

মার্শা লিনেহান।
পৃথিবীর অন্যতম প্রভাবশালী মনোবিজ্ঞানী।
DBT থেরাপির জনক।

১৯৬১ সাল।
১৭ বছরের একটা মেয়েকে ভর্তি করা হলো
মানসিক হাসপাতালে।

হাসপাতালের নথিতে লেখা হলো —
"সবচেয়ে বিপর্যস্ত রোগীদের একজন।"

মেয়েটা নিজেকে কষ্ট দিত।
দেয়ালে মাথা ঠুকত।
তাকে রাখা হলো নিঃসঙ্গ একটা ঘরে —
যেন নিজের ক্ষতি করতে না পারে।

ডাক্তাররা ওষুধ দিলেন।
ইলেকট্রোশক দিলেন।
কিছুতেই কিছু হলো না।

কারণ কেউ বুঝতে পারছিল না —
মেয়েটার ভেতরে আসলে কী হচ্ছে।

সে নিজেও বুঝত না।
শুধু অনুভব করত —
বুকের ভেতর একটা আগুন,
যেটা নেভানোর কোনো রাস্তা সে জানে না।

দুই বছর পর সেই মেয়ে হাসপাতাল থেকে বের হলো।
আর বের হওয়ার আগে নিজের কাছে একটা প্রতিজ্ঞা করল —

"আমি এই নরক থেকে বের হব।
আর যেদিন বের হব,
সেদিন ফিরে আসব —
যারা এখনো আটকে আছে,
তাদের হাত ধরে বের করে আনতে।"

মেয়েটা কথা রেখেছিল।

সে মনোবিজ্ঞান পড়ল।
পিএইচডি করল।
গবেষক হলো।

আর বছরের পর বছর গবেষণা করে তৈরি করল
এমন একটা থেরাপি —
যেটা তৈরি হয়েছে সেই মানুষদের জন্য,
যাদের ডাক্তাররা "hopeless case" বলে ছেড়ে দিয়েছিল।

নাম — Dialectical Behavior Therapy।
সংক্ষেপে DBT।

আজ এই থেরাপি পৃথিবীজুড়ে
লাখো মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছে।

মার্শা তাঁর আত্মজীবনী "Building a Life Worth Living"-এ
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটা লিখেছেন,
সেটা কোনো জটিল তত্ত্ব না।

কথাটা হলো —

কারও কারও ব্রেইন
একটু বেশি সংবেদনশীল করে তৈরি।

ভাবুন, আপনার ঘরে একটা ফায়ার অ্যালার্ম আছে।
কারও অ্যালার্ম বাজে বড় আগুনে।
আর কারওটা বাজে
চায়ের কাপের ধোঁয়াতেই।

দ্বিতীয় অ্যালার্মটা নষ্ট না।
সেটা শুধু বেশি সংবেদনশীল।

আপনার আবেগও তাই।

অন্যরা যেখানে একটু মন খারাপ করে,
আপনি সেখানে ভেঙে পড়েন।
অন্যরা যেখানে একটু বিরক্ত হয়,
আপনার সেখানে আগুন জ্বলে যায়।

এটা আপনার চরিত্রের দোষ নয়।
এটা আপনার দুর্বলতা নয়।
এটা আপনার ব্রেইনের গঠন।

আর মার্শার দ্বিতীয় আবিষ্কারটা আরও গভীর —

সমস্যা তীব্র আবেগে না।
সমস্যা হলো,
অ্যালার্ম বাজলে কী করতে হয় —
সেটা আমাদের কেউ কোনোদিন শেখায়নি।

স্কুলে অঙ্ক শিখিয়েছে।
ইতিহাস শিখিয়েছে।
কিন্তু রাগ উঠলে কী করব,
কান্না চেপে বসলে কোথায় যাব —
এই পাঠ কোনো ক্লাসে ছিল না।

যা শেখানো হয়নি,
তা না পারা কোনো অপরাধ নয়।

আল্লাহ বলেন, তিনি কারও ওপর
তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপান না।
(সূরা আল-বাকারা, ২:২৮৬)

আপনার ভেতরের এই তীব্র অনুভূতির ঢেউও
আপনার সাধ্যের বাইরে না।
এটা একটা দক্ষতার ব্যাপার।
আর দক্ষতা শেখা যায়।

মার্শা নিজে তার প্রমাণ।

আজ থেকে যা করবেন —

১. অ্যালার্মের নাম দিন।
পরেরবার আবেগের ঢেউ উঠলে
নিজেকে বকা দেওয়ার আগে মনে মনে বলুন —
"এটা আমার অ্যালার্ম বাজছে। আমি খারাপ না।"
এই এক বাক্য ব্রেইনের আবেগের কেন্দ্র থেকে
চিন্তার কেন্দ্রে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনে।

২. ঢেউটাকে মাপুন।
সাথে সাথে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন —
"এই অনুভূতিটা ১০-এ কত?"
মাপতে গেলেই আপনি ঢেউয়ের ভেতর থেকে
ঢেউয়ের কিনারায় চলে আসেন।

৩. দশ মিনিটের নিয়ম।
তীব্র আবেগের মুহূর্তে
কোনো বড় সিদ্ধান্ত না, কোনো কড়া মেসেজ না।
নিজেকে বলুন — "দশ মিনিট পর।"
আবেগের রাসায়নিক ঢেউ শরীরে
এমনিতেই নামতে শুরু করে।

৪. রাতে এক লাইন লিখুন।
ঘুমানোর আগে শুধু লিখুন —
আজ কখন অ্যালার্ম বেজেছিল, আর কেন।
এক সপ্তাহ পর নিজেই নিজের প্যাটার্ন দেখতে পাবেন।

যে মেয়েটাকে সবাই ছেড়ে দিয়েছিল,
সে যদি ফিরে এসে
লাখো মানুষের পথ বানাতে পারে —

আপনার গল্পটাও এখানে শেষ না।

আপনার কি কখনো মনে হয়েছে —
"আমার আবেগ কেন অন্যদের চেয়ে এত বেশি তীব্র?"
কমেন্টে "আমিও" লিখুন।

আমাদের DBT সেল্ফ হেল্প বই "ভয়ের ভিতর আলো" সম্পর্কে জানতে পিন করা কমেন্টের লিংকে দেখুন।

ধ*র্ষণের মুহূর্তে নিজেকে রক্ষা করবেন কিভাবে?উপায়গুলো জানা আছে কি?আসুন আজ আমরা তা জেনে নিবো ইংশাআল্লাহ্।📌 ধ*র্ষণের মুহূর্...
12/07/2026

ধ*র্ষণের মুহূর্তে নিজেকে রক্ষা করবেন কিভাবে?
উপায়গুলো জানা আছে কি?
আসুন আজ আমরা তা জেনে নিবো ইংশাআল্লাহ্।

📌 ধ*র্ষণের মুহূর্তে নিজেকে রক্ষা করার উপায়:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. ভীত হয়ে প্রথমেই গা ছেড়ে না দিয়ে যতোটা সম্ভব মাথা ঠান্ডা রাখুন।

২. ধাক্কা, থাপ্পড়, আঁচড় না দিয়ে...পারলে নাক বরাবর ঘুষি দিন। হাত মুষ্ঠি ঘুষি নয়, আঙ্গুল প্যারালাল রেখে লম্বালম্বি ঘুষি। এতে সে বেশ কিছুক্ষণের জন্যে ব্যালেন্স হারাবে।

৩. যতোটা সম্ভব পুরো সময়টা চিৎকার করুন।

৪. জোরে তালি দেওয়ার মতো করে দুই হাত দিয়ে একই সাথে তার দুই কানে জোরে থাপ্পড় দিন। এতে সে পুরো ব্যালেন্স হারাবে।

৫. যখন সে আপনার দুই হাতের উপর হাত রেখে মুখের কাছে মুখ নিয়ে আসবে, তখন কপাল দিয়ে তার মুখে জোরে আঘাত দিন৷ এতে তার দাঁত দিয়েই তার ঠোঁট ও জিহ্বা কেঁটে যাবে।

৬. কাপড়ে সেফটি পিন বা হিজাব পিন থাকলে ঠান্ডা মাথায় সেগুলো গলায় ঢুকিয়ে দিন। অজ্ঞান হয়ে যাবে।

৭. ধর্ষক যখন উভয়ের কাপড় অপসারণ করবে, সুযোগ বুঝে তার অন্ডকোষ বরাবর আপনার হাঁটু দিয়ে কিক করুন। এতে সে লুটিয়ে পড়বে।

৮. চুলে চিকন ক্লিপ থাকলে সেগুলো একটু কৌশলে গলায় অথবা কানের গোড়ায় ঢুকিয়ে দিন। এতে অজ্ঞান হয়ে যাবে।

৯. আপনার হাত বেঁধে ফেলার আগেই শেষ অস্ত্র আপনার হাত৷ দুই হাতের তর্জনী আঙুল ধর্ষকের দুই চোখের গোঁড়ায় সোজাসুজি প্রেসার দিয়ে ঢুকিয়ে চোখ নষ্ট করে দিন।

১০. স্মার্টফোনে অবশ্যই ইমার্জেন্সি সতর্কবার্তা (SOS) চালু করে রাখুন।

📌 সেফটির জন্য ছোটখাটো ছু*রি, হিজাব পিন, মরিচের গুড়া, ইত্যাদি সাথে রাখতে পারেন। আপনার সম্মানের কাছে পৃথিবীর সব খারাপ অপশক্তি কিছুই না!

📌 মনে রাখবেন, প্রধান লক্ষ্য হলো পালানো, আক্রমণকারীকে শেষ করে দেওয়া নয়। সুযোগ পেলেই দৌড়ে জনসমাগমে চলে যান।

📌 উপরের কৌশলগুলো শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা সত্ত্বেও সব সময় কাজ নাও করতে পারে। ধর্ষণের সময় অনেক সময় অচল অবস্থায় আক্রমণ হয়। কোনো কৌশল কাজ না করলে নিজেকে দোষ দেবেন না, এটার জন্য শুধু ধর্ষক দায়ী।

📌 বোন নিজেকে দোষারোপ করে শেষ করে দিবেন না। আপনি নিষ্পাপ, আপনার এখানে বিন্দুমাত্র দোষ নেই। মনে রাখবেন– বান্দার হক কখনো আল্লাহ্ ক্ষমা করেন না, বরং বান্দার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হয়। এমনও হতে পারে– কাল কিয়ামতে এই জঘন্য কাজের জন্য তার জীবনের সকল সওয়াব আপনাকে দিয়ে দিতে হবে এবং আপনার জীবনের সকল গোনাহ্ তাকে দিয়ে দেওয়া হবে। আপনি হয়ে যাবেন নিষ্পাপ।

— আফরা আলাইনা

💌 পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।

22/06/2026

আমাদের প্যারেন্টিং ফ্রি কোর্স উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে এক বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতার! আর এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আপনিও জিতে নিতে পারেন প্যারেন্টিং বিষয়ক নতুন ও চমৎকার বই “The Balanced Muslima Mother”।

আপনার মাতৃত্বের জার্নিকে আরও সুন্দর করতে বইটি হতে পারে আপনার দারুণ এক সঙ্গী।

🎁 পুরস্কার:
সৌভাগ্যবান ৫ জন বিজয়ী পাবেন “The Balanced Muslima Mother” বইটি!

অংশগ্রহণের নিয়মাবলী:

১. প্রথমে Deen & Discipline Sisterhood পেইজটি ফ*লো দিতে হবে।

২. এই পোস্টটি আপনার নিজের টাইমলাইনে পাবলিক করে শেয়ার করতে হবে।

৩. নিচে কমেন্ট বক্সে কুইজের সঠিক উত্তরটি লিখুন এবং সাথে আপনার পরিচিত ০৩ জন দ্বীনি বোনকে মেনশন করুন।

⏰ সময়সীমা: ১৩ই জুন, রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত। (নির্দিষ্ট সময়ের পর কমেন্ট বক্স ব^ন্ধ করে দেওয়া হবে, তাই দেরি না করে আজই অংশ নিন)

20/06/2026

মাত্র তিনটা আমলেই যদি চুল পড়া বন্ধ হয় আর নতুন চুল গজায়?

চুল পড়া বন্ধ ও নতুন চুল গজানোর তিনটা আমল দিচ্ছি। টানা ১ মাস আমল করে রিভিউ দিবেন আমাদের। দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে বলছি,ইনশাআল্লাহ আমলগুলো করলে ফল পাবেন।

এবার আমল নিয়ে বিস্তারিত বলি...

১) যেই চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো হয়,সূরা ফাতিহা পড়ে ওই চিরুনিতে থুতু মিশ্রিত ফুঁক দিবেন। তারপর মাথার ডান পাশ থেকে চুল আঁচড়ানো শুরু করবেন।

আঁচড়ানোর সময়ও সূরা ফাতিহা তিলওয়াত করতে থাকবেন। শেষ হলে আবারও চিরুনিতে থুতু মিশ্রিত ফুঁক দিবেন। এইভাবে কমপক্ষে ৭ বার রিপিট করবেন। এই আমল অবশ্যই রাতে ঘুমানোর আগে করার চেষ্টা করবেন।

২) সপ্তাহে দুইদিন জয়তুন তেল ম্যাসাজ করবেন চুলে। একটা বাটিতে পরিমাণ মতো জয়তুন তেল নিয়ে এতে দুরুদে ইবরাহীম, সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা আরাফের ১৭-২১ নং আয়াত, সূরা ত্বহার ৬৯ নং আয়াত, সূরা ইউনুসের ৮১-৮২ নং আয়াত, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস,আবার দুরুদে ইবরাহীম_প্রতিটা ৩ বার করে পড়ে ফুঁক দিবেন তেলে। তারপর ওই তেল স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করবেন গোসলের ১ ঘন্টা আগে।

পৃথিবীতে যতদিন তেল আছে, সবচেয়ে বরকতময় তেল হলো এই জয়তুন তেল। আল্লাহর রাসুল ﷺ নিজে এই তেল ব্যবহার করেছেন এবং আমাদেরও ব্যবহার করতে বলেছেন। রুকইয়াহ শেফার জন্য জয়তুন তেলের জুড়ি নেই।

৩) প্রতিদিন সকালের নাস্তার পর ১ চা চামচ কালোজিরা চিবিয়ে খাবেন। চিবিয়ে খেতে কষ্ট হলে দুপুরের খাবারে ভাত-ভর্তার সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন।

হাদিসে কালোজিরাকে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের শেফা বলা হয়েছে। কালোজিরায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্যাটি এসিড চুলের গোড়া মজবুত করতে,চুলকে শাইনি করতে কাজ করে। তাছাড়া সুন্নাহ ফুড হিসেবে কালোজিরা আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত কিন্তু!

পুরো ১ মাস ধরে নিয়ম মেনে এই তিনটা আমল করুন। ইনশাআল্লাহ বেশ ভালো ফলাফল পাবেন। পোস্টটা শেয়ার করতে পারেন,এতে যাদের চুল পড়ার সমস্যা আছে_তাদের জন্য উপকার হবে ইন শা আল্লাহ।

Address

Savar
ATHOYBRISTYBITHI

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Athoy Bristy Bithi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Athoy Bristy Bithi:

Shortcuts

Share