21/06/2025
বর্তমান প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে উঠেছে রংপুর বিভাগে, বিশেষ করে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁওয়ের কিছু এলাকায়। এরপর রাজশাহী বিভাগ, বিশেষ করে বগুড়া, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁয় তাদের সুসংগঠিত কাঠামো ও জনভিত্তি রয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় খুলনা, বরিশাল, ও সিলেট বিভাগেও দলটির উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে, যদিও তা তুলনামূলকভাবে কিছুটা দুর্বল। চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ এবং সর্বশেষে ঢাকা বিভাগে তাদের সরাসরি সাংগঠনিক তৎপরতা তুলনামূলকভাবে কম, তবে শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে আদর্শিক সমর্থন এখনও বিদ্যমান।
এই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে দলটি যদি সুসংগঠিতভাবে নির্বাচনমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করে, তাহলে এককভাবে ৬৫–৭০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মতো বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, যদি ইসলামপন্থী অন্যান্য দল, শিক্ষার্থীভিত্তিক সংগঠন, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের একটি জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা যায়, এবং বিএনপির ভেতর থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী বিদ্রোহী অংশের সমন্বয় হয়—তাহলে আরও ২০–৩০টি আসনে বিজয় সম্ভব।
সুতরাং, রাজনৈতিক সম্ভাবনা যথেষ্ট উজ্জ্বল। এখন প্রয়োজন একটি বাস্তবভিত্তিক, সুসমন্বিত এবং জাতীয় পর্যায়ের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ। সময় এখনই—কাজে নামতে হবে শক্ত অবস্থানে, কৌশলী মনোভাব নিয়ে।