Nusrat Pharmacy

Nusrat Pharmacy pharmacy, online work

20/08/2025

" দুই বিঘা জমি "

শুধু বিঘে-দুই ছিল মোর ভুঁই, আর সবই গেছে ঋণে।
বাবু বলিলেন, ‘বুঝেছ উপেন? এ জমি লইব কিনে।’
কহিলাম আমি, ‘তুমি ভূস্বামী, ভূমির অন্ত নাই –
চেয়ে দেখো মোর আছে বড়জোর মরিবার মতো ঠাঁই।
শুনি রাজা কহে, ‘বাপু, জানো তো হে, করেছি বাগানখানা,
পেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দিঘে সমান হইবে টানা –
ওটা দিতে হবে।’ কহিলাম তবে বক্ষে জুড়িয়া পাণি
সজল চক্ষে, ‘করুন রক্ষে গরিবের ভিটেখানি।
সপ্তপুরুষ যেথায় মানুষ সে মাটি সোনার বাড়া,
দৈন্যের দায়ে বেচিব সে মায়ে এমনি লক্ষ্মীছাড়া!’
আঁখি করি লাল রাজা ক্ষণকাল রহিল মৌনভাবে,
কহিলেন শেষে ক্রুর হাসি হেসে, ‘আচ্ছা, সে দেখা যাবে।’

পরে মাস-দেড়ে ভিটে মাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে –
করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।
এ জগতে হায় সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি,
রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।
মনে ভাবিলাম, মোরে ভগবান রাখিবে না মোহগর্তে,
তাই লিখি দিল বিশ্বনিখিল দু বিঘার পরিবর্তে।
সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে হইয়া সাধুর শিষ্য –
কত হেরিলাম মনোহর ধাম, কত মনোরম দৃশ্য।
ভূধরে সাগরে বিজনে নগরে যখন যেখানে ভ্রমি
তবু নিশিদিনে ভুলিতে পারি নে সেই দুই বিঘা জমি।
হাটে মাঠে বাটে এইমত কাটে বছর পনেরো-ষোলো,
একদিন শেষে ফিরিবারে দেশে বড়োই বাসনা হল।।

নমোনমো নম, সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি!
গঙ্গার তীর, স্নিগ্ধ সমীর জীবন জুড়ালে তুমি।
অবারিত মাঠ, গগনললাট চুমে তব পদধুলি –
ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড় ছোটো ছোটো গ্রামগুলি।
পল্লবঘন আম্রকানন, রাখালের খেলাগেহ –
স্তব্ধ অতল দিঘি কালোজল নিশীথশীতলস্নেহ।
বুক-ভরা-মধু বঙ্গের বধু জল লয়ে যায় ঘরে
মা বলিতে প্রাণ করে আনচান, চোখে আসে জল ভরে।
দুই দিন পরে দ্বিতীয় প্রহরে প্রবেশিনু নিজগ্রামে –
কুমোরের বাড়ি দক্ষিণে ছাড়ি, রথতলা করি বামে,
রাখি হাটখোলা নন্দীর গোলা, মন্দির করি পাছে
তৃষাতুর শেষে পঁহুছিনু এসে আমার বাড়ির কাছে।।

ধিক্ ধিক্ ওরে, শত ধিক্ তোরে নিলাজ কুলটা ভূমি,
যখনি যাহার তখনি তাহার – এই কি জননী তুমি!
সে কি মনে হবে একদিন যবে ছিলে দরিদ্রমাতা
আঁচল ভরিয়া রাখিতে ধরিয়া ফলফুল শাক-পাতা!
আজ কোন্ রীতে কারে ভুলাইতে ধরেছ বিলাসবেশ –
পাঁচরঙা পাতা অঞ্চলে গাঁথা, পুষ্পে খচিত কেশ!
আমি তোর লাগি ফিরেছি বিবাগি গৃহহারা সুখহীন,
তুই হেথা বসি ওরে রাক্ষসী, হাসিয়া কাটাস দিন!
ধনীর আদরে গরব না ধরে! এতই হয়েছ ভিন্ন –
কোনোখানে লেশ নাহি অবশেষ সে দিনের কোনো চিহ্ন!
কল্যাণময়ী ছিলে তুমি অয়ী, ক্ষুধাহরা সুধারাশি।
যত হাসো আজ, যত করো সাজ, ছিলে দেবী – হলে দাসী।।

বিদীর্ণহিয়া ফিরিয়া ফিরিয়া চারি দিকে চেয়ে দেখি –
প্রাচীরের কাছে এখনো যে আছে সেই আমগাছ একি!
বসি তার তলে নয়নের জলে শান্ত হইল ব্যথা,
একে একে মনে উদিল স্মরণে বালককালের কথা।
সেই মনে পড়ে, জ্যৈষ্ঠের ঝড়ে রাত্রে নাহিকো ঘুম,
অতি ভোরে উঠি তাড়াতাড়ি ছুটি আম কুড়াবার ধুম।
সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর, পাঠশালা-পলায়ন –
ভাবিলাম হায়, আর কি কোথায় ফিরে পাব সে জীবন।
সহসা বাতাস ফেলি গেল শ্বাস শাখা দুলাইয়া গাছে,
দুটি পাকা ফল লভিল ভূতল আমার কোলের কাছে।
ভাবিলাম মনে, বুঝি এতখনে আমারে চিনিল মাতা।
স্নেহের সে দানে বহু সম্মানে বারেক ঠেকানু মাথা।।

হেনকালে হায় যমদূতপ্রায় কোথা হতে এল মালী।
ঝুঁটিবাঁধা উড়ে সপ্তম সুরে পাড়িতে লাগিল গালি।
কহিলাম তবে, ‘আমি তো নীরবে দিয়েছি আমার সব –
দুটি ফল তার করি অধিকার, এত তারি কলরব।’
চিনিল না মোরে, নিয়ে গেল ধরে কাঁধে তুলি লাঠিগাছ;
বাবু ছিপ হাতে পারিষদ-সাথে ধরিতেছিলেন মাছ –
শুনে বিবরণ ক্রোধে তিনি কন, ‘মারিয়া করিব খুন।’
বাবু যত বলে পারিষদ-দলে বলে তার শতগুণ।
আমি কহিলাম, ‘শুধু দুটি আম ভিখ মাগি মহাশয়!’
বাবু কহে হেসে, ‘বেটা সাধুবেশে পাকা চোর অতিশয়!’
আমি শুনে হাসি, আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোরে ঘটে –
তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে।।

#রবীন্দ্রনাথঠাকুর #রবীন্দ্রসঙ্গীত
#রবিরআলো #ধ্বনি #কবিগুরু

16/08/2025

#অবাক_করা_এই_তথ্য
✅এটা পড়ুন, ভালো লাগবে।।
মহান ব্যক্তিদের জীবনের কিছু মজার ঘটনা ।

☀️ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের আর্থিক অনটনের সময় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ওনাকে আর্থিক সাহায্য করতেন।
একদিন এক মাতাল বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কাছে সাহায্য চাইতে এলে বিদ্যাসাগর বললেন, "আমি কোন মাতালকে সাহায্য করি না।"
কিন্তু আপনি যে মধুসুদনকে সাহায্য করেন তিনিও তো মদ খান - মাতালের উত্তর।
তখন বিদ্যাসাগর উত্তর দেন, "ঠিক আছে আমিও তোমাকে মধুসূদনের মত সাহায্য করতে রাজী আছি তবে তুমি তার আগে একটি “মেঘনাদ বধ” কাব্য লিখে আন।"

☀️অনেক বছর আগের কথা। সে সময় আমেরিকান ট্রেনগুলো বেশ ধীরগতিতে চলত। লেট করত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সকাল ৮টার ট্রেন রাত ৮টায় আসবে কি না সে বিষয়ে সবাই থাকত সন্দিহান।
এমনই এক সময়ে বিখ্যাত রম্যসাহিত্যিক মার্ক টোয়েন একবার কোথাও যাওয়ার জন্য ট্রেনে চেপে বসে ছিলেন।
কিছুক্ষণ পর কামরায় উঠল টিকিট চেকার। মার্ক টোয়েন গম্ভীর মুখে চেকারের দিকে একটা 'হাফ টিকিট' বাড়িয়ে দিলেন। বুড়ো মানুষের হাতে 'হাফ টিকিট' দেখে টিকিট চেকার অবাক! তাঁর প্রশ্ন, 'কী মশাই, আপনি হাফ টিকিট কেটেছেন কেন? গোঁফ, মাথার চুল সবই তো সাদা। আপনি কি জানেন না চৌদ্দ বছরের বেশি হলে আর হাফ টিকিট চলে না?'
মার্ক টোয়েনের সোজা জবাব, "যখন ট্রেনে চড়েছিলাম, তখন তো বয়স চৌদ্দই ছিল। কে জানত, ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছতে এত লেট করবে!"

☀️‘পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে’ সে সম্পর্কে একবার বক্তৃতা করছিলেন বারট্রান্ড রাসেল। বক্তৃতার মাঝখানে এক বৃদ্ধলোক দাঁড়িয়ে রাসেলের কথার প্রতিবাদ করে বললেন, "ওহে তরুণ তুমি বেশ বুদ্ধিমান এতে কারো সন্দেহ নেই। তবে পৃথিবী যে চ্যাপ্টা আর তা কচ্ছপের পিঠে করে বয়ে বেড়াচ্ছে তা মনে করেছ আমরা জানিনা!"
রাসেল বৃদ্ধের কথা শুনে অবাক হলেন। প্রশ্ন করলেন, "ঠিক আছে, তাহলে আপনি এবার বলুন, ওই কচ্ছপটা কিসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে?"
বৃদ্ধ একটু ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, "হুঁ, আমি তোমাকে বলে দিই আর তুমি তা শিখে ফেল আর
কী! সেটা হতে দেবনা।"

☀️শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক নেপাল রায়কে
রবীন্দ্রনাথ একবার লিখে পাঠালেন, "আজকাল আপনি কাজে অত্যন্ত ভুল করছেন। এটা খুবই গর্হিত অপরাধ।
এজন্য কাল বিকেলে আমার এখানে এসে আপনাকে দণ্ড নিতে হবে।"
চিন্তিত, শঙ্কিত নেপালবাবু পরদিন শশব্যস্ত হয়ে কবির কাছে উপস্থিত হলেন। আগের রাতে দুশ্চিন্তায় তিনি ঘুমাতে পারেননি। এখনো তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ উৎকণ্ঠার মধ্যেই বসিয়ে রেখেছেন কবিগুরু।
অবশেষে পাশের ঘর থেকে একটি মোটা লাঠি হাতে আবির্ভূত হলেন কবি।
নেপালবাবুর তখন ভয়ে কাণ্ডজ্ঞান লুপ্তপ্রায়।
তিনি ভাবলেন, সত্যি বুঝি লাঠি তাঁর মাথায়
পড়বে। কবি সেটি বাড়িয়ে ধরে বললেন, "এই নিন আপনার দণ্ড! সেদিন যে এখানে ফেলে গেছেন, তা একদম ভুলে গেছেন তো?"

☀️টমাস আলভা অ্যাডিসনের গ্রামোফোন আবিষ্কার উপলক্ষে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এক তরুণী তাঁর বক্তৃতায় অ্যাডিসনকে অযথাই আক্রমন করে বসল, "কী এক ঘোড়ার ডিমের যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন, সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করতেই থাকে। আর তাই নিয়ে এত মাতামাতি! ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না…।"
তরুণী বলেই যাচ্ছে, থামার কোনো লক্ষণ নেই।
অ্যাডিসন চুপ করে শুনে গেলেন। পরে বক্তৃতা দিতে উঠে তিনি বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনি ভুল করছেন। আসলে সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করার যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন ঈশ্বর। আমি যেটা আবিষ্কার করেছি সেটি ইচ্ছেমতো থামানো যায়।"

18/07/2025
18/07/2025

১৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করে,
১৮০ টাকা কেজি দরে সয়াবিন তেল ক্রয় করা কৃষক, তোমার আজ এ পরিনতির জন্য কে দায়ী?

নিজের প্রয়োজন নিজে মেটাও,
৫ বিঘা জমি থাকলে ৫শতকে সরিষা চাষ করো,
ফার্মের মুরগী খাওয়া ছেড়ে দাও, মাঠের ২ শতক জমি উন্মুক্ত ভাবে ছাগল আর মুরগী চাষের জন্য রেখে দাও।
ভূগর্ভস্থ আয়রণ পানি তোলার জন্য মোটা দামের বিদ্যুৎ খরচ না করে, পাশে একটি ছোট পুকুর খনন করে নাও, সেখানে মাছ ও দেশি হাস চাষ করো। আর সেখান থেকেই পানি সেচ দাও।
তোমার কষ্ট যখন দেশের স র কা র বা শহুরে আমলারা বুঝলো না, তখন তুমি তোমার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাও।

18/07/2025

নাক ফুল গাছ।

18/07/2025

একগাছে দুই ফলন, বেগুন গাছে কাঠাল ধরেছে অবাক কৃষক ভাই 😮😮😮

18/07/2025

শরীর ভালো না লাগলে যে কেউই খাওয়া বা খেলার মত সাধারণ কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এটা যে সবসময় খারাপ কিছু তা কিন্তু নয়।

যেমন ধরুন যখন যদি পেটের অসুখ, ডায়রিয়া বা বমির ক্ষেত্রে খাওয়ার পরিমাণ একটু কমিয়ে দিলে পরিপাকতন্ত্র বিশ্রাম পায়, রোগী সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে ওঠার সুযোগ পায়। কিছু ভাইরাস আছে যেগুলোর কারণে জ্বর তো হয়ই, পাশাপাশি খাবারে অরুচিও হয়।

খাওয়া দাওয়া ঠিকমতো না করলেও যদি পরিমাণ মতো পানি পান করে আর প্রস্রাব স্বাভাবিক থাকে তাহলে চিন্তা করবেন না। অধিকাংশ ছোটখাটো অসুখের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো খাবার খাওয়ানোর প্রয়োজন হয় না।

অসুস্থ শিশুকে খাওয়ানোর জন্য ডাক্তারের সাধারণ পরামর্শগুলো পড়ুন কমেন্টের লিংকে 👇👇👇

07/12/2024
07/12/2024

বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ে ক্যালসিয়াম ও মিনারেলের ঘাটতি তৈরি হয়, যা হাড় ক্ষয়ের কারণ। এই রোগকে বলা হয় অস্টিওপোরোসিস। চি*কিৎসকদের কাজ মূলত এ*ক্স-রে রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে এই রো*গ নির্ণয় করা এবং সে অনুযায়ী চি*কিৎসা দেওয়া। এই কাজটিই যদি কোনো মেশিনকে দিয়ে করাতে হয়, তবে তার থাকতে হবে ডা*ক্তারদের মতো বিশ্লেষণ ক্ষমতা। এটিই করে দেখিয়েছেন বুয়েট শিক্ষার্থী সাঈদ সাজ্জাদ ও ফারিহিন রহমান এর দল ‘অস্টিওঅ্যাসিস্ট’। তাদের তৈরি এই সফটওয়্যারটি মূলত এ*ক্স-রে রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করে অস্টিওপোরোসিস রো*গ নির্ণয়ে ডা*ক্তারকে সাহায্য করবে বলেই দলের নাম এমন ইউনিক।

চি*কিৎসাপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মেডট্রনিক ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি (বিএমইএস) সম্মিলিতভাবে প্রতিবছর আয়োজন করে মেডট্রনিক বা বিএমইএস স্টুডেন্ট ডিজাইন কম্পিটিশন। বিএমইএসের বার্ষিক সভার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব এই কম্পিটিশন। গত ২৩ থেকে ২৬ শে অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যের বাল্টিমোর শহরে এ বছরের আসর অনুষ্ঠিত হয়। এই কম্পিটিশনে রসায়ন বা জীববিজ্ঞান, তড়িৎ বা কম্পিউটার বিজ্ঞান, যন্ত্র বা তড়িৎ এবং এআই বা এমএল ফর স্পোর্ট ইনজুরিজ অ্যান্ড অর্থোপেডিক কন্ডিশনস - মোট চার বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়। এবারের আকর্ষণ ছিলো এআই বা এমএল ফর স্পোর্ট ইনজুরিজ অ্যান্ড অর্থোপেডিক কন্ডিশনস। এই ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বুয়েটের সাঈদ সাজ্জাদ ও ফারিহিন রহমান এর দল অস্টিওঅ্যাসিস্ট। তারা দুজনই বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

সাঈদ সাজ্জাদ জানান, সাধারণত হাড়ের খনিজ উপাদানের ঘনত্বের পরিমাণ নির্ণয় করতে ডেক্সা স্ক্যান প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই স্ক্যানের সুবিধা ঢাকার বাইরে খুবই কম। এমনকি ঢাকায়ও শুধু ভালো মানের হাসপাতাল গুলোতেই এ ব্যবস্থা থাকে। এ চিকিৎসাকে সহজ করতেই তারা মেশিন লার্নিং মডেলটি তৈরি করেছেন, যা একটি সাধারণ এক্স-রে থেকেই হাড়ের খনিজ উপাদানের ঘনত্বের মান বের করতে সক্ষম। বাংলাদেশের জনমিতির ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা করা হয়েছে এবং মডেলটিকে ট্রেইন করতে হাসপাতাল থেকে নিয়মিত ডেটা সংগ্রহ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

Address

Sylhet
Sunamganj
3374

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nusrat Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share