Love Story sas

Love Story sas love

05/08/2024

সিলেটে যারা আহত হয়েছেন তাদের জন্য:

ফ্রি ট্রিটমেন্ট: Alhamdulillah ❤

১.⁠ ⁠উইমেন্স মেডিকেল।
২.⁠ ⁠নর্থ-ইস্ট মেডিকেল।
৩.⁠ ⁠নুরজাহান হাসপাতাল।
৪.⁠ ⁠ইবনে সিনা হাসপাতাল।
৫.⁠ ⁠গ্রামীণ হসপিটাল , তকদির পয়েন্ট, বাগবাড়ি।

যাওয়ার আগে বা গিয়ে অবশ্যই এই নাম্বারে
+880 1795-191660 যোগাযোগ করবেন।

𝗟𝗮𝘄𝘆𝗲𝗿𝘀 𝘄𝗵𝗼 𝘄𝗶𝗹𝗹 𝗽𝗿𝗼𝘃𝗶𝗱𝗲 𝗳𝗿𝗲𝗲/𝗽𝗮𝗶𝗱 𝗵𝗲𝗹𝗽:

Adv. Jaker Hossain
01787152150

Adv. Kamrul Islam
01718108397

Adv. Jahid Khan Naba
01641223620

Adv. Shahed Iqbal Shuhag
01710361077

Adv. Hedayet Hussain Tanvir
01720450034

𝗔𝗺𝗯𝘂𝗹𝗮𝗻𝗰𝗲 𝘀𝗲𝗿𝘃𝗶𝗰𝗲𝘀 𝘄𝗵𝗼 𝘄𝗶𝗹𝗹 𝗽𝗿𝗼𝘃𝗶𝗱𝗲 𝗳𝗿𝗲𝗲/𝗽𝗮𝗶𝗱 𝘀𝗲𝗿𝘃𝗶𝗰𝗲𝘀:

Sylhet Ambulance Service
01718-416700

Sylhet Ambulance 24
01710-950214

Sylhet Ambulance Service
01799-698886

Sylhet friends ambulance service Sylhet
01327-772844

Sylhet Ambulance Service-
01718-416700

Emergency Ambulance Service Sylhet
01861-817261

Al-Modina Ambulance Service
01712-061539

Evergreen Ambulance Service
01715-122364

Saju Ambulance Service
01791-738850

𝗙𝗼𝗿 𝗕𝗹𝗼𝗼𝗱:

A(-) 01844464155
AB- 01913545498
AB+ A+ 01626804795
A+ 01928275633
Ab+ 01792208551
Ab+ 01863181279
O+01634189232
B+ foysal 0130479265
O+ 01812765772
A+ 01875024194
o negative 01406310948
O+.01765606433
A+ 01710376348
O+ 01921798307
B- 01722414689
AB+ 01919888277
AB+ 01770412286
O+ 01755700448
AB+ 01925582350
A+ 01689223789
A- 01676335830
B+ (01967507147)
O negative 01643105457
O+ 01302900057
A+ 01703268335
B+ 01748446523
A+ 01890372558
A+ 01911303620
O+ 01714501929
A+ 01910902996
A+ 01995362098
A+ 01715323084
O+ (ও পজেটিভ) 01834878727
O+ , 01920869955,
A+ 01701833905
O+ 01841008718
O+ 01742005553
O+ 01715826941
O+ 01626822146
B+ 01949315386
0+ 01521467763
AB+ 01558448484
A+ 01937906789
O+ 01736582765
B+ 01703778563
O+ 01571024605
B+ 01712258706
A+ 01877793861...
B- 01870435259
AB+ 01790059606
A+01982920643
A+ 01309500727

এর পরেও ব্লাড না পেলে যোগাযোগঃ
01615 129 797
01797 754 278

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

19/07/2024

প্রবাসে থেকে দেশের ছাত্র-ছাত্রী জন্য কিছুই করতে পারলাম না। আমার তরফ থেকে বন্ধ করে দিলাম টাকা পাঠানো প্রবাসীদের শাটডাউন। সবাই একমত হন।

18/07/2024

08/10/2022
এটাই হলো কঠিন জীবন।। যে জীবনে বিশ্বাসী কেউ নেই।।সেদিন সোহরাওয়ার্দীতে দেখলাম। প্রায় আট বছর বয়সের একটা মেয়ে ফুল বিক্রি করছ...
04/10/2020

এটাই হলো কঠিন জীবন।। যে জীবনে বিশ্বাসী কেউ নেই।।

সেদিন সোহরাওয়ার্দীতে দেখলাম। প্রায় আট বছর বয়সের একটা মেয়ে ফুল বিক্রি করছে। একটা জিনিস খেয়াল করলাম বাচ্চা মেয়েটি শুধু মেয়েদের কাছে যাচ্ছে অথচ দুই-চারটা ছেলে ডাকছে তাদের ফুল দিবে কি তাদের দিকে ফিরে ও তাকাচ্ছে না। কিছু সময় পর মেয়েটা নিজেই আমার কাছে এসে বললো,,আপা, একটা ফুল নেন ? আজকে মাত্র পাঁচটা ফুল বিক্রি হইছে। দেখেন, আমার হাতের সব কয়ডা ফুল ই রইয়া গেছে ?

আমি তখন মেয়েটাকে বললাম,আমি বেশ কিছু সময় ধরে তোমায় খেয়াল করেছি। তুমি শুধু মেয়েদের কাছে ফুল বিক্রি করছো। ছেলেদের কাছে যাচ্ছো না। এমন করলে তোমার তো ফুল বিক্রি হবে না ?

আমার এমন কথায় মেয়েটা কিছুটা মন খারাপ করে বললো,,আমি আগে সবার কাছেই ফুল বিক্রি করতাম। কিন্তুু কিছু দিন আগে। একটা বেটার কাছে ফুল বিক্রি করতে গেছিলাম। তখন সে আমার হাত থেকে ফুল না লইয়া, আমার বুকে হাত দিছে।আমার খুব ব্যাথা লেগেছিলো। এই কথা আমার মা রে কওনের পর থেইক্যা। মা নিষেধ করছে বেটা গো কাছে ফুল বিক্রি না করতে। আগে তো রাইত আট টা পর্যন্ত ফুল বেচতাম। এহন মাগরিবের আযান পড়লেই চইলা যাই। এখান থেইক্যা।

মেয়েটার কথা গুলো শুনে আমি একদম চুপ হয়ে গেলাম। শুধু মনে হলো, কোন দেশে বাস করছি আমরা। আমাদের
মানসিকতা কতটা নিচে নেমে গেছে। যে একটা আট বছর বয়সের মেয়ে কে ও পুরুষের লালসার স্বীকার হতে হচ্ছে। খেটে খাওয়া পথ শিশু ও ইজ্জতের ভয়ে কঠিন জীবন পার করছে।

02/10/2020

love lost

24/09/2020

♥♥♥♥♣♣♣♣♣♥♥♥♥

আমার বয়স যখন মাত্র ষোল বছর। তখন বিয়ে করি এক ১৩ বছরের মেয়েকে।বাবা মার ইচ্ছেতেই বিয়ে হয়েছিল আমাদের।নিজেই লুঙ্গি সামলে রাখত...
23/09/2020

আমার বয়স যখন মাত্র ষোল বছর। তখন বিয়ে করি এক ১৩ বছরের মেয়েকে।
বাবা মার ইচ্ছেতেই বিয়ে হয়েছিল আমাদের।
নিজেই লুঙ্গি সামলে রাখতে পারতামনা, রাতে ঘুমুলে গিট্টু দিতাম। অথচ সেই আমি তখন চেষ্টা করতাম ছোট্ট বউটাকে শাড়ি পরিয়ে দিতে।
নিজেই পেতামনা পকেট খরচের টাকা,অথচ বউয়ের জন্য আচার কিনতে হত।
খুব সুন্দর ছিলো দিনগুলি। ভালবাসা যেন অজান্তেই তৈরি হয়েগেল মনের ভিতর। প্রথম কেউ বলতে সেই ছিল আমার জীবনে।
সে ছিল খুব ছোট, হাসত খেলত। বাবা মা তার কান্ড দেখে হাসতেন।
আমিও হাসতাম এইভেবে যে এটাই আমার বউ।
ছোট্ট মিষ্টি সোনা বউ। সারাদিন হৈহুল্লোড়ে
থেকে যখন রাতে সে বলত মাথা ব্যাথা করছে,মাথা টিপে দিতাম। পা দুটোও টিপে দিতাম। আমার বউতো, আমিই তো তার সব। আজ অবুজ কালতো বুঝবেই।
তখন আরোবেশি ভালবাসবে আমাকে।
দিন যেতে থাকলো। বউয়ের বয়স যখন
সতের, এখন আর সে হাসেনা খেলেনা। এখন
অনেক কিছুই বোঝে সে।শ্বশুর বাড়িতে
গেলে একাকি থাকতাম আমি।
সে আমায় বলত, তুমি আমার সাথে বেড়ুবেনা,আমার লজ্জা করে।
কিছু বলতামনা, কষ্ট লুকিয়ে রাখতাম।
আসার সময় বায়না ধরত তাকে রেখে যেতে।
রেখে আসতাম। বাড়ি এসে প্রতিদিন ফোন করতাম তাকে। প্রতিটা কলই ওয়েটিং থাকত। মেসেজ গুলোর উত্তর না পেয়ে লজ্জায় আর মেসেজ করতামনা। তিনমাস পর যখন শ্বশুরবাড়ি যেতাম বউয়ের
প্রথমবাক্য ছিলো তিনদিন থেকে চলে যাবে।
রাতের আধারে চুপিচুপি তার ফোনটা অন করে
দেখতাম প্রতি মিনিটে কারো প্রেমময় মেসেজে চাপা পরেছে আমার মেসেজগুলো।
কষ্ট পেতে থাকলাম আমি। সবাইকে বলে শাসন
করাহল তাকে।সেই থেকেই শুরু।
তারপর আমার বউয়ের বয়স যখন উনিশ,আমার বয়স তখন বাইশ। একটা মেয়ে এল কোলজুড়ে।
আনন্দের সীমা ছিলনা আমার, আমার পরিবারের। তারপর মেয়ের বয়স যখন মাত্র ছমাস। আধো আধো দুএকটা শব্দে ডাকে আমার মেয়ে। যখনি বাবা
বলে ডাকদিত কলিজা যেন ঠান্ডা হয়েযেত আমার। বউ তখন অন্য দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত। তখনো ফোনে কথা বলত বুঝতাম।আমার প্রতি দুর্ব্যবহারই সেটা প্রমাণ করেদিত। কিন্তু মেয়ের কথাভেবে কিছু বলতামনা।
তারপর এলো সেদিন, যেদিন আমি কেঁদেছিলাম। স্বামী হয়ে তার দুটো পা জড়িয়ে ধরেছিলাম। ভিক্ষে চেয়েছিলাম মেয়ের মা ডাকার অধিকার। কিন্তু সে আমাকে ত্যাগ করে চলেগেল। ৩ টা ৩৮ মিনিটে সই করলাম ডিভোর্স পেপারে। সে নতুন ভালবাসার মানুষকে নিয়ে চলে গেল অনেক দুরে। মা হারা হল আমার মেয়েটা।
আমার মেয়ের বয়স যখন দশ বছর। নিজ হাতে তাকে আমি শাড়ি পরাতাম। ও যখন কাঁদত মার জন্যে ওকে কোলে তুলে নিজেও কাঁদতাম। মার অভাব কি কখনো পুরনহয়?। নিজের মাকে ডাকতে গিয়ে কান্না আসত আমার।আমার মেয়ের যে মা নেই। ও ডাকবে কাকে?
রান্না করতাম, সাজিয়ে দিতাম নিজে। আমি আর মেয়ে এই আমার দুনিয়া।
এই আমার পৃথিবী। আর বিয়ে করিনি। কারন ভালবাসতাম তাকে, তখনো এখনো।
মেয়ের বিয়ের কথা চলছে। আমি আবার একা হয়ে যাবো। মেয়ের অনিচ্ছা সত্বেও ওর মাকে খবর দিয়েছি। কাল এসেছিলো সে। অনেকদিন পর দেখলাম তাকে। ছমাস তিনদিন, বাইশ মিনিট কম চব্বিশ বছর পর দেখলাম। কল্পনায় ভেবেছিলাম এখনো সেই ছোট্টই আছে। কিন্তু নাহ, আমার মতই চুলে পাক ধরেছে ওর। দুটো ছেলের মা আজ ও। আমি সেদিন ভালোবাসার কাছে হার মেনে জিজ্ঞেস করেছিলাম কেমন আছো? আজো কি তোমার মাথা, পা ব্যাথা করে? সে শুধু মাথা নেড়েছিল। কি বুঝিয়েছে তা দেখতে পাইনি। কারন চোখ দুটো তখন জলে ভেজা ছিল। তাছাড়া বয়স তো আর আগের মত নেই। কিন্তু আমার মেয়ে দেখা করেনি ওর সাথে। পর্দার আড়াল থেকেই একটা প্রশ্ন করেছিল আমার মেয়ে, আমার বাবার চব্বিশটা বছর ফিরিয়ে দিতে পারবেন কি? যদি না পারেন তাহলে এসো না কোনদিন। আমার বাবাই আমার মা। আমি প্রাউডফিল করি বাবা ডেকে। আপনাকে মা ডাকার কোন ইচ্ছে নেই আমার।।💔💜

21/09/2020

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Love Story sas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category