08/07/2021
জিবরাইল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে একদিন জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ আপনি সবচেয়ে বেশি খুশি কিসে হন?
আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয় তখন, যখন আমার বান্দা আমাকে সিজদা করে। অতঃপর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে। জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় এত দামি সিজদা দুনিয়ায় আর কেউ করতে পারবে না। আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয়ই আমার প্রতি খুশি হবেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা দিকে মতাজ্জির হয়ে রইলেন। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির সংবাদ জানানো হলো না । জিবরাইল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন?
আল্লাহ আমি যে এত বড় সিজদা করলাম, আপনি কি আমার সিজদার প্রতি খুশি হন নাই।আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি তোমার প্রশ্নের জবাব দেবো। তার আগে তুমি একটু আমার আরশে আজিমের দিকে তাকাও। জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহর আরশে আজিমে আল্লাহর-কুদরতি নুর দ্বারা লিখা রয়েছে_"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"।
জিবরাইল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন!! হে আল্লাহ আমার সিজদার সঙ্গে ওই কালেমার কি সম্পর্ক?
আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাঈল শোনো আমি আল্লাহ এই দুনিয়া তৈরি করব। ওই দুনিয়ার মানবজাতি ও জ্বীন জাতির হেদায়েতের জন্য লক্ষাধিক নবী ও রাসূল গনকে পাঠাবো। সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে পাঠাবো। ওই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করব। আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ১৭টা রাকাত আমার জন্য ফরজ করব ।প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে তিনবার করে "সুবহানা রাব্বিয়াল আলা"পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখো আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহানা রাব্বিয়াল আলা"বলে আমাকে ডাক দিবে। জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকী পেয়েছো। আমি আল্লাহ আমার বান্দার আমল নামায় তার থেকে ৪০ হাজার গুণ বেশি নেকি লিখে দেব।
"সুবহানাল্লাহ"