Paprhi Islamic Books

Paprhi Islamic Books প্রকাশনাসংস্থা পাপড়ির ইসলামিক উইন্ডো।

আশিক, শব্দটি ছোট হলেও এর ওজন অনেক। একজন মানুষ তখনই আশিক হয়, যখন সে তার প্রেমাস্পদের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে একবারও ভ...
26/02/2025

আশিক, শব্দটি ছোট হলেও এর ওজন অনেক। একজন মানুষ তখনই আশিক হয়, যখন সে তার প্রেমাস্পদের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে একবারও ভাবে না। প্রকৃত মুসলিম তার রবের জন্য সবসময় আশিক।

আশিকের ফরিয়াদ ছড়ার বই। বইটির ছড়াগুলোতে রস আছে। প্রেমরস। কোনো এক গভীর রাতে আশিক পাঠক যদি মন দিয়ে ছড়াগুলো পড়েন, তবে তার মনে প্রভুপ্রেম জাগবেই। আল্লাহ ও তার মধ্যে দূরত্ব কমে আসবে। সে লুঠিয়ে পড়বে সেজদায়। পড়তে থাকবে পরম প্রেমে—সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা...

পাপড়ি বেস্টসেলার অ্যাওয়ার্ডের জন্য ১০জন লেখক মনোনীতি হয়েছিলেন। একজনকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কেন বাদ দেওয়া হয়েছে সে কাহিনি আরে...
30/10/2024

পাপড়ি বেস্টসেলার অ্যাওয়ার্ডের জন্য ১০জন লেখক মনোনীতি হয়েছিলেন। একজনকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কেন বাদ দেওয়া হয়েছে সে কাহিনি আরেকদিন বলব। আগে ৯ জনের নাম প্রকাশ করা হোক। শিগগিরই বেস্টসেলার লেখকদের নাম ঘোষণা করা হবে।

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ ঘোষণা। শিগগিরই একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে ইংশাআল্ল...
23/10/2024

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ ঘোষণা। শিগগিরই একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে ইংশাআল্লাহ।

21/10/2024
২০২৫ বইমেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে পাপড়ি। ইতোমধ্যে ১৪টি বই প্রকাশ হয়েছে। কাজের তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে আরও ২১টি ব...
16/10/2024

২০২৫ বইমেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে পাপড়ি। ইতোমধ্যে ১৪টি বই প্রকাশ হয়েছে। কাজের তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে আরও ২১টি বইয়ের কাজ চলছে। আপনার পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত হয়েছে কি?

পাপড়ির নতুন বই গীতিকার-কবি নূর মোহাম্মদ চৌধুরীর ইসলামী সংগীতের বই ‘আযানের গান’। শিগগিরই আসছে...
03/10/2024

পাপড়ির নতুন বই গীতিকার-কবি নূর মোহাম্মদ চৌধুরীর ইসলামী সংগীতের বই ‘আযানের গান’। শিগগিরই আসছে...

তরুণ ছড়াকার সাজিদ নওফেল-এর ছড়াগ্রন্থ ফিরদাউসের স্বপ্নরবি।১২টি ছড়া দিয়ে সাজানো এ বইটি ছোটোদের মনে জাগাবে প্রভুপ্রেম। সমৃদ...
25/09/2024

তরুণ ছড়াকার সাজিদ নওফেল-এর ছড়াগ্রন্থ ফিরদাউসের স্বপ্নরবি।
১২টি ছড়া দিয়ে সাজানো এ বইটি ছোটোদের মনে জাগাবে প্রভুপ্রেম। সমৃদ্ধ করবে তাদের ইসলামি জ্ঞান।
ঘরে বসে বইটি পেতে আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় পাপড়ির নতুন অফিসের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত দুআ মাহফিলে আপনার / আপনাদের উপস...
31/08/2024

আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় পাপড়ির নতুন অফিসের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত দুআ মাহফিলে আপনার / আপনাদের উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য।

26/07/2024

ধরুন আপনার লেখালিখির কাজ শেষ , এবার বই ছাপাবেন। এইরকম জায়গায় দাঁড়িয়ে আপনার কী কী জিনিস জানা দরকার ?

আমি বলছি তাদের কথা যাঁরা প্রথমবারের মতো বই বের করছেন । কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখলে দেখবেন আখেরে লাভ, কারণ একবার ছাপা হয়ে যাওয়া মানে ভুল শোধরানোর আর কোনো জায়গা নেই।
আর এই বেসিক জিনিসগুলো জানা থাকলে আপনার প্রকাশক ঠিকঠাক কাজ করছেন কিনা , সেটাও খেয়াল রাখতে পারবেন।

১. বই এর প্রচ্ছদ , লেখক পরিচিতি, ভূমিকা , সূচিপত্র, পাতার কোয়ালিটি আর প্রিন্ট কোয়ালিটি নিয়ে কোনো আপস করবেন না , অন্তত আপনার প্রথম বই এর ক্ষেত্রে। বিখ্যাত লেখক/লেখিকাকে মানুষ চেনে ,ওনাদের বই এর এইসব জিনিস একটু এদিক ওদিক হলেও মানুষ অ্যাডজাস্ট করে নেয় কারণ মানুষের মনে একটা অলরেডি ভালোলাগা তৈরি হয়ে আছে। আপনি কিন্তু নতুন , তাই এগুলো আপনার মাথায় রাখা জরুরি।

আপনি পাঠকের জায়গায় নিজেকে রেখে ভাবুন। ধরুন কোনো বই এর দোকানে গেছেন , বুকশেলফ থেকে একজন অচেনা লেখকের বই হাতে নিলেন। প্রথমে কি দেখবেন? ব্যাক কভার এর সামনের দিকে লেখক পরিচিতি দেখবেন তারপর সোজা চলে আসবেন সূচিপত্রে। এরপর ভূমিকাটা একটু পড়ে দেখবেন।

নতুন লেখকের বইটা হাতে নিয়েই যদি দেখেন লেখক পরিচিতি নেই, সূচিপত্রটা কেমন যেনো খাপছাড়া। ভূমিকাটাও তথৈবচ.....আপনি কি আর মূল লেখাটা পড়ে দেখবেন?

একশো জনের মধ্যে নব্বই জন আসল লেখার মধ্যে যাবেই না , অন্য আর একটা বই টেনে দেখতে শুরু করে দেবেন।

তাই নতুন লেখক হলে এগুলো নজর রাখুন। প্রকাশক কে বলে দিন যেনো পাতার কোয়ালিটি ভালো হয়, প্রিন্ট কোয়ালিটি ভালো থাকে। উপযুক্ত পারিশ্রমিক দিয়ে প্রচ্ছদটা কোনো ভালো আর্টিস্ট কে দিয়ে করিয়ে নিন।

আজকাল ফেসবুকেই অনেককে কি সুন্দর প্রচ্ছদ করতে দেখি। আমি নিজেই সেদিন একজনকে বলে রাখলাম আমার লেখা কমপ্লিট হলে ওনার সাথে যোগাযোগ করবো প্রচ্ছদটা বানিয়ে দেওয়ার জন্য ।

AI দিয়ে প্রচ্ছদ বানানোটা এড়িয়ে চলুন।বড্ডো বেশি কৃত্রিম বলে মনে হয় । প্রচ্ছদ এর যত্ন নিন ... বই এর ভিড়ের মধ্যে থেকে একজন নতুন পাঠক আপনার বইটা টেনে নেবে কিন্তু প্রচ্ছদ দেখেই! এই সহজ সত্য টা যতো তাড়াতাড়ি বুঝবেন আপনার ততই মঙ্গল।

অনেক নতুন লেখক লেখিকাকেই দেখি লেখক পরিচিতি, ভূমিকা , সূচিপত্র এই তিনটে জিনিসকে অবহেলা করতে। ভুল , এটাও খুব দামী ভুল। একটা ঘন্টাও লাগবে না এই তিনটিকে ভালো করে বানাতে , কিন্তু এই একটা ঘণ্টাই বাদে অনেকটা ফারাক গড়ে দেবে ।

তাই আবারও বলছি ....বই এর প্রচ্ছদ , লেখক পরিচিতি, ভূমিকা , সূচিপত্র, পাতার কোয়ালিটি আর প্রিন্ট কোয়ালিটি নিয়ে কোনো আপস করবেন না , অন্তত আপনার প্রথম বই এর ক্ষেত্রে।

২. এরপর আসে প্রুফ রিডিং , এটাও খুব খুব ভালোভাবে করান। প্রয়োজনে একজনের জায়গায় দুজনকে দিয়ে প্রুফ রিডিং করান। ফেসবুকে একটা দুটো বানান ভুল থাকলেও লোকে খুব বেশি কিছু মনে করে না, কারণ ফ্রিতে পড়ছে।

একজন পাঠক , যিনি টাকা দিয়ে আপনার বইটা কিনছেন , বানান ভুল থাকলে সেটা পাঠকের গায়ে লাগে। ছাপা বইয়ে বানান ভুল পোকা ধরা ফলের মতোই ...দিনের শেষে বদনাম। আর তাছাড়া , যেকোনো সেলেবেল প্রোডাক্ট যতোটা সম্ভব নিখুঁতভাবেই ক্রেতার হাতে তুলে দেওয়া উচিত। তাতে ক্রেতা আর বিক্রেতার মধ্যে ভালো বিজনেস রিলেশন তৈরি হয় ।

টাকা দিয়ে বই কিনে তাতে বানান ভুল পেলে পরের বই কেনার আগে সেই পাঠক দুবারের জায়গায় তিনবার ভাববে।

৩. বই পাবলিশ হওয়ার পর রিভিউ দরকার পাবলিসিটির জন্য। কিন্তু আসল রিভিউটা হওয়ার দরকার প্রিন্ট হওয়ার আগেই...এটাকে বলে প্রিরিভিউ । বড়ো বড়ো কিছু পাবলিশার এটা করে ...শুধু করে না , খুব গুরুত্ব দিয়ে করে। আমিও এইরকম কয়েকটা প্যানেলে থেকে দেখেছি , এটা লেখক বা লেখিকাকে অনেকটাই সাহায্য করে।

যাদের সাহিত্যজ্ঞান আছে বলে আপনার মনে হয় এরকম চার পাঁচজনকে আপনার স্ক্রিপ্ট পাঠিয়ে কাটাছেঁড়া করতে বলুন। সবার ফিডব্যাক নিয়ে নিজে আর একবার বসুন। একটু ভাষার এদিক ওদিক কিন্তু একটা মাঝারি মানের লেখাকে বেশ ভালো লেখা করে দিতে পারে। অনেকেই এই ফাইন টিউনিংটা স্কিপ করে যান।

অবশ্যই প্রিরিভিউইয়ারদের সাথে কনফিডেন্সসিয়ালিটি এগ্রিমেন্ট করিয়ে নিন , যাতে প্রিন্ট হওয়ার আগে আপনার কনটেন্ট প্রাইভেট থাকে।

৪. নতুন লেখকের দায় পাঠকের কাছে পৌঁছানোর । পাবলিশার বলে এই দায় তাদের , কিন্তু দিনের শেষে আপনার বই , আপনার দায়। শুনতে খারাপ লাগলেও বই পাবলিশ হওয়ার পর এটা হাড়ে হাড়ে বুঝবেন ।

ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমকে হেলাফেলা করবেন না , নিজের ঢোল পেটাতে লজ্জা পাবেন না। নিজের টাইমলাইনে লিখুন আপনার ক্রিয়েশন নিয়ে। যাঁরা লেখালিখি করেন তাদের বই পাঠিয়ে রিভিউ করতে বলুন। আপনার কলমের জোর যতই থাকুক না কেনো, এই প্রথম দিকের স্ট্রাগলটা আপনাকে নিতেই হবে... আপনি ছাড়া আর কেউ নেবে না এই দায়।

বিল গেটসও উইন্ডোজ মেসিন বানানোর পর বাড়ি বাড়ি, অফিসে অফিসে ঘুরে বেরিয়েছিল প্রচার করতে । বিল গেটসকে নিজের ঢোল পেটাতে হয়ে থাকলে আপনাকেও হবে ।

অনেকে চমকদার প্রচার করেন , ওইগুলো করার প্রাথমিক কিছু বেনিফিট থাকলেও লং রানে ক্ষতি করে। বাংলাদেশের বইমেলাতে এরকম দুজনকে দেখলাম । একজন কেঁদে কেঁদে বই এর প্রচার করছেন তো অন্যজন নিজেদের বিবাহিত জীবনকে নিয়ে।
এরকম চমকদার কিছু না করে কপিবুক প্রচার করুন না নিজের বই এর...ক্ষতি কি। প্রচার দরকার।

৫. ফেসবুকে অনেক ফ্রাস্ট্রেটেড মানুষ প্রোফাইল খুলে বসে থাকে লোকজনের ভুল ধরার জন্য। এদের কারো খপ্পরে আপনি পড়ে গেলে এদের কোনো রিপ্লাই করবেন না। ইগনোর করুন... দেখবেন একদিন দুদিন বাদে উৎসাহ হারিয়ে অন্য শিকার ধরতে বেরোবে। আপনাকে আর জ্বালাবে না ।
এদের শিক্ষা দিতে গিয়ে ফেসবুকে জ্বালাময়ী লেখা দেবেন না। দিতে খুব ইচ্ছা হবে , মনে হয় দি ভালো করে মুখে ঝামা ঘষে.... দেবেন না। আপনার ইমেজ খারাপ হবে।

ইমেজ ভালো রাখুন। একবার ইমেজ খারাপ হয়ে গেলে রিকভারি হতে অনেকটা টাইম লেগে যাবে।

কিছু ভদ্র মানুষ আছেন, যাঁরা আপনার উন্নতি কামনা থেকে আপনি ভুল ধরবেন, এদের সন্মান দিন। এনারা পুরানো দিনের মানুষ, চট করে পাওয়া যায় না। পেলে জুড়ে নিন এদের আপনার কলমের সাথে।

শুধু কলমের জোর থাকলেই হবে না।একটু মার্কেটিংটাও জানা দরকার।

একদম শেষে বলি...লেগে থাকুন। বিখ্যাত লেখক/লেখিকা কেউ একদিনে হয় না। আজ আপনার লেখার মান কম...কিন্তু লেগে থাকলে কাল আপনার লেখার মানের উন্নতি হবে। কলমের জোর বাড়লে পাঠকও বাড়বে , পরিচিতিও বাড়বে।

অনেককেই দেখি প্রথম বই সেল হচ্ছে না বলে ভেঙে পড়েন। বই পাবলিশ হওয়ার আগেই নিজের মনকে বোঝান দশ কপির বেশি কেউ কিনবে না। এক্সপেকটেশন কম রাখুন , পরিশ্রম করুন .....ফল পাবেন গ্যারান্টি।

লেখালিখি একটা শিল্পকলা । গানের টিচার হয় , আঁকার টিচার হয় ...কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে লেখালিখির ক্ষেত্রে এই চল নেই। কেনো নেই কোনো কারণ কিন্তু নেই!
যার লেখা ভালো লাগে সেরকম কাউকে অ্যাপ্রোচ করুন , তাকে গাইড করতে বলুন। অনেকেই সানন্দে আপনাকে গাইড করে দেবে....

কিন্তু প্রথম স্টেপটা আপনাকেই পেরোতে হবে ... স্টেপটার নাম "লজ্জা"।
লেখা- নীলাদ্রিশেখর ঘোষ

বনের রাজা বাঘবাঘের ছিল রাগরাগ বেশি তার উঠলে মাথায়আসত না ঘুম চোখের পাতায়বলত নিজে নিজকেই সেজাগ না রে তুই জাগ।নিজের কথা শুন...
14/07/2024

বনের রাজা বাঘ
বাঘের ছিল রাগ
রাগ বেশি তার উঠলে মাথায়
আসত না ঘুম চোখের পাতায়
বলত নিজে নিজকেই সে
জাগ না রে তুই জাগ।

নিজের কথা শুনেই বাঘের
রাগটা যেত বেড়ে
ভাবত এবার একটা দুটো
প্রাণকে নেব কেড়ে।

কাকে খাব, কার কাছে যাই
কোথায় পাব খানা
একটা শেয়াল কাছে এসে
বলল আছে জানা।

ওই যে দূরে কুয়োর কাছেই
আছে হরিণ পাল
একটা দুটো খেতেই পারেন
মুখটা হবে লাল।

তাই নাকি রে, তাহলে চল
আমায় নিয়ে চল
বাঘের তখন হুঁশ ছিল না
ফুঁসছে অনর্গল।

হেঁটে হেঁটে কুয়োর ধারে
যখন গেল তারা
হরিণ কোথায়, হরিণ তো নেই
নেই যে কারো সাড়া!

বাঘ বলল রেগেমেগে
কোথায় আমার খানা
কোথায় গেল হরিণী আর
কোথায় হরিণ ছানা?

শিয়াল হেসে বলল কেশে
কুয়োর দিকে তাকান
তারপরে ঠিক রাগ করে খুব
দাতগুলোকে পাকান।

হরিণগুলো একাই সাবাড়
করেছে এক বাঘে
এই কথাটা শোনার পরে
বাঘ ফুঁসে ফের রাগে।

‘হালুম’ বলে কুয়োর নিচে
পানির দিকে তাকায়
দেখল সে তার মতোই আরেক
বাঘ যে মাথা ঝাঁকায়!

বলল, ওরে দুষ্ট-পাজি
আমার বনে এসে
আমার খাবার খেলি রে তুই
এবার গেছিস ফেঁসে।

এমন করে মারব তোরে
উচিত শিক্ষা পাবি
বল আমাকে, কুয়ো থেকে
কোনদিকে পালাবি?

বাঘ দেখে সেই কুয়োর বাঘও
আসছে উঠে তেড়ে
তাই সেদিকে ঝাঁপ দিল সে
প্রাণ নিতে ওর কেড়ে।

যেই দিয়েছে ঝাঁপ তখনই
পানির মাঝে গিয়ে
বাঘ দেখে সে একাই আছে
আর কিছু নেই, ইয়ে-

যার উপরে ঝাঁপ দিয়েছে
সে ছিল তার ছায়া
শিয়াল তখন হাসছিল খুব
হচ্ছিল তার মায়া!

বলল, ওহে বনের রাজা
জলে ডুবেই মরো
বোকার মতো কাণ্ড এমন
কেন তুমি করো?

এখন থেকে তুমি তো না
বনের রাজা আমি
তোমার মতো বোকা রাজার
করব না চামচামি।

Address

411 Rongmohol Tower
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paprhi Islamic Books posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Paprhi Islamic Books:

Shortcuts

Share

Category