Jibon Ar Fast Love & Jibon Sathi & Moner kotha

Jibon Ar Fast Love & Jibon Sathi & Moner kotha welcome

SAHAJ TATHOMITRA KANDRASOB FRIENDS K JANANO JA6E JE KAU JODI SAHAJ TATHOMITRA KANDRA ID KORTE CHAN TAHOLE KHUB TARATARI ...
20/06/2017

SAHAJ TATHOMITRA KANDRA
SOB FRIENDS K JANANO JA6E JE KAU JODI SAHAJ TATHOMITRA KANDRA ID KORTE CHAN TAHOLE KHUB TARATARI 8371993512 AI NUMBER E JOGAJOG KORUN,,, AKHON ATA OFFER E DAYA HO6E R ONEK KOM E DAYA HO6E.. OFFFER TA R 15 DIN A6EEE

আপনি কি Online এ FREE তে টাকা ইনকাম করতে চান??? তাহলে Details a পডুন !!! কোনো joining এ টাকা লাগবে না 100% Free Joining ...
23/11/2016

আপনি কি Online এ FREE তে টাকা ইনকাম করতে চান??? তাহলে Details a পডুন !!! কোনো joining এ টাকা লাগবে না 100% Free Joining 100% No Risks 100% Guaranteed.
আপনি ওই টাকা 3 ভাবে খরচ করতে পারবেন !!!
1) Mobile Recharge করে (Any Sim)
2) Bank এ Transfers করে (Any Bank)
3) Online কেনাকাটা করে Amazon, Flipkart, Paytm, Jabong, Make my Trip, Domino's etc.
★Play store থেকে CHAMPCASH app টা install করুন তার পর আপনাকে Registration করতে হবে Name, email id এবং phone নং (whatsapp) দিয়ে, যদি ID চায় তাহলে এই ID টা দিন 4123010 তারপর কোম্পানির T&C অনুযায়ী ৫-৮ টা অ্যাপ আছে জেগুলি আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে তারপরেই আপনার আই ডি অ্যাক্টিভ হবে। APPS গূলো ডাউনলোড করুন এবং সব অ্যাপ ১-২ মিনিট ওপেন করে দেখতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে ১ ডলার বনাস পাবেন, ID active হবে তবেই আপনি ইনকাম করতে পারবেন,
★PUT SPONSOR ID 3368957
শুধু এই নয় আরো অনেক আছে, আপনি active হবার পরে আপনার ID থেকে আপনার বন্ধুদের invite করুন whatapps, Facebook দিয়ে !!! আপনার invite থেকে যখন কেউ join হবে তখন আপনি (20 টাকা থেকে 67 টাকা) পাবেন ! এবং তারও ID থেকে কেউ যখন join হবে তখন আপনি আবার টাকা পাবেন এভাবে 7 ধাপ পযন্ত টাকা পাবেন !! আপনি যত ইচ্ছা join করাতে পারেন যত বেশি করাবেন তত বেশি ইনকাম করবেন ! ( এটাকে part time job ও বলতে পারেন )
ধরুন আপনি 10 টা join করালেন তারাও 10 টা করে join করালো এ ভাবে সবাই 10 টা করে join করালো তাহলে আপনার টোটাল ইনকাম কত হলো?????
COMMISSIONS PER LEVEL
LEVEL 1, 50% 10 = 500
LEVEL 2, 10% 100 = 1000
LEVEL 3, 10% 1000 = 10000
LEVEL 4, 10% 10,000 = 1 lac
LEVEL 5, 10% 1Lac = 10 lac
LEVEL 6, 5% 10Lac = 50 lac
LEVEL 7, 5% 1Crore = 5 core
এভাবে আপনি UNLIMITED Taka ইনকাম করতে পারেন !!!
Bank Transfer করতে হলে minimum balance 5 Dollar আর মোবাইল Recharge করতে হলে 2 Dollar থাকতে হবে. কোনো business 100% success হয় না যদি আপনি 10% ও success হন তাহলেও আপনি 67,00,000/- ( 67 Lac টাকা ) ইনকাম করবেন with in 6th month !!!
আসুন ডিজিটাল WORLD সঙ্গে আপনিও আপনার নামটা জুরে ফেলুন... ঘড়ে বসেই প্রচুর উপার্জন করুন এবং অন্যকেও ইনকাম এর রাস্তা তৈরি করে দিন... কোনোই টাকা পয়সা লাগে না একদম বিনামূল্যে... কম্পানি গভার্নমেন্ট রেজিস্টার..
♥♥♥ কোথা থেকে টাকা আসবে ♥♥♥
কেও অ্যাপ ইস্তাল করলেই, কেও অনলাইন থেকে শপিং করলে, কেও সার্ভে করলে, কেও রিচজ করলে, কেও গেম খেল্লে, কেও ভিডিও দেখলে, আরও অনেক আছে।
ai kajer jonno agei bola hoyeche kono poysha lagbena, tahole chinta korar kono dorker nei. Start koro nijer own Business
যদি Ref id চায় তাহলে 3368957 দেবেন, ভুল করবেন না ! Pan card R Bank Account Must
(আপনার ফোন android হতে হবে)

27/02/2016

একটা ছেলে একটা মেয়েকে মনে মনে ভালবাসত।
একটা সময় পর্যন্ত অপেক্ষাকরে এক
সময় মেয়েটিকে নিজের ভালবাসার
কথা জানাল। মেয়েটি কিছু না বলে চলে গেল। সে মনে মনেভাবল দেখি একটু পরীক্ষা করে কেমন এই ভালবাসা।
ফলশ্রুতিতে শুরু হল ছেলেটিকে কষ্ট
দেওয়া।
কখনো কড়া কথা বলে,
কখনো বাজে ব্যবহার করে,
কখনো অবহেলা করে, যখন.. যা ইচ্ছা করে ও শেষ পর্যন্ত
দেখল ছেলেটি এখনো তাকেই
ভালবাসে। এবার বুঝল,
নাহ এই ছেলেটি তাকে আসলেই চায়।
কিন্তু এরপরে ও
নিজের মনের অজান্তের
অহমিকা বোধটা হঠাৎ
জেগে উঠে। মনে হয় এমন কত ছেলেই
তো আমার জন্য
পাগল। কি দরকার ঝামেলা মাথায়
নিয়ে। শুধু শুধু
একজনের সাথে এনগেইজ
হলে বাকিদের মন
রাখবে কে!?
এদিকে সবার
অজান্তে কষ্টে এক প্রকার
উম্মাদ হয়ে এক সময়
ছেলেটা ভেতরে ভেতরে শেষ
হয়ে গেল। এরপরে অনেকদিন
কেটে গেল। এর
মধ্যে বহুজনের কাছ
থেকে পাওয়া প্রস্তাব যাচাই
করে দেখল আসলেই ঐ একজনের
সাথে কারোই
তুলনা হচ্ছে না। এবার
মেয়েটি একটি কাগজে সুন্দর
করে লিখল, "কেউ যদি খুব
সহজে সত্যিকার
ভালবাসা পায়
তাহলে সেটা সে মূল্যায়ন
করতে পারে না। তোমাকে কষ্ট
দিয়ে তাই সেভাবেই
তৈরী করে নিলাম। কিন্তু একটা সঠিক
সিদ্ধান্ত
তো নিতে হবে। আর তাই আজ
তোমাকে স্বাগতম
জানালাম।"
মেয়েটি ছেলেটিকে খুজতে খুজতে ছেলেটিরবাসায়
গেল। দরজায় ধাক্কা দিতেই
খুলে গেল। খুব ছিমছাম
নীরব ঘর। আস্তে আস্তে ঢুকল।
কারো সারা শব্দ নেই।
একটু এগিয়ে গিয়ে দেখল
টেবিলে মাথা নিচু
করেছেলেটি বসে আছে। খুব দুষ্টু
হেসে আস্তে করে পিছন
থেকে ছেলেটিকে ধরল। আর
কিছু বোঝার আগেই ছেলেটির নিথর
দেহটা গড়িয়ে পড়ল মাটিতে।
কব্জিতে জমাট
বাধা রক্তটা বলে দিচ্ছে ছেলেটি আর
নেই।
মেয়েটি কি বলবে ভেবে উঠতে পারল
না। শুধু দেখল
পাশে একটা নীল খাম। খামের ভেতর
থেকে একটা কাগজ বের হল।
সেখানে লেখা, "কেউ
যদি খুব সহজে সত্যিকার
ভালবাসা পায়
তাহলে সেটা সে মূল্যায়ন
করতে পারে না। সহজেই
নিজের ভালবাসার কথা বলে তোমার
দেওয়া কষ্টে তাই নিজের অজান্তেই
ধ্বংস
হয়ে গেলাম।কিন্তু একটা সঠিক
সিদ্ধান্ত
তো নিতে হবে। আর তাই আজ
তোমাকে বিদায়
জানালাম।"

27/02/2016

...রওনক পার্কে একা একা বসে আছে। অনেকদিন
হলো পার্কে একা একা বসতে চেয়েও বসা হয় না। আগে খুব করে আসতো সে এখানে। প্রেমিকার মুখের মিস্টি হাসি, কোলে শুয়ে বাদাম খাওয়া। সুন্দরী মেয়ে দেখলে বন্ধুদের কারো মুখ থেকে মৃদু শব্দে 'দ্যাখ মামা মাইয়াটা কি সন্দর' এই কথা বের হওয়া।

একি রওনক হাসছে। হ্যাঁ রওনকের সেই
কথাগুলো মনে পড়ে ঠোটের কোনায় হাসি পাচ্ছে। অনেক দিন হয়ে গেল রওনকের মুখ থেকে এমন হাসি পর্যন্ত কেউ দেখেনি। দেখবেই বা কিভাবে রওনক সেই যে কবে হাসি ঠাট্টা ভুলে গেছে তা আর কে জানে।

কিছুদিন হলো সে রিহ্যাব থেকে এসেছে। রিহ্যাব থেকে আসার পরে বাসায়ই বসে থাকে। আগের মত আজাইরা বিজি কাজে সে বাসা থেকে বের হয় না। এই আজ পার্কে এসেছে এটাই রিহ্যাব থেকে ফিরে প্রথম বাসা বাইরে বের হওয়া। মোবাইলটা এতদিন বন্ধ ছিলো। আজ সে মোবাইলটি সাথে করে পার্কে নিয়ে এসেছে। মোবাইলের সুইচ অন করার তীব্র ইচ্ছে হচ্ছে। ইচ্ছে করছে সিতীকে একটা কল দিতে। না!! সে মোবাইল অন করে আর সেই সাহস বুকে সঞ্চারিত করতে পারেনি। হ্যা এটাই
সেই মেয়ে যার কোলে শুয়ে রওনক প্রায় বাদাম খেত, চুলের সুবাস গায়ে জড়াতো।

এই কথা ভাবতে ভাবতেই রওনকের চেহারাটা মলিন হয়ে গেল। অনেক সুন্দর চেহারা ছিলো রওনকের নেশায় আসক্ত হয়ে সবটাই নেশা খেয়ে নিয়েছে। এমনকি সিতীর সেই চিরচেনা রওনকের মুখটাও। তাইতো এখন মনে হয় সিতী ওকে চিনতেই পারে না। তা না হলে এমন প্রেম কি কেউ
ভুলতে পারে!!

নাহ!! রিহ্যাব থেকে আসার পরে একটা সিগেরেট খাওয়া হয়নি। রওনক ভেবেছিলো আর সিগেরেট খাবে না কখনোই। কিন্তু সিতীর কথা মনে পড়তেই সিগেরেটটা কেমন যেন সিডাটিভের মত লাগছে এখন। এই সিতীর জন্যই তো রওনকের সিগারেটের
হাতে খড়ি। রওনক প্রেম নিবেদন করলো, সিতী সরাসরি না বলে দিলো। সেই দুঃখেই তো রওনক প্রথম সিগেরেটে টান দিলো। এখনো হাতে সিগেরেট
পুড়ছে রওনককে আনন্দ দেওয়ার নিমিত্তে।

সিতী অবশ্য এই সিগেরেট খাওয়াটা পছন্দ করতো।
তবে সিগেরেটের অন্তরালে এত নেশায় আসক্ত রওনক। সেই রওনককে সিতী দেখতে পায় রিহ্যাবে যাওয়ার কিছুদিন আগে। মনে মনে আজ কাদের ভাইয়ের সেই কথা দুটো খুনাক্ষরে টের পাচ্ছে রওনক। কাদের ভাই প্রায় দুইটা কথা বলতো।
"যে সিগারেট খেতে পারে সে সব কিছুই খেতে পারে। আর যে মিথ্যা কথা বলতে পারে সে সব পাপই করতে পারে।" কাদের ভাই হচ্ছে রওনকের এক ফ্রেন্ডের কাছের বড়ভাই। সেই সুত্রে রওনকের সাথেও ভালোই সখ্যতা ছিলো।

সিগারেটটা হাত থেকে ফেলেই ঘুরে তাকিয়ে দেখলো কিছু পিচ্চি পিচ্চি টোকাই ছেলেরা মানুষের খাওয়া সিগেরেট মাটি থেকে তুলে আবার ধরিয়ে টানছে। এই দৃশ্য দেখে রওনকের সেই নেংটা কালের একটা কথা মনে পড়ে গেল। তখন সে খুব দুষ্টু ছিলো, একটা পিচ্চি ছেলের মাথায় পাটকেল
ছুড়ে মাথা ফাটিয়ে আর বাসায় আসে না। রওনকের দাদু ওকে খোজার জন্য রাস্তায় গিয়ে দেখে রওনক
রাস্তা দিয়ে ঘুরাঘুরি করছে। দাদুকে দেখেই সে কি দৌড়। তার দাদুও সাথে সাথে দৌড়াচ্ছে। পথে একটা মাঝ বয়সী লোক সিগেরেট খেতে খেতে যাচ্ছিলো। অর্ধেক সিগারেট খাওয়া হলে সে সিগারেটটা ফেলে দেয় তখন রওনক দৌড়ানো অবস্থায় সেই সিগারেট তুলে টান দিতেই সে কি কাশি। তখন আর রওনকের বয়স কত? চার কি পাচ।

হা হা হা!! রওনক এই কথা মনে করে একটু উচ্চস্বরেই হেসে দিলো। পার্কের আশেপাশে তাকিয়ে দেখছে কেউ আবারতার দিকে তাকিয়ে দেখছে কিনা। আবারও ভাবনা জগতে প্রবেশ। স্কুল শেষ কলেজে উঠেই সিগারেট খাওয়া নিয়মিত। ১৬ই ডিসেম্বর টিএসসিতে গিয়ে বন্ধুদের সাথে গাজা খাওয়া। তখন অবশ্য সে বলেছিলো এই যেই প্রথম এই যেই শেষ। কিন্তু তার বন্ধুরা বলেছিলো টিএসসিতে নাকি রওনক গাজা খেয়ে মাতাল
হয়নি। তাই সে গাজার আসল মজা পায়নি। এজন্য রওনক আবারো একদিন গাজা টেষ্ট করতে ইচ্ছা পোষন করলো। এর পর থেকেই নিয়মিত গাজা খাওয়াও শুরু হলো। তখন রওনকের সময়টা আধুনিক আধুনিক টাইপের ছিলো। তাই কোন অকেশন হলেই হত রওনক ও তার বন্ধুরা মিলে সেই অকেশন বোতলে করে উদযাপন করতো এভাবে অকেশন থেকে কখন
প্রফেশন হলো সেটা রওনকও বুঝতে পারেনি।

এভাবেইপাল্লায় পড়ে একসময় সিরিঞ্জে করেও ড্রাগ নেওয়া শুরু করলো। এরপর থেকে বাসায় নানান ঝামেলা শুরু হলো। এক পর্যায়ে রওনককে বকাবকি করাই থামিয়ে দিলো বাসা থেকে, কারণ কোন লাভ নাই বকাবকি করে, যা তাই!! বাসা থেকে ঠিক হলো ওকে রিহ্যাবে দিয়ে দেওয়া হবে। ততক্ষণে অবশ্য অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। সিতীও এরইমধ্যে রওনককে ছেড়ে দিয়েছে। অবশ্য রওনকেরও খুব ইচ্ছা ছিলো রিহ্যাবে থেকে ফিরে নতুন করে আবার সব কিছু শুরু করার।

আজ রওনক পার্কে বসে আছে মরণব্যাধি ক্যান্সার বহন করে। কিন্তু এটা রওনক জানে না। আসলে বাসা থেকেই জানতে দেয়নি। রিহ্যাব থেকে ফিরে আসার পরে ডাক্তারি চেকাপ করানোর জন্য রওনককে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রিপোর্টে রওনকের বাবা মা জানতে পারে তাদের একমাত্র ছেলের ক্যান্সার হয়েছে। আর হয়তো দুমাস বাচতে পারে। রওনকের মা প্রতিদিন জলিল
সাহেবের বুকে মুখ লুকিয়ে কাদে যাতে রওনক কিছু
না জানতে পারে। জলিল সাহেব হচ্ছে রওনকের বাবা। খুব কঠিন মানুষ। কিন্তু রেহানা বেগমের (রওনকের মা) সাথে তাল মিলিয়ে তিনিও প্রতিদিন কাদেন। যতই কঠোর হোক মায়ের কোল আর বাবার পিঠেই তো রওনক বড় হয়েছে।

সীতিও ক্যান্সারের ব্যাপারটা জানে না। জানলে হয়তো খুব কান্নাকাটি করতো। হয়তো দৌড়ে ছুটে আসতো রওনককে দেখতে। হয় করুনা করেই না হয় ভালোইবেসে। আবার হয়তো কোনদিন
জানতেই পারলো না। অথবা একদিন মৃত্যুর খবর
পেয়ে ছুটে আসলো রওনককে দেখতে। অনেক
কান্নাকাটি করলো। আবার কিছুদিন পরে ভুলেই গেল। কি জানি কি হয়!!

রওনক!! তুমি এখানে বসে কি করছো??
ইশ যদি সীতি পিছন দিক দিয়ে এসে আমার পিঠে সেই পরিচিত হাতের স্পর্শ দিয়ে ডেকে এই
কথাটা বলতো তাহলে আমি তোমাকে বলতাম।
সীতি দেখো আমি ভালো হয়ে গেছি। আমি সত্যিই আগের মত ভালো হয়ে গেছি। আমরা আবার সবকিছু নতুন করে শুরু করবো।

নাহ রওনকের আর সেই ইচ্ছা কখোনোই পুরণ হবে না। কারণ ক্যানসারের সাথে যে এখন রওনকের রিলেশন রয়েছে।

27/02/2016

ফোনটা ভাইব্রেট করেই চলেছে । স্ক্রিনের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি । হাত কাঁপছে । এত দিন,এতবছর পর আবার সেই নাম্বার থেকে ফোন এসেছে বিশ্বাস হচ্ছে না । আজও নাম্বারটা দেখে হৃদস্পন্দন কয়েকগুণ বেড়ে যায় । মনের মাঝে প্রবল ঝড় বয়ে যায় । শেষপর্যন্ত রিসিভ করে ফেল্লাম । ওপাশ থেকে ভেসে এল সেই পরিচিত কন্ঠস্বর । এতবছর পরও একটুও বদলায়নি। সেই আগের মতই আছে ....
:হ্যালো ...................... ­............... ­...
কি হল? কিছু বলছ না যে?
:না আসলে পাঁচ বছর পর এই নাম্বার থেকে ফোন আশা করিনি । তাই বুঝতে পারছিনা যে কি বলব ।
:কয়েকদিন থেকেই তোমার কথা খুব মনে পড়ছিল । কিন্তু ফোন করার ঠিক সাহস পাচ্ছিলাম না । কাল থেকে তোমার কন্ঠ শোনার খুব ইচ্ছে করছিল । তাই আজ সাহস করে ফোনটা দিয়েই দিলাম । কেমন আছ তুমি ?
:মানুষ বদলে যায় কিন্তু তাদের কন্ঠ বদলায়না । হুম আছি নিজের মত করে । নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত আছি ।
:জিঞ্জেস করবেনা আমি কেমন আছি ?
:উহু,প্রয়োজন নেই । কিছু কিছু মানুষ আছে যারা সবসময় ভাল থাকে । তুমি হচ্ছ তাদের একজন ।
:(ওপাশে কিছুক্ষণ নীরবতা.......) আমার কথা মনে পড়েনি তোমার ?
:হ্যা পড়েছে । অনেক মনে পড়েছে । যথন দিনের পর দিন না খেয়ে থাকতাম তখন মনে পড়ত "তুমি ঠিকমত খাচ্ছ তো?" যখন রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে,কেঁদে কেঁদে অসুস্থ হয়ে পড়তাম তখন মনে পড়ত "তুমি সুস্থ আছ তো?" যখন কোন আনন্দোত্সবে সবাই হইচই আর আনন্দে মেতে উঠত আর আমি ঘরের দরজা বন্ধ করে অন্ধকারে বসে থাকতাম তখন মনে পড়ত "তুমি সবারসাথে খুশি আর আনন্দে মেতে উঠছ তো?" যখন আয়নায় নিজের অযত্ন অবহেলায় শুকিয়ে যাওয়া চেহারাটার দিকে তাকাতাম তখন মনে পড়ত "তুমি নিশ্চই আরো সুন্দর হয়ে গেছ ।" একসময় অনেক মনে পড়েছে । এখন আর পড়ে না । এখন এত সময় কই এগুলো মনে পড়ার?
:(ওপাশে আবার নিরবতা ......) আমাকে কি ক্ষমা করা যায় না?
:ক্ষমা তো আমি তোমাকে পাঁচ বছর আগেই করে দিয়েছিলাম । তোমায় ক্ষমা না করলে আমার মনে তোমার দেয়া কষ্টগুলোর ক্ষত কোনভাবেই শুকাত না । আচ্ছা এখন তাহলে রাখি । এখন আমার আকাশ দেখার সময় । প্রতিদিন রাতে এইসময় আমিআকাশ দেখি । আকাশের সাথে কথা বলি । আকাশ কখনো আমার সাথে ছলনা করেনা । প্রতিরাতে সে তারার ঝুলি নিয়ে আমার সামনে হাজির হয় । আমি কথা বলি সে চুপচাপ শোনে । একটুও বিরক্ত হয়না ।
:......একরাত আকাশের সাথে কথা না বল্লে হয় না?আমাদের কথা থেকে আকাশের কথা কি খুব বেশি জরুরী?
:আপাতত তাই । আমার চরম অসহায়ত্ব আর একাকিত্বের সময় এই আকাশ আমায় সঙ্গ দিয়েছে । যে পাঁচ বছর আমায় দূরে সরিয়ে রেখেছিল তার জন্য আমি আমার পাঁচ বছরের পাশে থাকা সঙ্গীকে দূরে সরিয়েরাখতে পারবনা ।
আচ্ছা আমি এখন যাব । রাতের আকাশ আমার জন্য অপেক্ষা করছে । আজ খুব সুন্দর একটা চাঁদও উঠেছে আকাশে । আজ চাঁদের সাথেও কথা বলব ......
ফোনটা কেটে দিলাম । বারান্দায় এসে দাড়ালাম । আকাশের বুকে গোল একটা চাঁদ উঠেছে । তাকিয়ে আছি । খুব কষ্ট হচ্ছে । সেই পাঁচবছর আগের মত কষ্ট যখন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলে । কি দোষ ছিল আমার?কেন চলে গিয়েছিলে?আজ ও তা আমি জানিনা । তারপরও অটুট বিশ্বাস,আশা ধরে রেখেছিলাম একদিন তুমি আসবে । আমি অপেক্ষা করব । করেছি,অনেক অপেক্ষা করেছি। ভেবেছিলাম যেদিন তোমার ফোন আসবে খুশিতে চিত্কার দেব । তোমার পানে ছুটে চলে যাব । দিন যায়,মাস যায়,বছর যায় কিন্তু তুমি আসনা । ভার্সিটি পাশ করার দু বছর হয়ে গেল । বাবা আমার আমাকে অনেক ভালবাসে । সেই বাবাকে পর্যন্ত বলে দিলাম বিয়ে করবনা । বাবার দীর্ঘঃশ্বাস,দুঃ ­খভরাক্রান্ত মন সবই উপেক্ষা করতাম । ঠিক পাঁচমাস আগে বাবা অনেক অসুস্থ হয়ে গেল । ডাক্তার বল্লেন মাইনর এট্যাক । এই বয়সে এত টেনশন ওনার সাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর । বাবার অসুস্থতার জন্য কোন না কোন ভাবে আমি দায়ী । কারণ বাবার সব টেনশন ছিল আমাকে নিয়ে । সারাদিন বাবার হাত ধরে বসে থাকতাম । বেশ কয়েকদিন পর বাবা একটু সুস্থ হয়ে উঠলেন । আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বল্লেন,"মা,আমার ­ জীবনের মনে হয় আর খুব বেশি দিন বাকি নেই । আমি সবসময় থেকে তোমাকে সুখী রাখতে চেয়েছি । মৃত্যুর আগেও আমি তোমাকে সুখী দেখে যেতে চাই । এটাই এখন আমার শেষ ইচ্ছা । একজন বাবা হিসেবে এর বেশি আর কিইবা চাওয়ার থাকতে পারে?মা,তুমি একবার ভেবে দেখ । ছেলেটা অনেক ভাল । তোমাকে অনেক সুখে রাখবে আমার বিশ্বাস । কোন তাড়াহুড়ো নেই । ছেলেটারসাথে দেখা কর । তাকে বুঝার,চেনার চেষ্টা কর । তোমার পছন্দ না হলে কোন অসুবিধা নেই । শুধু তার সাথে দেখা করে,কথা বলে দেখ ।" না,পারলামনা আর বাবার কথা অমান্য করতে । তার আকুতি ভরা দৃষ্টি উপেক্ষাকরতে । বাবার পছন্দের ছেলেটার সাথে প্রথম দেখা করলাম দেড় মাস আগে । ইঞ্জিনিয়ার । কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই । খুব সাধাসিধে ছা পোষা ধরণের মানুষ । কথার মারপ্যাঁচ ধরতে পারেন না । লোকটার মা নেই । ওনার মনেঅনেক কষ্ট । একদিন ভয়ে ভয়ে বল্লেন,"একটা কথা বলি?আপনার মাঝে কোথায় যেন আমার মায়ের ছায়া আছে । মাকে চোখের সামনে দেখতে পাই নি কিন্তু অনুভব করেছি । সরি আপনি রাগ করলেন না তো আমার কথায়?" বলে লোকটা চোখের পানি লুকোতে চেষ্টা করত । ব্যর্থ চেষ্টা । বাবাকে অনেক সম্মান করেন । প্রায় প্রতিদিন সময় করেবাবাকে দেখতে আসেন । ওষুধ ঠিকমত খাচ্ছেন কিনা,নিজেরশরীরের যত্ন নিচ্ছেন কিনাআরো কত কি । একদিন বাবার সাথে দেখা করতে এসে আমাকে বেশ লাজুক স্বরে বল্লেন,"ইয়ে মানে আপনার জন্য একটা জিনিষ এনেছিলাম। আমি নিজে রান্না করেছি । অনেক আগে থেকেই রান্না করতে করতে এখন মোটামুটি ভালো রান্না করতে পারি । বিয়ের পর আপনার কোন সমস্যা হবে না .......ওহ সরি আই মিন যদি বিয়ে হয় । কই মাছের পাতুরি রান্না করেছি । অনেক কষ্ট এটা রান্না করা । আশা করি আপনার ভালো লাগবে ।"
"আমি কই মাছ খাইনা" বেশ নির্লিপ্ত সুরে বললাম । উনি আহত স্বরে বল্লেন "ওহ সরি সরি । আমারি ভুল হয়ে গেছে । আমার আসলে আপনাকে জিঞ্জেস করা উচিত ছিল আপনার কি খেতে ভাল লাগে ।"
বড্ড দেরি করে ফেলেছ তুমি । গতকাল বাবাকে বলে দিয়েছি যে বিয়েতে আমি রাজি । বাবার চোখে যে খুশি আমি দেখেছি সেটা আজ তোমার কাছে ফিরে (চলবে)
(তারপর থেকে)
গিয়ে নষ্ট করে দিতে পারতাম । হ্যা পারতাম বাবাকে যেয়ে বলতে যে এই বিয়ে আমি করবনা । পারতাম বাবাকে সেই লোকটার সামনে ছোট করে দিতে । কিন্তু না,পারলাম না আমার বাবার মনে কষ্ট দিতে । পারলামনা তাকে ছোট করতে । তুমি যখন আমাকে কুকুর-বিড়ালের চাইতেও বেশি অবহেলা করতে তখন এই মানুষটা আমাকে রাজকুমারীর মত রাখত । আমার খেয়াল রাখত । বল আজ কিভাবে পারি তোমার জন্য তাকে কষ্ট দিতে?পারতাম তোমার ভালবাসাকে বুকে জড়িয়ে সেই সাধাসিধে লোকটাকে বলে দিতে যে,"সরি আপনাকে বিয়ে করা আমার পক্ষে সম্ভব না ।" পারতাম সেই মা হারা একাকী লোকটার স্বপ্ন ভেঙে দিতে । হ্যা বলার পর থেকে লোকটা এক ঘন্টা পরপর ফোন দিয়ে জিঞ্জেস করছে,"ইয়ে মানে বিয়ের শাড়ী আপনি কবে কিনতে যাবেন?আপনাকে নিয়ে যাব । আমি আবার এগুলো একদম বুঝি না । আমি কিনলে সিওর আপনার পছন্দ হবে না ।"
"না মানে আবার ফোন করলাম জানার জন্য যে আপনার আগের কালের ডিজাইনের গহনা পছন্দ কিনা । আসলে আমার মার দুটো বালা আমি আপনাকে দিতে চাচ্ছিলাম । অনেক পুরোনো ডিজাইন । আজকালকারমেয়ে আপনি । তাই ভাবলাম একবার জিঞ্জেস করে নেই যে আপনার পছন্দ হবে কিনা ...।" পারতাম লোকটার এত আকাঙ্খাআর উচ্ছ্বাস ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিতে । কিন্তু না,পারলামনা এত স্বার্থপরহতে । তুমি তো অনেক স্বার্থপর হতে পেরেছিলে,তাই তো আমার এত কষ্ট আর ভালবাসাকে উপেক্ষা করে চলে গিয়েছিলে শুধু একটু মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করতে। কিন্তু আমি পারিনা,পারবনা এত স্বার্থপর হতে । পারবনা নিজের ভালবাসার জন্য এই দুইজন মানুষের ভালবাসা আরস্বপ্নকে ধুলিস্যাত্ করতে । হয়তো আজ তুমি ভাবছ আমি প্রতিশোধ নিয়েছি । তাই সই । তোমার চোখে অপরাধী হয়ে আমি যদি এইদুইজন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারি তাহলে তাই সই । যদি তুমি আরেকটু আগে আসতে তাহলে তোমার ভালবাসাকে আপন করে নিতাম,যা এখন আর সম্ভব নয় । অনেক দেরি হয়ে গেছে । এখন আর নিজের ভালবাসা নয়,তাদের ভালবাসার প্রতিদান দেবার পালা যারাআমাকে তোমার চেয়ে অনেক বেশী ভালবাসে ।
আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি । চোখদুটো ঝাপসা হয়ে আসছে । দু ফোটা পানি গড়িয়ে পড়ল চোখ দিয়ে । মনে মনে বললাম,
"ভালবাসা,তোমায় ­ দিলাম ছুটি

27/02/2016

এখন থেকে অনেক পোস্ট লিখব আপনাদের জন্য। তবে লেখা গুলো ছোটো হতে পারে, তবে প্রাই প্রতিদিনই লেখা দেওয়ার চেষ্টা করব। ভালোবাসা চোখের দেখা কিছু নয়। ভালোবাসা একটা অনুভুতি। এই অনুভুতির কোনো সীমা নেই। পারস্পারিক দূরত্ব কখনও ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারেনা। পরস্পরকে অনুভব করতে পারলে ভালোবাসা সবসময়...

13/01/2016
13/01/2016

Hey Friends...........
kamon a6o Sobai>>>>>>>>>>>

Address

Vill-taldi, Po-taldi, Ps-canning, Dist-south24pgs
Canning Town

Telephone

+918371993512

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jibon Ar Fast Love & Jibon Sathi & Moner kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category