Amader Sonkolon

Amader Sonkolon শেখায় সময়কে ভালোবাসতে��

📚সাদাত হোসাইন - এর বই সর্বচ্চ ছাড়ে সংগ্রহ করতে, 📚🌼 Call or Whatsapp : 084203 24205 🌼
27/12/2022

📚সাদাত হোসাইন - এর বই সর্বচ্চ ছাড়ে সংগ্রহ করতে, 📚
🌼 Call or Whatsapp : 084203 24205 🌼

খ্রিস্টজন্মের দুশো সত্তর বছর আগে মগধের সিংহাসনে অভিষিক্ত হয়েছিলেন বিন্দুসার-পুত্র অশোক। ধর্মরাজ্য স্থাপনের সংকল্প নিয়ে...
13/12/2022

খ্রিস্টজন্মের দুশো সত্তর বছর আগে মগধের সিংহাসনে অভিষিক্ত হয়েছিলেন বিন্দুসার-পুত্র অশোক। ধর্মরাজ্য স্থাপনের সংকল্প নিয়ে মৌর্যসম্রাট প্রিয়দর্শনের সম্রাট অশোক প্রিয়দর্শী হয়ে ওঠার সে অনুপম গাথা ভাস্বর করেছে ইতিহাসের পাতা। কিন্তু সে পৃথক প্রসঙ্গ। অশোক বিন্দুসারের কোনো অখ্যাত রানির পুত্র। মাতৃকুলে ছিল না রাজরক্তের কৌলিন্য। কোনোমতেই তিনি হতে পারেন না পিতার রাজ্যের নৈসর্গিক দাবিদার। সম্রাট বিন্দুসার সিংহাসনের উত্তরাধিকারী চয়নও করে যাননি। সেক্ষেত্রে সর্বার্থেই তাঁর অগ্রমহিষীর পুত্র সুসীমের সিংহাসনে বসবার কথা অথচ চার বছর পরে অভিষেক হয়েছে অশোকের। কীভাবে জ্যেষ্ঠভ্রাতা সুসীমকে অতিক্রম করে কনিষ্ঠকুমার সিংহাসনে আসীন হলেন, তা আজ বিস্মৃতির অন্ধকারে। ইতিহাস ঐ চতুবর্ষব্যাপী অশান্ত ঘটনাপঞ্জির কোনো বিশ্বস্ত বয়ান সঞ্চয় করে রাখেনি। হিরণ্ময় নৈশব্দ্যে মূক হয়ে আছে মহাকালখণ্ডটি। দু- প্রান্তের আলোকিত সূত্রগুলির ঐতিহাসিক গ্রন্থিটি অদৃশ্য এক অপার্থিব অন্ধকারে।

কিন্তু শিলাকীর্ণ অক্ষরগুলি যে আজও রয়ে গেছে! দুই সহস্রাব্দীরও বেশি সময়ের শীত-গ্রীষ্ম ঝঞ্ঝা-বৃষ্টি পেরিয়ে সেগুলি পৌঁছে দিয়েছে সুদূর অতীতের কিছু অকপট বার্তা।

জড় পাথরের মাঝে উন্মোচিত হয় সুদূর অতীতের আলোকিত ইতিহাস। কোনো এক প্রিয়দর্শী রাজার হৃদয়মোক্ষণ করা আত্মোপলব্ধ জীবনদর্শন। এক দিগ্‌বিজয়ী সম্রাট-কথিত অনাহত শান্তির বাণী । বহু ভ্রাতৃরক্তে হাত রঞ্জিত করে সিংহাসনে আরোহণ এবং কলিঙ্গ যুদ্ধের গণহত্যার শোকে অস্ত্র-ত্যাগ।— প্রচলিত ইতিহাস-ভাষ্যের এই দুই বৈপরীত্য মিলবে কীভাবে?

রহস্যাবৃত ঐ চতুর্বর্ষতেই উত্তর রয়েছে সব প্রশ্নের। বর্তমান আখ্যান মূলত ঐ চার বর্ষব্যাপী খণ্ডচিত্রগুলির কাহিনীরূপ। কিছু অনুমান, কিছু কল্পনা। তারই মাঝে এই মহান দ্বিমুখী ব্যক্তিত্বের কারণ অনুসন্ধানে এক গভীরতর রহস্যের উন্মোচন, কলিঙ্গ যুদ্ধ শেষে যা সম্রাটকে করেছে অকল্পনীয় বেদনায় দীর্ণ।

মগ্নপাষান
লেখক : সূর্যনাথ ভট্টাচার্য
মূদ্রিত মূল্য : ৩৯০.০০
ছাড় মূল্য : ৩১২.০০
-------- --------- ---------
For Online Order : [Call or WP] - 084203 24205

আরবান লেজেন্ড মানে কিন্তু ভূত নয়। বরং বলা যায় এটা একটা বিশ্বাস। ঠিক যেমন আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বেশ কিছু বিশ্বাসকে ম...
02/12/2022

আরবান লেজেন্ড মানে কিন্তু ভূত নয়। বরং বলা যায় এটা একটা বিশ্বাস। ঠিক যেমন আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বেশ কিছু বিশ্বাসকে মেনে চলি, ঠিক সেই রকম। ছোটবেলায় কারেন্ট চলে গেলে হ্যারিকেন জ্বালিয়ে দাদু-ঠাকুমার মুখে আমরা কিছু গল্প শুনতাম। গ্রামের একপ্রান্তে যে অশ্বত্থ গাছটা রয়েছে তাতে কবে কে যেন শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না-পেরে গলায় দড়ি দিয়ে মরেছিল। তারপর থেকে ওই অশ্বত্থ গাছের আশপাশের অঞ্চল হয়ে ওঠে ব্রাত্য। জায়গাটা ভালো নয় তা বোঝাবার জন্য আবার দু একজন সাক্ষীও অনায়াসে জুটে যায়, যারা কোনও এক কালে ওই গাছের কাছে সাদা শাড়ি পরা কাউকে দেখেছিল। তারপর সেই দেখার সত্যতা কেউ যাচাই করতে না-গেলেও সেটা বিশ্বাসে পরিণত হয়েছে গ্রামবাসীদের কাছে। এই বিশ্বাস, এই ভয় কিন্তু নির্দিষ্ট এলাকাতেই সীমাবদ্ধ। এর কোনও লিখিত প্রমাণ নেই। কারণ এই গল্পকাহিনি যে লোকমুখে প্রচারিত হয়ে পূর্ণতা লাভ করেছে! পুরাণে কিন্তু এদের কোনও অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে ওই অশ্বত্থগাছে বসবাসকারী সাদা শাড়ি পরা না-মানুষটি হয়ে যায় ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলের আরবান লেজেন্ড।

কাল মিথবৎ
রাজদীপ ভট্টাচার্য্য
প্রচ্ছদ : মিশস মণ্ডল
মূল্য (MRP): ২৭৫.০০
📙📚📚📚📚📚📙
ছাড় মূল্য(Disconted Price): ২২০/-
Shipping charge
-Maximum 4 books @ Rs65 within Kolkata. -Maximum 4 books @ Rs85 All Over India.

Call or Whatsapp - 084203 24205

 #নতুনবই ১৭ জুন ১৯৭৫,মঙ্গলবারঅমিতাভ হত্যায় এখনো অন্ধকারে পুলিশদার্জিলিং, ১৭ জুন: তরুণ সাহিত্যিক অমিতাভ মিত্রর মৃতদেহ আব...
13/09/2022

#নতুনবই

১৭ জুন ১৯৭৫,মঙ্গলবার

অমিতাভ হত্যায় এখনো অন্ধকারে পুলিশ

দার্জিলিং, ১৭ জুন: তরুণ সাহিত্যিক অমিতাভ মিত্রর মৃতদেহ আবিষ্কারের পর চার দিন কেটে গিয়েছে, কিন্তু দার্জিলিং পুলিশ স্বীকার করেছে যে তারা এখনো মীমাংসার দিকে অগ্রসর হতে পারেনি। তারা হেফাজতে নিয়েছে জমায়েত তরুণ চৌধুরীকে, যিনি যে নিজেও লেখক এবং অমিতাভর বাল্যকালের বন্ধু। কিন্তু তারপরেও এই হত্যার পদ্ধতি ও মোটিভ বিষয় বিশেষ কোনো সূত্র মেলেনি। প্রসঙ্গত, গত বছর একটি সাক্ষাৎকারে অরুণ চৌধুরী বিষয়ে অমিতাভ মিত্র একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছিলেন, যা নিয়ে সাহিত্য জগতে বিতরকের সূত্রপাত হয়েছিল। সেই ঘটনায় আজকের রহস্যের মূল কিনা, সে বিষয়ে জল্পনা চলছে। মূল তদন্তকারী অফিসার, চকবাজার থানার ইনচার্জ ড্যানিয়েল লামা কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন।

শেষ মৃত পাখি (রহস্য কাহিনী)
লেখক - শক্যজিৎ ভট্টাচার্য
প্রকাশক - সুপ্রকাশ
মূদ্রিত মূল্য - ৫২০
---------- ----------
পেতে পারেন আমাদের কাছে 25% ছারে ।
অর্ডার করতে ফোন অথবা WhatsApp করুন - 8420324205
Delivery charge Rs 60 সর্বোচ্চ চারটে বইয়ে।

নভোরজ (শারদীয়া সংখ্যা)          মূল্য - ২৭০/-    ছার মূল্য - ২১৬/-           Order করতে – https://www.facebook.com/Amade...
08/09/2022

নভোরজ (শারদীয়া সংখ্যা)
মূল্য - ২৭০/- ছার মূল্য - ২১৬/-
Order করতে – https://www.facebook.com/Amadersonkolon
হোয়াটসঅ্যাপ - 8420324205

 #অশরীরী_অভিশঙ্কা  স্থান-বন্ধনপ্রিয়াংকা চ্যাটার্জীPriyanka Chatterjee -তাহলে কী ভুল দেখলাম? এইমাত্র যে আগুন জ্বলে উঠেছি...
04/09/2022

#অশরীরী_অভিশঙ্কা

স্থান-বন্ধন
প্রিয়াংকা চ্যাটার্জী
Priyanka Chatterjee
-তাহলে কী ভুল দেখলাম? এইমাত্র যে আগুন জ্বলে উঠেছিল..
সময় নষ্ট না করে, চট করে ঘাটে উঠতে যায়। সে বুঝতে পারল তার পা টা যেন আটকে গিয়েছে। সজোরে টান দিতেই পা টা ছেড়ে যায়। কিন্তু সে মুখ থুবড়ে পড়ল পাথরের ঘাটে। তার মনে হল, কেউ যেন পেছন থেকে জোরে ধাক্কা দিল। পঞ্চার ভীতরটা এবারে ভয়ে কেঁপে উঠল। ঠিক তখন টিমটিম করে জ্বলতে থাকা হ্যারিকেনের আলোটা দপদপ করতে করতে নিভে যায়। ঘুটঘুটে অন্ধকার। ঠান্ডা বাতাসের ঝলক বয়ে নিয়ে এল মাছ পোড়ার আঁশটে গন্ধ। সাপের মত এক হিলহিলে শীতল স্পর্শ। পেছন ফিরে তাকানোর মত ক্ষমতা পঞ্চাননের নেই। তার পাদুটো এখন পাথরের মত ভারি। ঠিক চোখের সামনে জ্বলে উঠল জ্বলজ্বলে দুটো চোখ। নদীর নীচ থেকে আগাছার মত কালচে লতা উঠে আসছে ঘাট বেয়ে। ঠিক তখন খলখলে হাসির আওয়াজ ছড়িয়ে পড়ল চারিপাশে। কচুরিপানার লতার মত আগাছা তার শরীরকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে দিয়েছে। তার চোখের সামনে কালো একখানি অবয়ব। চোখদুটো টকটকে লাল। মাথার চুলগুলো সাপের ফনার মত হিসহিস করে দুলছে। পঞ্চানন ধপ করে গড়িয়ে নদীতে পড়ে গেল। ভারী শরীরটা পাথরের মত ডুবে গেল। ভেসে থাকল ঐ আগাছার কিছু অংশ জলের মধ্যে। বুদবুদ ভেসে উঠল। কি বিপদ নেমে আসছে ইছাপুর গ্রামে? কিইবা হয়েছিল বহুবছর আগে এই গ্রাম পত্তনের সময়? সবাই কি রেহাই পাবে? কি হবে তারপর?.... জানতে হলে পড়তে হবে প্রিয়াংকা চ্যাটার্জী-এর কলমে শিহরণ জাগানো গল্প 'স্থান- বন্ধন'।
আসছে শুধুমাত্র 'অশরীরী অভিশঙ্কা' গল্প সংকলনে।

আসছে এক ভয়াল ভয়ংকর সংকলন---
‘অশরীরী অভিশঙ্কা’
সম্পাদনা : কৌশিক কারক ও আকাশ চন্দ
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ : জয় দাস
মুদ্রিত মূল্য : ৩৫০.০০
বিনিময় মূল্য : ২৫৬
shipping charges-59
#মাথামোটার_দপ্তর

প্রিবুকিং শুরু হবে ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

*** প্রিবুকিং-এ থাকছে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট
সম্পাদনায়:- কৌশিক কারক ও আকাশ চন্দ
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ : জয় দাস
প্রকাশক:- মাথামোটার দপ্তর

  ‘‘দেবী প্রপন্নার্তিহরে প্রসীদপ্রসীদ মাতর্জগতোহখিলস্যপ্রসীদ বিশ্বেশ্বরি পাহি বিশ্বংত্বমীশ্বরী দেবী চরাচরস্যআধারভূতা জগত...
24/06/2022



‘‘দেবী প্রপন্নার্তিহরে প্রসীদ
প্রসীদ মাতর্জগতোহখিলস্য
প্রসীদ বিশ্বেশ্বরি পাহি বিশ্বং
ত্বমীশ্বরী দেবী চরাচরস্য
আধারভূতা জগতস্তমেকা
মহীস্বরূপেণ যতঃ স্থিতাসি
অপাং স্বরূপস্থিতয়া ত্বয়ৈতৎ
আপ্যায্যতে কৃৎস্নমলঙ্ঘ্যবীর্যে
ত্বং বৈষ্ণবীশক্তিরনন্তবীর্যা
বিশ্বস্য বীজং পরমাসি মায়া
সম্মোহিতং দেবী সমস্তমেতৎ
ত্বং বৈ প্রসন্না ভুবি মুক্তিহেতুঃ...’’
রুদ্রশংকর নিজের জপের রুদ্রাক্ষের মালাটা হাতে জড়িয়ে নিয়ে হাতজোড় ক’রে মেঘগম্ভীর কন্ঠে নারায়ণী স্তুতি উচ্চারণ করতে লাগলেন। আকাশে একটা বিদ্যুতের জোরালো চমক খেলা করে গেল।
ছায়ামূর্তিটা শ্রীহরিকে আর স্পর্শ করতে পারছে না।

📚দেবতার গ্রাস 📚
লেখক : সপ্তর্ষি নারায়ণ বিশ্বাস
প্রচ্ছদ : বিপাশা মিত্র
প্রকাশক : মাথামোটার দপ্তর
মুদ্রিত মূল্য : ২৪০.০০
-------------- --------------
প্রাপ্তিস্থান :
আমাদের সংকলন (বুড়ীমা এন্টারপ্রাইজ)
সূর্য সেন স্ট্রিট, ব্লক ২, স্টল নং ৭, কলকাতা্ - ১২, (কলেজ স্কোয়ার, পুঁটিরামের বিপরীতে)
For Online Order (Call / WP) : +91 91238 79491

কিন্তু মেয়েটি এখন কোথায়? তার সঙ্গে পরিচয় আমার কখন হল? স্মৃতির অন্ধকার মেঘ সরে গিয়ে গতকালের ঘটনাগুলো ওয়েব সিরিজের মতো এপি...
16/05/2022

কিন্তু মেয়েটি এখন কোথায়? তার সঙ্গে পরিচয় আমার কখন হল? স্মৃতির অন্ধকার মেঘ সরে গিয়ে গতকালের ঘটনাগুলো ওয়েব সিরিজের মতো এপিসোড বাই এপিসোড ঘটতে থাকল।
গতকাল রাত্রে ম্যানেজারের কাজের ছেলে শামা খাবার দিয়ে রুমটা ভালোমতো পরিষ্কার করে দিয়েছিল। পাহাড়ি ছোকরা বেশ করিতকর্মা ।
খাওয়া-দাওয়া শেষ হতে শামা আমাকে পাশে ডেকে নিয়ে গিয়ে ফিসফিসিয়ে বলেছিল, ‘স্যার, খুব সাবধানে থাকবেন। রাত্রে একদম ঘুমাবেন না, যদি দুচোখের পাতা এক করেছেন তো...’ হাত দিয়ে গলা কাটার মতো ভঙ্গি করেছিল।
‘ডাকাত ফাকাত কিছু আছে নাকি? নাকি চোর বদমাশ?’ হেসে ফেলেছিলাম।
‘না স্যার, ওসব কিছু না।’...

এক হাড়হিম সংকলন —
আঁধার রাতের নীরবতা
সম্পাদনা : তন্ময় নন্দী ও দিয়া দে
প্রচ্ছদ : অদিতি সুর
মুদ্রিত মূল্য : ২০০.০০
#মাথামোটার_দপ্তর

আঁধার রাতের নীরবতা

হোস্টেল। মেস। বোর্ডিং। তার বৈচিত্র্য সমাজ-পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী।প্রত্যেকটি মেস-হোস্টেলের নিজের নিজের গল্প আছে। একটি ...
16/05/2022

হোস্টেল। মেস। বোর্ডিং। তার বৈচিত্র্য সমাজ-পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী।

প্রত্যেকটি মেস-হোস্টেলের নিজের নিজের গল্প আছে। একটি চিরন্তন গল্প বোধহয় এই—বাড়ি থেকে প্রথম প্রথম হোস্টেলে বা মেসে এসে বাড়ির জন্য মন খারাপ আর সারা জীবন সেই হোস্টেল বা মেসের জন্য মনখারাপ। মেস বা হোস্টেল তো এক রকমের নয়—তার মধ্যে অস্তিত্বের কত ধরনের যে কারুকাজ, স্বার্থ ও পরার্থের কত বোঝাপড়া, জীবন ও জৈবিকতার কত যে বিভিন্নতা এবং সমবায়িক বি-সৌসাদৃশ্য থাকে—তাকে এককথায় অন্তহীন বলা যায়।

শিবনাথ শাস্ত্রী থেকে বিপিনচন্দ্র পালের মেসবাড়ি বৃত্তান্ত, সেকাল একালের শান্তিনিকেতনের ছাত্রাবাস, অগ্নিগর্ভ সময়ে ঢাকার মেয়েদের হোস্টেল, কিংবা কলকাতার হ্যারিসন রোড থেকে গড়বেতায় গৌর উকিলের মেস। স্মৃতিকথায় এ বই ছুঁয়েছে উনিশ শতক থেকে একবিংশ শতক পর্যন্ত ভৌগোলিক ভাবে সমগ্র বাংলাকেই।

মেস-হোস্টেলের বিশ্বস্ত দলিল নির্মাণ করতে গিয়ে এসেছে সেকালের কলকাতার মেস, ঢাকার মেস-হোস্টেল ছুঁয়ে বহরমপুর শহরের মেস-হোস্টেল-বোর্ডিং। আলোচিত হয়েছে সাহিত্যে মেস, সাহিত্যিকদের মেস। সেখানে শিবরাম, শরৎচন্দ্র, জীবনানন্দ, তারাশঙ্কর থেকে ব্যোমকেশ-শরদিন্দু হয়ে ঘনাদা।
এমনকী বাংলা চলচ্চিত্রে মেসবাড়ি প্রসঙ্গ-ও। বই শেষ হয়েছে যৌথযাপনে মেসেরও অধিক কমিউনের ইতিকথা দিয়ে। আসলে এই বই দেখতে চেয়েছে মেস হোস্টেলকে কেন্দ্র করে একটা বিরাট সময়ের বাঙালি সমাজ-জীবনকে।

কেমন ছিল ষাটের দশকে পূর্ববঙ্গের বরিশালে, চাখার কলেজে মেয়েদের প্রথম হোস্টেল? লিখেছেন চাখার কলেজের প্রথম মহিলা ছাত্রী সন্ধ্যা রায় সেনগুপ্ত। সেই লেখার একটু অংশ রইলো -- .................................................
সালটা ১৯৬২। সময়টা পুজোর পর। সম্ভবত অক্টোবরের শেষ কিংবা নভেম্বরের শুরু। আমি তখন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। পুজোর ছুটির আগে পর্যন্ত আমরা, অর্থাৎ আমি ও আমার ছোড়দি অঞ্জলি আমাদের কলেজের কাছে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে ক্লাস করেছি। কিন্তু তা একেবারেই অনিয়মিত। এই অনিয়মিত ক্লাস আমাদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে খুবই অসুবিধা করছিল। এই অনিয়মিত ক্লাসের কারণ নানাবিধ। কলেজ থেকে আমাদের বাড়ির দূরত্ব বারো থেকে চোদ্দ মাইল। আমাদের বাড়ি এবং আমাদের কলেজ গ্রামেই অবস্থিত। যাতায়াত ব্যবস্থা জলপথে নৌকার সাহায্যে, নয়তো পায়ে হেঁটে। হাঁটা পথ মানে হলো ফসলের জমির আলপথ কিংবা নদীপাড়ের পথ। বর্ষাকালে কেবলমাত্র নৌকার সাহায্যেই যাতায়াত করা যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য আমাদের বাড়ি ও তদনীস্তন পূর্ব পাকিস্তানের বরিশাল জেলার দক্ষিণ অংশে ঝালকাঠি থানার অন্তর্গত রুনসী গ্রামে। আর কলেজটি অবস্থিত বরিশাল জেলার বানারীপাড়া থানার চাখারে। বরিশাল সম্বন্ধে একটা কহাবৎ আছে ধান-নদী-খাল—এই তিন নিয়ে বরিশাল।
আমাদের কলেজে সহশিক্ষার ব্যবস্থা ছিল না। সহ-শিক্ষা চালু হয় ১৯৬১ সালে। প্রথম ছাত্রী আমি। আমার সঙ্গেই আমার দিদিও ভর্তি হয়। আর ভর্তি হয় দুজন মুসলিম ছাত্রী আহমেদী সুলতানা এবং পারভিন ফেরদৌসী। আহমেদী চাখারেরই মেয়ে। কিন্তু পারভিনের বাড়ি স্বরূপকাঠি থানায়, যা কলেজ থেকে বেশ দূরে। আহমেদী স্থানীয় মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও ক্লাস করা হতো না একা বলে। এভাবেই বাড়িতে পড়ে আমাদের একাদশ শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েছিলাম। রেজাল্ট হয়েছিল মোটামুটি।
পরের বছর অর্থাৎ ১৯৬২-তে একাদশ শ্রেণীতে বেশ কিছু সংখ্যক ছাত্রী আমাদেরই মতো বাড়িতে বসে পড়ে পরীক্ষা দেবে—এমত ভাবনা নিয়ে কলেজে ভর্তি হলো। এই সময় কলেজের অধ্যক্ষ মোহামদম এনায়েত করিম সাহেব ছাত্রীরা যাতে নিয়মিত ক্লাস করে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে সচেষ্ট হন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তৈরি হয় হিন্দু ছাত্রীদের জন্য হিন্দু হোস্টেল চাখার সংলগ্ন খলিসাকোটায় এবং মুসলিম ছাত্রীদের জন্য মুসলিম হোস্টেল চাখারে। এই হিন্দু হোস্টেলের প্রথম ছাত্রী আমি এবং আমার দিদি অঞ্জলি। ছাত্রদের জন্য হিন্দু হোস্টেল এবং মুসলিম হোস্টেল আগে থেকেই ছিল। যেহেতু সহ-শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল না, তাই ছাত্রীদের জন্য কোনো হোস্টেলই ছিল না। দ্বাদশ শ্রেণীর একেবারে শেষের দিকে আমরা হোস্টেলে থাকতে শুরু করলাম। হোস্টেলটি একটি সম্পন্ন হিন্দু পরিবারের পরিত্যক্ত বাড়িতে তৈরি হলো। স্থানীয় লোকেরা এই বাড়িটিকে বলত 'পূর্বের বাড়ি'। সম্ভবত দেশভাগের সময় এই পরিবারের লোকেরা তাঁদের বাড়ি-ঘর কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে গিয়েছিলেন। এ-বিষয়ে এর থেকে বেশি তথ্য আমার জানা নেই। বাড়িটি বেশ বড়ো। বাড়ির পশ্চিম অংশে আমাদের হোস্টেল। সামনে উঁচু পাঁচিল। পাঁচিলের দরজা বেশ প্রশস্ত এবং মজবুত তিনটি তালার অনুশাসনে আবদ্ধ। সম্ভবত মেয়েদের হোস্টেল বলে এরকম ব্যবস্থা। প্রধান দরজা পেরিয়ে একটি বড়ো উঠান। না, উঠান না বলে ফুলের বাগান বলাই সঙ্গত। তারপর লম্বা টানা সিঁড়ি। সিঁড়ি পেরিয়ে একটি লম্বা টানা ঘর। উত্তর দক্ষিণে টানা। ছ-খানা খাট। প্রত্যেকটা খাটের সঙ্গে একটা করে ডেস্ক। আবার খাটের মাথার দিকে দু-সারি রড লাগানো। বুঝতে পারছিলাম এই রডগুলিতে আমাদের জামাকাপড় রাখতে পারব। টানা ঘরটা পেরিয়ে গেলে দরজা দিয়ে ঢুকলে পরে তিনটি বড়ো বড়ো ঘর। প্রত্যেকটি ঘরে চারখানা করে খাট-ডেস্ক ইত্যাদি। খাটের মাথার দিকে তেমনি রড লাগানো। তারপর আবার একটা বারান্দা। বারান্দায় তিনটি দরজা তালা লাগানো। সেই বারান্দা পেরিয়ে আবার একটা বাগান। সবজি বাগান। লাউ, কুমড়ো, বেগুন ইত্যাদি। এই বাগানের পূর্ব উত্তর এবং দক্ষিণ দিকে তিনজন অধ্যাপক থাকেন সপরিবারে। আমরা আমাদের যে-কোনো প্রয়োজনে তাঁদের কাছে যেতে পারি এ মতোই নির্দেশ ছিল আমাদের। আমাদের হোস্টেল কম্পাউন্ডে ঢুকে সিঁড়ি দিয়ে উঠে ডানদিকে বেশ খানিকটা জায়গা বাঁধানো। তারই দক্ষিণ পাশে খাবার ঘর এবং সংলগ্ন রান্নাঘর। রান্নাঘরের পূর্বদিকে বেশ খানিকটা জায়গা টিন দিয়ে ঘেরা। বেশ উঁচু করে টিন দেওয়া। ভেতর দিকে ঢুকেই একটা টিউবয়েল। তারপর আরও খানিকটা ঢুকে স্নানের ঘর পায়খানা ইত্যাদি। তবে মেয়েদের হোস্টেল সংলগ্ন পুরো জায়গাটা উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। অর্থাৎ নিশ্চিন্ত নিরাপত্তার কোনো খামতি নেই। কম্পাউন্ডে ঢুকে যে উঠোনটা ফুলে ফুলে সাজানো থাকত সেই উঠোনের ঠিক ডান দিকে একটা জলাশয়। ঠিক পুকুরও নয় আবার নালাও নয়। বেশ প্রশস্ত এটা লম্বাটে জলাশয়। সেখানে কোনো ঘাট বা এমন কিছু নেই।
হোস্টেল কম্পাউন্ড থেকে বেরিয়ে একটা রাস্তা গিয়ে পশ্চিমে বড়ো রাস্তায় মিশেছে। বড়ো রাস্তাটা উত্তর ও দক্ষিণ দিক বরাবর। দুটো দিকই খলিসাকোটা গ্রামের মধ্যেই। হোস্টেলের রাস্তাটা যেখানে বড়ো রাস্তার সঙ্গে মিশেছে তার পশ্চিমদিকে ছিল দীঘির মতো বড়ো পুকুর। সেই পুকুরের রাস্তা সংলগ্ন কোণের দিকে বেশ খানিকটা অংশ উঁচু টিনের পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। ভিতরে একটি প্রশস্ত বাঁধানো ঘাট। খাটের সিঁড়ি অনেকটা পুকুরের মধ্যে নেমে গেছে। বেশ ক'জন একসঙ্গে স্থান করা যায়। আমাদের নির্দেশ ছিল একসঙ্গে চার পাঁচজন না হলে আমরা স্নান করতে যেতে পারব না। তাহলে ভিতরে টিউবয়েলের জলে স্নান করতে হবে।
আমরা আবাসিক যারা ছিলাম পুকুরে স্নান করতেই অভ্যস্ত এবং স্বচ্ছন্দ ছিলাম। আমরা তো সবাই গ্রামে বড়ো হয়েছি, আমাদের অভ্যাসগুলোও তেমনি গ্রামীণ পরিবেশেই স্বাভাবিক থাকত।
হোস্টেলের রাস্তাঘাট দুপাশে বড়ো বড়ো গাছ। বকুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া প্রভৃতি। গ্রীষ্মকালে বকুল ফুলের আস্তরণে রাস্তাটা ঢাকা থাকত। আর বসন্তকালে কৃষ্ণচূড়া যেন পুরো এলাকাটা রাঙিয়ে দিত।

আবাসিক জীবনের দুই পর্ব
(চাখার ও ঢাকা)

মেস হোস্টেল ঘটিত এ বাঙালি জীবন
সম্পাদনা: সন্ধ্যা রায় সেনগুপ্ত

আটাত্তর সালের ওলট-পালট করা বন্যার স্বাদ আমার হোস্টেলে বসেই নেওয়া। আমার জীবনেও অনেকটা ওলট-পালট সেই ঘটনার সূত্র ধরে। যতদূর মনে পড়ে, তার আগে পাঁচ-ছ'দিন অবিশ্রান্ত বৃষ্টি পড়েছিল। বাইরে বেরোনো বন্ধ। কলেজের ক্লাস বন্ধ হয়ে গেছে। পুরোনো যে সব বিল্ডিং আছে, তাদের নিচের তলার অর্ধেক জলের তলায়। আমাদের হোস্টেলের বাইরে হাঁটু সমান জল জমে গেছে। কিছুটা এগিয়ে রাস্তায় গেলে কোমর সমান। ততদিনে বাংলা ভাসানো বিখ্যাত আটাত্তরের বন্যা গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি নদীয়া জেলায়। যদিও কেউই নিরাপদ নেই। খোদ কলকাতায় জনজীবন স্তব্ধ। রেডিও আর কিছু কিছু লোকমুখে জানতে পারছি মানুষের অসহায় অবস্থার কথা। সে সময়ে ফ্লাড রিলিফে যাওয়াটা ছিল দস্তুর। আমাদের হোস্টেল আর কলেজ থেকেও কয়েকটা টিম গেল। নিজে না গেলেও তাদের রিলিফের জিনিস জোগাড় ও নিয়ে যাবার বন্দোবস্তে অংশ নিয়েছিলাম। মনে আছে এরকম দুটো টিমে সঙ্গী হয়েছিলেন কবি সৃজন সেন আর চলচ্চিত্র পরিচালক উৎপলেন্দু চক্রবর্তী। সেই টিমের ছেলেরা ফিরে এসে বন্যার যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছিল আমাদের সামনে তাতে ক্ষোভ বাড়ছিল সকলের। নবীন সরকারের পক্ষে যতটা করা সম্ভব, তারা হয়ত তার বেশিই করছিল, তবু প্রয়োজনের তুলনায় তার অপ্রতুলতায় অভিযোগের পাহাড় জমছিল। সেই সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তাটুকু বেশি করে অনুভব করেছিলাম আমরা। আর সেই সূত্রে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের যাপন আর সমস্যার চেহারাটা স্পষ্ট হচ্ছিল আমাদের কাছে। বন্যার পরেও নানা প্রসঙ্গে তা জানার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে যাই। আর সেখানে অনেক সমমনোভাবাপন্ন ছাত্রদের সঙ্গে সখ্য বাড়ে, বিনিময় বাড়ে। এরপরেই রাজনীতির পাঠে হাতেখড়ি হয় আমার। হোস্টেলে রাজনীতির গভীর চর্চা আর অনুশীলনের একটা পরম্পরা ছিলই। রীতিমত ক্লাসের মতো করে বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস পড়া, বিভিন্ন রাজনৈতিক মতবাদের সঙ্গে পরিচয় করা ইত্যাদি ছিল সেসব ক্লাসের অঙ্গ। যে সময়ের কথা বলছি, সে সময়ে দিনবদলের বিপ্লবের আগুন স্তিমিত, আঁচটুকু কিন্তু যথেষ্ট উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বন্দিমুক্তি আন্দোলন দেখেছি। গণসংগীত, নাটক, ফিল্মে আলো ছড়াচ্ছে এই ধারার সুর। সেই সময় থেকে ছাত্রজীবন, ইন্টার্ন ও হাউস-স্টাফ থাকার শেষদিন অবধি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কর্মসূচী, তা মেডিকেল ক্যাম্প, রক্তদান শিবিরের মতো কিছু হোক, বা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার সংগ্রামের কর্মসূচী হোক, তাতে যোগ দিতে দুবার ভাবিনি। সেই শিক্ষা সারা জীবনের মতো কটি কথা শিখিয়ে দিয়েছিল। আজ এই পরিসরে তার নির্যাসটি সকলকে জানাতে চাই।

১. 'রাজনীতি' শব্দটি ঘৃণা করার মতো শব্দ নয়। সামাজিক ও ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের প্রতিটি কাজের ফলাফল নির্ধারণ করা শক্তিটির নাম রাজনীতি। তাই সামাজিক বৈষম্য দূর করার ন্যূনতম প্রচেষ্টার মধ্যে থাকতে গেলেও রাজনীতি বিষয়ে স্পষ্ট মতামত তৈরি ও ব্যক্ত করার ইচ্ছে থাকা চাই। আজ যখন দেখি, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে টেলিভিশনের পর্দায় একজন রাজনীতিক অন্য একজনকে বলছেন, দয়া করে রাজনীতি করবেন না, তখন আমার করুণা হয় এদের জন্য। ভাবি যে, রাজনৈতিক চরিত্ররাই যদি রাজনীতি কথাটিকে ঘেন্না করতে শেখান, তবে ঘটনার পেছনের রাজনীতিটা মানুষ তো বুঝতেই চাইবে না। অবশ্য আজকের রাজনীতিকদের তো তাতেই লাভ। সত্যি উন্মোচিত হলে তাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্ষতি।
২. বৈষম্যই ইতিহাসের চালিকাশক্তি। নতি ছাড়া চাকা গড়াবে না। তেমনি ইতিহাসের ঘটনা সংঘটনের জন্যও নতির প্রয়োজন আছে। ক্ষমতার তারতম্য সেই নতির রূপ। কখনও তা বলবান থেকে দুর্বলের দিকে, আবার কখনও তা বিপরীতমুখী। তাই একান্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় বাস্তবতা নেই। কিন্তু চাকার গতিপথের অভিমুখ বৃহত্তর কল্যাণের দিকে চালিত থাকা উচিত, যা এই অভিমুখে সমাজের গতিকে নির্দিষ্ট করবে।

৩. বৃহত্তর কল্যাণের অভিমুখে চালিত ব্যবস্থায় নিজের যদি ন্যূনতম ভূমিকা রাখতে হয়, তবে পক্ষগ্রহণ জরুরি। কারণ 'নিরপেক্ষ' এমন এক আপাত-নিরীহ শব্দ, যার মতো বিপজ্জনক শব্দ আর হয় না।

আজ জীবনের প্রদোষকালে এসে হোস্টেলবাসের দিনগুলো মনে করতে গিয়ে মনে হয়, আমার আজকের জীবনের ইমারতটা যে স্তম্ভগুলো দাঁড় করিয়ে রেখেছে, তাদের ভিত্তির নির্মাণ হয়েছিল ওই দিনগুলোতেই। স্মৃতিবাহী জলবিন্দুরা মনে করিয়ে দেয়, রোদ ঝলমলে দিনের পাশে পাশে অনেক বজ্রবিদ্যুতের ফলায় ফালাফালা হয়ে যাওয়া মর্মন্তুদ রাতের সমাবেশও ছিল সে-জীবনে। তেমনই সফলতার আলোকিত দিগন্তের দিকে হাঁটতে গিয়ে মাঝরাস্তায় মুখ থুবড়ে পড়া অনেক মানুষের ব্যর্থতার আর্তনাদের পাশাপাশি তাদের শবদেহের ওপর দিয়ে ইতিহাসের রথের চাকার গড়িয়ে যাবার উল্লাসও ছিল। ভালো-মন্দ দুই-কেই মহামানব সুলভ নিস্পৃহতার সঙ্গে এক পঙক্তিতে বসাতে না পারি, তাতে উদ্বেল না হয়ে জীবনের সামগানে আজও যে গলা মিলিয়ে চলতে পারি, সে ওই দিনগুলোর দান।

আমার ডাক্তারি পড়ার হোস্টেল-জীবন
ভাস্কর দাস

মেস-হোস্টেল ঘটিত এ বাঙালি জীবন
সম্পাদনাঃ সুজন বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রচ্ছদ ও অলংকরণঃ মেখলা ভট্টাচার্য

মুদ্রিত মূল্যঃ ৫৬০ টাকা
পেয়ে যাবেন -৪৪৮
রইলো সম্পূর্ণ সূচিপত্র।

সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে
WhatsApp or call-+91 91238 79491

 #নতুনবই    বইচই বৈশাখ ১৪২৯ বৈশাখী পর্বনীবইটি সংগ্রহ করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। মূল্য-২০০WhatsApp or call-+91 912387...
16/05/2022

#নতুনবই


বইচই বৈশাখ ১৪২৯ বৈশাখী পর্বনী
বইটি সংগ্রহ করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
মূল্য-২০০
WhatsApp or call-+91 9123879491

     অন্ত্যমিলের অঙ্গনে* লেখক : প্রীতম বসু  মূল্য : ৩০০.০০প্রকাশক : প্রীতম বসু*চৌথুপীর চর্যাপদ* লেখক : প্রীতম বসু মূল্য ...
16/05/2022




অন্ত্যমিলের অঙ্গনে*
লেখক : প্রীতম বসু
মূল্য : ৩০০.০০
প্রকাশক : প্রীতম বসু

*চৌথুপীর চর্যাপদ*
লেখক : প্রীতম বসু
মূল্য : ৪০০.০০
প্রকাশক : প্রীতম বসু

*প্রাণনাথ হৈও তুমি*
লেখক : প্রীতম বসু
মূল্য : ৪০০.০০
প্রকাশক : প্রীতম বসু

*পাঁচমুড়োর পঞ্চাননমঙ্গল*
লেখক : প্রীতম বসু
মূল্য : ২০০.০০
প্রকাশক : প্রীতম বসু
------------------
প্রাপ্তিস্থান :
আমাদের সংকলন (বুড়ীমা এন্টারপ্রাইজ
সূর্য সেন স্ট্রিট, ব্লক ২, স্টল নং ৭, কলকাতা্ - ১২, (কলেজ স্কোয়ার, পুঁটিরামের বিপরীতে)
For Online Order ( Call / WP) : +91 91238 79491

      "কিপ্টে আর বোকাসোকা চেহারার একেনবাবু যে গোয়েন্দা এটা ভাবাই মুশকিল। একটু ন্যালা ক্যাবলা টাইপের ভদ্রলোক । সেই তিনি আ...
16/05/2022




"কিপ্টে আর বোকাসোকা চেহারার একেনবাবু যে গোয়েন্দা এটা ভাবাই মুশকিল। একটু ন্যালা ক্যাবলা টাইপের ভদ্রলোক । সেই তিনি আবার কলকাতা পুলিশ থেকে অ্যামেরিকায় ট্রেইনিং নিতে গিয়ে, ওখানেও গোয়েন্দাগিরি করে টু পাইস কামান । একেনবাবু থাকেন বাপি এবং প্রমথর সঙ্গে। বাপি নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে পড়ান, প্রমথ পিএইচ.ডি করছেন। যোগ্য ব্যাচেলর কিন্তু বিয়ে করার জন্য কোনো চাড় নেই । বাপিবাবু লিখে রাখেন একেন বাবুর কীর্তি কলাপ । একেনবাবু বিবাহিত কিন্তু “পরিবার” কলকাতায় থাকেন । কবে কোলকাতা থেকে অ্যামেরিকা নিয়ে আসবেন – এই প্রশ্নের উত্তরে একেনবাবু ভদ্রলোকের এক কথার মত বলেন – নেক্সট্ ইয়ার । যদিও সেই নেক্সট ইয়ার কবে আসবে – ভগা ন জানন্তি । যাই হোক – একেনবাবু সকলকেই স্যার বা ম্যাডাম বলেন আর আপনি ছাড়া কথা বলেন না । অবশ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে কি বলে সম্বোধন করেন, সেটা কেউ জানেন না । ও ! একটা কথা বলা হয় নি – একেনগিন্নি উবাচ , একেনবাবু ঘোড়ার ডিমের রিসার্চ করেন ।" এই একেনবাবুর কয়েকটি গোয়েন্দা গল্প নিয়েই এই বই।

পেয়ে যাবেন আমাদের কাছ থেকে ঘরে বসে
একেন বাবু সমগ্র ১- ৪০০
একেন বাবু সমগ্র ২- ৪০০
একেন বাবু সমগ্র ৩- ৩৫০
একেন বাবু সমগ্র ৪- ৩৭৫
একেন বাবু সমগ্র ৫- ৪০০
এই সমস্ত বই পেয়ে যাবেন ১৫% e Amader Sonkolon থেকে
WhatsApp or call-+91 9123879491

Address

Stall-8 Block-2 Surya Sen Street College Square
Kolkata
700012

Telephone

+918420324205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amader Sonkolon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Amader Sonkolon:

Share

Category