06/05/2026
মমতা ব্যানার্জি এবং তৃণমূলের অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে বিজেপি কীভাবে এই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, তার একটি ক্রিটিক্যাল এবং পয়েন্ট-ভিত্তিক তালিকা নিচে দিচ্ছি।
বিজেপির 'ভোট চুরির' সুক্ষ্ম কৌশল
আপনারা যাকে 'জনমত' ভাবছেন, তার আড়ালে রয়েছে এক সুগভীর ষড়যন্ত্র। বিজেপি এই নির্বাচনে জেতার জন্য যে সূক্ষ্ম চালগুলো চেলেছে, তা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক:
ভোটার তালিকায় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক: নির্বাচনের আগেই প্রায় ৫৮ থেকে ৯০ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একে বলা হচ্ছে 'স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন', কিন্তু বাস্তবে এটা ছিল বিরোধী ভোট কাটাকুটির এক সূক্ষ্ম পরিকল্পনা।
১০০টি আসনের 'লুট': গণনার দিন দুপুর ৩টের পর থেকে এক অদ্ভুত নাটক শুরু হয়। মমতা ব্যানার্জি স্পষ্ট অভিযোগ করেছেন যে, অন্তত ১০০টি আসনে যেখানে তৃণমূল এগিয়ে ছিল, সেখানে জোর করে ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে।
সিসিটিভি-র রহস্যময় লুকোচুরি: বারাসাত থেকে কলকাতা—একাধিক স্ট্রংরুমে এবং গণনা কেন্দ্রে ১৭ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখা হয়েছিল। অন্ধকারের সেই সময়েই কি ইভিএম বা ব্যালটের অদলবদল হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর আজও অধরা।
সেন্ট্রাল ফোর্সের 'গুন্ডামি': সিআরপিএফ (CRPF) শান্তি রক্ষার বদলে অনেক জায়গায় বিজেপির ক্যাডার হিসেবে কাজ করেছে। বিরোধীদের এজেন্টদের মারধর করে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং ভয় দেখানোর একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
লোডশেডিং এবং ডিজিটাল কারচুপি: গণনার সময় অনেক জায়গায় ইচ্ছাকৃতভাবে 'লোডশেডিং' করা হয়েছিল। অন্ধকারে ডাটা এন্ট্রি বা ইভিএম কারচুপির যে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী তুলেছেন, তা এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।
পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি: অনেক জায়গায় নিয়ম ভেঙে মাঝরাতে পোস্টাল ব্যালটের ট্রাঙ্ক আনা হয়েছে এমন ঘরে যেখানে সিসিটিভি নেই। এই পোস্টাল ব্যালটই কি অনেক আসনের ভাগ্য গড়ে দিল?
দয়া করে বাংলার মানুষ এই প্রশ্নগুলো করুন বিজেপি সরকার কে