BoiKart

BoiKart Just think about it and we have it. http://www.boikart.com - An online bookstore with a vast invento

Permanently closed.

An online bookstore with a vast inventory of over 5 lac Boi ( Books ) with the best prices.Your online search for Books end here.All types of Books with highest no of Bengali Books stock.

29/08/2018

#সুখ
#নবনীতা_কুণ্ডু
https://www.galpo.in/book/book-details/2003599
পারমিতা যখন মা হয় তখন সৌগতের জীবন স্বয়ংসম্পূর্ন হয়ে যায়৷ বিরাট বড় কম্পানির ম্যানেজার সৌগতোর সুন্দরী বউ পারমিতা৷ সৌগতের জীবনে লক্ষী স্বরুপ৷ পারমিতা নিজে চাকরী করতো কিন্তু ছেলের জন্য ছেড়ে দেয়৷ ছেলের নাম রাখা হয় সৌম্যদীপ৷ ছেলেকে নিয়ে দুজনেই খুব খুশি ৷ তার জন্য সব বেস্ট জিনিস পারমিতা অনলাইন থেকে অর্ডার করে৷ আয়া থাকলেও সব সময় ছোট্ট বাবাই কে পারমিতা আগলে রাখে৷ শাশুড়ি হোক বা অন্য কেউ সচরাচর কারোর কাছেই দেয়না৷ হাইজিন নিয়েও চরম কনসাস সে৷ ছেলের জন্য চাকরী ছেড়ে সে নিজের সব দ্বায়িত্ব নিখুঁত পালন করে৷ সব সময় বাবাই আর বাবাই ৷
বাবাই কিছুটা বড় হলে পারমিতা একটি এন জিও করে৷ চাকরীর জন্য চেষ্টা সে আর করেনি৷ কারন তার আর ডেলি প্যাসেঞ্জারি ভালোও লাগছিলো না৷ সে অবসর সময়টা ফেসবুক আর কিছু সমাজ সেবা মূলক কাজে লাগায়৷ নিজে এন জিও তৈরী করে আর সেখানে সবাই জানে পারমিতা এ বাজারে সরকারি চাকরী ছেড়ে সমাজ সেবায় আত্মনিয়োগ করেছে৷ ধন্য ধন্য করে সবাই৷ বক্তৃতা দিয়ে গিয়ে পারমিতা সব স্থানেই বলে , যে যাদের আর্থিক সচ্ছলতা নেই সেরকম মানুষ চাকরী টি পেলে ভালো হবে তাই আমি চাকরী ছেড়ে দিলাম ৷ আর সত্যি বলতে এন জিওর মাধ্যমে, সৌগতের সাহায্যে পারমিতার আয় আর বেড়ে গেছে কমেনি৷ সাথে নাম, সম্মান ফ্রি৷ ভারতের মতন এত জনবহুল দেশে রোগ ভোগ তো আছেই ৷ পারমিতা বাচ্চাদের জন্য টাকা সংগ্রহ করে৷ অনেক শিশুর প্রাণ সে ফিরিয়ে দিয়েছে৷ দিনদিন তার কাজের ব্যাপ্তি ও বাড়ছে৷

 #গোপালকৃষ্ণ_বাবুর_পেন #অমিতাভ_ব্যানার্জী #বাংলা গল্প  https://www.galpo.in/book/book-details/2003583গোপালকৃষ্ণ বাবু এমন...
28/08/2018

#গোপালকৃষ্ণ_বাবুর_পেন
#অমিতাভ_ব্যানার্জী
#বাংলা গল্প
https://www.galpo.in/book/book-details/2003583
গোপালকৃষ্ণ বাবু এমনিতে বড়ই সাদাসিধা লোক, স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে ঝগড়া করা বা কটু কথা বলার বদনাম তার নেই। সরকারি দশটা পাঁচটার চাকরি করেন, কলকাতার কাছেই মফস্বলের একটি শহর থেকে হাওড়ার ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে তার চাকরির চার ভাগের তিন ভাগ পার করে দিলেন। এমনিতে সাতে পাঁচে না থাকলেও তার একটাই দুর্বলতা, উনি ঠকে যাওয়া একদম পছন্দ করেন না। সে ঠকতে আর কেই বা পছন্দ করে, আর সবাই প্রতিশোধ ও নিতে চায়, তবে সম্ভব না হলে একটা সময় হাল ছেড়ে দেয়। কিন্তু গোপালকৃষ্ণ বাবুর ব্যাপারটা তার চেয়েও একটু বেশি। উনি কিছুতেই ভুলতে পারেননা। আর যতক্ষন না তার কোনো বিহিত হচ্ছে ততক্ষন তার মেজাজ তুঙ্গে থাকে, এবং এটা তার এক দু দিন নয় মাসের পর মাস চলতে থাকে। এমনও হয়েছে কখনো তিনি এরকম ঘটনার জন্য দুবছর পরেও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তার স্ত্রী এটাকে তার মাথার ব্যমো বলেই মেনে নিয়েছেন। ছেলে মেয়েও খুব একটা পাত্তা দেয়না, কিন্তু গোপালকৃষ্ণবাবুর ভবি ভুলবার নয়। এই কারনে তার উচ্চরক্তচাপের সমস্যাও দেখা দিয়েছে।
এমনিতে তিনি যে অঞ্চলে থাকেন সেখানে তিনি যেহেতু জন্ম থেকেই আছেন তাই তার পুরো অঞ্চলটাই প্রায় পরিচিত, এবং তাকেও বহু লোকই চেনে, তাই ওই অঞ্চলের বাজার হাটে তাকে বিশেষ ঠকাবার কারন নেই। যদিও বা কোনো নতুন লোক একটু আধটু চেষ্টা করার কথা ভাবে, তাহলেও তার কিছু কান্ড যা লোকের মুখে মুখে ফেরে তা জানার পর সে চেষ্টা থেকে তারা বিরতই থাকে।

 #বৈদ্যুতি_চুল্লী #শঙ্কর_চ্যাটার্জী http://www.galpo.in/book/book-details/2003544হারু ইলেক্ট্রিকের কাজ করছে প্রায় আট বছর...
18/08/2018

#বৈদ্যুতি_চুল্লী
#শঙ্কর_চ্যাটার্জী


http://www.galpo.in/book/book-details/2003544

হারু ইলেক্ট্রিকের কাজ করছে প্রায় আট বছর । এখন পুরোপুরি পাকা মিস্ত্রি হয়ে গেছে । ওর অধীনেই এখন তিনটে ছেলে কাজ করে । একটা দোকানও দিয়েছে । দিন রাত একটুও ফুরসৎ নেই ।
সেদিন সাত সকালেই মিউনিসিপ্যালিটির চেয়ারম্যানের ফোন এলো । " ...হারু , শ্মশান ঘাটের চুল্লিটা বিগড়েছে কাল রাত থেকে । আগেরবার তুই ঠিক করে দিয়েছিলিস । এখুনি একবার গিয়ে দেখ । তাড়াতাড়ি না ঠিক হলে খুব মুশকিল । "
হারুর সকালেই মেজাজটা গেলো বিগড়ে । গতবার চুল্লীতে কাজ করার সময়ই , কসম খেয়েছিলো । আর এই আগুন ঘরে ঢুকে সে কাজ কোনদিন করবে না । ওর ছেলেগুলো পর্যন্ত কাজ করতে চায় না । কেমন যেন একটা গা ছমছম করে ! যখনই মনে পড়ে যায় ...প্রতিদিন কত শত মড়া এখানে পোড়ে ! কিন্তু চেয়ারম্যানের মুখের ওপর ...না বলাটাও কঠিন ! বাধ্য হলো যেতে ।
আগে গিয়ে দেখতে হবে ...কোন শট সার্কিট হয়েছে কি না ? যদি বড়োসড়ো কোন ফল্ট হয়ে থাকে , তাহলে জানিয়ে দেবে ...ইঞ্জিনিয়ার ডেকে সারাতে । তার কম্মো নয় । সাইকেল নিয়ে একাই শ্মশানের দিকে চললো সে । মনে মনে ভাবলো , ...তার মানে এখন দাহের কাজ , কাঠের চিতায় ।
মিনিট দশেক বাদেই গঙ্গার দিকে রাস্তাটা ধরলো । অন্যান্য কাজ গুলোতে ছেলেগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছে । এবার শ্মশানের রাস্তাটা ধরলো । মুখে একটা বিড়ি ধরালো । শ্মশানের কাছাকাছি আসতেই মাংস পোড়ার গন্ধটা নাকে এসে লাগলো । বড়ো বট গাছটার পাশ দিয়ে শ্মশানের ভেতর ঢুকলো । কমিটির ঘরের সামনে এসে সাইকেলে লক করে দিলো ।
ঘরের ভেতর থেকে সৎকার সমিতির ছেলে... কমল বেরিয়ে এলো । " এসেছো হারু দা । আমি তোমার জন্যেই অপেক্ষা করছি । কাল রাত থেকে অকেজো হয়ে গেছে । "
এক মুখ বিরক্তি নিয়ে সাইকেলের হ্যান্ডেল থেকে যন্ত্রপাতির ব্যাগটা বার করলো হারু । " চুল্লির ঘরের শাটারটা খুলবে চলো । " সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠতে লাগলো ।
" এখুনি আসছি । " কমল বললো ।
একটু ওপরে উঠেই দেওয়াল ঘেরা জায়গাটায় দাঁড়ালো ও । এক কোনে এক গাদা শুকনো রজনীগন্ধা পড়ে আছে । একটা বোঁটকা গন্ধ সারা জায়গা জুড়ে ম ম করছে । আধ পোড়া কয়েক গোছা ধূপ কাঠি । খালি মধু আর ঘিয়ের শিশি ..। এসব দেখলেই ওর মনে কি রকম একটা অস্বস্তি জাগে । ...এরপর আবার আসল ঘরে ঢুকতে হবে । আগের বারে ঢুকে মনে হয়েছিল । ...একটা রাক্ষুসে হিটার ঘরে যেন ঢুকে পড়েছে ! সেবারে তবু সঙ্গে সহকারী মিহির ছিল । ও দেওয়ালে লাগানো বড়ো সুইচ বোর্ডটা দেখলো । আগে বরং এই মেইন সুইচগুলো চেক করা যাক । এখানে কোন তারের গন্ডগোল থাকলে , ল্যাঠা চুকে যায় ।
কিন্তু হারু কল্পনাও করতে পারে নি ...ইতিমধ্যেই সে বিরাট বিপদের মধ্যে ঢুকে পড়েছে !
স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে একমনে মেইন সুইচটা খুলছিল । এই সময় কমল পিছনে এসে চাবি হাতে দাঁড়ালো । খেয়াল করেনি ও " শাটারটা খুলবো নাকি ? " হঠাৎ গলার স্বরটা শুনে চমকে উঠলো হারু ।
হাত থেকে স্ক্রু ড্রাইভারটা পড়ে গেলো । " একটু সাড়া দিয়ে আসতে পারো নি ? " খেঁকিয়ে উঠলো । কমল বুঝলো , হারু দা ভয় পেয়ে গেছে । চুপ করে রইলো । সবে সকাল সাড়ে নটা । ￰চারদিকে রোদ ফটফট করছে ! কমলের মতো রাত বিরাতে এখানে থাকলে কি করতো ? মনে মনে ভাবে কমল । ও চাবি দিয়ে মড়া পোড়াবার ঘরের শাটারটা , ঘড়ঘড় করে খুললো । হারুর মনে হলো , ভয়ের দরজাটা কে যেন খুলে দিলো ! ...সেই চামড়া পোড়ার গন্ধটা নাকে ভক করে এসে ধাক্কা মারলো ।
" আমার হয়েছে জ্বালা । " কমল গজগজ করতে থাকে ..। " শেষ রাতে মড়াটা এলো । ভাগ্যিস , আধ পোড়া অবস্থায় চুল্লি খারাপ হয়ে যায় নি । তাহলে আরও কেলেঙ্কারি হতো । তবু পুরোটা ছাই হয় নি । "
" তুই থামবি । " হারুর গলা । এইসব কথা বলে আরও ওর মনে ভয় ঢোকাচ্ছে ছেলেটা । " আমি কিছু জানতে চেয়েছি ? " কমলের এবার রাগ এসে যায় ।
" বেশ , তুমি কাজ করো । আমি নিচে অফিস ঘরে আছি । যদি কেউ আবার মৃতদেহ নিয়ে আসে । অবশ্য অনেকেই এতক্ষনে খবর পেয়ে গেছে । সবাই চারু চন্দ্র ঘাটে চলে যাচ্ছে । " কমল সিঁড়ি বেয়ে নেমে গেলো । একটা নীরবতা নেমে এলো । মাটি থেকে স্ক্রু ড্রাইভারটা নিচু হয়ে কুড়োবার সময় হারুর চোখটা খোলা ইলেকট্রিক চুল্লির ভেতর গিয়ে পড়লো ।
কিছুটা ছাই পড়ে আছে । বাইরের হাওয়া ঢুকে পড়ার জন্যেই বোধহয় ছাই গুলো উড়ছে । চোখটা জোর করে সরিয়ে নিয়ে কাজে মন দিলো । কমলকে না চটালেই ভাল ছিল । হারু এমনিতে ভীতু নয় । কিন্তু এইসব জায়গায় এসে পড়লে ও কিরকম ভীতু হয়ে পড়ে ! সামনের বড়ো নিম গাছটার পাতাগুলো বাতাসে শির শির করে কাঁপছে । ঠিক যেন মানুষের মতো ভয় পেয়ে কাঁপছে ! ওর মনেও একটা শিরশিরানি ভাব লাগছে ।
মেইন সুইচ খুলে দেখলো সবই ঠিক আছে । তার মানে এবার ওকে ভেতরে ঢুকতে হবে । তখন কমলের বলা কথাটা মনে পড়ে গেলো । ও বললো মৃতদেহটা পুরো পোড়েনি ! তবে কি ছাইয়ের মধ্যে এখনও কিছু অবশিষ্ট পড়ে আছে ? কাজ মাথায় উঠলো । কমলকে ডেকে আনাই স্থির করলো ।
সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে দেখলো অফিস ঘরে তালা ঝুলছে । এপাশ ওপাশ তাকিয়েও কমলের দেখা পেলো না । সারা শ্মশান এলাকা খাঁ খাঁ করছে । মৃতদেহ না এলে কেই বা থাকবে ? গঙ্গার ছলাৎ ছলাৎ জলের শব্দ শুধু কানে আসছে ।
ওকে কিছু না বলে কোথায় গেলো ? এদিকে ওপরে চুল্লি ঘর খোলা পড়ে আছে ! ওখানে একা গিয়ে কাজ করতে হবে ভাবলেই ...হারুর বুক শুকিয়ে যাচ্ছে ! হঠাৎ একটা কথা মনে পড়ে গেলো ওর ! ...সাইকেলে চড়ে এখানে আসার সময় একটা মড়া পোড়ানোর গন্ধ পেয়েছিলো । কিন্তু এখানে , এই মূহুর্তে কোন মৃতদেহ দাহ হয় নি ! তবে ? সেইসময় কোনো আত্মা ওর পিছু নেয় নি তো ? শুনেছে , সে কাছাকাছি কোন অশুভ আত্মা থাকলে ! অমন বিটকেল গন্ধ ছাড়ে ! .. সুযোগ পেয়ে এতোক্ষনে কাঁধে ভর করেনি তো ? কথাগুলো মাথায় আসতেই , হাত পা গুলো কেমন অবশ অবশ লাগলো... ।
ভয় জিনিসটা একবার মনের মধ্যে ঢুকে পড়লেই বিপদ ..। মানুষকে একেবারে বশীভূত করে ফেলে । বিচার বুদ্ধি তখন কোন কাজ করে না । চারিদিকে ভুল দেখতে শুরু করে ! যেমন এই মুহূর্তে হারুর অবস্থা । ...এই বেলাতেও , ভয় ওকে পাকে পাকে ক্রমশ জড়িয়ে ধরতে শুরু করলো । মনেও পড়লো না , পকেটে মোবাইলটা রয়েছে । ইচ্ছে করলেই সবাইয়ের সাথে এখুনি যোগাযোগ করতে পারে ।
আচমকা ওর কানে ঘড়ঘড় করে শাটার টানার শব্দ টা এসে ঢুকলো । ওর মুখের সমস্ত রক্ত কে যেন এক নিমেষে ব্লটিং পেপার দিয়ে শুষে নিলো ...। ওখানে তো কেউ নেই ! নিজে থেকে শাটারটা বন্ধ হলো কি করে ? বুকটা ধড়ফড় করছে । যন্ত্রপাতির ব্যাগটা ফেলে রেখেই পালাবে ? কিন্তু কয়েকটা দামি যন্ত্র আছে । বড়ো একটা ঢোঁক গিললো ও ।
সিঁড়িটার দিকে ভয়ে ভয়ে তাকালো ! ...আচ্ছা .... এমনতো হতে পারে , কমল ওর চোখকে ফাঁকি দিয়েই ওপরে গেছে ! অন্যমনস্কতার জন্যে দেখতে পায় নি ! এবার মনে একটু সাহস এলো । ভাবনার ভূত মাথা থেকে নামতে শুরু করলো । দেশলাই জ্বালিয়ে একটা বিড়ি ধরালো । কিন্তু ওর মস্তিষ্কে অশুভ একটা সংকেত কেউ দিয়ে চলেছে । শ্মশানের গাছগুলোর ওপর দিয়ে একটা সকরুণ হাওয়া বয়ে চলেছে । বাতাসের কোন শব্দ শোনা যাচ্ছে না । শোনা যাচ্ছে শুধুমাত্র একটা আতঙ্কময় করুণ বিলাপ ধ্বনি । মনে হয় যেন কোন হতভাগ্যের শেষ কৃত্যের জন্যে কোন অশরীরির আর্তনাদ ! বাতাসের জলীয় কণাগুলো বয়ে আনছে , সেই বিষাদময় ওই ধ্বনির সকরুণ ব্যঞ্জনা !
￰বিড়িটা ফেলে দিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করলো মনকে শক্ত করতে । ব্যাগটা নামিয়ে এনে কেটে পড়তে হবে । হারু চুল্লি ঘরে যাবার জন্যে , সিঁড়ির প্রথম ধাপে পা দিয়েই চরম ভুলটা করে ফেললো । ...

হারু কমলের নাম ধরে ডাকতে ডাকতে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে লাগলো । নিজের কণ্ঠস্বর নিজের কানে শুনেও ভয়টা কমতে লাগলো । কিন্তু যার নাম ধরে ডাকা , তার কোন সাড়া শব্দ পাওয়া গেলো না ।
চুল্লির সামনে এসে ও অবাক হয়ে গেলো । শাটারটা পুরো খোলা ! ও নিজের কানে শুনেছে বন্ধ হবার ঘড়ঘড় শব্দ ! তাহলে আবার কখন খুললো ? তাও নিঃশব্দে ? এ যেন ভেলকি বাজি !
ওকে এবার ওই দুধারে তারের বড়ো বোর্ডগুলোর কভারটা খুলতে হবে । ...এইসময় চোখে পড়লো ছাই গুলোর ভেতর হাঁটু মুড়ে বসে , পিছন ঘুরে কে যেন কিছু খুঁজছে !
ভয়ের জায়গায় এবার রাগটা ফিরে এলো । ব্যাটা কমল , এখানে বসে মড়ার ছাই ঘাঁটছে ? আর সে গলা ফাটিয়ে ডাকছে ...কোন সাড়া দিচ্ছে না !
বিরক্তি কণ্ঠে বলে ওঠে । " কি রে কালা ! আমার ডাক কানে যাচ্ছে না ? এই ছাইয়ের ভেতর কি খুঁজছিস ? কি কি অংশ পোড়ে নি , তাই দেখছিস ? "
কমল হাঁটু গেড়ে বসেই জবাব দিলো । " কাল রাতে নাভিটা গঙ্গার জলে দেওয়া হয়নি ! ওটা জলে না দিলে আত্মার সদগতি হয় না । "
কমলের গলার আওয়াজটা কেমন যেন অচেনা ঠেকলো হারুর কানে । ওই ছোট্ট বদ্ধ ঘরে ওরা শুধু দুজন । মনে একটা সন্দেহ দেখা দিলো । এই কাজতো কমল করে না ...আর ও নিঃসন্দেহ যে , এটা কমলের গলার স্বর নয় । কেমন যেন ফ্যাঁসফেঁসে , ভেজা কণ্ঠ !
ইতিমধ্যে লোকটা ডান হাতে একটা মাংসের ডেলা নিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে । সরু পোড়া হাতটা হারুর দিকে বাড়িয়ে ধরে বললো ।
" ...এতক্ষনে শান্তি পেলাম । নিজের নাভিটা নিজের হাতেই গঙ্গা জলে ভাসিয়ে দিগে যাই । " হারু লোকটার মুখের দিকে তাকিয়ে ....একেবারে চমকে উঠলো । ...এটা কে ? মুখের জায়গায় শুধু পোড়া একটা মুন্ডু ! কি বীভৎস লাগছে ! মনে হচ্ছে এখুনি ওকে গলা টিপবে । ওর হাতের তালুতে রয়েছে একটা ছাই মাখানো মাংসের টুকরো । ওর কথায় নাভি ! একেই কাল রাতে শেষ পোড়ানো হয়েছিল !
ওই ভয়ঙ্কর দৃশ্য , আর কথাগুলো ওর সারা মনে ঢুকে পড়তেই ! আতঙ্কের শীতল নাগপাশ তার হৃৎপিণ্ডকে আষ্টে পিষ্টে জড়িয়ে ধরলো । দু চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলো । এরপরেই ওর গলা চিরে একটা বিকট ভয়ার্ত আর্তনাদ বেরিয়ে এলো । ওর স্নায়ুগুলো ভেঙে চুরে টুকরো টুকরো হয়ে যেতেই , পা ভেঙে মাটিতে দেহটা আছড়ে পড়লো ।
সেই সময় চা খেয়ে আর একটা গ্লাসে করে হারুর জন্যে নিয়ে এলো কমল । ...ওই ভয়ঙ্কর চিৎকার আর পড়ে যাওয়া শব্দ কানে আসতেই ....কমল ছুটে ওপরে চললো । নির্ঘাৎ কারেন্ট খেয়েছে হারু দা । © Sankar Chatterjee..
কমল ওখান থেকেই কাউন্সিলার , আর সেক্রেটারিকে ফোন করলো । কেননা , অজ্ঞান অবস্থায় হারুকে দেখে কমলের অভিজ্ঞ চোখ বুঝে গেছে ...রীতিমতো ভয়ে ও অজ্ঞান হয়ে গেছে ! তার কারণ হারুর মুখ জানান দিচ্ছে সে কথা । পুরো মুখটাই ভয়ের মুখোশ হয়ে গেছে ।
দিন পনেরো লেগেছিলো ওর স্বাভাবিক হতে ! কেননা চোখ বন্ধ করলেই সেই পোড়া চ্যালাকাঠের মতো হাড়ের নড়বড়ে কাঠামোটা সামনে ভেসে উঠতো !
হারুর মা ছেলের মুখে শুনে ঠাকুর বাড়ি গেলো । ￰প্রসাদী ফুল নিয়ে এসে মাথায় দিলো । ধীরে ধীরে হারুর মন থেকে সেই ভয়ঙ্কর দিনটা অস্পষ্ট হতে শুরু করলো ।
তারপর সে আবার কাজে লেগে পড়লো । এই কয়েক দিনে কাজের বেশ ক্ষতি হয়ে গেছে । এদিকে সামনেই বিশ্বকর্মা পূজো আসছে । বেশ কয়েকটা বারোয়ারিতে আলো , মাইক লাগানোর কাজ পেয়েছে । সারাদিন রাত ব্যস্ত । ওর মা ওকে বলে দিয়েছে , একা কোথাও যাবি না । সঙ্গে তোর সহকারী ...মিহিরকে অন্তত রাখবি ।
মায়ের এই কথাটা শুনে ওর মনে একটা খটকা লাগে ! কারণটা কি ? কি জন্যে এই সাবধান বাণী ? তবে কি এখনও কোন ভয়ের সম্ভাবনা আছে ? ....এইসময় পুরোনো কথাটা ওর মনে পড়ে যায় ! কোন আত্মা এখনও ওর ওপর ভর করে নেই তো ? সেই বট গাছের তলা দিয়ে শ্মশানে ঢোকার সময় , পচা চামড়া পোড়ার গন্ধ... ।
ওর ধারণা কিছুদিনের মধ্যেই সত্যিতে পরিণত হয়েছিল । .সেইদিন থেকেই ওকে ভূতে পেয়েছিলো ।....কেউ ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারে নি । এমন কি নিজেও নয় ..। যদি কখনও সুযোগ বা সময় পাই , আপনাকে সেই ঘটনাটাও জানাবো ।

13/08/2018

http://www.galpo.in/book/book-details/2003521

আদর্শ স্ত্রী
রত্না ঘোষ
" হ্যালো রজত বলছিস? শোন একটা সংবাদ আছে রে! সরকার দা মারা গেছেন।"
"কি বলছিস! সরকারদা, মানে আমাদের সরকার দা!"
"হ্যারে। এই রজত শোন না তোর গাড়িটা নিয়ে আয় । আমি সুজিত আর পবিত্র কেও বলেছি । চল আমরা চারজন একসাথে যাই। শেষ প্রণাম করে আসি।"
" কোথায় যেতে হবে?"
" কেন কল্যাণীতে? ওনার বাড়িতে ?"
" ও হো আজ তো রবিবার । উনি তো প্রায় শনিবার রাতে বাড়ি যান সোমবার সকালে আসেন। "
"কোথায় মীট করবো?"
" তুই গাড়ি নিয়ে এখানে চলে আয় সুজিত আর পবিত্র এখানেই আসবে।"
সরকারদা বছর দুয়েক হোল ট্রান্সফার হয়ে আমাদের অফিসে এসেছেন। আমাদের থেকে একটু বড়। তবে দেখে বোঝা যায় না । আরও অল্প বয়সি লাগে ।সব সময় ফিটফাট, চুল গোঁফে কলপ করা ইস্ত্রি করা জামা প্যান্ট পরে,কখনো বা কালারফুল টি-শার্ট পরে ,দামি জুতা পায়ে দিয়ে, সুগন্ধি মেখে, মোদ্দাকথা ফিটফাট হয়ে অফিসে আসতেন ।ভীষণ রসিক মানুষ সরকারদা । উনি থাকা মানেইআসর জমে ক্ষীর ।
ওনার মনটিও ছিল দরাজ। অফিস ক্যাণ্টিনে যদি একসাথে কোনদিন টিফিন করতে যেতাম, উনি কোনদিন আমাদের টাকা দিতে দিতেন না । প্যাকেট থেকে দামি সিগারেট বের করে আমাদের অফার করতেন।
গতবার অফিস পিকনিকে প্রথম দেখি সরকার বৌদি কে। সরকারদার থেকে বেশ ছোট বয়সে । তবে দুজনার প্রেম দেখার মত ।ওদের পাঁচ বছরের মেয়ে আছে একটা ।মেয়েটার আর বউদির মুখটা চোখে ভাসতেই মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল । সত্যিই ঐ রুপ ও যৌবন নিয়ে বৌদিই বা কিভাবে সারাটা জীবন চালাবেন। আর ওইটুকু বাচ্চা বাবাকে কতদিনই বা পেলো?বাচ্চাটার মুখটা চোখের সামনে ভেসে আসতেই নিজের ছেলের কথা মনে পড়ল । আমার ছেলেটাও তো ওর বয়সি ।আজ যদি আমার কিছু হয়ে যায় কিভাবে আমার সংসার চলবে ।
" পিনাকিদা চলে এসো।"--- রজতের গলা শুনে ভাবনায় ছেদ পড়ল ।
"আসছি ।"--বলে বাড়ির ভেতরে গেলাম । তুলি মানে আমার স্ত্রীর মুখোমুখি হতেই মনটা কেমন যেনো হু হু করে উঠলো । ওর কাছে গিয়ে ওর কাঁধে হাত রেখে ধরা গলায় বললাম সরকার দা হঠাৎ মারা গেছেন। আমরা ওনার বাড়ি কল্যাণীতে যাচ্ছি । তুমি টুবাইকে নিয়ে সাবধানে থেকো ।আসতে আমার দেরি হবে ।"---বলে ওকে বুকে জড়িয়ে ধরলাম জানিনা কেন এক সতীর্থর মৃত্যু হয়তো আমাকেও ভাবাচ্ছে ।
রজতের পাশে সামনে আমি বসলাম ।পেছনে সুজিত আর পবিত্র ।
পবিত্রই প্রথম বলল----" বড্ড ভালো মানুষ ছিলেন সরকারদা।"
" হ্যাঁ খুব আমুদেও ছিলেন"---+ সুজিত বলল
" সবচেয়ে বড় কথা বৌদির সাথে ওনার রসায়নটা সুন্দর ছিল বল ?"----রজত বলল।
" মেড ফর ইচ আদার ।" ----সুজিত বলল।
"আগেরবার পিকনিকে সরকারদা বৌদির কোমর ধরে কি সুন্দর বল ডান্স করছিল! বৌদি কি সুন্দর সাবলীল ভাবে অংশগ্রহণ করলেন !আমাদের গুলো তো লজ্জায় মরে ।"---রজত বলল-।
এই তোরা চুপ কর আর ভালো লাগছেনা। বলে ওদের থামিয়ে দিলাম। সবাই চুপচাপ আমি মাথাটা হেলিয়ে চোখ বন্ধ করে রইলাম ।কিন্তু ভাবনারা কিছুতেই সরকার দার উপর থেকেই যাচ্ছে না ।
সরকারদা কলকাতায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন । ওনার বাড়ি কল্যাণীতে। কোনদিন জিজ্ঞাসা করিনি কে কে আছে বাড়িতে?তবে মাসে একবার কি দুবার কল্যানী যান ।যে যে সপ্তাহে উনি কল্যানী যান না সেই সপ্তাহে শনিবার রাতে ওনার বাড়িতে মজলিস বসে । আমি কয়েকবার গিয়েছি । সরকারদা ফূর্তিবাজ লোক হওয়ায় ওনার সান্নিধ্য আমাদের বেশ ভালো লাগত। দামি ফরেন লিকার আমরা খেতাম । বৌদি চা বানিয়ে দিত । বৌদি কিন্তু বেশ সেজেগুজে সরকারদার কোল ঘেঁসে বসত। সরকারদা আমাদের সামনেই বৌদিকে মাঝে মাঝে হাল্কা আদর করতো। আমরা ঈর্ষা করতাম সরকার দার স্ত্রী ভাগ্যকে । আর রাগ হত নিজের জীবন সাথীর উপর । দু ঘন্টা ওখানে কাটিয়ে ঘরে ফিরে মিলত গঞ্জনা আর অপমান ।কোন দিন নেশার ঘোরে তুলিকে বলেও ফেলেছি ---"দেখে এসো সরকার বৌদিকে কিভাবে স্বামীকে সাথ দিতে হয়। নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে তো কোনদিন মানসিকতার পরিবর্তন হলো না ।". তুলি রাগে লজ্জায় ঘৃণায় পাশের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিত।
আমাদের সাথে একসাথে চাকরি করেও ব্যয়বহুল জীবন সরকার দা কিভাবে কাটাতো সে বিষয়ে আমাদের সবারই মনে প্রশ্ন ছিল । তবে আমরা এটাই ভেবেছি উনি ধনী ঘরের ছেলে । প্রচুর সম্পত্তির অধিকারী তাই ওনার জীবন যাপন অনেক স্বচ্ছল । জিজ্ঞেস করিনি আদার ব্যাপারির জাহাজের খবর নিয়ে কি দরকার?
আমাদের গাড়িটা এখন কল্যাণী রোড ধরে চলছে। রাস্তার দু দিকে শ্যামলীমায় পরিপূর্ণ ।বড় বড় জলাশয় আর পাটক্ষেত। ইট কাঠ পাথরের জঙ্গলে বসে ভাবতেই পারি না । কয়েক বছর আগেও বাইপাস দিয়ে গাড়ি করে গেলে যে সবুজ দেখা যেত এখন তা মেট্রোর লাইনের কংকাল আর ধুলো কাঁদা ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। রাস্তার দুদিকটা ভীষণ ভাল লাগছে ।কোমর জলে দাঁড়িয়ে চাষীরা পানিফল তুলছে। জায়গায় জায়গায় পাট জাগ দেয়া রয়েছে দেখলাম ।বেশ ভালো লাগছে।
কল্যানী শহর টা বেশ সাজানো ।সরকারদার বাড়ী শহর ছাড়িয়ে অনেকটা ভেতরে। লোককে জিজ্ঞেস করতে করতে যখন বাড়ির সামনে এলাম তখন বেলা এগারোটা । ওনার বাড়ির সামনে এসে থমকে গেলাম । চারজন চারজনের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে । কিছু কি ভুল হল ?
তবে বাড়ির পরিবেশ ও লোকজনের উদ্ভ্রান্ত চোখমুখ বলে দিচ্ছিল এখানে কিছু অঘটন অর্থাৎ কারো মৃত্যু হয়েছে ।
পায়ে পায়ে টালির চালের মাটির বাড়ির দিকে এগিয়ে গেলাম । ভালো করে দেখতে মৃতব্যক্তি সরকারদা কিনা। দেখি হ্যা সরকারদাই যেন টানটান হয়ে ঘুমিয়ে আছেন তক্তপোশের উপর । গায়ে অবশ্য দামি টি-শার্ট আর লুঙ্গি । কোন প্রশ্ন না করে ঘর থেকে বেরিয়ে যেখানে পুরুষদের জটলা সেখানে গেলাম । জানলাম ঘুমের মধ্যেই মারা গেছে ন ।
বৌদিকে খুঁজলাম ।তখন একজন বছর পঁচিশেক মহিলা যার চোখ অধিক ক্রন্দনে ফুলে গেছে । তিনি এসে আমাদের পরিচয় জেনে নমস্কার করে বললেন- -----"আমি ওনার মেয়ে । মা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ।মায়ের সাথে দেখা করবেন?"----এই বলে ঘরের পেছনের বারান্দায় নিয়ে গেল ।
সেখানে গিয়ে দেখি মধ্য বয়সী এক মহিলাকে পাড়ার মহিলারা ঘিরে বসে আছে। সবাই বলল মহিলা বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন ।
সমস্ত কিছু দেখে আমরা চারজন যে মানসিকতা নিয়ে এখানে এসেছিলাম তা আর রইল না ।হৃদয়ে শোকের লেশমাত্র নেই। অজস্র প্রশ্ন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে ।ওই মহিলা যদি ওনার স্ত্রী তবে কলকাতার উনি কে?
চারজনে চাপাস্বরে এসব নিয়ে যখন আলোচনা করছি তখন দেখি ওই পাড়ার কয়েকজন লোক আমাদের কাছে এসে স্বপ্রণোদিতভাবে জিজ্ঞেস করল,-------" আপনারা তো অফিসের লোক । আপনারা বলতে পারেন মেয়েটি চাকরি পাবে কিনা?- আপনাদের অফিসে? না হলে তো মা বেটিতে না খেয়ে মরবে।"
"দেখুন পাওয়াতো উচিত । কিন্তু সরকারদা স্ত্রী হিসাবে কাকে দেখিয়েছিলন অফিসে তা তো জানিনা ।"---সুজিত বললো
"মানে?"
"মানে আর কিছু নয় । সরকারদা অফিসে অন্য এক মহিলাকে স্ত্রী পরিচয় দিয়েছেন । সেখানে একটি পাঁচ বছরের মেয়েও আছে ।কাগজে কলমে কাকে দেখানো হচ্ছে তা তো জানিনা.....
।"
আমরা তিনজন ইশারা করে সুজিতকে থামালাম । তারপর বললাম,----" আগে সৎ কার হোক শ্রাদ্ধ শান্তি মিটুক তারপর বৌদিকে আর মেয়েটিকে নিয়ে আপনারা অফিসে আসুন।। কাগজপত্র ঘেঁটে দেখতে হবে।।"
নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সরকারদার মেয়ের হাতে দু হাজার টাকা দিয়ে ওখান থেকে চলে এলাম । শ্মশানে যাবার ইচ্ছেটা মরে গেছে । যত ওখানে থাকতাম ততই সকলের প্রশ্নে জর্জরিত হতাম ।তার থেকে পলায়নই শ্রেষ্ঠ উপায় মনে করলাম ।
বাড়ি এসে স্নান করে ফ্রেস হয়ে তুলিকে কাছে ডাকলাম । বুকের কাছে জড়িয়ে বললাম,-------" সরকার দার স্ত্রী সত্যই আদর্শ স্ত্রী । স্বামীর মৃত্যুতে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন।"

 # বাংলা গল্প  #সমুদ্র গৃহ   #সোমাবাজি কারখানার পেছন দিয়ে একটা অপরিণত রাস্তা চলে গেছে সদর বাজারের দিকে | যদিও এ রাস্তার ...
03/08/2018

# বাংলা গল্প
#সমুদ্র গৃহ
#সোমা
বাজি কারখানার পেছন দিয়ে একটা অপরিণত রাস্তা চলে গেছে সদর বাজারের দিকে | যদিও এ রাস্তার ব্যবহার কম | বাজি কারখানার ঠিকে শ্রমিকরা মূলত এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে | এদিক টা বাড়ি ঘর বলতে, লাগোয়া কটি ঘর পর পর জড়াজড়ি করে আছে | দূরে একটা
http://www.galpo.in/book/book-details/2000264

 #গল্প  #কর্কটক্রান্তি ২২   #সোমাবারাসাত ডিসট্রিক্ট ও সেশন কোর্টের সামনে যে জনতা উপছে পড়বে এমনটার আন্দাজ ইন্সপেক্টর অর্ঘ...
03/08/2018

#গল্প
#কর্কটক্রান্তি ২২
#সোমা
বারাসাত ডিসট্রিক্ট ও সেশন কোর্টের সামনে যে জনতা উপছে পড়বে এমনটার আন্দাজ ইন্সপেক্টর অর্ঘকমল বর্মণের ছিল, গত একমাস ধরে মিডিয়ার দৌলতে

03/08/2018

#কর্কটক্রান্তি 22
#সোমা

02/08/2018
আই জাস্ট কল্ড টু সে, আই লাভ ইউঅ্যান্ড আই মিন ইট ফ্রম দা বটম অফ মাই হার্ট....আই জাস্ট কল্ড...স্টিভি ওয়ান্ডার উর্মির বড় প্...
31/07/2018

আই জাস্ট কল্ড টু সে, আই লাভ ইউ
অ্যান্ড আই মিন ইট ফ্রম দা বটম অফ মাই হার্ট....আই জাস্ট কল্ড...

স্টিভি ওয়ান্ডার উর্মির বড় প্রিয় গায়ক, আরো প্রিয় তার এই গানটি, আর তাই এই রিংটোন করা। তবুও এই সাতসকালে দমবন্ধ করা ব্যস্ততার সময়, এক মাথা কন্ডিশনার নিয়ে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে বারবার হোঁচট খেয়ে ফিরে আসা গানটা মোটের উপর বিরক্ত লাগছে বেদম। কে করেছে কে জানে, পরিচিতরা সবাই জানে, উর্মি এই সময় ফোন ধরে না, অদ্ভুত পাবলিক তো, দেখছে যখন ফোন ধরছে না, একটু ওয়েট করে তো করবে। বাথরুম থেকেই উর্মি চেঁচালো

http://galpo.in/book/book-details/28

Address

Kolkata
700031

Telephone

03365652265

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BoiKart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BoiKart:

Share

Category