18/08/2018
#বৈদ্যুতি_চুল্লী
#শঙ্কর_চ্যাটার্জী
http://www.galpo.in/book/book-details/2003544
হারু ইলেক্ট্রিকের কাজ করছে প্রায় আট বছর । এখন পুরোপুরি পাকা মিস্ত্রি হয়ে গেছে । ওর অধীনেই এখন তিনটে ছেলে কাজ করে । একটা দোকানও দিয়েছে । দিন রাত একটুও ফুরসৎ নেই ।
সেদিন সাত সকালেই মিউনিসিপ্যালিটির চেয়ারম্যানের ফোন এলো । " ...হারু , শ্মশান ঘাটের চুল্লিটা বিগড়েছে কাল রাত থেকে । আগেরবার তুই ঠিক করে দিয়েছিলিস । এখুনি একবার গিয়ে দেখ । তাড়াতাড়ি না ঠিক হলে খুব মুশকিল । "
হারুর সকালেই মেজাজটা গেলো বিগড়ে । গতবার চুল্লীতে কাজ করার সময়ই , কসম খেয়েছিলো । আর এই আগুন ঘরে ঢুকে সে কাজ কোনদিন করবে না । ওর ছেলেগুলো পর্যন্ত কাজ করতে চায় না । কেমন যেন একটা গা ছমছম করে ! যখনই মনে পড়ে যায় ...প্রতিদিন কত শত মড়া এখানে পোড়ে ! কিন্তু চেয়ারম্যানের মুখের ওপর ...না বলাটাও কঠিন ! বাধ্য হলো যেতে ।
আগে গিয়ে দেখতে হবে ...কোন শট সার্কিট হয়েছে কি না ? যদি বড়োসড়ো কোন ফল্ট হয়ে থাকে , তাহলে জানিয়ে দেবে ...ইঞ্জিনিয়ার ডেকে সারাতে । তার কম্মো নয় । সাইকেল নিয়ে একাই শ্মশানের দিকে চললো সে । মনে মনে ভাবলো , ...তার মানে এখন দাহের কাজ , কাঠের চিতায় ।
মিনিট দশেক বাদেই গঙ্গার দিকে রাস্তাটা ধরলো । অন্যান্য কাজ গুলোতে ছেলেগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছে । এবার শ্মশানের রাস্তাটা ধরলো । মুখে একটা বিড়ি ধরালো । শ্মশানের কাছাকাছি আসতেই মাংস পোড়ার গন্ধটা নাকে এসে লাগলো । বড়ো বট গাছটার পাশ দিয়ে শ্মশানের ভেতর ঢুকলো । কমিটির ঘরের সামনে এসে সাইকেলে লক করে দিলো ।
ঘরের ভেতর থেকে সৎকার সমিতির ছেলে... কমল বেরিয়ে এলো । " এসেছো হারু দা । আমি তোমার জন্যেই অপেক্ষা করছি । কাল রাত থেকে অকেজো হয়ে গেছে । "
এক মুখ বিরক্তি নিয়ে সাইকেলের হ্যান্ডেল থেকে যন্ত্রপাতির ব্যাগটা বার করলো হারু । " চুল্লির ঘরের শাটারটা খুলবে চলো । " সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠতে লাগলো ।
" এখুনি আসছি । " কমল বললো ।
একটু ওপরে উঠেই দেওয়াল ঘেরা জায়গাটায় দাঁড়ালো ও । এক কোনে এক গাদা শুকনো রজনীগন্ধা পড়ে আছে । একটা বোঁটকা গন্ধ সারা জায়গা জুড়ে ম ম করছে । আধ পোড়া কয়েক গোছা ধূপ কাঠি । খালি মধু আর ঘিয়ের শিশি ..। এসব দেখলেই ওর মনে কি রকম একটা অস্বস্তি জাগে । ...এরপর আবার আসল ঘরে ঢুকতে হবে । আগের বারে ঢুকে মনে হয়েছিল । ...একটা রাক্ষুসে হিটার ঘরে যেন ঢুকে পড়েছে ! সেবারে তবু সঙ্গে সহকারী মিহির ছিল । ও দেওয়ালে লাগানো বড়ো সুইচ বোর্ডটা দেখলো । আগে বরং এই মেইন সুইচগুলো চেক করা যাক । এখানে কোন তারের গন্ডগোল থাকলে , ল্যাঠা চুকে যায় ।
কিন্তু হারু কল্পনাও করতে পারে নি ...ইতিমধ্যেই সে বিরাট বিপদের মধ্যে ঢুকে পড়েছে !
স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে একমনে মেইন সুইচটা খুলছিল । এই সময় কমল পিছনে এসে চাবি হাতে দাঁড়ালো । খেয়াল করেনি ও " শাটারটা খুলবো নাকি ? " হঠাৎ গলার স্বরটা শুনে চমকে উঠলো হারু ।
হাত থেকে স্ক্রু ড্রাইভারটা পড়ে গেলো । " একটু সাড়া দিয়ে আসতে পারো নি ? " খেঁকিয়ে উঠলো । কমল বুঝলো , হারু দা ভয় পেয়ে গেছে । চুপ করে রইলো । সবে সকাল সাড়ে নটা । চারদিকে রোদ ফটফট করছে ! কমলের মতো রাত বিরাতে এখানে থাকলে কি করতো ? মনে মনে ভাবে কমল । ও চাবি দিয়ে মড়া পোড়াবার ঘরের শাটারটা , ঘড়ঘড় করে খুললো । হারুর মনে হলো , ভয়ের দরজাটা কে যেন খুলে দিলো ! ...সেই চামড়া পোড়ার গন্ধটা নাকে ভক করে এসে ধাক্কা মারলো ।
" আমার হয়েছে জ্বালা । " কমল গজগজ করতে থাকে ..। " শেষ রাতে মড়াটা এলো । ভাগ্যিস , আধ পোড়া অবস্থায় চুল্লি খারাপ হয়ে যায় নি । তাহলে আরও কেলেঙ্কারি হতো । তবু পুরোটা ছাই হয় নি । "
" তুই থামবি । " হারুর গলা । এইসব কথা বলে আরও ওর মনে ভয় ঢোকাচ্ছে ছেলেটা । " আমি কিছু জানতে চেয়েছি ? " কমলের এবার রাগ এসে যায় ।
" বেশ , তুমি কাজ করো । আমি নিচে অফিস ঘরে আছি । যদি কেউ আবার মৃতদেহ নিয়ে আসে । অবশ্য অনেকেই এতক্ষনে খবর পেয়ে গেছে । সবাই চারু চন্দ্র ঘাটে চলে যাচ্ছে । " কমল সিঁড়ি বেয়ে নেমে গেলো । একটা নীরবতা নেমে এলো । মাটি থেকে স্ক্রু ড্রাইভারটা নিচু হয়ে কুড়োবার সময় হারুর চোখটা খোলা ইলেকট্রিক চুল্লির ভেতর গিয়ে পড়লো ।
কিছুটা ছাই পড়ে আছে । বাইরের হাওয়া ঢুকে পড়ার জন্যেই বোধহয় ছাই গুলো উড়ছে । চোখটা জোর করে সরিয়ে নিয়ে কাজে মন দিলো । কমলকে না চটালেই ভাল ছিল । হারু এমনিতে ভীতু নয় । কিন্তু এইসব জায়গায় এসে পড়লে ও কিরকম ভীতু হয়ে পড়ে ! সামনের বড়ো নিম গাছটার পাতাগুলো বাতাসে শির শির করে কাঁপছে । ঠিক যেন মানুষের মতো ভয় পেয়ে কাঁপছে ! ওর মনেও একটা শিরশিরানি ভাব লাগছে ।
মেইন সুইচ খুলে দেখলো সবই ঠিক আছে । তার মানে এবার ওকে ভেতরে ঢুকতে হবে । তখন কমলের বলা কথাটা মনে পড়ে গেলো । ও বললো মৃতদেহটা পুরো পোড়েনি ! তবে কি ছাইয়ের মধ্যে এখনও কিছু অবশিষ্ট পড়ে আছে ? কাজ মাথায় উঠলো । কমলকে ডেকে আনাই স্থির করলো ।
সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে দেখলো অফিস ঘরে তালা ঝুলছে । এপাশ ওপাশ তাকিয়েও কমলের দেখা পেলো না । সারা শ্মশান এলাকা খাঁ খাঁ করছে । মৃতদেহ না এলে কেই বা থাকবে ? গঙ্গার ছলাৎ ছলাৎ জলের শব্দ শুধু কানে আসছে ।
ওকে কিছু না বলে কোথায় গেলো ? এদিকে ওপরে চুল্লি ঘর খোলা পড়ে আছে ! ওখানে একা গিয়ে কাজ করতে হবে ভাবলেই ...হারুর বুক শুকিয়ে যাচ্ছে ! হঠাৎ একটা কথা মনে পড়ে গেলো ওর ! ...সাইকেলে চড়ে এখানে আসার সময় একটা মড়া পোড়ানোর গন্ধ পেয়েছিলো । কিন্তু এখানে , এই মূহুর্তে কোন মৃতদেহ দাহ হয় নি ! তবে ? সেইসময় কোনো আত্মা ওর পিছু নেয় নি তো ? শুনেছে , সে কাছাকাছি কোন অশুভ আত্মা থাকলে ! অমন বিটকেল গন্ধ ছাড়ে ! .. সুযোগ পেয়ে এতোক্ষনে কাঁধে ভর করেনি তো ? কথাগুলো মাথায় আসতেই , হাত পা গুলো কেমন অবশ অবশ লাগলো... ।
ভয় জিনিসটা একবার মনের মধ্যে ঢুকে পড়লেই বিপদ ..। মানুষকে একেবারে বশীভূত করে ফেলে । বিচার বুদ্ধি তখন কোন কাজ করে না । চারিদিকে ভুল দেখতে শুরু করে ! যেমন এই মুহূর্তে হারুর অবস্থা । ...এই বেলাতেও , ভয় ওকে পাকে পাকে ক্রমশ জড়িয়ে ধরতে শুরু করলো । মনেও পড়লো না , পকেটে মোবাইলটা রয়েছে । ইচ্ছে করলেই সবাইয়ের সাথে এখুনি যোগাযোগ করতে পারে ।
আচমকা ওর কানে ঘড়ঘড় করে শাটার টানার শব্দ টা এসে ঢুকলো । ওর মুখের সমস্ত রক্ত কে যেন এক নিমেষে ব্লটিং পেপার দিয়ে শুষে নিলো ...। ওখানে তো কেউ নেই ! নিজে থেকে শাটারটা বন্ধ হলো কি করে ? বুকটা ধড়ফড় করছে । যন্ত্রপাতির ব্যাগটা ফেলে রেখেই পালাবে ? কিন্তু কয়েকটা দামি যন্ত্র আছে । বড়ো একটা ঢোঁক গিললো ও ।
সিঁড়িটার দিকে ভয়ে ভয়ে তাকালো ! ...আচ্ছা .... এমনতো হতে পারে , কমল ওর চোখকে ফাঁকি দিয়েই ওপরে গেছে ! অন্যমনস্কতার জন্যে দেখতে পায় নি ! এবার মনে একটু সাহস এলো । ভাবনার ভূত মাথা থেকে নামতে শুরু করলো । দেশলাই জ্বালিয়ে একটা বিড়ি ধরালো । কিন্তু ওর মস্তিষ্কে অশুভ একটা সংকেত কেউ দিয়ে চলেছে । শ্মশানের গাছগুলোর ওপর দিয়ে একটা সকরুণ হাওয়া বয়ে চলেছে । বাতাসের কোন শব্দ শোনা যাচ্ছে না । শোনা যাচ্ছে শুধুমাত্র একটা আতঙ্কময় করুণ বিলাপ ধ্বনি । মনে হয় যেন কোন হতভাগ্যের শেষ কৃত্যের জন্যে কোন অশরীরির আর্তনাদ ! বাতাসের জলীয় কণাগুলো বয়ে আনছে , সেই বিষাদময় ওই ধ্বনির সকরুণ ব্যঞ্জনা !
বিড়িটা ফেলে দিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করলো মনকে শক্ত করতে । ব্যাগটা নামিয়ে এনে কেটে পড়তে হবে । হারু চুল্লি ঘরে যাবার জন্যে , সিঁড়ির প্রথম ধাপে পা দিয়েই চরম ভুলটা করে ফেললো । ...
হারু কমলের নাম ধরে ডাকতে ডাকতে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে লাগলো । নিজের কণ্ঠস্বর নিজের কানে শুনেও ভয়টা কমতে লাগলো । কিন্তু যার নাম ধরে ডাকা , তার কোন সাড়া শব্দ পাওয়া গেলো না ।
চুল্লির সামনে এসে ও অবাক হয়ে গেলো । শাটারটা পুরো খোলা ! ও নিজের কানে শুনেছে বন্ধ হবার ঘড়ঘড় শব্দ ! তাহলে আবার কখন খুললো ? তাও নিঃশব্দে ? এ যেন ভেলকি বাজি !
ওকে এবার ওই দুধারে তারের বড়ো বোর্ডগুলোর কভারটা খুলতে হবে । ...এইসময় চোখে পড়লো ছাই গুলোর ভেতর হাঁটু মুড়ে বসে , পিছন ঘুরে কে যেন কিছু খুঁজছে !
ভয়ের জায়গায় এবার রাগটা ফিরে এলো । ব্যাটা কমল , এখানে বসে মড়ার ছাই ঘাঁটছে ? আর সে গলা ফাটিয়ে ডাকছে ...কোন সাড়া দিচ্ছে না !
বিরক্তি কণ্ঠে বলে ওঠে । " কি রে কালা ! আমার ডাক কানে যাচ্ছে না ? এই ছাইয়ের ভেতর কি খুঁজছিস ? কি কি অংশ পোড়ে নি , তাই দেখছিস ? "
কমল হাঁটু গেড়ে বসেই জবাব দিলো । " কাল রাতে নাভিটা গঙ্গার জলে দেওয়া হয়নি ! ওটা জলে না দিলে আত্মার সদগতি হয় না । "
কমলের গলার আওয়াজটা কেমন যেন অচেনা ঠেকলো হারুর কানে । ওই ছোট্ট বদ্ধ ঘরে ওরা শুধু দুজন । মনে একটা সন্দেহ দেখা দিলো । এই কাজতো কমল করে না ...আর ও নিঃসন্দেহ যে , এটা কমলের গলার স্বর নয় । কেমন যেন ফ্যাঁসফেঁসে , ভেজা কণ্ঠ !
ইতিমধ্যে লোকটা ডান হাতে একটা মাংসের ডেলা নিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে । সরু পোড়া হাতটা হারুর দিকে বাড়িয়ে ধরে বললো ।
" ...এতক্ষনে শান্তি পেলাম । নিজের নাভিটা নিজের হাতেই গঙ্গা জলে ভাসিয়ে দিগে যাই । " হারু লোকটার মুখের দিকে তাকিয়ে ....একেবারে চমকে উঠলো । ...এটা কে ? মুখের জায়গায় শুধু পোড়া একটা মুন্ডু ! কি বীভৎস লাগছে ! মনে হচ্ছে এখুনি ওকে গলা টিপবে । ওর হাতের তালুতে রয়েছে একটা ছাই মাখানো মাংসের টুকরো । ওর কথায় নাভি ! একেই কাল রাতে শেষ পোড়ানো হয়েছিল !
ওই ভয়ঙ্কর দৃশ্য , আর কথাগুলো ওর সারা মনে ঢুকে পড়তেই ! আতঙ্কের শীতল নাগপাশ তার হৃৎপিণ্ডকে আষ্টে পিষ্টে জড়িয়ে ধরলো । দু চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলো । এরপরেই ওর গলা চিরে একটা বিকট ভয়ার্ত আর্তনাদ বেরিয়ে এলো । ওর স্নায়ুগুলো ভেঙে চুরে টুকরো টুকরো হয়ে যেতেই , পা ভেঙে মাটিতে দেহটা আছড়ে পড়লো ।
সেই সময় চা খেয়ে আর একটা গ্লাসে করে হারুর জন্যে নিয়ে এলো কমল । ...ওই ভয়ঙ্কর চিৎকার আর পড়ে যাওয়া শব্দ কানে আসতেই ....কমল ছুটে ওপরে চললো । নির্ঘাৎ কারেন্ট খেয়েছে হারু দা । © Sankar Chatterjee..
কমল ওখান থেকেই কাউন্সিলার , আর সেক্রেটারিকে ফোন করলো । কেননা , অজ্ঞান অবস্থায় হারুকে দেখে কমলের অভিজ্ঞ চোখ বুঝে গেছে ...রীতিমতো ভয়ে ও অজ্ঞান হয়ে গেছে ! তার কারণ হারুর মুখ জানান দিচ্ছে সে কথা । পুরো মুখটাই ভয়ের মুখোশ হয়ে গেছে ।
দিন পনেরো লেগেছিলো ওর স্বাভাবিক হতে ! কেননা চোখ বন্ধ করলেই সেই পোড়া চ্যালাকাঠের মতো হাড়ের নড়বড়ে কাঠামোটা সামনে ভেসে উঠতো !
হারুর মা ছেলের মুখে শুনে ঠাকুর বাড়ি গেলো । প্রসাদী ফুল নিয়ে এসে মাথায় দিলো । ধীরে ধীরে হারুর মন থেকে সেই ভয়ঙ্কর দিনটা অস্পষ্ট হতে শুরু করলো ।
তারপর সে আবার কাজে লেগে পড়লো । এই কয়েক দিনে কাজের বেশ ক্ষতি হয়ে গেছে । এদিকে সামনেই বিশ্বকর্মা পূজো আসছে । বেশ কয়েকটা বারোয়ারিতে আলো , মাইক লাগানোর কাজ পেয়েছে । সারাদিন রাত ব্যস্ত । ওর মা ওকে বলে দিয়েছে , একা কোথাও যাবি না । সঙ্গে তোর সহকারী ...মিহিরকে অন্তত রাখবি ।
মায়ের এই কথাটা শুনে ওর মনে একটা খটকা লাগে ! কারণটা কি ? কি জন্যে এই সাবধান বাণী ? তবে কি এখনও কোন ভয়ের সম্ভাবনা আছে ? ....এইসময় পুরোনো কথাটা ওর মনে পড়ে যায় ! কোন আত্মা এখনও ওর ওপর ভর করে নেই তো ? সেই বট গাছের তলা দিয়ে শ্মশানে ঢোকার সময় , পচা চামড়া পোড়ার গন্ধ... ।
ওর ধারণা কিছুদিনের মধ্যেই সত্যিতে পরিণত হয়েছিল । .সেইদিন থেকেই ওকে ভূতে পেয়েছিলো ।....কেউ ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারে নি । এমন কি নিজেও নয় ..। যদি কখনও সুযোগ বা সময় পাই , আপনাকে সেই ঘটনাটাও জানাবো ।