Sri Nitai Gour's Ashraya

Sri Nitai Gour's Ashraya Krishna Bhavanamrita preaching is our Goal in every where in this world, ISKCON, Sridham Mayapur, Nadia, W.B - 741313, INDIA

শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ, তৃতীয় অধ‌্যায়,   কর্মযোগ, শ্লোক   ৩৩সদৃশং চেষ্টতে স্বস্যাঃ প্রকৃতেজ্ঞানবানপি ।                  ...
01/12/2025

শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ, তৃতীয় অধ‌্যায়, কর্মযোগ, শ্লোক ৩৩

সদৃশং চেষ্টতে স্বস্যাঃ প্রকৃতেজ্ঞানবানপি । প্রকৃতিং যান্তি ভূতানি নিগ্রহঃ কিং করিষ্যতি ॥ ৩৩ ॥

সদৃশম্-অনুরূপভাবে; চেষ্টতে-চেষ্টা করে; স্বস্যাঃ-স্বীয়; প্রকৃতেঃ-প্রকৃতির গুণ; জ্ঞানবান-জ্ঞানবান; অপি-যদিও; প্রকৃতিম্-স্বভাবকে; যান্তি-অনুগমন করেন; ভূতানি-সমস্ত জীব; নিগ্রহঃ-দমন; কিম্-কি; করিষ্যতি করতে পারে।

গীতার গান

বহুকাল হতে যারা প্রকৃতির বশ ।
নিগ্রহ করিতে নারে হইয়া বিবশ ।

অনুবাদ:

জ্ঞানবান ব্যক্তিও তাঁর স্বভাব অনুসারে কার্য করেন, কারণ প্রত্যেকেই ত্রিগুণজাত তাঁর স্বীয় স্বভাবকে অনুগমন করেন। সুতরাং নিগ্রহ করে কি লাভ হবে?

তাৎপর্য:

কৃষ্ণভাবনার অপ্রাকৃত স্তরে অধিষ্ঠিত না হতে পারলে জড়া প্রকৃতির গুণের প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়া যায় না। ভগবদ্গীতার সপ্তম অধ্যায়ে (৭/১৪) ভগবান সেই কথা প্রতিপন্ন করেছেন। তাই, এমন কি উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তির পক্ষেও কেবলমাত্র ধারণাগত জ্ঞান অথবা দেহ থেকে আত্মাকে পৃথক করেও মায়ার বন্ধন থেকে বেরিয়ে আসা অসম্ভব। বহু তথাকথিত তত্ত্ববিদ আছে, যারা ভগবৎ-তত্ত্বদর্শন লাভ করার অভিনয় করে, কিন্তু অন্তর তাদের সম্পূর্ণভাবে মায়ার দ্বারা আচ্ছন্ন। তারা সম্পূর্ণভাবে মায়ার গুণের দ্বারা আবদ্ধ। পুঁথিগত বিদ্যায় কেউ খুব পারদর্শী হতে পারে, কিন্তু বহুকাল ধরে মায়াজালে আবদ্ধ থাকার ফলে সে জড় বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে না। জীব সেই বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে কেবল মাত্র কৃষ্ণভাবনার প্রভাবে এবং এই কৃষ্ণচেতনা থাকলে সংসার-ধর্ম পালন করেও জড় বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায়। তাই, ভগবৎ-তত্ত্বজ্ঞান লাভ না করে হঠাৎ ঘর- বাড়ি ছেড়ে, তথাকথিত যোগী অথবা কৃত্রিম পরমার্থবাদী সেজে বসলে কোনই লাভ হয় না। তার থেকে বরং নিজ নিজ আশ্রমে অবস্থান করে কোন তত্ত্ববেত্তার নির্দেশে কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করার চেষ্টা করা উচিত। এভাবেই ভগবৎ-তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার ফলে মানুষ মায়ামুক্ত হতে পারে।

18/05/2025

Digha Jagannath Mandir

২১ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত, এই শ্রীগৌড় মন্ডল দর্শন যাত্রা ৭ দিন গাড়িতে ভ্রমণ থাকা ও প্রাসাদম, *জনপ্রতি রেজিস্...
12/10/2024

২১ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত, এই শ্রীগৌড় মন্ডল দর্শন যাত্রা ৭ দিন গাড়িতে ভ্রমণ থাকা ও প্রাসাদম, *জনপ্রতি রেজিস্ট্রেশন ৫০০০/-মাত্র।*

অনতি বিলম্বে যোগাযোগ করুন : 9434343222
হোয়াটসঅ্যাপ:
https://wa.me/918392036392

আসন সীমিত, মাত্র ৫০। সময় খুব কম অনুগ্রহ করে দ্রুত যোগাযোগ করুন....💐

From 21st October to 27th October 2024, this Sri Gauda Mandala Darshan Yatra is for 7 day's, with Staying, transportatio...
12/10/2024

From 21st October to 27th October 2024, this Sri Gauda Mandala Darshan Yatra is for 7 day's, with Staying, transportation and Prasadam *Registration only 5000/- per person*.

Contact without delay : 9434343222
Whatsapp: https://wa.me/8392036392

Seats are limited, only 50. Time is very short please contact quickly....💐

Sridham Mayapur is the Spiritual kingdom
08/10/2024

Sridham Mayapur is the Spiritual kingdom

হরে কৃষ্ণ ৫২৪৬_তম_দামোদরসুধী ভক্তসজ্জন, আগামী ১৭ই অক্টোবর লক্ষ্মীপূর্ণিমা তিথি থেকে শুরু হচ্ছে দামোদর ব্রত, চলমান থাকবে ...
19/09/2024

হরে কৃষ্ণ ৫২৪৬_তম_দামোদর

সুধী ভক্তসজ্জন, আগামী ১৭ই অক্টোবর লক্ষ্মীপূর্ণিমা তিথি থেকে শুরু হচ্ছে দামোদর ব্রত, চলমান থাকবে আগামী ১৫ই নভেম্বর, ২০২৪ রাসপূর্ণিমা পর্যন্ত।

চাতুর্মাস্যের চর্তুথ মাস অর্থাৎ কার্তিক মাসকে বলা হয় দামোদর মাস, কেননা এই মাসটি ভগবান দামোদর রূপের আরাধনার জন্য নির্দিষ্ট। মা যশোদা শিশু কৃষ্ণকে দাম বা রজ্জুর দ্বারা বন্ধন করেছিলেন--সেজন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের একটি নাম হল দামোদর।

জানা_অবশ্য : দামোদর লীলা সংগঠিত হয়েছিল আজ থেকে ৫২৪৬ বছর পূর্বে এবং সেদিন ছিল দীপাবলি মহোৎসব। দামোদর লীলায় শ্রীকৃষ্ণের বয়স ছিল ৩ বছর ৪ মাস।

অন্যান্য_উৎসব : দামোদর মাসে দামবন্ধন লীলা ছাড়াও অন্নকূট মহোৎসব, রাধাকুন্ড ও শ্যামকুন্ডের আবির্ভাব তিথি (বহুলাষ্টমী), তুলসী-শালগ্রাম বিবাহ, গোপাষ্টমী, বলিদৈত্যরাজপূজা, ভীষ্মপঞ্চক, গিরি-গোবর্ধন পূজা ও দীপাবলি লীলাও সংগঠিত হয়েছিল।

সময়কাল : আগামী ১৭ই অক্টোবর লক্ষ্মীপূর্ণিমা তিথি থেকে শুরু হচ্ছে দামোদর ব্রত, চলমান থাকবে আগামী ১৫ই নভেম্বর, ২০২৪ রাসপূর্ণিমা পর্যন্ত।

ব্রত_পালনের_সুফল
--------------------

▪দামোদর মাসে অন্নাদি দান, হোম, তপস্যা, জপ করলে তা অক্ষয় ফলপ্রদা হয়।

▪সর্বতীর্থে যে স্নান, সর্বদানের যে ফল তা দামোদর মাসের কোটি অংশের একাংশেরও সমান হয় না।

▪যে মানব দামোদর মাসে শ্রীবিষ্ণু মন্দির প্রদক্ষিণ করার ফলে সে পদে পদে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফলভোগী হয়।

▪দামোদর মাসে শ্রীহরির সম্মুখে নৃত্য, গীত, বাদ্যধ্বনি এবং ভক্তিসহকারে কীর্তন করার ফলে অক্ষয়পদ বিষ্ণুধাম প্রাপ্ত হওয়া যায়।

▪হে মুনিবর! পবিত্র দামোদর মাসে যিনি হরিকথা শ্রবণ করেন, তিনি শতকোটি জন্মের আপদসমূহ হতে নিস্তার পান।

▪দামোদর মাসে নিমেষার্দ্ধকাল দীপদান করার ফলে সহস্রকোটি কলা অর্জিত বহু পাপ বিনষ্ট হয়।
👇
দামোদর_ব্রত_মাহাত্ম্য, স্কন্দ পুরাণ]


না_পালনের_কুফল
------------------

▪যে গৃহী দামোদর ব্রত পালন না করেন, তার অন্যান্য ধর্মাচরণ বৃথা হয়, কল্পকাল নরকবাসী হয় এবং পিতৃমাতৃ ঘাতক সমতুল্য ও পশু-পাখি যোনিতে জন্ম লাভ করে।

▪হে মুনিবর! যে মানব দামোদর ব্রত না করে, সে ব্রহ্মঘাতী, গোঘাতী, স্বর্ণচোর ও সর্বদা মিথ্যাবাদী।

▪হে বিপেন্দ্র! বহু পূজা করে এবং শতবার পিতৃ-মাতৃগণের শ্রাদ্ধ করেও দামোদর ব্রত না করার ফলে স্বর্গপ্রাপ্তি হয় না।

▪দামোদর ব্রত না করলে যে উৎকৃষ্ট দান, সুমহান তপস্যা ও জপ সকলই বিফল হয়।

▪হে নারদ! দামোদর মাস সদৃশ উত্তম বৈষ্ণব ব্রত পালন না করলে সপ্ত জন্মার্জিত পুণ্য বৃথা হয়।
👇
ব্রহ্মা_নারদ_সংবাদ, স্কন্দ পুরাণ]


করণীয়
------------
এই মাস সর্বাপেক্ষা ভগবানের প্রিয় বলে প্রতিদিন ভগবান দামোদরের অর্চন, প্রাতঃস্নান, দীপদান, দামোদরাষ্টকম্ পাঠ (সত্যব্রত মুনি প্রণীত) ও দান ব্রতাদি পালন করবেন। মন্দির প্রদক্ষিণ, শাস্ত্র অধ্যয়ন এবং হরিকথা শ্রবণের ফলে পুনর্জন্ম রহিত হয়।
👇
(শ্রীশ্রীহরিভক্তিবিলাস)


বর্জনীয়
------------
দামোদর মাসে মৎস্য, মাংস ভক্ষণে নরকত্ব প্রাপ্ত হয়। (ঔষধ হিসেবেও বর্জনীয়), মাসকলাই (অড়হর ডাল), বরবটি, শিম, কলমী শাক, পটল, বেগুল, তৈল, মধু, কাসার পাত্রে ভোজন ও পঁচা বাসি দ্রব্য বর্জন। দিবশয্যা ও শ্রীসঙ্গ দামোদর মাসে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
👇
( #শ্রীশ্রীহরিভক্তিবিলাস)


#শ্রীল_জয়পতাকা_উবাচঃ
----------------------

|| প্রকৃতপক্ষে স্কন্দ-পুরাণ ও অন্যান্য পুরাণ হতে আমরা জানতে পারি যে, যদি আমরা (দামোদর মাসে) শ্রীবিগ্রহগণকে প্রদীপ নিবেদন করি তাহলে ১০০০ গুণ সুফল লাভ করি এবং অন্যান্য কাজের জন্য ১০০ গুণ সুফল লাভ করি ||

🔥
#প্রদীপ_দেখানোর_নিয়মাবলী
------------------------
ঘৃত বা তিলের তৈল যুক্ত কর্পূর মিশ্রিত প্রদীপ দ্বারা ভক্তি সহকারে ভগবানের চরণে(👣)চারবার, নাভি দেশে(⛄)দুইবার, মুখমন্ডলে(😊)তিনবার এবং সর্বাঙ্গে(🧍‍)সাতবার ডানদিক থেকে প্রদীপ ঘুরিয়ে আরতি করুন। মাটির প্রদীপ একবারই ব্যবহারযোগ্য।

🌿সকলের মঙ্গল কামনায়

``দামোদর মাস মানেই ১০০০ গুণ বোনাসের মাস। পড়ুন কিভাবে?....................................................................
৩০০০ বার বিষ্ণু নামে ১ বার কৃষ্ণ নামের সমান হয়। আর এই দামোদর মাসে মাত্র ১ বার কৃষ্ণ নাম নিলে ১০০০ বার কৃষ্ণ নামের সমান হয়।
আমরা জানি, প্রতিদিন ১৬ মালা করে ১ কোটি মহামন্ত্র জপ করতে প্রায় ১৬ বছর সময় লাগে।
কিন্তু এই দামোদর মাসে ভগবান আমাদেরকে একটি বিশেষ বোনাস উপহার দিচ্ছেন।
মাত্র ১ বার কৃষ্ণ নাম নিলে ১০০০ বার কৃষ্ণ নামের সমান হবে। অর্থাৎ ১০০০ গুণ বেশি ফল পাওয়া যাবে।
যদি কেউ প্রতিদিন ১৬ মালা জপ করেন তাহলে অনায়াসে সে এই ৩০ দিনেই প্রায় ৫ কোটি মহামন্ত্র জপের সমান ফল পাবেন। অর্থাৎ প্রায় ৮০ বছরের ফল পাচ্ছেন মাত্র এই ১ মাসে।
তাই এই দামোদর মাসকে ভগবানের বিশেষ বোনাসের মাসও বলা হয়।

আচ্ছা আপনি কি দামোদর মাস পালন করতে পারেন বা জানেন কি দামোদর মাস পালন করতে কি কি নিয়ম মানতে হয়?

#হরে_কৃষ্ণ

দামোদর মাসের মাহাত্ম্য
" দামোদর মাস একটি অত্যন্ত বিশেষ মাস। কারণ এই মাসে আপনি যাই করুন না কেন তার জন্য আপনি বহুগুণ বেশি সুফল লাভ করবেন। শংখাসুর নামক এক ভয়ঙ্কর অসুর ছিল যার ভয়ে দেবতারা মেরু পর্বতে লুকিয়ে ছিল। সে জানতো না তারা কোথায় ছিল। তাই সে সত্যলোকে গিয়ে মূর্তিমান বেদসমূহকে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিল। কেননা এই উপায়ে দেবতারা তাদের কাছে বেদ না থাকায় শক্তি হারাবে, ফলে সে রাজত্ব করতে পারবে। তাই সে সত্যলোকের দিকে ধাবিত হয়। কিন্তু মূর্তিমান বেদসমূহ তার আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যান; সে তাদের তাড়া করে। তারা জলে লুকিয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেদের জলে দ্রবীভূত করে রাখে। সে ভাবল তারা নিশ্চয়ই কোথাও লুকিয়ে আছে। তাই সে জলের নিচের গুহা, পর্বত আদি খুঁজে দেখতে লাগল, "মূর্তিমান বেদসমূহ কোথায়?" কিন্তু বেদসমূহ জলে মিশে ছিল। তাই দেবতারা ভাবল এই আমাদের সুযোগ, আমাদেরকে যেতে হবে; শুধুমাত্র বিষ্ণুই আমাদের রক্ষা করতে পারে। তাই তারা ক্ষীরসমুদ্রে গিয়ে জপ করতে শুরু করল - তারা ভাবল, "যেহেতু এটি বর্ষা ঋতুর শেষ মাস, ভগবান এখন বিশ্রাম গ্রহণ করেন। যদি আমরা হঠাৎ তাঁকে জাগিয়ে তুলি হয়তো তিনি রেগে যেতে পারেন এবং তা ঠিক হবে না। তাই চলুন আমরা সকলে হরে কৃষ্ণ জপ করি এবং এভাবে যখন তিনি জেগে উঠবেন তিনি ভীষণ আনন্দিত হবেন।" তাই তারা জপ করতে শুরু করল...

কীর্তন:
গুরুমহারাজ: হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে / হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।
ভক্তবৃন্দ: হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে / হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণু জেগে উঠে সমস্ত দেবতাদের জপ করতে দেখে সত্যিই খুব আনন্দিত হলেন। তিনি এতটাই আনন্দিত হলেন যে তিনি বললেন, "এই মাসের এই তিথিতে যেকোন কৃষ্ণভাবনাময় বা পারমার্থিক কর্ম করা হোক না কেন আমি তার জন্য ১০০ গুণ বেশি সুফল প্রদান করব"

হরিবোল! (গুরুমহারাজ বললেন)। হরিবোল! (ভক্তরাও বললেন)।

তিথিটি ছিল একাদশী তিথি এবং মাসটি ছিল দামোদর অথবা কার্তিক। হরে কৃষ্ণ! তাই এই দামোদর মাসে আপনারা ১০০ গুণ বেশি সুফল লাভ করেন।

প্রকৃতপক্ষে স্কন্দপুরাণ ও অন্যান্য পুরাণ থেকে আমরা জানতে পারি যে যদি আমরা শ্রীবিগ্রহগণকে প্রদীপ নিবেদন করি তাহলে সেজন্য আমরা ১০০০ গুণ সুফল লাভ করি এবং অন্যান্য কাজের জন্য ১০০ গুণ সুফল লাভ করি। কিন্তু শ্রীবিগ্রহগণকে প্রদীপ নিবেদন সত্যিই ভীষণ শুভ। প্রকৃতপক্ষে এটি আপনার পিতৃপুরুষদের মুক্ত করতে পারে। তাই আমরা আমাদের ভক্তদেরকে উৎসাহিত করছি যেন তারা অন্যদেরকে জপ করতে উদ্বুদ্ধ করেন।"

-শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ।
২১শে অক্টোবর,২০১০।
ইসকন চৌপাটি।

দামোদর মাসের লক্ষ্য!

"বহু বছর পূর্বে, যখন আমি মালয়েশিয়া ভ্রমণ করছিলাম আমি এক সুবিশাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলাম, যা বিভিন্ন পুরাণ থেকে সংগৃহীত দামোদর মাসের মহিমার প্রমাণসহ ব্যানারের মাধ্যমে সুশোভিত করা হয়েছিল। বৈদিক সাহিত্যে এ বিষয়ে অনেক প্রমাণ পাওয়া যায় যে দামোদর মাস ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কতটা প্রিয়। এই মাসে পূর্বপুরুষেরা উদ্ধারপ্রাপ্ত হতে পারে যদি সেই পরিবারের একজন ভক্ত দীপদান করেন। সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলো এই মাসে কোনো ব্যক্তি শুদ্ধভক্তি প্রাপ্ত হতে পারেন।

মিলনায়তনের আলো নেভানো হলো এবং মোমবাতি হাতে শিশুদের একটি শোভাযাত্রা এসে উপস্থিত হলো। একটি শিশু হাতে কিছু ধরে ছিল যা বাঁশির মতন দেখাচ্ছিল কিন্তু আসলে এটি ছিল একটি মোড়ানো কাগজ। সে সেই মোড়ানো কাগজটি আমার হাতে দিল, এবং সেই কাগজে ভগবান দামোদরের সেবার উদ্দেশ্যে ভক্তদের পরিকল্পনা ব্যক্ত ছিল- "আমাদের লক্ষ্য হলো কার্তিক মাসে ১০০৮ টি গৃহে দামোদর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা! "

যখন আমি এই বার্তাটি উচ্চৈঃস্বরে পড়লাম, সমবেত শ্রোতা ভক্তমণ্ডলী আনন্দে উল্লসিত হলো এবং হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন শুরু হলো।

মালয়েশিয়ান ভক্তগণ পরবর্তী বছরটি সম্পূর্ণরূপে সেই সংকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন, এবং সবকিছু বাস্তবসম্মতভাবেই আয়োজন করা হয়েছিল। তাদের সুচারু পরিকল্পনা সুসম্পন্ন হলো - তারা ১৩০০টি গৃহে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এবং সর্বমোট ১২,০০০ ঘৃতপ্রদীপ ভগবান দামোদরের উদ্দেশ্যে অর্পণ করা হয়েছিল।

এই অভিযানের ফলে অনেক নতুন মানুষ কৃষ্ণভাবনামৃতের স্বাদগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছিল, এবং ভক্তেরা সেই নবাগতদের ভক্তিযোগের স্বাদ আস্বাদনের জন্য নিয়মিত নামহট্ট অনুষ্ঠান এবং মন্দিরের উৎসবে আসার আমন্ত্রণ জানালেন। এটি এক অনন্যসাধারণ এবং শক্তিশালী শাস্ত্রসম্মত কার্যক্রম।
এই ধরনের কার্যক্রম অন্যান্য উপলক্ষেও আয়োজন করা যেতে পারে, যেমন পূর্ববর্তী আচার্যদের আবির্ভাব ও তিরোভাব দিবসে এবং একাদশীতে। বৈশাখ মাস (এপ্রিল- মে) হলো ব্রতপালনের জন্য আরেকটি পবিত্র সময়। যখনই কৃপালাভের সুযোগ পাওয়া যায়, ভক্তেরা ভক্তিযোগে অধিকতর যুক্ত হতে এবং প্রচার-প্রসারের উদ্দেশ্যে এধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন। "

~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী

দামোদর শুভেচ্ছাবার্তা- শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ।

" তো আমরা দামোদর মাসের ঠিক প্রাক্কালে আছি। আমরা পূর্ববর্তী মাসের শেষার্ধে আছি, যা আশ্বিন নামে পরিচিত এবং পরবর্তী মাস কার্তিককে বৈষ্ণবেরা দামোদর মাস বলে জানেন। উদ্ভূত শাস্ত্রসমূহে এই দামোদর মাস পালনের মাহাত্ম্য সম্পর্কে অনেক বিবৃতি আছে। একটি কাহিনী হলো ব্রহ্মাণ্ডে কোন জরুরি পরিস্থিতি ছিল এবং দেবতারা ক্ষীরসমুদ্রে আসলেন যেখানে ক্ষীরোদকশায়ী বিষ্ণুর বিশেষ আলয় অবস্থিত এবং তাঁরা ভাবলেন এখন কী করা যায়, ভগবান যোগনিদ্রায় আছেন এবং আমরা যদি তাঁকে হঠাৎ জাগিয়ে তুলি, তিনি হয়তো আমাদের প্রতি রাগান্বিত হবেন। তো তখন তাঁরা হরে কৃষ্ণ মন্ত্র কীর্তন এবং নৃত্য করার সিদ্ধান্ত নিলেন। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে। তো পরমেশ্বর ভগবান বিষ্ণু, তিনি তাঁর দূতগণ দেবতাদের প্রতি মহামন্ত্র কীর্তনের জন্য এতটাই সন্তুষ্ট হয়েছিলেন যে, তিনি ঘোষণা করলেন যে, এই তিথিতে এবং এই মাসে কৃত এবং সম্পাদিত যেকোন বিশেষ কার্য একশ গুণ সুফল লাভ করবে। তো তিথিটি ছিল একাদশী এবং তখন থেকে একাদশী ছিল একটি অত্যন্ত বিশেষ দিন। মাসটি ছিল দামোদর মাস, কার্তিক৷ এবং দামোদর মাসও একটি বিশেষ মাস ছিল।

এছাড়াও ভগবান দামোদর এবং যশোদাকে প্রদীপ নিবেদন কীভাবে আমাদের বিশেষ কৃপা প্রদান করে যে, এটি কেবল প্রদীপ নিবেদনকারীকেই নয়, তার পরিবারকে, তার পূর্বপুরুষগণকে, তার পরবর্তী বংশধরবৃন্দকে উপকৃত করে, এর বহু সুফল রয়েছে৷ তো প্রতি দামোদর মাসে ভক্তেরা বাহিরে যাবে এবং যত বেশি সংখ্যক মানুষদেরকে সম্ভব যশোদা এবং দামোদরকে এই প্রদীপ নিবেদনে নিযুক্ত করবে। প্রদীপ নিবেদনের সময় এই মাস সম্পর্কে রচিত নমামীশ্বরম সচ্চিদানন্দরূপম গানটি কোন ব্যক্তির জন্য কৃষ্ণের মাহাত্ম্যসমূহের উপর ধ্যান করার একটি উপায় এবং কোন ব্যক্তি হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করতে পারেন যা একটি সরল বিকল্প।

তো গত বছরে আমরা ২.৫ মিলিয়ন সংখ্যক প্রদীপ নিবেদন করেছিলাম। তো যখনই শ্রীল প্রভুপাদকে কোন প্রতিবেদন দেয়া হত আমরা শ্রীল প্রভুপাদকে জিজ্ঞেস করতাম আপনি আমাদের পরের বছর কী করতে দেখতে চান এবং তিনি বলতেন একে দ্বিগুণ করো। তো এই বছরে আমরা ৫ মিলিয়ন মানুষদেরকে দামোদর ব্রতের প্রদীপ নিবেদনে নিযুক্ত করতে চাই। তো অনেক মানুষ এই দামোদর পূজায় অংশগ্রহণকারী লোকেদের যোগাযোগের ঠিকানা পায় এবং যখনই সম্ভব ও যেভাবেই সম্ভব আমরা তাদের যোগাযোগের ঠিকানা পাই এবং পরবর্তীতে আমরা তাদের অনুশীলন করাতে পারি এবং কিছু আধ্যাত্মিক কার্যে নিযুক্ত করি, এটি দামোদর পূজার প্রভাবকে বর্ধিত করে।

পাশাপাশি দামোদর ব্রত একটি বিশেষ প্রচার অনুষ্ঠান। এটি কেবল নতুন মানুষদেরই অনুশীলন করায় না, বরং ভক্তিবৃক্ষ এবং মন্দিরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বহু মানুষদেরও ফেরত দেয়। এটি একটি অত্যন্ত চমৎকার অনুষ্ঠান। এবং মন্ত্রণালয় একটি অ্যাপ নিয়ে এসেছে যা আপনারা আপনাদের মোবাইল ফোনে ডাউনলোড করে নিতে পারেন এবং আপনার দামোদর অংশগ্রহণকারীদের হিসেব রাখতে পারেন। এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি কেন্দ্রীয় বেইসে আপলোড হবে এবং তখন আমরা দেখতে পারব কীভাবে এই বিশ্বের প্রতিটি ব্যক্তি, প্রতিটি মন্দির দামোদরকে প্রদীপ নিবেদন করছে। তো এইভাবে আপনাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে না, স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিবেদন পেশ হবে।

তো আমি আশা করি অনেক নতুন পদ্ধতি আপনাদেরকে এই দামোদর মাসকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে সাহায্য করবে। আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এবং ভক্তিবৃক্ষ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় থেকে আমরা দামোদর প্রদীপ নিবেদন প্রচার অনুষ্ঠান বর্ধিত করার এই উদ্যোগ ঘোষণা করে আনন্দিত। হরে কৃষ্ণ। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ!

আপনাদের সেবক
জয়পতাকা স্বামী। "

ভাগবত অধোক্ষজ মূর্তবিগ্রহ-পাদৌ যদীয়ৌ প্রথমদ্বিতীয়ৌ তৃতীয়-তুর্যৌ কথিতৌ যদুরু। নাভিস্তথা পঞ্চম এব ষষ্ঠো ভূজান্তরং দোর্যুগল...
18/09/2024

ভাগবত অধোক্ষজ মূর্তবিগ্রহ-

পাদৌ যদীয়ৌ প্রথমদ্বিতীয়ৌ তৃতীয়-তুর্যৌ কথিতৌ যদুরু।
নাভিস্তথা পঞ্চম এব ষষ্ঠো ভূজান্তরং দোর্যুগল তথান্যো।।
কন্ঠস্ত্তু রাজন্নবমো যদীয়ো মুখারবিন্দং দশমঃ প্রফুল্লম্।
একাদশো যস্য ললাটপট্টং শিরোহপি তু দ্বাদশ এব ভাতি।।
তমাদিদেবং করুণানিধানং তমালবর্ণং সুহিতাবতারম্।
অপারসংসার-সমুদ্র সেতুং ভজামহে ভাগবত-স্বরূপম্।।

অনুবাদঃ
আমি আদিদেব, করুণানিধান, তমালবর্ণ শ্রীকৃষ্ণের মঙ্গলময় শাব্দিক অবতার, অপার-সংসার-সাগর পার হবার সেতু-স্বরূপ শ্রীমদ্ভাগবতকে ভজনা করি। এই গ্রন্থাবতারের দ্বাদশটি স্কন্ধ-অঙ্গ-স্বরূপ। প্রথম ও দ্বিতীয় স্কন্ধ এঁর পাদযুগল, তৃতীয় ও চতুর্থ স্কন্ধ এঁর উরুদ্বয়, পঞ্চম এঁর নাভিদেশ, ষষ্ঠ স্কন্ধ এঁর বক্ষস্থল। সপ্তম ও অষ্টম এই দুটি এঁর দুই বাহু, নবম স্কন্ধ ভগবানের কন্ঠদেশ, দশম স্কন্ধ এঁর মুখপদ্ম স্বরূপ, একাদশ এঁর ললাট এবং দ্বাদশ স্কন্ধ এঁর মস্তক।

রাধা অষ্টমীর মাহাত্ম্য ♥️♥️♥️♥️১১ সেপ্টেম্বর রাধাষ্টমী ২০২৪ 💜পদ্ম পুরানে রাধাষ্টমীর পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে জানা যায় যে,...
11/09/2024

রাধা অষ্টমীর মাহাত্ম্য ♥️♥️♥️♥️
১১ সেপ্টেম্বর রাধাষ্টমী ২০২৪ 💜

পদ্ম পুরানে রাধাষ্টমীর পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে জানা যায় যে, বহু বহু কাল আগে সূর্যদেব পৃথিবী ভ্রমণ করতে এসে পৃথিবীর রূপ, সৌন্দর্য এবং অনাবিল আনন্দ দেখে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন এবং মন্দার পর্বতের গুহায় গভীর তপস্যায় মগ্ন হন। এইভাবে অনেকদিন চলে যায়, সূর্যের অনুপস্থিতিতে পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। পৃথিবীবাসী হয়ে ওঠে অতিষ্ঠ।
সূর্যের আলো ছাড়া পৃথিবী কোনো ভাবেই বাঁচতে পারে না। তখন বাধ্য হয়ে ভীত – সন্ত্রস্ত স্বর্গের দেবতারা শ্রী হরির শরণাপন্ন হন সাহায্যের জন্য। শ্রী হরি অর্থাৎ শ্রীবিষ্ণু তাদের সকলকে আশা দিয়ে ফিরে যেতে বলেন। তারপর মন্দার পর্বতের গুহায় তপস্যারত সূর্যের সামনে গিয়ে তিনি উপস্থিত হন।
সূর্যদেব খুবই আনন্দিত হয়ে বলেন যে, শ্রী হরির দর্শন পেয়ে তার এতদিনের তপস্যা সার্থক হয়েছে। সূর্যদেবের সাধনায় তুষ্ট হয়ে শ্রী হরি তাকে বর দিতে চাইলে সূর্যদেব বলেন যে, আমাকে এমন একটি গুণবতী কন্যার বর প্রদান করুন, যার কাছে আপনি চিরকাল বশীভূত থাকবেন।
শ্রী হরি সূর্যদেবকে সেই বর প্রদান করেছিলেন এবং বলেছিলেন পৃথিবীর ভার কমানোর জন্য আমি বৃন্দাবনের নন্দালয়ে কৃষ্ণ রূপে জন্মগ্রহণ করব। তুমি সেখানে বৃষ ভানু রাজা হয়ে জন্মাবে। আর তোমার কন্যা রুপে জন্মগ্রহণ করবে রাধা।

এই ত্রিলোকে আমি একমাত্র শ্রীরাধিকারই বশীভূত থাকবো। রাধা এবং কৃষ্ণের মধ্যে কোন প্রভেদ থাকবে না। সকলকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা আমার আছে, কিন্তু এই জগত সংসারে একমাত্র রাধিকাই আমাকে আকর্ষণ করতে পারবে। সেইমতো প্রতিশ্রুতি অনুসারে মর্ত্যের নন্দালয়ে জন্মগ্রহণ করেন কৃষ্ণ। সূর্যদেব বৈশ্য কুলে জন্মগ্রহণ করেন বৃষভানু রাজা হয়ে।

তারপর সময় মতো ভাদ্র মাসের শুক্ল পক্ষে অষ্টমী তিথিতে পৃথিবীর বুক পবিত্র করে রাধা রাণী আবির্ভাব গ্রহণ করেন। শ্রীরাধার এই আবির্ভাব তিথিকেই রাধা অষ্টমী বলা হয়। যেটা তার জন্মদিন হিসেবেও পালন করা হয়ে থাকে।

একদিন রাজা বৃষ ভানু নদীতে স্নান করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু স্নানের জন্য জলে নামতেই আশ্চর্য হয়ে গেলেন যে, শত সহস্র সূর্যের আলোকের মতো জ্যোতির্ময় একটি স্বর্ণপদ্ম ঠিক যেন যমুনা নদীর মাঝখানে ফুটে আছে। এরপর রাজা বৃষভানু লক্ষ্য করলেন যে সেই স্বর্ণপদ্মের মধ্যে একটি শিশু কন্যাও রয়েছে।

তিনি অবাক হয়ে গেলেন, ঠিক তখনই ভগবান ব্রহ্মা এসে রাজাকে জানালেন যে, রাজা বৃষভানু ও তার পত্নী কীর্তিদা পূর্ব জন্মের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পত্নীকে কন্যা রূপে লাভ করার জন্য কঠোর তপস্যা করেছিলেন। তাই সেই ফলস্বরূপ এই জন্মে রাজা স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পত্নীকে কন্যা রূপে পেয়েছেন।
এরপর রাজা শিশু কন্যাকে নিয়ে এসে তার স্ত্রী কীর্তিদার হাতে তুলে দেন এবং রাজার অন্দরমহল সহ সমস্ত রাজ্যে আনন্দের উৎসব লেগে গেল। রাজা উৎসবের আয়োজন করলেন সমগ্র বৃন্দাবন খুশিতে ভরে উঠল । সেই উৎসবে নন্দ মহারাজও শিশু কৃষ্ণকে নিয়ে সপরিবারে এসেছিলেন রাধা অষ্টমীর উৎসবে।

ওই অনুষ্ঠানের শিশু কৃষ্ণ যখন হামাগুড়ি দিয়ে শিশু রাধারানীর কাছে গিয়েছিলেন সেই মুহূর্তে রাধারানীর চোখ খুলে প্রথম দেখলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে। তার এই আবির্ভাবের দিনটি রাধাষ্টমী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

রাধাষ্টমীর বিশেষ মাহাত্ম্য

১. কেউ যদি রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে তাহলে কোটি ব্রহ্মহত্যার পাপ বিনষ্ট হয়ে যায় ।
২. রাধাষ্টমী ব্রত একবার পালন করলে সহস্র একাদশী পালনের একশ গুণ ফল লাভ হয় ।
৩. পর্বত সমান স্বর্ণ দান করলে যে ফল লাভ হয় তার একশ গুণ ফল লাভ হয় একবার রাধাষ্টমী ব্রত পালনে ।
৪. একবার রাধাষ্টমী ব্রত পালনে সহস্র কন্যাদানের ফল লাভ হয় ।
৫. একবার রাধাষ্টমী ব্রত পালনে গঙ্গা আদী সর্ব তীর্থের ফল লাভ হয় ।
৬. যদি কোনো পাপি ব্যক্তি অশ্রদ্ধায় বা অবহেলায়ও রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে তাহলে তার কোটি কূলসহ বিষ্ণুলোকে নিত্যকাল বিরাজ করবে ।
৭. একবার রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে গোহত্যা, ব্রহ্মহত্যাসহ সর্বপাপ বিনষ্ট হয় ।
৮. যদি কোনো মূঢ় ব্যক্তি জেনে বা না জেনে রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে না তাহলে শতকোটি কল্পেও সে নরক যন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি পাবে না ।
৯. যে নারী রাধাষ্টমী ব্রত পালন করে না সে কোটি কল্পে নরক বাস করে থাকে এবং কোনোভাবে পৃথিবীতে জন্ম নিলেও তাকে বিধবা হতে হয় ।
১০. যদি কেউ রাধাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবন করতে পারে তাহলে সে নিত্যকাল বৈকুণ্ঠলোকে বাস করার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারবে ।

পুরাকালে সত্যযুগে লীলাবতী নামে এক পতিতা বাস করতেন । একদিন সকালে নগর ভ্রমনকালে এক সুসজ্জিত মন্দিরে রাধাঠাকুরানীর পূজা উদযাপন দেখতে পেয়ে ব্রতীদের কাছে ঐ পতিতা ছুটে গেলেন । গিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, "হে পূণ্যাত্মা সকল তোমরা এত সাত সকালে অতি যত্ন সহকারে কোন ব্রত উদযাপন করছ" ? তদত্তুরে রাধাব্রতীগণ বলতে লাগলেন যেহেতু ভাদ্র মাসের সীতাষ্টমীতে শ্রীমতি রাধিকা আবির্ভুত হয়েছিলেন, আমরা সেই রাধাষ্টমী ব্রত পালন করছি ।

এই অষ্টমীব্রত গোঘাত জনিত পাপ, ব্রহ্মহত্যা জনিত অথবা স্ত্রী হত্যা জনিত পাপ সহ সকল পাপই নাশ করতে সক্ষম । তাদের কাছ থেকে রাধাষ্টমীর মহিমা শ্রবণ করে সেই পতিতাও স্বেচ্ছায় ব্রত পালনে সংকল্প বদ্ধ হলেন এবং ভক্তগণের সহিত যথাযথভাবে ব্রত পালন করলেন । পরদিন সর্পদংশনে সেই পতিতার মৃত্যু হল । যমদূতেরা ক্রুদ্ধচিত্তে তাকে বন্ধন করে সাথে নিয়ে যমালয়ের দিকে যাত্রা শুরু করলেন ।
পথিমধ্যে শঙ্খ, চক্র, গদ, পদ্মধারী ভগবান বিষ্ণুর দূতগণ উপস্হিত হয়ে লীলাবতীর সকল বন্ধন ছেদন করে দিলেন এবং তাকে সঙ্গে করে রাজহংসযুক্ত দিব্য বিমানে বৈকুণ্ঠলোকে গমন করলেন । এই ভাবে অধঃপতিত বেশ্যাও কেবল মাত্র রাধাষ্টমী পালন করার ফলে সকল পাপ থেকে মুক্ত হয়ে সরাসরি বৈকুণ্ঠ ধামে গমন করলেন । যে এ রাধাষ্টমী ব্রত পালন করেন না শতকোটি কল্পেও তার নরক হতে নিষ্কৃতি নেই । তারা চিরতরে নরকে পতিত হবেন । পরবর্তীতে জন্ম হলেও বিধবা হয় 🥰🥰🥰
জয় জয় শ্রী রাধা
জয় জয় শ্রী রাধা🦚শ্রী রাধাষ্টমী অনুধ্যান - শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের সাথে।

"রাধারাণীর স্থিতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি করা উচিত। তিনি বদ্ধজীব নন; তাঁর হৃদয়ে পরমাত্মারূপে বিষ্ণু নেই। তিনি কৃষ্ণ অভিন্ন শক্তি। তাঁরা সম্পূর্ণ এক। কিন্তু কোনোভাবে তাঁরা দুই হলেন এবং যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা কোন শুদ্ধ ভক্তের পদাঙ্ক অনুসরণ করছি আমরা কখনোই তা উপলব্ধি করতে পারব না। যা কিছু আমরা উপলব্ধি করতে পারি, যা কিছু আমরা ব্যাখ্যা করতে পারি তা কেবল এই বিষয়টি উপলব্ধি করতে যে, এটিই সর্বোচ্চ! এটিই জীবনের চূড়ান্ত পরম লক্ষ্য! আলোচনার মাধ্যমে, যৌথ আলোচনা সভার মাধ্যমে অথবা ব্যক্তিগত আলোচনার মাধ্যমে এটি আমরা উপলব্ধি করতে সমর্থ হব না... এটি সম্ভব নয়। কিন্তু একটি আপেক্ষিক উপায়ে আমাদের সীমিত বুদ্ধিমত্তার দ্বারা সর্বপ্রথম এটি উপলব্ধি করতে হবে যে, প্রকৃতপক্ষে এর চেয়ে কোন উচ্চতর তত্ত্ব নেই; এর মধ্যেই সবকিছু নিহিত আছে।

তাই শুদ্ধভক্তদের পদাঙ্ক অনুসরণ করুন। একজন শুদ্ধ ভক্ত হোন। নিজেদেরকে সমর্পণ করুন। ব্যক্তিগত ইন্দ্রিয় তৃপ্তির আকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করুন। কেবল ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বাসনা পূরণ করুন। নিরন্তর হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করুন। সর্বদা স্মরণ করুন!"

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
৭ই সেপ্টেম্বর, ১৯৮১
রাধাষ্টমী প্রবচন, লন্ডন, ইংল্যান্ড।

Hare Krishna! Please accept my Pranam. ————————————————🌟 *H A P P Y* 🌟🌟 *J A N A M A S H T A M I* 🌟————————————————Today...
26/08/2024

Hare Krishna!
Please accept my Pranam.

————————————————
🌟 *H A P P Y* 🌟
🌟 *J A N A M A S H T A M I* 🌟
————————————————

Today marks the most anticipated day of the year, a rare opportunity to wholeheartedly glorify the most merciful Lord Krishna.

🤔 _Why is this day so significant_❓

•••> Janmashtami is an annual celebration of Lord Krishna's appearance on Earth. Its importance lies in commemorating the divine descent of Lord Krishna, who came to alleviate suffering, protect the righteous, and reestablish the principles of righteousness or "dharma."

•••> This celebration goes beyond mere cultural and religious observance; it's a time for deep spiritual reflection and devotion. Janmashtami reminds us of the timeless teachings of Lord Krishna and His divine playfulness, inspiring us to cultivate virtues such as love, compassion, and righteousness in our lives.

🤔 _How can we make this day special for Him_❓

Krishna is the provider and sustainer of all living beings, showing boundless love to each without discrimination. Instead of offering something which already belongs to him, let us give the gift of our love.

*Krishna only wants our love.*
_Therefore on this day we have to express as much love as possible._

📌 On this auspicious day our aim should be to always remember Krishna and never forget him.

📖 Lord Krishna, in the Bhagavad Gita, emphasizes that Gyan, Dhyan, Tapasya alone cannot lead us to Him. _The path to Him lies in the recommended process of devotional service._

✨ _*BHAKTI IS NOTHING BUT DEVELOPING LOVE FOR KRSNA!*_ ✨

🌻 Krishna is our ultimate well-wisher, providing everything for us, loving us unconditionally, and giving protection that surpasses everything else. Therefore, it is only fitting that we reciprocate this love.

*”Krishna is a possessive lover; He desires to be the sole attraction in our hearts.”*

🌺 In this material world, everything belongs to Him, but the one thing we can genuinely offer is our _devotion_ and our _minds._

🪷 We eternally belong to Krishna, and on Janmashtami, let us rekindle that sense of belongingness, drawing closer to our beloved: Krishna, our friend, father, mother, brother, and master. 🪷

🌸 To regain that belongingness we must engage ourselves in knowing about him by listening from great devotees who have already tied krishna with the ropes of their love. Reading his pastimes chanting his name, honouring his Prasadam will also drag us closer to Krsna.

So with all excitement and enthusiasm, Let us pray that may He guides us out of the illusions of Maya and shelters us under the soothing shade of His lotus feet.

Wishing everyone a blessed and spiritually enriching Janmashtami celebration! 🙏🌼

অনুগ্রহপূর্বক ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব উৎযাপন করুন। তিনি আমাদের সকলকে কৃপা প্রদানের জন্য আগমন করেছেন।-শ্রীল জয়পতাকা স্...
25/08/2024

অনুগ্রহপূর্বক ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব উৎযাপন করুন। তিনি আমাদের সকলকে কৃপা প্রদানের জন্য আগমন করেছেন।

-শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ 🙏❤️
আগষ্ট ২৫,২০১৬,ইস্কন,চেন্নাই, ভারত

⚜️ জন্মাষ্টমী কবে ২৬ আগষ্ট নাকি ২৭ আগষ্ট? 🙏🙏শাস্ত্রীয়মত ও দৃকসিদ্ধান্ত  অনুসারে আগামী ২৬ আগস্ট সোমবার জন্মাষ্টমী এবং ২৭...
25/08/2024

⚜️ জন্মাষ্টমী কবে ২৬ আগষ্ট নাকি ২৭ আগষ্ট?

🙏🙏শাস্ত্রীয়মত ও দৃকসিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী ২৬ আগস্ট সোমবার জন্মাষ্টমী এবং ২৭ আগস্ট মঙ্গলবার নন্দোৎসব ।।🙏🙏

আসুন তিথি সময় কারণ #শাস্ত্র প্রমান সহ জেনে নেই
------------------------------------------
🔰২৬ আগষ্ট এর তিথি সময় কাল
⭕সূর্য উদয়: ৫ টা ২০ মিনিট
⭕অষ্টমী শুরু : ভোর রাত্রি ৩ টা ৪১ মিনিট থেকে (২৬ আগষ্ট)
⭕অষ্টমী শেষ : রাত্রি ২ টা ২১ মিনিট
(২৭ আগষ্ট)

🔰রোহিনী নক্ষত্র:
✅শুরু ২৬ আগষ্ট,
বিকাল ৩ টা ৫৭ মি থেকে
✅শেষ ২৭ আগষ্ট বিকাল ৩ টা ৩৯ মি. পর্যন্ত

অর্থাৎ ২৬ আগষ্ট শুদ্ধা জন্মাষ্টমী তিথি। কারন এদিনে একাধারে অষ্টমী ও নবমী তিথি এবং রোহিনী নক্ষত্র যুক্ত রয়েছে এবং এটি সোমবার 🙏🙏

☢️ শাস্ত্র নির্নয়:-
#স্কন্দপুরানে বলা হয়েছে
উদয়ে চাষ্টমী কিঞ্চিন্নবমী সকলা যদি

✴️অর্থাৎ, সূর্য উদয়ের সময়ে যদি অষ্টমী তিথি যুক্ত থাকে এবং কিঞ্চিত নবমী যুক্ত হয় তাহলে সেই তিথিতেই জন্মাষ্টমী পালন করতে হয়।

✅ শ্রীজন্মাষ্টমীব্রতদিন-নির্ণয়ঃ

⚜️কৃষ্ণোপাস্যাষ্টমী ভাদ্রে রোহিণ্যাড্যা মহাফলা। নিশীথেহতাপি কিঞ্চেন্দৌ জে বাপি নবমীযুতা ।।৩২৮

♻️অনুবাদ :- ভাদ্রমাসে কৃষ্ণাষ্টমী উপবাস যোগ্যা, রোহিণী নক্ষত্র যুক্ত হইলে মহাফলপ্রদা, মধ্যরাত্রে রোহিণী যুক্ত হইলে আরও অধিক ফলপ্রদা, তাহা আরও সোম বা বুধবার যুক্তা হইলে অধিক প্রশস্তা, তাহা হইতে নবমী তিথিযুক্তা হইলে অধিক ফলপ্রদা ।।

⚜️হরি ভক্তি বিলাসঃ
মাসি ভাদ্রপদেহপ্টম্যাং নিশীথে কৃষ্ণপক্ষকে। শশাঙ্কে বৃষরাশিস্থে ঋক্ষে রোহিণীসংজ্ঞকে। যোগেহস্মিন্ বসুদেবাদ্ধি দেবী দেবমজীজনৎ ॥৩৪৮ তস্মাৎ সম্পজয়েদন্ন শুচিঃ সম্যগুপোষিতঃ ॥৩৪৯।

✅অনুবাদ- ভাদ্রমাসে কৃষ্ণপক্ষে অষ্টমীতে মধ্যরাতে চন্দ্র রোহিণী নক্ষত্র সহ বৃষরাশিতে অবস্থান কালে এই জয়ন্তী যোগে পিতা বসুদেব হইতে মাতা দেবকীদেবী শ্রীকৃষ্ণদেবকে প্রসব করিয়াছেন, অতএব ঐ যোগে সম্পূর্ণ উপবাস করিয়া মানব পবিত্র হইয়া পূজা করিবে ।। ৩৪৮-৩৪৯।।

♻️আমার দেখতে পাচ্ছি, ২৬ আগষ্ট ভোর ৩ টা ৪১ মিনিট থেকেই অষ্টমী শুরু অর্থাৎ সূর্য উদয় কালেই অষ্টমী তিথি প্রাপ্ত হচ্ছে। তাই ২৬ আগষ্ট কোন সন্দেহ ছাড়াই পূর্ণ জন্মাষ্টমী ব্রত।

⚠️কিং পুন্ডু 'ধবারেণ সোমেনাপি বিশেষতঃ।
কিং পুনর্নবমীযুক্তা কুলকোট্যাস্ত মুক্তিদা।

⛔অর্থাৎ,

🕉️বিশেষতঃ যদি #সোমবারে বা #বুধবারে #নবমীযুক্ত হয়, তবে উহা কূলকোটি মুক্তিদায়ক🕉️

🔆অরুণোদয়-বিদ্ধন্তু সংত্যাজ্যো হরিবাসরঃ। জন্মাষ্টম্যাদিকং সূর্যোদয়বিদ্ধং পরিত্যজেৎ।"

✅অর্থ:- কেবল একাদশী ব্রতেই অরুণোদয় বিদ্ধা পরিত্যজ্য, কিন্তু জন্মাষ্টমী প্রভৃতি অন্য সমস্ত ব্রত কেবল সূর্যোদয়বিদ্ধা হলেই ত্যাজ্য।

✅অর্থাৎ আমরা দেখতে পাচ্ছি ২৬ আগষ্ট দিন টি রয়েছে সোমবার এবং সূর্য উদয় কালে অষ্টমী তিথি সাথে কিঞ্চিত নবমী তিথি যুক্ত এবং নিশীথকালীন পূজায় রোহিনী নক্ষত্র বিদ্যমান। তাই জন্মাষ্টমী পালনের জন্য ২৬ আগষ্ট সোমবার দিনটি একদম যথার্থ দিন।

🙏🙏সুতরাং আগামী ২৬ আগস্ট সোমবার জন্মাষ্টমী এবং ২৭ আগস্ট মঙ্গলবার নন্দোৎসব ।।🙏🙏

"পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী-২০২৪"
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
আগামী ২৬শে আগস্ট সোমবার; পরমেশ্বর পরমপিতা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫০ তম জন্মদিন শুভ জন্মাষ্টমী।
শুভ জন্মাষ্টমীর-২০২৪ উপলক্ষে সবাইকে জন্মাষ্টমীর কৃষ্ণ প্রীতিও শুভেচ্ছা রইল।

জন্মাষ্টমী কি?
""""""""""""""""""""
পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্ম তিথিকে "জন্মাষ্টমী" বলা হয়। জন্মাষ্টমীর উপবাস ২৬শে আগস্ট সোমবার।

মধ্যরাত্রি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস, অধিক কৃষ্ণসেবা সহযোগে জপ এবং কীর্তন, লীলা পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণ গ্ৰন্থ পঠন, অভিষেক অংশগ্রহণ, অনুকল্প প্রসাদ গ্রহণ, প্রজল্প থেকে বিরত।

২০২৪ সালের জন্মাষ্টমী ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কত তম জন্মাষ্টমী?
২০২৪ সালের জন্মাষ্টমী পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৮ তম জন্মাষ্টমী। কারণ, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ১২৫ বছর প্রকট লীলাবিলাস করেন। ১২৫ বছর ধরাধামে অবস্থান করে গোলকে গমন করেন। মাঘ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ইহধাম ত্যাগ করে অন্তর্ধান করেন। সেই দিনই কলি প্রবেশ করেছে, সেই দিন ছিল শুক্রবার। খ্রীষ্টপূর্ব ৩১০১ এ কলিযুগ আরম্ভ হয়। বর্তমান ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ, তাহলে কলির বয়স ৩১০১+২০২৪ = ৫১২৫ বছর। শ্রীকৃষ্ণের অর্ন্তধানের দিন কলির আবির্ভাব। শ্রীকৃষ্ণ ১২৫ বছর প্রকট লীলা করেছেন। তাহলে শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব ৫১২৫+১২৫ = ৫২৫০ বছর পূর্বে হয়েছিল। অর্থাৎ ২০২৪ ইংরেজি সালের মাঘী পূর্ণিমা থেকে ৫২৫০ বছর পূর্বে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়।

শাস্ত্রে আছে কেউ যদি একবার শ্রীকৃষ্ণের এই জন্মাষ্টমীর উপবাস পালন করে তা হলে তাকে আর এই জড় জগতে জন্ম, মৃত্যু, জড়া, ব্যাধি, ভোগ করতে হয় না, ও পূর্নজন্ম গ্রহন করতে হয় না। তাই সকলে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৮ তম জন্মাষ্টমী পালন করে মানব জীবনটাকে পুন্যময় করে তুলুন।।
হরে কৃষ্ণ। হরিবোল।

"শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ
শ্রী অদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ।"-৩বার

"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।"-১০৮বার

জন্মাষ্টমী ব্রত: 🗓️
• ভারত বাংলাদেশ দুবাই সহ এশিয়া-ইউরোপ-অস্ট্রেলিয়া-আফ্রিকায় ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ বৃহস্পতিবার ।
• উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ বুধবার ।

[ লীলা পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণ ]
[ শ্রীমদ্ভাগবত কথা ]

শুভ জন্মাষ্টমী।।

আজকের এই দিনে ৫২৫০ বছর আগে জগতের কল্যাণ হেতু ধর্ম পুনঃস্থাপনের নিমিত্তে লোকশিক্ষা ও লোক কল্যাণের জন্য পরমেশ্বর স্বয়ং দিব্যরূপ মনুষ্য দেহ ধারণ করে ধরাধামে অবতীর্ণ হোন। তাঁর জন্ম দিব্য, তাঁর দেহ দিব্য ও তাঁর লীলাও (লোকশিক্ষায় দিব্য কর্ম) দিব্য।

সমগ্র জগতে সেই পরম পুরুষ, পরম সত্ত্বা শ্রীকৃষ্ণ নামে পুজিত হোন।।

অবজানন্তি মাং মূঢ়া মানষীং তনুমাশ্রিতম্।
পরং ভাবমজানন্তো মম ভূতমহেশ্বরম্।।১১।।

অনুবাদঃ আমি যখন মনুষ্যরূপে অবতীর্ণ হই, তখন মুর্খেরা আমাকে অবজ্ঞা করে। তারা আমার পরম ভাব সম্বন্ধে অবগত নয় এবং তারা আমাকে সর্বভূতের মহেশ্বর বলে জানে না।

" ওঁ নমঃ ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রাহ্মণ হিতায় চ।
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় বাসুদেবায় নমো
নমঃ ।।"

জয় শ্রীকৃষ্ণ 🙏🤎

শুভ জন্মাষ্টমী 💙!
আজ এই শুভক্ষণে সকলের জন্য রইলো শুভকামনা।
পরম করুনাময় শ্রী হরি সকল জীবের মঙ্গল করুন 💜
হরে কৃষ্ণ

🧡জন্মাষ্টমী কিভাবে পালন করবেন ?

১) আগের দিন রবিবার রাত ১২টার আগে অন্ন প্রসাদ পাবেন।

ঘুমানোর আগে ব্রাশ করে ঘুমাতে হবে।

২) পরের দিন শুক্রবার সকাল থেকে মধ্যরাত্রি ১২ পর্যন্ত উপবাস এবং জাগরণ করতে পারেন অসম্যর্থ ব্যক্তিরা অসুস্থ তারা ফল জল পেতে পারেন।

উপবাস থেকে হরিনাম জপ, কৃষ্ণ লীলা শ্রবণ, ভগবানকে দর্শন, ভক্ত সঙ্গে হরিনাম কীর্তন, অভিষেক দর্শন করতে হবে এবং ভগবানকে অভিষেক করে একাদশীর দিনের মতো অনুকল্প প্রসাদ সেবন করতে হবে।

৪) পরের দিন পারণ অর্থাৎ সকালে কৃষ্ণ প্রসাদ দিয়ে পারণ করবেন।

বিঃদ্রঃ শাস্ত্রে আছে কেউ যদি একবার শ্রীকৃষ্ণের এই জন্মষ্টমী উপবাস পালন করেন তা হলে তাকে আর এই জড় জগতে জন্ম, মৃত্যু, জরা, ব্যাধি, ভোগ করতে হয় না, ও পূর্নজন্ম গ্রহন করতে হয় না।

জন্মাষ্টমী পালন করবেন।
🌿🌺হরে কৃষ্ণ🌺🌿

#শুভ_জন্মাষ্টমী!

আজ শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী। আজ সেই পবিত্র দিন যেদিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছেন। এটি অতন্ত বিশেষ একটি দিন। বেদ ও পুরাণ অনুসারে এই উৎসবটি অত্যন্ত শক্তিশালী। ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে স্নান করানো, কৃষ্ণের দর্শন লাভ করা, কৃষ্ণের পূজা করা, কৃষ্ণের পবিত্র নাম জপ-কীর্তন করা, কৃষ্ণের লীলা শ্রবণ করা, কৃষ্ণের শৃঙ্গার দর্শন করা, কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে নৃত্য এবং নাটিকা প্রদর্শন করা, কৃষ্ণের জন্য উপবাস থাকা, কৃষ্ণের জন্য উৎসব পালন করা, এই সমস্ত জিনিসগুলি প্রচুর পারমার্থিক মঙ্গল প্রদান করে।

যখন শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হন, তখন দেবকী তাঁর কৃষ্ণের জন্য ভীত ছিলেন, তাঁকে কংসের থেকে রক্ষা করার জন্য এবং দেবকীর উদ্বেগ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। তাই দেবকী যেমন কৃষ্ণকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন আমাদের নিজেদের কৃষ্ণভাবনামৃত রক্ষার প্রয়াস করা উচিত। নিয়মিত হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ-কীর্তন করার মাধ্যমে আমরা তাঁর সুরক্ষায় থাকতে পারি।

ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন যে আমাদের কৃষ্ণের ভক্ত হওয়া উচিত। এছাড়াও তিনি সকলকে প্রচারক হয়ে সারা বিশ্বে এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য শ্রীল প্রভুপাদ লক্ষ লক্ষ আচার্য চেয়েছিলেন যাতে প্রতিটি শহরে এবং গ্রামে কৃষ্ণ ভাবনামৃতের বাণী প্রদানের জন্য শক্তিপ্রাপ্ত আচার্যরা থাকবেন। তাই এটা গুরুত্বপূর্ণ যে ভক্তরা যেন গুরু হওয়ার জন্য অত্যন্ত ঐকান্তিক এবং সুযোগ্য হয়ে ওঠে যাতে ভবিষ্যতে তারা গুরু পরম্পরা ধারায় যুক্ত ভক্তের সংখ্যা বাড়াতে পারে। তাই শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন, দর্শন উপলব্ধি করা এবং ডিগ্রি অর্জন করা অপরিহার্য।

তো আজ আমাদের জন্য শ্রী শ্রী রাধা-কৃষ্ণের সেবা করার একটি মহান সুযোগ এবং আমি আশা করি সবাই এই দিনটি কৃষ্ণের দিব্য নাম, গুণাবলী এবং লীলা শ্রবণ করে, মহিমা কীর্তন করে ও স্মরণ করে এবং তাঁর সেবায় নিয়োজিত থেকে অতিবাহিত করবে।

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অ্যাপ বার্তা
৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩
চেন্নাই, ভারত

🔴শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী ব্রতের সকল মন্ত্রাবলী:- https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=635461492019961&id=100066683474023&mibextid=Nif5oz

🔴শ্রীশ্রীকৃষ্ণচন্দ্রাষ্টকমের লিংকঃ-
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=636861505213293&id=100066683474023&mibextid=Nif5oz
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=636821865217257&id=100066683474023&mibextid=Nif5oz

লীলা পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণ গ্ৰন্থের লিংকঃ-
https://drive.google.com/file/d/1_mQVd1DFIP-8yzSgXxqk7THLEwpJ6-uW/view
https://drive.google.com/file/d/1EORndqg6UV8PicBsCJddLZauws-k5BaT/view?usp=drivesdk

🔴শ্রীমদ্ভাগবতমের ১০ম স্কন্ধের লিংক:- https://drive.google.com/file/d/1DjOQpsjHvlFnNRNdcDduVxsw94LCmOIt/view?usp=drivesdk

এই বার্তাটি পাওয়ার পরপরই সকলের কাছে শেয়ার করুন এবং লাইক কমেন্ট করে দিন সেই সুবাদে সকলকে জন্মাষ্টমী তিথি সঠিক ভাবে পালন করার জন্য উৎসাহিত ও সহযোগিতা করুন।

Address

Mayapur
741313

Opening Hours

Monday 10am - 8:30pm
Tuesday 10am - 8:15pm
Wednesday 10am - 8:15pm
Thursday 10am - 8:15pm
Friday 10am - 8:15pm
Saturday 10am - 8:15pm
Sunday 10am - 8:15pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sri Nitai Gour's Ashraya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sri Nitai Gour's Ashraya:

Shortcuts

Share