28/08/2026
📌 শিক্ষাঙ্গনে পোশাক নয়, আগে হোক সম্মান ও নিরাপত্তা!
কাছাড় কলেজে হিজাব পরাকে কেন্দ্র করে ছাত্রীকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ! নির্ধারিত পোশাক পরেও কেন উঠল প্রশ্ন? ঘটনায় আহত ছাত্রী, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের সম্মান নিয়ে জোরালো আলোচনা!
যদি কলেজের নির্দিষ্ট পোশাকবিধি থাকে, তাহলে সেই নিয়ম নিয়ে আলোচনা করার দায়িত্ব কলেজ কর্তৃপক্ষের। কোনো শিক্ষার্থী নিয়ম ভঙ্গ করেছেন কি না, সেটিও কর্তৃপক্ষই নির্ধারণ করবে। কিন্তু অভিযোগ সত্য হলে, কোনো ছাত্রীর গায়ে হাত তোলা, তাঁকে ভয় দেখানো বা তাঁর পোশাক নিয়ে অপমান করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
একবার নিজের পরিবারের মা-বোনের কথা ভাবুন। তাঁদের পোশাক নিয়ে কেউ যদি প্রকাশ্যে অপমান বা হেনস্তা করে, তাহলে কি আমরা সেটা মেনে নেব?
আজ যদি কোনো মুসলিম ছাত্রীর পোশাক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়, আগামীকাল অন্য কোনো শিক্ষার্থীর পোশাক, সংস্কৃতি বা ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জ্ঞান অর্জনের জায়গা, অপমান বা হেনস্তার জায়গা নয়।
কোনো পোশাকবিধি নিয়ে আপত্তি থাকলে তা নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপন করা উচিত। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—কোনো ব্যক্তির alleged আচরণের জন্য পুরো একটি সম্প্রদায়কে দোষারোপ করা উচিত নয়। অন্যায় যদি হয়ে থাকে, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা হোক। হিন্দু-মুসলিম বিভেদ নয়—আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী নিরাপদে, সম্মানের সঙ্গে পড়াশোনা করুক।
মুসলিম হোক বা হিন্দু—প্রতিটি ছাত্রীর সম্মান সমান।
কারও পোশাক নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সেই মতভেদের কারণে কাউকে অপমান বা হেনস্তা করার অধিকার কারও নেই।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন, কিন্তু সেই আওয়াজ যেন ঘৃণা নয়—মানবিকতার বার্তা বহন করে।
🇮🇳 শিক্ষাঙ্গনে চাই শিক্ষা, সম্মান ও নিরাপত্তা—হয়রানি নয়।