Notaphilist ZIA

Notaphilist ZIA This page is committed to providing you with information, in-depth analysis and imp
(4)

Welcome to the page for collecting banknotes, coins and postage stamps from India and around the world.Please visit to read the latest reports and analysis on this topic. I am a notaphilist, numismatist ,and philatelist from West Bengal , India .Since my childhood days I have a keen desire to collect stamps , banknotes ,coins of all the countries and still it is counting .

মুদ্রা সংগ্রহকারীদের পছন্দের একদম উপরের দিকে থাকে ‘Proof’ প্রুফ কয়েন এবং UNC ( Uncirculated) কয়েন I এই প্রুফ কয়েন কি?💰প্...
08/08/2026

মুদ্রা সংগ্রহকারীদের পছন্দের একদম উপরের দিকে থাকে ‘Proof’ প্রুফ কয়েন এবং UNC ( Uncirculated) কয়েন I এই প্রুফ কয়েন কি?

💰প্রুফ কয়েন (Proof Coin) হলো টাকশাল বা মিন্ট দ্বারা বিশেষভাবে তৈরি সংগ্রাহকদের উপযোগী কয়েন, যা সাধারণ লেনদেনের জন্য বাজারে ছাড়া হয় না। এগুলো অত্যন্ত যত্ন সহকারে পালিশ করা ডাই দিয়ে একাধিকবার পাঞ্চ করে তৈরি করা হয়, যার ফলে এর পটভূমি আয়নার মতো চকচকে এবং নকশাগুলো হিমায়িত বা ফ্রোস্টেড দেখায়।
প্রুফ কয়েনের মূল বৈশিষ্ট্য :

👉বিশেষ ফিনিশ: সাধারণ মুদ্রার তুলনায় অনেক উন্নত গুণমান ও ফিনিশিং অর্জনের জন্য প্রুফ মুদ্রা একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়। এর ব্যাকগ্রাউন্ড অত্যন্ত যত্ন সহকারে পালিশ করে আয়নার মতো উজ্জ্বল করা হয় এবং কয়েনের নকশা ও লেখাগুলোকে অমসৃণ বা ফ্রস্টেড করা হয়, যা এক চমৎকার বৈসাদৃশ্য তৈরি করে।

👉তৈরির পদ্ধতি: ত্রুটিহীন চেহারা নিশ্চিত করার জন্য, বিশেষভাবে প্রস্তুত ডাই ব্যবহার করে প্রুফ কয়েনগুলো খুব সাবধানে একাধিকবার স্ট্রাইক বা চাপ দিয়ে তৈরী করা হয়।

👉উদ্দেশ্য: এগুলো সাধারণ কেনাকাটায় ব্যবহারের জন্য নয়, এই মুদ্রাগুলি প্রায়শই আনুষ্ঠানিক বা বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়, বিদেশী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপহার, অথবা সেইসব সংগ্রাহকদের জন্য সংগ্রহে রাখার জন্য সীমিত সংখ্যায় তৈরি করা হয় যারা এর সূক্ষ্ম কারুকার্যের কদর করেন।

👉মোড়ক :প্রুফ কয়েনগুলো সাধারণত দৃষ্টিনন্দন কাঠের বা প্রিমিয়াম প্যাকে বিক্রি করা হয়, যা এদের অনন্যতাকে আরও ফুটিয়ে তোলে।

মুদ্রার জগতে UNC হলো "Uncirculated"-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। সহজ কথায়, UNC মুদ্রা বলতে এমন মুদ্রা বোঝায় যা টাকশাল থেকে বের হওয়ার যা কখনো হাতবদল বা সাধারণ লেনদেনের কাজে ব্যবহার করা হয়নি। UNC মুদ্রাগুলি সাধারণ ডাই ও প্রক্রিয়া ব্যবহার করে তৈরি করা হয়, এই কয়েনগুলিও উচ্চমানের এবং খুবই সাবধানে যত্ন সহকারে তৈরী করা হয় I তবে ফিনিশিং প্রুফ কয়েনের চেয়ে একটু কম হয় I ইউএনসি কয়েনগুলো তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী I

🔷ভারত সরকারের🇮🇳 অর্থ মন্ত্রকের অধীনে একটি মিনিরত্ন কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান SPMCIL সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (Security Printing and Minting Corporation of India Limited) সংগ্রহকারীদের জন্য বিশেষ ফোল্ডারে ভারতের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি /প্রতিষ্ঠান / ঘটনা ইত্যাদি নিয়ে এই বিশেষ ধরণের Proof /UNC কয়েন ইস্যু করে থাকে I

🟢২০১১ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভারত সরকার ১৫০ টাকা মূল্যের একটি স্মারক কয়েন ইস্যু করেন I ৩৫ গ্রাম ওজনের এই কয়েনটিতে ৫০% রুপো, ৪০% তামা, ৫% নিকেল এবং ৫% দস্তা রয়েছে। কয়েনের এক পিঠে অশোক স্তম্ভ ও তার নিচে মূল্যমান এবং অন্য পিঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতি ও ১৫০তম জন্মবার্ষিকীর বছর (১৮৬১-২০১১) খোদাই করা আছে। আমার সংগ্রহে থাকা এই কয়েনটি UNC সেট I

🟣২০২১ সালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে কলকাতা ১২৫ টাকার একটি স্মারক মুদ্রা ইস্যু করেন I কয়েনটি রুপোর মিশ্রণে তৈরি বিশেষ প্রুফ ও আনসার্কুলেটেড (UNC) সেট হিসেবে মিন্ট থেকে ইস্যু করা হয়। ফোল্ডারটিতে ঐতিহ্যমন্ডিত ছাতিম তলার ছবি দেখা যায় I

🟡পরবর্তী যে Commemorative (স্মারক) কয়েন নিয়ে আলোচনা করবো, সেটি ভারতে নবজাগরণের পথিকৃৎ রাজা রামমোহন রায়ের ২৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২২ সালে ভারত সরকার (কলকাতা মিন্ট) একটি ২৫০ টাকার রূপোর প্রুফ কয়েন সেট প্রকাশ করে। এই কয়েনটিতে ৫০% রূপো, ৪০% তামা, ৫% নিকেল এবং ৫% দস্তা বা অন্যান্য ধাতু রয়েছে। কয়েনটির ওজন ৩৫ গ্রাম ও ব্যাস ৪৪ মিমি I আমার সংগ্রহে থাকা কয়েনটি প্রুফ গ্রেড (Proof Grade) - যা সাধারণ লেনদেনের জন্য নয়, কেবল সংগ্রাহকদের জন্য তৈরি এবং সংগ্রাহকদের কাছে এটি একটি দুর্লভ ও মূল্যবান মুদ্রাসম্পদ I

🔵সবশেষে যাঁরা শেয়ারবাজার বা মিউচুয়াল ফান্ড পছন্দ করেন তাঁদের জন্য এই কয়েন I ২০২৫ সালে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ (BSE)-এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ভারত সরকার/ মুম্বই মিন্ট ১৫০ টাকার একটি বিশেষ স্মারক (Commemorative) রূপোর কয়েন প্রকাশ করেছে। এটিও সাধারণ লেনদেনের জন্য নয়, বরং সংগ্রাহকদের জন্য তৈরি একটি বিশেষ মুদ্রা।
প্রতিটা কয়েনে ১৭.৫ গ্রাম রুপা থাকায় কয়েনের দাম রুপার দামের উপর ওঠা নামা করে থাকে I

স্মারক মুদ্রা বা ‘কমেমোরেটিভ কয়েন’ হলো সেই মুদ্রা যা কোনো বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে বা কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে ...
19/07/2026

স্মারক মুদ্রা বা ‘কমেমোরেটিভ কয়েন’ হলো সেই মুদ্রা যা কোনো বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে বা কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানাতে জারি করা হয়। এগুলি দুই প্রকারের হয়: প্রচলিত মুদ্রা, যা আপনি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, এবং অপ্রচলিত বা ইউএনসি (UNC), যা সংগ্রাহকদের কাছে মূল্যবান। স্বাধীন ভারতে,প্রথম আধুনিক স্মারক মুদ্রাটি ১৯৬৪ সালে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রতিকৃতি সহ জারি করা হয়েছিল। এটি তাঁর জন্মবার্ষিকী স্মরণে জারি করা হয়েছিল।তারপর থেকে, সরকার বিভিন্ন উপলক্ষে একশোরও বেশি এই ধরনের বিশেষ মুদ্রা তৈরি করেছে।স্মারক মুদ্রাগুলি ৫ পয়সা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন মূল্যমানে জারি করা হয়েছে। কম মূল্যমানের মুদ্রাগুলি সাধারণত সাধারণ প্রচলনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এগুলির ধাতব গঠন সাধারণত সাধারণ মুদ্রার মতোই হয়, অন্যদিকে উচ্চ মূল্যমানের মুদ্রাগুলিতে সাধারণত কিছু রূপা থাকে এবং সেগুলি শুধুমাত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। কম মূল্যমানের মুদ্রাগুলি সাধারণ প্রচলনে পাওয়া যায়। বিশেষভাবে জারি করা সংগ্রাহক স্মারক মুদ্রাগুলি একটি নির্দিষ্ট সময়কালে সরাসরি টাকশাল থেকে অর্ডার করা যেতে পারে। ইউএনসি (অপ্রচলিত) সেট এবং প্রুফ সেট দুই ধরণের মুদ্রাই সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (SPMCIL) ওয়েবসাইটে কেনার জন্য উপলব্ধ ।

এই স্মারক কয়েনগুলি বিভিন্ন সালে বিভিন্ন থিম নিয়ে প্রকাশিত হয়ে থাকে, যেমন ১৯৭৬ সালের ৫ পয়সায় ‘Work for All’, ১৯৭৮ সালে ‘Food and Shelter for All’, ১৯৭৯ সালে ‘Happy Child Nation’s Pride’ ১৯৮০ সালের ১০ পয়সায় ‘Rural Women’s Advancement’ এবং ১৯৮১ সালে ‘World Food Day’ ১৯৭৪ সালের ১০ পয়সায় Planned Families: Food For All, ১৯৭৮ সালে ‘Food & Shelter for All’
১৯৮৩ সালের ২৫ পয়সায় ‘Forestry for Development’, ১৯৮২ সালের ৫০ পয়সায় ‘National Integration’,১৯৭৩ সালের ‘Grow more Food’, ১৯৮৮ সালের ১ টাকায় ‘Rainfed Farming’, ১৯৯০ সালের ‘Care for the Girl Child’ এবং ‘Food for the Future’ ১৯৯২ সালের ১ টাকার কয়েনে ‘Bio Diversity : World Food Day ‘ ১৯৯৩ সালে ‘Small Family Happy Family ‘ ১৯৯৪ সালের ১ টাকা কয়েনে ‘Water for Life’ যা আজকের দিনেও সমানভাবে তাৎপর্যতা বহন করে!

ভারতীয় কয়েনের গায়ে ছোট্ট একটি চিহ্ন থাকে, যা অনেকেই খেয়াল করেন না। কিন্তু এই ক্ষুদ্র চিহ্নই বলে দেয়—কয়েনটি ভারতের কোন টাঁকশালে তৈরি হয়েছে। সংগ্রাহক, পরীক্ষার্থী কিংবা সাধারণ কৌতূহলী মানুষের জন্য এই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ভারতীয় কয়েনের মিন্ট মার্ক বা টাঁকশাল চিহ্ন সম্পর্কে বিস্তারিত ও সঠিক তথ্য সাজিয়ে দেওয়া হলো।

ভারতে বর্তমানে চারটি প্রধান টাঁকশাল বা মিন্ট রয়েছে—কলকাতা, মুম্বই, হায়দরাবাদ ও নোয়ডা। প্রতিটি টাঁকশাল তাদের তৈরি কয়েনের উপর আলাদা একটি প্রতীক ব্যবহার করে। এই প্রতীক সাধারণত কয়েনের তারিখের নিচে বা পাশে থাকে। এই মিন্ট মার্ক দেখে খুব সহজেই বোঝা যায় কয়েনটি কোথায় তৈরি হয়েছে।

✅ ভারতীয় টাঁকশাল ও তাদের প্রতীক

A) কলকাতা মিন্ট (Kolkata Mint)
কলকাতা টাঁকশাল ভারতের প্রাচীনতম টাঁকশালগুলির একটি।

i) প্রতীক: কোনো চিহ্ন নেই (No Mint Mark)।
ii) যদি তারিখের নিচে কিছুই না থাকে, তবে সেটি কলকাতায় তৈরি।
iii) প্রতিষ্ঠা: ব্রিটিশ আমলে, আধুনিক মিন্ট ১৯৫২ সালে আলিপুরে স্থানান্তরিত।
iv) বহু ঐতিহাসিক স্মারক মুদ্রা এখান থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
v) সংগ্রাহকদের কাছে বিশেষ মূল্যবান কিছু বিরল সংস্করণ এখানে তৈরি হয়েছে।

B) মুম্বই মিন্ট (Mumbai Mint)
মুম্বই টাঁকশাল ভারতের অন্যতম বৃহৎ মুদ্রা উৎপাদন কেন্দ্র।

i) প্রতীক: ♦ (Diamond / হীরক চিহ্ন)।
ii) তারিখের নিচে ছোট হীরক চিহ্ন থাকলে সেটি মুম্বই মিন্টের।
iii) প্রতিষ্ঠা: ১৮২৯ সাল।
iv) নিয়মিত প্রচলিত কয়েনের বড় অংশ এখানেই তৈরি হয়।
v) স্মারক মুদ্রা উৎপাদনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

C) হায়দরাবাদ মিন্ট (Hyderabad Mint)
দক্ষিণ ভারতের প্রধান টাঁকশাল।

i) প্রতীক: ★ (Star / তারকা চিহ্ন)।
ii) তারিখের নিচে তারকা চিহ্ন থাকলে সেটি হায়দরাবাদে তৈরি।
iii) পূর্বে নিজামের আমলে মুদ্রা তৈরি হতো।
iv) স্বাধীনতার পর এটি ভারত সরকারের অধীনে আসে।
v) নিয়মিত ও স্মারক উভয় ধরনের কয়েন তৈরি করে।

D) নোয়ডা মিন্ট (Noida Mint)
সবচেয়ে আধুনিক টাঁকশালগুলির একটি।

i) প্রতীক: • (Dot / বিন্দু চিহ্ন)।
ii) তারিখের নিচে ছোট গোল বিন্দু থাকলে সেটি নোয়ডায় তৈরি।
iii) প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সালে।
iv) আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৃহৎ পরিমাণ কয়েন উৎপাদন করে।
v) প্রচলিত মুদ্রা সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে I

ভারতীয় কয়েনের ক্ষুদ্র মিন্ট মার্ক আমাদের দেশের মুদ্রা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ছোট্ট চিহ্নের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে উৎপাদনের স্থান ও ইতিহাসের গল্প। তাই পরেরবার হাতে কয়েন নিলে একটু খেয়াল করে দেখুন—ছোট্ট সেই প্রতীক আপনাকে বলে দেবে তার জন্মস্থান।

বহু প্রবীণ মানুষকে এখনো বলতে শুনি “এক নয়া পয়সা ধারও কারো কাছে নেই “, অথবা ঝগড়ার মধ্যে বলতে শুনেছিলাম “তুই এক নয়া পয়সাও প...
04/01/2026

বহু প্রবীণ মানুষকে এখনো বলতে শুনি “এক নয়া পয়সা ধারও কারো কাছে নেই “, অথবা ঝগড়ার মধ্যে বলতে শুনেছিলাম “তুই এক নয়া পয়সাও পাবি না!”
আমরা ‘পয়সা’ দেখেছি বা ব্যবহার করেছি, কিন্তু প্রবীণদের বলা এই ‘নয়া পয়সা’ আসলে কি?

নয়া পয়সার ইতিহাস হলো ভারতীয় মুদ্রাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ১৯৫৭ সালের ১লা এপ্রিল থেকে চালু হয়েছিল। এই নতুন মুদ্রাব্যবস্থা চালু হওয়ার পর থেকে, জনসাধারণের মধ্যে এটিকে সহজে পরিচিত করানোর জন্য ১ পয়সার মুদ্রাকে 'নয়া পয়সা' বলা হত, যা ১৯৬৪ সালের ১লা জুন পর্যন্ত প্রচলিত ছিল। এর পরে 'নয়া' শব্দটি বাদ দেওয়া হয় এবং এটিকে শুধু 'এক পয়সা' নামে পরিচিত করা হয়।

ভারতের স্বাধীনতা লাভের দশ বছর পর, অর্থাৎ ১৯৫৭ সালের ১লা এপ্রিল, ভারতীয় মুদ্রা ব্যবস্থা দশমিক পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়।এর আগে, এক টাকাকে ১৬ আনায় ভাগ করা হত, কিন্তু নতুন দশমিক পদ্ধতিতে এক রুপিকে ১০০ পয়সায় ভাগ করা হয়।এই নতুন দশমিক মুদ্রার প্রচলনকে জনগণের কাছে সহজ ও পরিচিত করতে, প্রথমদিকে ১ পয়সার মুদ্রাকে 'নয়া পয়সা' (অর্থাৎ 'নতুন পয়সা') বলা হতো।

১৯৬৪ সালের ১লা জুন, 'নয়া' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
তখন থেকে ১ পয়সার মুদ্রাকে শুধুমাত্র 'এক পয়সা' বা শুধু 'পয়সা' নামে অভিহিত করা হয়।

এইভাবে, 'নয়া পয়সা' ছিল ভারতের আধুনিক দশমিক মুদ্রাব্যবস্থার প্রথম যুগের একটি অংশ, যা পরবর্তীতে সাধারণ 'পয়সা'-তে পরিণত হয়।

My Banknote Collection : Album 2 https://www.youtube.com/watch?v=tf0gmbPnw-I #ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_...
29/09/2025

My Banknote Collection : Album 2
https://www.youtube.com/watch?v=tf0gmbPnw-I

#ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , , , , , , ,

Old Indian Notes

স্বাধীন ভারতবর্ষের প্রথম কয়েন : ১৯৪৭ সালের ১৫ ই অগাস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করলেও ১৯৫০ সাল অবধি ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ার তৈরী মুদ্...
27/09/2025

স্বাধীন ভারতবর্ষের প্রথম কয়েন :
১৯৪৭ সালের ১৫ ই অগাস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করলেও ১৯৫০ সাল অবধি ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ার তৈরী মুদ্রা প্রচলন ছিল I

স্বাধীন ভারতবর্ষে প্রথম কয়েন মিন্ট হয় ১৯৫০ সালে I
ভারতবর্ষের প্রথম ১ টাকার কয়েন ১৯৫০ সালের ১৫ ই আগস্ট চালু হয়, ১১.৭ গ্রাম ওজনের সম্পূর্ণ নিকেলের তৈরী এই মুদ্রাটির ব্যাস ছিল ২৭.৯ মিমি, এবং পুরুত্ব ২.৬৫ মিমি I শুধু মাত্র বোম্বে টাঁকশালে এই ১ টাকার কয়েন গুলি তৈরী হয়েছিল I

ভারতের প্রথম টাঁকশাল চালু হয়েছিল পলাশীর যুদ্ধের সময় অর্থাৎ ১৭৫৭ সালে কলকাতায়। এরপর বোম্বে, হায়দ্রাবাদ ও নয়ডায় আরও তিনটি টাঁকশাল গড়ে ওঠে। প্রতিটি কয়েনে থাকে তার জন্মস্থানের চিহ্ন। যেমন কয়েনের সাল যেখানে লেখা থাকে ঠিক তার নীচে ডায়মন্ড চিহ্ন থাকলে সেই কয়েনটি বোম্বে মিন্টে তৈরী, ষ্টার চিহ্ন থাকলে হায়দ্রাবাদ, ডট বা ফুটকি থাকলে নয়ডা মিন্টের তৈরী হয়, একমাত্র কলকাতা টাঁকশাল থেকে তৈরি হওয়া মুদ্রায় সালের নীচে কোনো চিহ্ন থাকে না।

এই ১৯৫০ সালের ১ টাকার কয়েনটির সামনে দিকে রাজার পরিবর্তে অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতিকৃতি ছিল এবং বাঘের পরিবর্তে ভুট্টার শীষ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মজার কথা ১৯৫০ সালে এই রকম 4 টা কয়েন দিয়ে 1 আমেরিকান ডলার পাওয়া যেতো, বর্তমানে যে 1 ডলার পেতে গেলে 89 টাকা দিতে হবে!

#ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , ,

আমরা মাঝে মাঝেই বলতে শুনি -“পাই পয়সার হিসাব চাই” বা “সে প্রতিদিন পাই টু পাই হিসাব রাখে” কিংবা "ওয়ান পাইস ফাদার মাদার"  ব...
27/09/2025

আমরা মাঝে মাঝেই বলতে শুনি -
“পাই পয়সার হিসাব চাই” বা “সে প্রতিদিন পাই টু পাই হিসাব রাখে” কিংবা "ওয়ান পাইস ফাদার মাদার" বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুবিমল মিশ্রের লেখা একটি বইয়ের শিরোনাম I কিন্তু কথা হচ্ছে পাই সম্পর্কে আমাদের কতোটা ধারনা আছে!!! অথবা পাই পয়সার কথা আমরা আজো শুনি কিন্তু পাই পয়সার চিহ্ন আজ আর নেই । পাই পয়সা রয়ে গিয়েছে শুধু বাংলার কথ্য সমাজে । কিন্তু একদিন ছিল “পাই পয়সা”। বৃটিশ ভারতে এই “পাই পয়সার” জন্ম । পাই পয়সা বৃটিশ ভারতের সবচেয়ে কম মূল্যের মুদ্রা ছিল ।

বৃটিশ ভারতের মুদ্রার চেহারাটা একটু দেখে নেওয়া যাক । ১৬ আনায় এক টাকা । এক আনার ১২ ভাগ করলে এক পাই । তিন পাই তে এক পাইস । পাইস হোটেলের কথা বাংলা সিনেমায় অনেক শুনেছি । এই হল সেই পাইস । এক টাকার ১৯২ ভাগের এক ভাগ হল পাই । বৃটিশ ভারতে এক পাই ছিল সব চেয়ে ছোট মুদ্রা কিন্তু সে যেগে এতেও মিলতো অনেক কিছু । সে যুগে হিসাব ছিল তিন পাইতে এক পাইস , চার পাইসে এক আনা আর ১৬ আনায় এক টাকা । কিন্তু টাকা সে যুগে সবার ঘরে খুব কমই থাকতো । শুধু পাই আর পাইসে চলে ঘরের কেনাকাটা আর আনাতেই সংসার চলে যেত ভালো রকম ।

কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জেরে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকে ।বিদেশ থেকে মুদ্রা তৈরির জন্য তামা এবং অন্য ধাতুর দাম বাড়তে থাকে । ১৯৪২ সালে পাই তৈরি বন্ধ করে দেয় বৃটিশ সরকার তবে পাই বাজারে চলে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত । ১৯৪২ সালে পাই তৈরির জন্য যে ধাতু লাগতো তার মূল্য পাই এর বিনিময় মূল্য থেকে বেশ কম হয়ে যাচ্ছে । বৃটিশ সরকার পাই তৈরি বন্ধ করে দেয় । ১৯৪৭ সালে পাই এর বিমুদ্রাকরন হয় এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জাদুঘরে ঠাঁই হয় পাই এর ।
পাই পয়সার আর পাইস হোটেল আজো রয়েছে বাংলার মনে কিন্তু বাস্তবে সে শুধু ইতিহাস ।

৩ পাই = ১ পাইস
৪ পাইস = ১ আনা
১৬ আনা= ১ টাকা
১ টাকা = ১৯২ পাই

, ,
#ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , , , #পাই , #পাইস

আমাদের জেনারেশনে নিশ্চিতভাবেই অনেকে ব্রিটিশ ভারতের সময়কার মুদ্রা দেখেছেন , যার উপর রাজা বা রাণীর ছবি ছাপা থাকে। আমরা যদ...
02/04/2025

আমাদের জেনারেশনে নিশ্চিতভাবেই অনেকে ব্রিটিশ ভারতের সময়কার মুদ্রা দেখেছেন , যার উপর রাজা বা রাণীর ছবি ছাপা থাকে। আমরা যদি না দেখে থাকি , তবুও আমাদের বাবা-মা নিশ্চয়ই দেখেছেন। আজকের সময়ে এই মুদ্রাগুলো খুবই বিরল, যার কারণে এগুলো দেখাও যায় না। আর এই মুদ্রাগুলোর দামও ভালো। এই মুদ্রাগুলোর দাম এত বেশি যে হাজার থেকে লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে ।সাধারণত এসব রুপি মুদ্রা সে সময় উচ্চবিত্ত পরিবারে মধ্যে ঘোরাফেরা করত। মধ্যবিত্ত পরিবার পেলে তা যত্নে গুছিয়ে রাখতো কোন কৌটায়।

ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনামলে মুদ্রা প্রচলনকে দুটি যুগে ভাগ করা যেতে পারে: ১৮৩৫ সালের পূর্ববর্তী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (EIC) ইস্যু; এবং ইম্পেরিয়াল ইস্যু। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রত্যেকটি রুপোর মুদ্রার ওজন ছিল ১১.৬৬ গ্রাম অর্থাৎ ১ ভরি I এখনো প্রচলিত ‘ভরি’ ধারণা ঐ ধরণের ব্রিটিশকয়েন থেকেই এসেছিলো I এই খাঁটি রুপোর কয়েনে রুপোর ভাগ ছিল ৯১.৭%, কয়েন গুলি ১.৮ মিমি পুরু এবং ৩০.৭৮ মিমি ব্যাস বিশিষ্ট হয়ে থাকে I এই মুদ্রাগুলি মূলত তিনটি টাকশাল - কলকাতা, বোম্বে এবং মাদ্রাজ থেকে নির্মিত হতো , বোম্বে, মাদ্রাজ, কলকাতা এই তিনটি টাকশালের নিজস্ব টাকশাল চিহ্ন ছিল। মাদ্রাজ টাকশাল ১৮৬৯ সালে বন্ধ হয়ে যায়, এবং ১৯৪০-এর দশকে লাহোরে একটি নতুন টাকশাল স্থাপিত হয়।প্রথমদিকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রাগুলো মোঘল রীতি অনুসারে তৈরি হতো। স্বর্ণমুদ্রার নাম দেয়া হয় ক্যারোলিনা, রৌপ্যমুদ্রা অ্যাংলিনা, তামার মুদ্রা কাপেরুন এবং টিনেরগুলোকে বলা হত টিনি। পরবর্তীতে ১৮৩৫ সালে মুদ্রা আইন (Coinage Act 1835) জারি করে অভিন্ন মুদ্রার প্রচলন করা হয়। নতুন মুদ্রায় রাজা চতুর্থ উইলিয়ামের প্রতিকৃতি আর অন্যপাশে ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় মুদ্রার মান উৎকীর্ণ করা হয়।

ইম্পেরিয়াল ইস্যুগুলির মুদ্রায় রানী ভিক্টোরিয়া (১৮৬২-১৯০১), রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড (১৯০৩-১৯১০), রাজা পঞ্চম জর্জ (১৯১১-১৯৩৬) এবং রাজা ষষ্ঠ জর্জ (১৯৩৮-১৯৪৭) ছবি দেখা যায় । রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড এর সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে কোনও ব্রিটিশ ভারতের মুদ্রা জারি করা হয়নি ।

১৮৫৭ সালের পরে জারি করা মুদ্রাগুলি ব্রিটিশ মনার্কর কর্তৃত্বাধীন ছিল কারণ ভারত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ হয়ে ওঠে। ১৮৭৬ সালের ‘রয়্যাল টাইটেলস এক্ট’ র মাধ্যমে , রানী ভিক্টোরিয়া "ভারতের সম্রাজ্ঞী" উপাধি গ্রহণ করেন, তাই ১৮৭৭ সাল থেকে পরবর্তী সমস্ত মুদ্রায় ভিক্টোরিয়া রানী থেকে ভিক্টোরিয়া সম্রাজ্ঞীতে পরিবর্তিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভের পর একটি ক্রান্তিকাল শুরু হয় এবং ১৯৫০ সালে ভারত প্রজাতন্ত্রের প্রথম মুদ্রা জারি করা হয়।

রাজা চতুর্থ উইলিয়াম : ১৮৩০ থেকে ১৮৩৭ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু তিনি গ্রেট ব্রিটেনের রাজা ছিলেন I তাঁর মৃত্যুকালে কোনো জীবিত বৈধ সন্তান না থাকায়, রাজা চতুর্থ উইলিয়ামের ভাইঝি ভিক্টোরিয়া ইংল্যান্ডের রানী হয়েছিলেন I তাঁর শাসনামলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৮৩৫ সালে ১ টাকার রুপার মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন I

রানী ভিক্টোরিয়া :
১৮৩৭ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের রানী হন ভিক্টোরিয়া I তাঁর সুদীর্ঘ ৬৩ বছরের রাজত্বকালকে ‘ভিক্টোরিয়ান যুগ’ বলা হয়ে থাকে I ভিক্টোরিয়ান যুগ ছিল শিল্প বিপ্লবের তুঙ্গে, যা যুক্তরাজ্যে উল্লেখযোগ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের একটি সময়কাল ছিল। ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটে এবং এই সময়কালে এটি তার শীর্ষে পৌঁছে, সেই সময়ের একটি শক্তিশালী বিশ্বশক্তিতে পরিণত হয়। ১৮৪০ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রবর্তিত রুপার মুদ্রাগুলিতে রানী ভিক্টোরিয়ার ইয়ং বয়সের প্রতিকৃতি দেখা যায় I ১৮৬২ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত মুদ্রায় রানী ভিক্টোরিয়ার মুকুটযুক্ত ছবি দেখা যায় I ১৮৩৭ সালে সিংহাসনে অভিষিক্তা হন রানি । ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপট তাঁর শাসনকালে উল্লেখযোগ্য ঘটনা । ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে সরাসরি ভারতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ব্রিটিশ সরকার । ১৮৬২ থেকে ১৮৭৬ পর্যন্ত মুদ্রা গুলিতে ‘ভিক্টোরিয়া কুইন’ লেখা হতো I ১৮৭৭ সালে রানীর উপাধি পরিবর্তন করে সম্রাজ্ঞী করা হয়েছিল। সেই কারণে ১৮৭৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত মুদ্রা গুলিতে ‘ভিক্টোরিয়া এমপ্রেস’ লেখা হয়েছিল I ১ জানুয়ারি, ১৮৭৭ :নিজেকে সে দিন ‘ভারতসম্রাজ্ঞী’র মুকুটে ভূষিত করলেন ভিক্টোরিয়া। সম্রাজ্ঞীর প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল এক বছর আগে থেকেই। ১৮৭৬ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডিজরেলির উদ্যোগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস হল ‘রয়্যাল টাইট্‌লস অ্যাক্ট’। একদা ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি প্রথম ‘হিজ ম্যাজেস্টি’ খেতাব নিয়েছিলেন। তাঁর উত্তরসূরি ভিক্টোরিয়া এ বার থেকে শুধু ‘হার হাইনেস’ নন, পুরোদস্তুর সম্রাজ্ঞী। ১৯০১ সালের ২২ শে জানুয়ারি রানী ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু হয় I

রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড :

রানী ভিক্টোরিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড ১৯০১ থেকে ১৯১০ আমৃত্যু পর্যন্ত তিনি রাজত্ব করেছিলেন I
১৯০৩ থেকে ১০১০ সালের ১/১২ আনা, ১/২ পয়সা, ১/৪ আনা, ১ আনা, ২ আনা, ১/৪ রুপি, ১/২ রুপি এবং ১ টাকার মধ্যে তাঁর মুকুটবিহীন ছবি দেখা যায় ।

রাজা পঞ্চম জর্জ :

রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড মারা যাবার পরে পরবর্তী রাজা হন সপ্তম এডওয়ার্ডের পুত্র পঞ্চম জর্জ I ১৯১০ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল আমৃত্যু পর্যন্ত তিনি রাজা ছিলেন I তাঁর রাজ্যাভিষেক স্মরণীয় করে রাখার জন্য,১৯১১সালে১টাকার রুপোর মুদ্রাটি ভারতের জন্য তৈয়ারী করেন ব্রিটিশ সরকার। মুদ্রাটির ওজন ১১.৬৬ গ্ৰাম, ৯১.৭% রুপা দিয়ে তৈরি। মুদ্রাটি নকশা করেন খ্যাতিমান ভাস্কর ব্রার্টান্ড ম্যাকেনাল।১টাকার রৌপ্য মুদ্রাটির পঞ্চম জর্জের মাথায় মুকুট ও কোর্টের কলারে সূক্ষ্ম,সূক্ষ্ম নকশা করা, তাঁর মধ্যে একটি হাতি আঁকা আছে। কিন্তু নকশা করার সময় হাতির শুঁড় ও লেজ ভুল করে ছোট করাতে দেখতে শূকরের মত লাগে। সেইসময় মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা মুদ্রাটি হাতে ধরতে বা আদান,প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ মুসলিম ধর্মে শূকর একটি অপবিত্র জীব। দিনে দিনে ভারতে তা বিদ্রোহের আকার ধারণ করে। তখন ব্রিটিশ সরকার মুদ্রাটি তুলে নিতে বাধ্য হয়। মুদ্রাটি পিগ কয়েন ( pig coin) নামে পরিচিত Iঅল্প কিছু কয়েন মানুষের কাছে থেকে যায়। নিউমিসম্যাটিক (Numismatics)বা মুদ্রা সংগ্ৰহকারীদের কাছে এটা খুব প্রিয় ও দামি একটি কয়েন।১৯২৩ সালে ব্রিটিশ সরকার ভারতে রুপি মুদ্রা ছাপা বন্ধ করে দেন। তারপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯ -১৯৪৫) সময় যুদ্ধকালীন রুপি মুদ্রার বানিজ্যিক চাহিদা মেটানোর জন্য ১৯৩৯ সালে তা পুনরায় ছাপার অনুমতি দেন।

রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড :
তাঁর অতি সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে তাঁর প্রতিকৃতি সম্বলিত কোনও মুদ্রা জারি করা হয়নি।

রাজা ষষ্ঠ জর্জ : ১৯৩৬ সাল থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত আমৃত্যু তিনি ইংল্যান্ডের রাজা ছিলেন I তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের শেষ সম্রাট I রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ছিলেন তাঁর কন্যা I তাঁর আমলে ইস্যু হওয়া ১৯৩৯ সালের ১ টাকা বেশ দুর্লভ I কারণ ঐটি ছিল Pure Silver দ্বারা নির্মিত শেষ মুদ্রা I ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগলে রুপোর সংকট লেগে যায়, সেই কারণে ১৯৩৯-১৯৪৫ পর্যন্ত নির্মিত মুদ্রা গুলিতে রুপোর পরিমান কমে যায় I ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ৫০% রুপোর রুপি ছাপা হয়। তারপর আসে নিকেলের রুপি।
১৯৪৭ সালের রুপি, আধা রুপি, কোয়ার্টার রুপি এবং আনা মুদ্রাও সংগ্রহকারীদের কাছে বিশেষ আগ্রহের বিষয়, কারণ ওই বছরই ছিল ব্রিটিশদের জারি করা শেষ মুদ্রা! ব্রিটিশ ইন্ডিয়া কয়েন কেবল একটি মুদ্রা নয়; এটি ইতিহাসের একটি অংশ যা অতীতের এক যুগের গল্প বলে!

You must have seen the coins of the time of British India on which the picture of a king or queen is printed. Even if you haven’t seen it, your parents must have seen it. In today’s time, these coins are very rare due to which they are not even seen. And the price of these coins is also good. These coins are of such high value and you can get thousands to lakhs of rupees.

Coinage under British governance of the Indian subcontinent can be divided into two periods: East India Company (EIC) issues, pre-1835; and Imperial issues struck under direct authority of the crown. These coins were originally minted in three mints - Calcutta, Bombay and Madras - with their own mint marks. The Madras mint was shut down in 1869, while a new mint was set up in Lahore in the 1940s. English pattern coins were struck at the Bombay Mint. The gold coins were termed Carolina, the silver coins Anglina, the copper coins Cupperoon and tin coins Tinny. By the early 1830, the English had become the dominant power in India. The rise of one dominant power after over a hundred years of turmoil, enabled the enactment of the Coinage Act of 1835 and for uniform coinage to be issued.

Imperial issues bear obverse portraits of Queen Victoria (dated 1862–1901), Edward VII (dated 1903–1910), George V (dated 1911–1936), and George VI (dated 1938–1947). No British India coins were issued during the brief reign of Edward VIII.

Coinage issued after 1857 were under the authority of the monarch as India became part of the British Empire. With the Royal Titles Act 1876, Queen Victoria took the title "Empress of India", so in 1877 coin inscriptions changed from Victoria Queen to Victoria Empress. There was a transition period after India gained independence on 15 August 1947, and the first set of republic India coins were issued in 1950.

King William IV: He was King of the United Kingdom of Great Britain and Ireland and King of Hanover from 26 June 1830 until his death in 1837. William had no surviving legitimate children at the time of his death, so he was succeeded by his niece Victoria in the United Kingdom and his brother Ernest Augustus in Hanover. Newly designed coins with the effigy of William IV on the obverse and the value on the reverse in English and Persian, were issued in 1835.

Queen Victoria:
The coins issued after 1840 bore the portrait of Queen Victoria. The first coinage under the crown was issued in 1862. Currency and proof issues of the 1862 dated rupee coins have a number of different obverse and reverse die varieties, which are helpful in identification of the mint. The design of the coin, however, remained largely unchanged. From 1863 till 1875, the Bombay mint introduced an unusual system of dots to date the coins. These dots occur on the reverse below the date, above the word 'ONE', or in both positions. From 1874, this practice was halted and coins began to be dated continuously. From this development, it may be inferred that by this time the 'batta' system must have all but disappeared. As with all other Victoria coinage, the title on the obverse was changed from 'Victoria Queen' to 'Victoria Empress' in 1877. Calcutta mint coins usually carry no mint mark or an incused 'C' at the bottom of the reverse. Bombay mint issues are usually marked by a raised bead below the date, or a raised/incused 'B' in the top or bottom flower, with some exceptions. Rupee coins with Victoria's bust were minted until her death in 1901.

Fractional denominations of half rupee, quarter rupee, and two annas were also issued under Victoria's reign. The dot-dating system was not used for these denominations, and is unique to the 1862 dated Bombay rupees. Similar to the rupee coins, the title of Queen was changed to Empress in 1877. The Bombay and Calcutta issues have mint identification marks similar to the rupee issues (no mark or 'C' incused for Calcutta, bead or raised/incused 'B' for Bombay). Different reverse and obverse die varieties are known for each denomination.

Edward VII:
Coins featuring the effigy of Edward VII were issued in denominations of 1⁄12 anna, 1⁄2 pice, 1⁄4 anna, 1 anna, 2 annas, 1⁄4 rupee, 1⁄2 rupee and 1 rupee. All coins featured an uncrowned effigy of Edward VII by George William De Saules.
George V:
The effigy of George V by Bertram Mackennal used here. In 1911, when the first rupee coins of King George V were minted, one of the decorations on his portrait featured an elephant. Unfortunately, in the first version of the coin, the ‘elephant’ had short legs and a short trunk, looking somewhat like the snout of a pig – and caused a furor. The British government, perhaps mindful of the 1857 revolt, decided to withdraw the coin and altered the dies to show a more anatomically correct elephant from 1912 onwards. As a result, the pig-rupee is a rare coin, and fetches a substantial premium over other coins of the time.
Edward VIII:
During the short reign of Edward VIII, no coins were issued in India bearing his portrait.
George VI:
1939 rupee change in silver content wartime measures. There are many rare coins of this period which interests coin collectors. The 1939 rupee is the most expensive rupee, as after 1939 all silver coins effectively became less pure, due to the shortage of silver during World War II. The 1947 rupee, half rupee, quarter rupee and anna coins are also of special interest to collectors, since that was the last year British issued coins were circulated in India.

British India Coin is more than just a piece of currency; it’s a piece of history that tells a story of a bygone era.

, , , , , , #ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , ,

গত ২৬ শে ডিসেম্বর ২০২৪  প্রয়াত ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কর্মজীবনের কথা বলতে গেলেই এমন এক সাফল্যের উল্লেখ করতে ...
05/01/2025

গত ২৬ শে ডিসেম্বর ২০২৪ প্রয়াত ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কর্মজীবনের কথা বলতে গেলেই এমন এক সাফল্যের উল্লেখ করতে হয়, যার ভাগিদার একমাত্র তিনিই। মনমোহন সিং-ই ভারতের একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যার স্বাক্ষর টাকায় ছিল।

দেশের মুদ্রা অর্থাৎ রুপিতে স্বাক্ষর করার সম্মান বা অধিকার সকলের নেই। একমাত্র রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার গভর্নরই এই সম্মান পান। প্রতিটি নোটে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর পরিবর্তন হলে মুদ্রিত নোটে গভর্নরের স্বাক্ষরও পরিবর্তন হয়। নতুন গভর্নরের স্বাক্ষর যোগ হয় নোটে।

২০০৪ সালে ভারতের ত্রয়োদশতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে মনমোহন সিং অর্থমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি ২০০৪ সাল ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন I তবে রাজনীতিতে প্রবেশের আগে তিনি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি আরবিআই-র পঞ্চদশ গভর্নর ছিলেন তিনি। সেই সময় দেশের মুদ্রায় মনমোহন সিংয়ের স্বাক্ষর ছিল।

এছাড়াও ১৯৭৬ সালে ভারতের ফিনান্স সেক্রেটারি হওয়ার সুবাদে ১ টাকার নোটেও তাঁর স্বাক্ষর ছিল I এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে ভারতবর্ষের কেবল ১ টাকার নোটেই ফিনান্স সেক্রেটারির স্বাক্ষর থাকে I অর্থাৎ ১ টাকার নোট সরাসরি ভারত সরকার ইস্যু করে থাকেন I ভারতের ১ টাকা ব্যাতিত অন্য সমস্ত নোটে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে অর্থাৎ ২, ৫, ১০, ৫০,১০০, ৫০০, ১০০০, ২০০০ টাকার নোট গুলি ইস্যু করে থাকেন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া I

Dr Manmohan Singh, the only Indian prime minister whose signature adorned currency notes---the one-rupee note as Finance Secretary, and all other notes as RBI Governor.

Former Prime Minister Manmohan Singh, who passed away on Dec 26 th’2024, holds a rare distinction in India's currency history due to his association with currency notes.

Dr Singh, who held several prominent positions throughout his career, including that of Secretary in the Ministry of Finance, was responsible for signing the Rs 1 note. This rare occurrence set him apart in India's financial history.

Moreover, Dr Singh had also served as the 15 th Governor of the Reserve Bank of India (1982-1985), during which his signature appeared on other denomination notes.

While the Prime Minister of India is a prestigious position, they do not typically have the authority to sign currency notes. Dr Singh's legacy include his signature on currency notes.

During Dr. Manmohan Singh's tenure as Prime Minister (2004–2014), the BSE Sensex soared by an impressive 398%, closing positively in 8 out of 10 years. Landmark years included 2009 with an 81% return and 2006–2007 with 47% each.

As India's fourth longest-serving PM, the architect of India's economic reforms, Dr. Singh also made significant contributions as a former RBI Governor and Finance Minister, leaving an indelible mark on the nation’s economic and political landscape.

“I Promise to pay the bearer the sum of ***Rupees” /'मैं धारक को***रुपये अदा करने का वचन देता हूं'
Whenever you last held a banknote in your hands, chances are you may not have paid attention to these words. But the meaning these words hold are both simple and significant. In meaning, if somebody presents a note of say,100 rupees then it is the liability of the RBI to pay the bearer goods/gold of 100 rupee at any cost. The Reserve Bank of India (RBI) has the responsibility of printing currency banknotes in India. Every single banknote has the declaration of the RBI governor, here the familiar 2,10,50 and 100 rupee banknotes signed by Dr Manmohan Singh. Besides being PM twice, Dr Singh was widely acknowledged and respected in the finance world - he became Governor of the RBI.

But wait, did you know that RBI prints the notes of all denominations except 1 rupee note because it is printed by the Ministry of Finance. Dr Singh was also Finance Secretary and so you will find one rupee notes with his sign as well.

As the world bids him adieu, remember you too may well have his autographed banknote, an accomplishment only he held.

Goodbye to one of our most accomplished, distinguished economists, office bearers, Governor and Prime Minister.

, #ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , , #মনমোহন_সিং

Address

Santipur
741404

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Notaphilist ZIA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Notaphilist ZIA:

Shortcuts

Share

Category