Barrackpore Jafarpur Chal Bazar

Barrackpore Jafarpur Chal Bazar Popular area in Barrackpore

৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
15/08/2022

৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।


দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের তারিখ এবং স্থান :- ব্যারাকপুর ১ এবং ২ ব্লক, নর্থ ব্যারাকপুর এবং ব্যারাকপুর মিউনিসিপ্যালিটি
14/08/2021

দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের তারিখ এবং স্থান :- ব্যারাকপুর ১ এবং ২ ব্লক, নর্থ ব্যারাকপুর এবং ব্যারাকপুর মিউনিসিপ্যালিটি

27/10/2020
''শুভ দীপাবলির আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আলোর রোশনাইতে ভরে উঠুক জীবনের বাকি দিনগুলো। ভাল থেকো ও সুস্থ থেকো। ''
19/10/2017

''শুভ দীপাবলির আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আলোর রোশনাইতে ভরে উঠুক জীবনের বাকি দিনগুলো। ভাল থেকো ও সুস্থ থেকো। ''

tufan sangha 2017 Durga puja
02/10/2017

tufan sangha 2017 Durga puja

08/07/2017

বাঙ্গালীর আবেগ – সৌরভ গাঙ্গুলী এর সম্বন্ধে কিছু অজানা তথ্য যা জানলে আপনি পুরোপুরি চমকে যাবেন !! পুরোটা প​ড়ুন অবশ্যই

ক্যাপ্টেন লোকটাকে বলেছিল – এই রসগোল্লা, তুই শুধু জল বইবি। লোকটা প্রতিবাদ করেছিল। একটা ম্যাচে চান্স। ৩ রানে আউট। বাদ।

লোকটা একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে ও নিয়ে নেয়। জেতেও। লোকটা ফিরে এলো।

চার বছর পর লর্ডসে যখন নামছে ও, আশেপাশে ফিসফাস। ও নাকি সম্বরণের কোটা।

Silk touche এ একের পর এক বল যখন কভার বাউন্ডারি ছাড়াতে শুরু করল, সবাই হঠাৎ টানটান। লোকটা যখন শতরান ছুঁল, প্রিন্স অব ক্যালকাটা তখন জন্ম নিয়েছেন। তারপর এল সেই অভিশপ্ত ১৯৯৯।

ভারতের ক্রিকেট মিথ চূর্ণবিচূর্ণ। সচিন ছেড়ে দিয়েছেন অধিনায়কত্ব। গড়াপেটায় বিধ্বস্ত আজহার। লোকটাকে দ্বিতীয় বার ছূঁড়ে দেওয়া হল চ্যালেঞ্জ। -পারবি? -পারব।

তারপরের ৪৯ টেস্টে ২১ টায় জয় যার মধ্যে ১৩ টাই দেশের বাইরে। পাকিস্তানকে পাকিস্তানে মারা। স্টিভ ওয়ার চোখে চোখ রেখে ছিনিয়ে নেওয়া ফলো অন টেস্ট। লর্ডসের ব্যালকনিতে জামা ওড়ানো !!!

তারপর এলো চ্যাপেলওয়ে। বিদেশে সিরিজ জিতেও গেল অধিনায়কত্ব। আবার লোকটা বাদ। আবার চ্যালেঞ্জ। রঞ্জি খেলে ফিরে আয়। দেখি কত বড়ো মাচো তুই।

অনেকে তখন সরে দাঁড়ায়। মাথা নীচু করে। কিন্তু ওই যে বললাম, লোকটার Chemistry টা একটু আলাদা। ও আবার চ্যালেঞ্জ নিল। দেশের নানা প্রান্তে ঘুরে ঘুরে খেলতে লাগল রঞ্জি ট্রফি। ছেলেবেলার মতো।

আর, বললে বিশ্বাস করবেন না, আবার ফিরেও এলো এক বছর পর। প্রত্যাবর্তন ইনিংসে দক্ষিন আফ্রিকার মাটিতে করল অপরাজিত অর্ধশতরান। ভারত জিতল। পরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ডাবল সেঞ্চুরি।

তবু, আবার বাদ দেওয়ার চোখ রাঙানি। আর ভাল লাগল না ওর।

তাই ক্যাপ্টেনকে বলল – এটাই শেষ সিরিজ। অস্ট্রেলিয়া। এরপর আর খেলব না। প্লীজ, এই সিরিজটা খেলতে দাও আমায়। আবার চ্যালেঞ্জ।

এবং কি আশ্চর্য, আবার জিতল। নাগপুরের শেষ টেস্টেও ৮৫। তারপর সব শেষ।

1996 সালে সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারতীয় দলে অন্তর্ভুক্তির পর মুম্বাই এবং দক্ষিণী লবির সাংবাদিকরা গেল গেল রব তুলেছিল , যে কেন ভি ভি এস লক্ষণ এর মতো প্রতিভাবান প্লেয়ার থাকতে একে দলে ঢোকানো হল ?

বাঁ হাতিই যদি নিতে হয় তাহলে অভিজ্ঞ ডব্লিউ ভি রমনকেই আবার ডাকা যেত । তখন ভারতীয় বোর্ডএর কিছু বাঘা কর্মকর্তা তাদের আশ্বস্ত করে দিয়ে বলেছিলেন – আরে বহুদিন ধরে বেঙ্গল থেকে কোন প্লেয়ার নেওয়া হয় না , বোর্ড নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে কোটা হিসাবে একজনকে নেওয়া হয়েছে আর নিলেই কি খেলাতে হবে নাকি ? স্বয়ং আজাহার নির্বাচনী সভায় সৌরভের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে তুলকালাম করেছিলেন ।

কিন্তু গত দুই বছরে গাঙ্গুলীর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স আর সম্বরণ ব্যানার্জির উপস্থিত বুদ্ধি , গলার জোর , মেরুদন্ড শক্ত করে থাকা সব মিলিয়ে মিশিয়ে সৌরভ ভারতীয় দলে ঢুকে পড়েন ।

তারসঙ্গে 1996 এর বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের খারাপ পারফরম্যান্স, ইডেন বিতর্ক, আজাহার সংগীত বিজলানী কেচ্ছা সবকিছুই একটা অনুঘটকের কাজ করেছিল ।

ইংল্যাণ্ডের দল ঘোষণা হওয়ার পরে সৌরভকে নিয়ে প্রথম বিদ্রুপটা ছুঁড়ে দিয়েছিলেন গাভাস্কার – ” ও তো কলকাত্তা কা রসগুল্লা হ্যায় ! ”

রবি শাস্ত্রী সরাসরিই বলেছিলেন – ” কোটার মাল !”

আসলে এরা সবচেয়ে ভাল ওয়াকিবহাল ছিলেন সৌরভের ক্ষমতা সম্পর্কে । তাই সৌরভ গাঙ্গুলীর ভবিষ্যৎ মহীরুহ হওয়ার সম্ভাবনাকে অচিরেই শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন ।

নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পরে প্রবল বাংগালী বিদ্বেষী মুখ্য নির্বাচক সন্দীপ পাতিল ব্যাঙ্গ করে বলেছিলেন – ” আজ সম্বরণ আমাদের খাওয়াবে ! সৌরভকে শেষ পর্য্ন্ত ও দলে ঢুকিয়েই ছাড়ল ! ”

ব্যাপারটা এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় যে মধ্যাঞ্চলের নির্বাচক গোপাল শর্মা চিৎকার করে বলতে বাধ্য হন – ” শাট আপ স্যান্ডি ! সমস্ত কিছুর একটা সীমা আছে । ”

উত্তরে সম্বরণ ব্যানার্জি হেসে বলেছিলেন – ” তোমাদের তুলনায় এই বাংগালী একটু গরীব , কিন্তু নিশ্চই খাওয়াবো । তবে সৌরভকে দলে ঢোকাতে পারলাম বলে নয় , ভারতীয় দলকে সৌরভের মতো একটা ক্রিকেটার দিতে পারলাম বলে । ”

আসলে সম্বরণ ব্যানার্জি নিজেই তো একজন বঞ্চিত তারকা । নিজের ওপর হওয়া অবিচারের শোধ সম্বরন সুদে আসলে তুলে ছিলেন স্রোতের বিরুদ্ধে সৌরভকে ভারতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করিয়ে ।

1996 এর ইংল্যান্ড সফরে সৌরভের ক্যারিয়ার চিরকালের মতো শেষ করে দেওয়ার ব্লু প্রিন্ট ফ্লাইটে বসেই বানিয়ে ফেলেছিলেন আজাহার আর পাতিল ।

হোটেলে চেক ইন করার পরে আজাহার সৌরভকে বলেছিলেন – ” ভালো করে ইংল্যান্ড ঘোর, বাজার কর , আত্মীয় স্বজনের সাথে দেখা করো , মানে ভুলেও ক্রিকেট খেলার বা দলে জায়গা পাওয়ার কথা মনে স্থান দিও না । ”

প্লেয়ারদের ফিডব্যাক রিপোর্টে সৌরভ সম্পর্কে ভয়ংকর সব অভিযোগ করেছিলেন পাতিল । পাতিল জানতেন 1992 সালে সৌরভ যখন ভারতীয় দলে প্রথম নির্বাচিত হন তখন তার নাম শ্রীকান্ত , শাস্ত্রী সহ বেশ কিছু প্লেয়ার অভিযোগ করেছিলেন সৌরভ নাকি উদ্ধত এবং তাদেরকে সিনিয়র ক্রিকেটার হিসাবে সম্মান করেন না । যেটা সৌরভ পরে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ বলেছিলেন । সেটাকেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করলেন পাতিল ।

রিপোর্টে লিখলেন ” সৌরভ টিমম্যান নন , ম্যাচের আগে কারোর সাথে কথা বলেননা , একাএকা ঘুরঘুর করেন । ” এখানে আমরা নিজেরা যারা খেলাধুলা অল্পবিস্তর করি তারা একটা কথা বলতে চাই যে, খেলাধুলায় চূড়ান্ত ক্ষেত্রে নামার আগে মনোসংযোগ বলে একটা কথা আছে ।

কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবে বিনোদ কাম্বলীর রাস্তা পরিষ্কার রাখার জন্যে পাতিলরা ওই কাজ করেছিলেন ।

আজহারের সাথে সিধুর ইগোর লড়াই চরমে পৌঁছে সিধু মাঝপথে সফর ছেড়ে চলে এলেও সৌরভের নাম ভাবা হয়নি । ঠিক ছিল রাহুল দ্রাবিড় আর বিক্রম রাঠোর এর নাম । কিন্তু এরপরে প্র্যাকটিসে সুনীল জোশির আংগুল ভাঙ্গায় কোনভাবেই উপায় না দেখে সৌরভকে খেলাতে বাধ্য হয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট । লর্ডসের স্যাঁতস্যাঁতে পিচে সৌরভকে ওয়ান ডাউনে ঠেলে দেন পাতিল আজাহার জুটি । উদ্দেশ্য পরিষ্কার সৌরভ ডমিনিক কর্ক আর এলান মুলালির বিষাক্ত সুইং এর সামনে খাবি খেয়ে অল্প রানে আউট হবেন আর তারপরেই ওৎ পেতে থাকা মুম্বাই আর দক্ষিণী মিডিয়ার সাহায্যে শেয়ালের চিৎকার করে সৌরভ অযোগ্য এই বলে সৌরভের ক্যারিয়ার জন্মের মতো শেষ করে দেওয়া হবে । সঙ্গ দেওয়ার জন্যে মাত্রাতিরিক্ত উদার , খাঁটি ভারতীয় বাঙালী কাঁকড়ারা তো আছেই ।

লর্ডসে সৌরভ কি করেছিলেন সেটা বিশ্বক্রিকেটের রূপকথায় ঢুকে গেছে । কিন্তু যদি তিনি শূন্য রানে আউট হতেন তাহলে কি হোত ? দিলীপ বেঙ্গসরকার 16 টা টেস্ট খেলার পরে জীবনের প্রথম হাফ সেঞ্চুরী করেছিলেন , যে গাভাসকার প্রথম তিনটে টেস্টে 700 রান করেছিলেন সেই গাভাস্কারের 1000 হাজার টেস্ট রান পুরো করতে 12 টা টেস্ট লেগেছিল । সৌরভ পেতেন এতগুলো সুযোগ ? রোহিত শর্মা পরপর নয়টা ম্যাচে দুই অংকের স্কোরে পৌঁছাতে পারেননি । তবুও দশ নম্বর ম্যাচটা খেলার সুযোগ কেন পায় জানেন কারন ঠিক সেই সময়েই মহারাষ্ট্রের মিডিয়া আর কর্মকর্তারা খাঁটি ভারতীয় থেকে খাঁটি মুম্বাইয়া হয়ে যায় । এদের জন্যেই শচীন , লক্ষণ, দ্রাবিড় সৌরভের সমসাময়িক হয়েও কেউ 2012 কেউ 2013 আবার কেউ 2014 তে অবসর নিতে পারেন আর ফর্মের শিখরে থাকা সৌরভকে অকাল অবসর নিতে বাধ্য করা হয় 2008 সালে। চ্যাপেল কান্ডে সারা ভারতের ক্রিকেটপ্রেমী সৌরভ এর পক্ষে দাঁড়িয়েছিল আর ভারতীয় বোর্ড ছিল সৌরভের বিপক্ষে ।

সারা জীবনে অদ্ভুত অদ্ভুত সব অভিযোগের মুখোমুখি হতে হয়েছে বেঙ্গল টাইগারকে । প্রথমে বলা হোত ক্রিকেটই খেলতে পারেন না , লর্ডসের পরে নতুন গান শুরু হল টেস্টে মোটামুটি চললেও ওয়ানডে এর দ্বারা হবে না । টরন্টোতে একটা ম্যাচে কুম্বলেরও পরে আট নম্বরে সৌরভকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন পাতিল । খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন সাকুল্যে আটটা বল । 12 রানে নট আউট ছিলেন । তারমধ্যেই ওয়াসিম আকরামের একটা ব্যানানা ইনসুইঙ্গারকে স্ট্রেট ড্রাইভে বাউন্ডারিতে পাঠিয়েছিলেন , শটটা আজও চোখের সামনে জ্বলজ্বল করে ।

পরের ম্যাচেই বাদ পড়েছিলেন । সেইজন্য নিজের দশহাজার ওয়ানডে রান পূর্ন করার পরে একটা দুর্দান্ত স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন , তখন চ্যাপেল, মোড়ে দুই জোড়া ফলা দিয়ে সৌরভকে ছিন্নভিন্ন করছেন শরদ পাওয়ার । অধিনায়কত্ব পাওয়ার লোভে জেন্টেলম্যান রাহুল দ্রাবিড় তখন নগ্ন ব্রুটাস । সেই সময়ে দশ হাজার রান পূর্ন করে সংবাদিকদের বলেছিলেন – ” জীবনের প্রথম ওয়ানডে রানটা করার পরে জানতাম না পরের ম্যাচে দলে থাকবো কিনা ! আজ দশ হাজার ওয়ানডে রান করার পরেও জানিনা পরের ম্যাচে জায়গা থাকবে কিনা । “

খুব ভালো সিংগেলস জাজ করতে পারতেন , সেইজন্যে অতিরিক্ত বাহাদুরি দেখাতে গিয়ে নির্বোধের মতো রান আউট হতেন না এটাকে একশ্রেণীর মিডিয়া প্রচার করতো সৌরভ রান নিতে পারেন না । ঘোড়াতেও হাসবে শুনলে । শচীন, দ্রাবিড় ক্যাচ ফেললে ওটা ক্রিকেটেরই অঙ্গ কিন্তু সৌরভের একটা মিসফিল্ড হলেই খাঁটি ভারতীয় জাতীয়তাবাদী ক্রিকেটপ্রেমী বাংগালী কাঁকড়াগুলো গেল গেল রব তুলেছে । অথচ সৌরভের মতো উচুঁ ক্যাচ ধরার দক্ষতা অতীত বর্তমান মিলিয়েও কোন ভারতীয় ক্রিকেটারের নেই । ফ্লাড লাইটের ওপরে চলে যাওয়া ক্যাচগুলো কি অসাধারন দক্ষতায় তালুবন্দী করতেন । ক্লোজ ইন ফিল্ডার হিসাবেও দুর্দান্ত ছিলেন ।

সবচেয়ে হাস্যকর অভিযোগ ছিল গাঙ্গুলী জোরে বল খেলতে পারে না ! আঠেরো হাজার রান শুধুই স্পিনের বিরুদ্ধে এসেছে ? কার্টেলে আমব্রস, ওয়াসিম আকরম, চামুন্ডা ব্যাস, আকিব জাভেদ, ড্যারেন গফ, ডোনাল্ড, পোলক , ব্রেট লি কে ঠ্যাংগানি খায়নি দাদার হাতে ? শোয়েব আখতারের বল বুকে লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরেও হসপিটাল থেকে এসে দুরন্ত 57 রানের ইনিংস খেলেছিলেন । ওয়াকার ইউনূসের মার খাওয়ার কথা বললেই লোকে 1996 বিশ্বকাপে জাদেজার কথা বলে । এর থেকেও ভয়ংকর মার ইউনুস সৌরভের হাতে খেয়েছিলেন 1997 এ করাচির ওয়ানডেতে । পাকিস্তান এর বিরুদ্ধে ভারতকে ধারাবাহিকভাবে জিততে শিখিয়ে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলী । অফ সাইডের স্কোয়ার কাট আর কভার ড্রাইভ সর্বকালের সেরা । হিংসুকরা বলতো অন সাইডে খেলতে পারেন না । কতবড় নির্বোধ হলে এই কথাকে সমর্থন করা যায় । এতবড় দুর্বলতা নিয়ে 12 বছর এই আকাশছোঁয়া সাফল্য নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সম্ভব !

2006 এর শেষদিকে সৌরভের কামব্যাক যখন নিশ্চিত । তখন কাছের লোকেরা বলেছিল – ” এত তাড়াহুড়োর দরকার কি , এই সিরিজটার ওপরে সারা জীবনের ক্রিকেট ক্যারিয়ার দাঁড়িয়ে আছে । তোমাকে আতস কাচের নিচে ফেলে দেখছে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব , কি দরকার দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রিনটপে গিয়ে স্টেইন , মরকেল, এনতিনিদের মুখোমুখি হওয়ার ? এরচেয়ে অনেক দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতে আসছে এরপরেই ওদের বিরুদ্ধে সহজ সিরিজে কামব্যাক করো । ”

উত্তরে দেওয়ালের কোনা থেকে ব্যাট তুলে উত্তেজিত ভাবে আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন সৌরভ ।

জবাব দিয়েছিলেন – ” এইভাবে কাপুরুষের মতো ক্রিকেট কেন কোন খেলাই হয় না , এইভাবে বাচঁতে শিখিনি , যার সত্যিকারের ক্ষমতা আছে সে স্থান আর প্রতিপক্ষ বিচার করে না । যদি ক্ষমতা থাকে তো ওখানেই কিছু করে দেখাবো । ” কি করেছিলেন ইতিহাসে লেখা আছে ।

শোয়েব আখতার নিজের আত্মজীবনীতে সৌরভ সমন্ধে লিখেছেন – ” শরীরটা মানুষের কিন্তু ভেতরের খাঁচাটা দৈত্যের । “

শাহিদ আফ্রিদি বলেছেন – ” ও বন্দাহি থোড়া অলগ হ্যায় “

ক্রিস গেইল বলেছেন – ” IPL থেকে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি সৌরভ গাঙ্গুলীর সাথে ওপেন করতে নামা , ওর মতো ম্যাচ রিডিং করতে আর কাউকে দেখিনি ” ,।

এঞ্জেলো ম্যাথুজ বলেছেন – ” যে সৌরভকে সম্মান করতে পারেনা সে ক্রিকেটকে সম্মান করতে পারেনা। Ipl এ সৌরভের অধিনায়কত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। “

খেলোয়াড়ী জীবনে অসংখ্য সমস্যার সমাধান করেছেন একদম সামনে থেকে । ম্যাচ ফিক্সিং করে আজাহার জাদেজারা ক্রিকেট কে ধর্ষণ করে সরে পড়ার পরে চাপ সামলাতে না পেরে ভদ্রলোক শচীনও যখন পালালেন তখন এক্কেবারে যাতা, অসংখ্য দোষে দুষ্ট গাঙ্গুলীর ঘাড়ে অধিনায়কত্বের বোঝা ফেলে নিশ্চিন্ত হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট । 2000 থেকে 2008 সেরা ক্রিকেট খেলেছিল ভারত গাঙ্গুলীর নেতৃত্বে ।

এক সময়ে ভারতীয় ক্রিকেটে ওপেনিং জুড়ি টিকত দুই থেকে পাঁচ ওভার । গাঙ্গুলিকে ধরে ওপেনার বানিয়ে দেওয়া হোক ! ঘরোয়া ক্রিকেটেও ওপেন না করা সাহসী সৌরভ নিজের কোরিয়আর বাজী রেখে ইনিংস শুরু করতে রাজি হয়ে যান ।

কচ্ছপের মতো ব্যাট দ্রাবিড়এর ওয়ানডে কোরিয়আর বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন উইকেট কিপার হিসাবে খাড়া করে দিয়ে ।

শেহবাগকে বলেছিলেন 25 টা ম্যাচএ শূন্য করলেও 26 নম্বর ম্যাচটা তুই খেলবি , যতক্ষন আমি অধিনায়ক হিসাবে আছি ।

ধোনিকে সুযোগ দিয়েছিলেন , ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে তুলে এনেছিলেন ।

হরভজন আর কুম্বলেকে নিজের ক্যারিয়ারের বাজি রেখে বিদেশের মাটিতে বোর্ডের ঘোষনা উপেক্ষা করে নিয়ে যান এবং সফল হন ।

শুধু নিজে কারোর কাছ থেকে কোন নিরাপত্তা বা সাহায্যের আশ্বাস পাননি ।

সবচেয়ে বড় দুটো ভুল করেছিলেন 2003 ওয়ান্ডার্সএ বিশ্বকাপ ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে আর তৎকালীন মন্ত্রী অশোক দাশগুপ্তের সাথে কথা বলে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান দিলীপ বেঙ্গসরকারকে ক্রিকেট একাডেমির জন্যে জমির ব্যবস্থা করে দেবেন বলে । যেটা সম্ভব না হওয়ায় বেঙ্গসরকার অস্ট্রেলিয়া সফরে ওয়ানডে টিম থেকে সৌরভকে ছাঁটাই করেন ।

মদত দেন ধোনি যিনি সৌরভের ব্যক্তিত্বের সামনে হীনমন্যতায় ভুগতেন । আর ছিলেন শ্রীনিবাসন ও গুরুনাথ মায়াপ্পন । শ্বশুর জামাই আবার ম্যাচ গড়াপেটার ব্যবসা নতুন করে শুরু করেছিলেন । যেটা সৌরভের মতো একটা লোক থাকলে কিছুতেই সম্ভব হচ্ছিল না ।

সেইজন্যেই হঠাৎ করে অবসর ঘোষণার পরে সৌরভ প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন – ” আজ রাত্রে নিশ্চিন্তে ঘুমাবো ” ।

কি আশ্চর্য্য কথা , একজন ক্রিকেটার যে সারা জীবন শান্তিতে ক্রিকেটটাই খেলতে পারেননি ।

01/07/2017

◆নাম- অলোক সাগর
◆শিক্ষা- PhD (হাউসটোন ইউনিভার্সিটি, আমেরিকা)
◆কর্মজীবন- দিল্লি IIT-র প্রফেসর ছিলেন। অনেক বিখ্যাত ছাত্রদের একজন হলেন রঘুরাম রাজন, রিজার্ভ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্ণর জেনারেল। ১৯৮২ তে অবসর নিয়ে চলে যান মধ্যপ্রদেশের একটি আদিবাসী গ্রামে।
বর্তমানে- একটি আদিবাসী পরিবারে দরজাহীন ঘরে থাকেন, ছেলেমেয়েদের পড়ান, গ্রামে গ্রামে ঘুরে বীজ দেন।
◆পরিচয়- গ্রামের কেউ তার আসল পরিচয় জানতো না। সাম্প্রতিককালে নির্বাচনের আগে পুলিশ তার কোনো পরিচয় না পেয়ে গন্ডগোলের আশঙ্কায় তাকে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বলেন। তখন তিনি নিজেই তার পরিচয় দেন এবং সার্টিফিকেট দেখান। এরপরই সবার নজরে আসেন।
◆বিখ্যাত উক্তি- ভারতের এখনো অনেক সমস্যা আছে.. বেশিরভাগ লোক ডিগ্রি দেখিয়ে নাম পেতে চায়, কাজের কাজ কেউ করে না।

#মহান এই মানুষটিকে আমাদের পক্ষ থেকেও জানাই সেলাম।

12/03/2017

হোলি বা দোল উৎসব এর ইতিহাস

ভক্ত প্রহ্লাদ অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিক ছিলেন। তাঁকে যখন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও হত্যা করা যাচ্ছিল না তখন হিরণ্যকিশপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুলে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন।

কারণ হোলিকা এই বর পেয়েছিল যে আগুনে তার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্ত অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করায় হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলে বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ড থেকেও অক্ষত থেকে যায় আর ক্ষমতার অপব্যবহারে হোলিকার বর নষ্ট হয়ে যায় এবং হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি।

অন্যদিক বসন্তের পূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামক অসুরকে বধ করেন। কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর নামক অসুর বধের কথাও আছে।

অন্যায়কারী, অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর সকলে আনন্দ করে। এই অন্যায় শক্তিকে ধ্বংসের আনন্দ মহাআনন্দে পরিণত হয়।

অঞ্চল ভেদে হোলি বা দোল উদযাপনের ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে সংপৃক্ত লোককথার ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্ত উদযাপনের রীতি এক।

বাংলায় আমরা বলি ‘দোলযাত্রা’ আর পশ্চিম ও মধ্যভারতে ‘হোলি’।রঙ উৎসবের আগের দিন ‘হোলিকা দহন’ হয় অত্যন্ত ধুমধাম করে।

শুকনো গাছের ডাল, কাঠ ইত্যাদি দাহ্যবস্তু অনেক আগে থেকে সংগ্রহ করে সু-উচ্চ একতা থাম বানিয়ে তাতে অগ্নি সংযোগ করে ‘হোলিকা দহন’ হয়। পরের দিন রঙ খেলা। বাংলাতেও দোলের আগের দিন এইরকম হয় যদিও তার ব্যাপকতা কম আমরা বলি ‘চাঁচর’। এই চাঁচরেরও অন্যরকম ব্যাখ্যা আছে।

দোল আমাদের ঋতুচক্রের শেষ উৎসব। পাতাঝরার সময়, বৈশাখের প্রতীক্ষা। এই সময় পড়ে থাকা গাছের শুকনো পাতা, তার ডালপালা একত্রিত করে জ্বালিয়ে দেওয়ার মধ্যে এক সামাজিক তাৎপর্য রয়েছে। পুরনো জঞ্জাল, রুক্ষতা, শুষ্কতা সরিয়ে নতুনের আহ্বান হচ্ছে এই হোলি। বাংলায় দোলের আগের দিন ‘চাঁচর’ উদযাপনকে এভাবেই ব্যাখ্যা করা হয় ।

আমাদের অনেক ধর্মীয় উৎসবেই আঞ্চলিক লোক-সংস্কৃতি ও রীতির প্রভাব দেখা যায়, হোলিও তার ব্যতিক্রম নয়। বাংলার দোলযাত্রায় গৌড়ীয় বৈষ্ণব রীতির প্রাধান্য পায়। ঐতিহাসিকরা বিশ্বাস করেন পূর্বভারতে আর্যরা এই উৎসব পালন করতেন। যুগে যুগে এর উদযাপন রীতি পরিবর্তিত হয়ে এসেছে।

পুরাকালে বিবাহিত নারী তার পরিবারের মঙ্গল কামনায় রাকা পূর্ণিমায় রঙের উৎসব করতেন।

হোলি অপভ্রংশটি এসেছে হোরি (তৎসম) বা দোল থেকে।হোলি থেকে হোলক, হোলক মানে হোলিকা, যার অর্থ ডাইনি। এর সঙ্গে অশুভকে ধ্বংস ও নতুনকে স্বাগত জানানোর বিষয়টি জড়িত। উপ-মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একে ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হয়।

যেমন- ভারতের উড়িষ্যায় দোলোৎসব, উত্তর ও মধ্যভারতে হোলি বা হোরি, গোয়া ও কঙ্কণ অঞ্চলে শিমাগা, দক্ষিণ ভারতে কামায়ন। উত্তর ভারতে হোলি উৎসবটি বাংলার দোলযাত্রার পরদিন পালিত হয়।

বলা হয়, মধ্যযুগের কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দের প্রভাবেই হোলি ও দোল যাত্রা একাত্ম হয়ে গেছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু গানে দোল ও রাধা-কৃষ্ণের দোল লীলার তাৎপর্যও এসেছে।

তার 'সোনারতরী'র ঝুলন, 'কথা ও কাহিনী'র হোলি খেলাসহ অনেক কবিতায় এ প্রসঙ্গ এসেছে। দোলযাত্রা উৎসব শান্তি নিকেতনে বসন্তোৎসব নামে পরিচিত। কবির জীবদ্দশা থেকে এ উৎসব নানা আয়োজনে পালিত হয়ে আসছে।

কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানে হোলি বারবার এসেছে। এ ছাড়া 'হোলি' শব্দটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অর্থে ব্যবহৃত হয়।

হিন্দু ধর্ম অনুসারে চারটি যুগ-সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ, দ্বাপরযুগ এবং কলিযুগ। বর্তমানে চলছে কলিযুগ। এর আগের দ্বাপরযুগ থেকে শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা বা দোল উৎসব চলে আসছে। বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে ফাল্গুনী পূর্ণিমায়।

আবার ১৪৮৬ সালের এই পূর্ণিমা তিথিতেই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু জন্মগ্রহণ করেন বলে একে গৌর-পূর্ণিমা নামেও অভিহিত করেন বৈষ্ণব বিশ্বাসীরা। তবে এর মূল তাৎপর্য হলো রাধা-কৃষ্ণের সম্পর্কের উপাখ্যানে।

ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথির এ দিনে বৃন্দাবনের নন্দন কাননে শ্রীকৃষ্ণ আবির ও গুলাল নিয়ে তার সখী রাধা ও তেত্রিশ হাজার গোপীর সঙ্গে রঙ ছোড়াছুড়ির খেলায় মেতে ছিলেন। এর স্মরণে এ দিন সকালে ভগবানকৃষ্ণ ও রাধার বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নান করিয়ে দোলায় চড়িয়ে কীর্তন গানসহকারে শোভাযাত্রা বের করা হয়।

এরপর কৃষ্ণভক্তরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রঙ খেলেন। এসব দিক থেকে দোল উৎসবকে দুইভাবে দেখা যায়- হিন্দুধর্মের পৌরাণিক উপাখ্যান ও শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাব। পৌরাণিক উপাখ্যানের দুটি দিক- স্কন্ধপুরাণের 'হোলিকা' এবং রাধা-কৃষ্ণের কাহিনী। প্রথমটিতে স্কন্দপুরাণ গ্রন্থের ফাল্গুন মাহাত্ম্য গ্রন্থাংশে হোলিকা ও প্রহ্লাদের উপাখ্যান জড়িত।

রাধা-কৃষ্ণকে ঘিরে যে কাহিনী বেশি প্রচলিত-শ্রীকৃষ্ণ এক দিন বৃন্দাবনে রাধা এবং তার সখীদের সঙ্গে খেলা করছিলেন।

সে সময় হঠাৎ রাধা এক বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হয়ে লজ্জিত হন। শ্রীকৃষ্ণ রাধার লজ্জা ঢাকতে এবং বিষয়টি তার সখীদের কাছ থেকে গোপন রাখতে; রাধা তার সখীদের সঙ্গে আবির খেলা শুরু করেন। তাদের সবাইকে আবির দিয়ে রাঙিয়ে দেন।

এ আবির খেলার স্মরণে হিন্দু সম্প্রদায় এই হোলি উৎসব পালন করে থাকে বলে প্রচলিত আছে। এ ছাড়া বলা হয়ে থাকে, কৃষ্ণ নিজের কৃষ্ণ রঙ ঢাকতে বিভিন্ন ধরনের রঙ মাখিয়ে রাধার সামনে হাজির হন। সেই থেকে এ উৎসবের শুরু।

বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে দোল উৎসবের আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়। যেমন- কোথাও কোথাও ফাল্গুন শুক্লা চতুর্দশী তিথিতে দোল উদযাপন উপলক্ষে 'বুড়িরঘর' বা 'মেড়া পোড়ানো হয়।

সাধারণত বিষ্ণু বা কৃষ্ণমন্দির কিংবা ধামে খড়, কাঠ, বাঁশ ইত্যাদি জ্বালিয়ে এ বিশেষ বহ্নি-উৎসবের আয়োজন করা হয়।

এই উৎসবটি ছোটদের কাছে বেশি রঙিন। তবে সব বয়সের নারী-পুরুষই একে অপরকে আবিরের রঙে রাঙিয়ে দেয়।

কম বয়সীরা বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেয়। মন্দিরে-মন্দিরে রাধা-গোবিন্দের পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

পূজা অনুষ্ঠানের সময় উলুধ্বনি, কাঁসার ঘণ্টা ও পুরোহিতের ঘণ্টা ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। কোথাও কোথাও কয়েক দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

70 তম স্বাধীনতা দিবসে সকল সদস্য বন্ধুদের গ্রূপের শুভকামনা... জয় হিন্দ..
15/08/2016

70 তম স্বাধীনতা দিবসে সকল সদস্য বন্ধুদের গ্রূপের শুভকামনা...
জয় হিন্দ..

18/12/2014

Address

J. R. R Road
Shyamnagar
700122

Telephone

+919876543210

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Barrackpore Jafarpur Chal Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share