SK BOOK STORY

SK BOOK  STORY Love story... And... Love story.....

টাইটানিক (Titanic) ।এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :  আজ থেকে ১০০ বছর আগে ১৯১২ সালের ১৪/১৫ই এপ্রিল উত্তর আটলান্টিকে বরফের ...
31/01/2017

টাইটানিক (Titanic) ।

এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ থেকে ১০০ বছর আগে ১৯১২ সালের ১৪/১৫ই এপ্রিল উত্তর আটলান্টিকে বরফের চাইয়ের আঘাতে খন্ড বিখন্ড হয়ে ডুবে যায় টাইটানিক জাহাজ। জাহাজ ডুবির ইতিহাসে এটিই হল সবচে বিয়োগান্তক ঘটনা। টাইটানিক নিয়ে তৈরী হয়েছে অসংখ্য সিনেমা, লেখা হয়েছে গল্প,নাটক, উপন্যাস। অনেক গান, অনেক অনুষ্ঠান হয়েছে রেডিও, টেলিভিশনে। । ১৯৯৭ সালে জেমস ক্যামেরুন নির্মিতএবং লিওনার্ডো ডি ক্যাপ্রিও অভিনীত “টাইটানিক”(Titanic) ছিল রেকর্ড ভঙ্গকারী চলচ্চিত্র। অপর এক উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ছিল ১৯৫০ সালে নির্মিত চলচ্চিত্র “"A Night to Remember”

ইতিহাস-
বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বিমান ছিল না। জাহাজই ছিলো সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার একমাত্র ভরসা। ইউরোপ থেকে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে আমেরিকা যাওয়ার জাহাজ ব্যবসা ছিল খুব লাভজনক। ধনী এবং অভিবাসী যাত্রীদের আকৃস্ট করতে জাহাজ কোম্পানী গুলো থাকত সদা তৎপর। ঐ সময়ের ইংল্যান্ডের প্রধান দুই জাহাজ কোম্পানী হল হোয়াইট স্টার(White Star) এবং কুনার্ড( Cunard )। ১৯০৭ সালে কুনার্ড কোম্পানী যখন স্বল্পতম সময়ে আমেরিকা পৌছানোর দ্রুতগতি সম্পন্ন জাহাজ লুইজিতানিয়া (Lusitania )এবং মৌরিতানিয়া ( Mauretania) তাদের বহরে যোগ করল , চিন্তায় পড়ে গেলেন হোয়াইট স্টার লাইন (White Star) কোম্পানীর চেয়ারম্যান ইসমে ( J. Bruce Ismay )। বেলফাস্টের জাহাজ নির্মা্নকারী প্রতিষ্ঠান হারল্যান্ড এন্ড উলফ (Harland and Wolff) এর মালিক উইলিয়াম পিরি ( William Pirrie,) এর সাথে পরামর্শ করে তিনটা বড় এবং বিলাসবহুল জাহাজ অলিম্পিক( Olympic ) টাইটানিক (Titanic)এবং ব্রিটানিক(Britannic ) নির্মানের সিদ্ধান্ত নিলেন তারা। ১৯০৯ সালেহারল্যান্ড এন্ড উলফ (Harland and Wolff) কোম্পানির স্থপতি টমাস এন্ড্রু (Thomas Andrews ) র নকশায় শুরু হল টাইটানিক জাহাজের নির্মান কাজ। সেই সময়ের সবচে বড় এবং বিলাসবহুল জাহাজ হিসেবে টাইটানিককে গড়ে তোলা হল। জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাহাজকে ভাগ করা হয় ১৬টা আলাদা প্রকোষ্ঠে। এক প্রকোষ্ঠ হতে অন্য প্রকোষ্ঠে পানি ঢোকা ছিল অসম্ভব । ১৬ টার মধ্যে ৪ প্রকোষ্ঠে পানি ঢুকলেও জাহাজ ভেসে থাকতে অসুবিধা হত না। ফলে অনেকে বিশ্বাস করতেন টাইটানিক জাহাজ কোনদিন ও ডুববে না। ৩১শে মে ১৯১১ সালে জলে নামান হল টাইটানিককে। তারপর শুরু হল যন্ত্রপাতি লাগানো, সাজশয্যা। ১৯১২ সালের এপ্রিলের গোড়ার দিকে পরীক্ষামুলক সমুদ্র যাত্রা শেষ হওয়ার পর তাকে নিরাপদ এবং আরামদায়ক সুমদ্র ভ্রমন উপযোগী জাহাজ হিসেবে হস্তান্তর করা হল জাহাজ কোম্পানীর কাছে । জাহাজের পুরো নাম হল RMS Titanic (Royal Mail Ship = RMS)

টাইটানিক জাহাজের নকশা

ঐ সময়ের বৃহত্তম আরামদায়ক জাহাজ টাইটানিক ছিল ৮৮২.৫ ফুট লম্বা, সবচে চওড়া স্থানে ৯২.৫ ফুট,ধারন ক্ষমতা ছিল ৪৬,৩২৮ টন এবং সম্পুর্ন বোঝাইকৃত অবস্থায় জাহাজের ওজন ৫২,০০০ টনের ও বেশী, জাহাজের সবচে নীচের থেকে মাস্তুলের আগা পর্যন্ত উচ্চতা ছিল ১০৪ ফুট। মোট ১১ টা ডেকের ৯ টি ছিল যাত্রীদের জন্য আর নীচের দুটো ব্যবহৃত হত, ডাক, মালামাল এবং ইঞ্জিন রুম হিসেবে। জাহাজে বেতার যোগাযোগ এবং টেলিগ্রাফের ব্যাবস্থা ছিল। সে যুগের সর্বোচ্চ আরমাদায়ক ব্যাবস্থা ছিল জাহাজে। ১ম শ্রেনীতে ৪১৬, ২য় তে ১৬২ এবং ৩য় শ্রেনীতে ৪৬২- মোট ৮৪০টি কামরা ছিল যাত্রীদের জন্য।

ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দরে ছাড়ার আগ মুহুর্তে টাইটানিক।

টাইটানিকের প্রথম এবং একমাত্র সমুদ্র যাত্রা- ১৯১২ সালের ১০ ই এপ্রিল টাইটানিক জাহাজ রওয়ানা দিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দর থেকে। সেটিই ছিল টাইটানিকের প্রথম এবং একমাত্র সমুদ্র যাত্রা।১০ তারিখ দুপুরে যাত্রা করে প্রথম নোঙ্গর ফেলে ফ্রান্সের শেরবুর্গ বন্দরে। তারপর আইয়ারল্যান্ডের কুইন্সটাউন এবং কুইন্সটাউন ছাড়ে ১১ ই এপ্রিল দুপুর ১-৩০ মিনিটে। তখন ক্রু এবং যাত্রী মিলে জাহাজে ২,২০০ জন লোক।

১২, ১৩ তারিখ নিরাপদে কেটে গেলেও ১৪ তারিখে সমুদ্রে ভাসমান বরফ খন্ড সম্পর্কে সতর্ক বার্তা পেতে থাকেন ক্যাপ্টেন স্মিথ। রাত ৯-২০ ক্যাপ্টেন সবাইকে সতর্ক থাকতে বলে বিশ্রামে গেলেন। রাত ১১-৪০ এ বরফের চাই যখন খুব কাছে ফার্স্ট অফিসার মারডক নির্দেশ দিলেন জাহাজ বায়ে ঘুরিয়ে পেছনের দিকে সরে যেতে।কিন্তু বড্ড দেরী হয়ে গেছে ততক্ষনে। মুহুর্তের মধ্যেই বরফের চাই আঘাত হানল। যাত্রীরা অধিকাংশ তখন ঘুমে যারা জেগে ছিলেন তারাও খুব বেশী টের না পেলেও ক্যাপ্টেন ঠিকই বুঝলেন । বরফের আঘাতের পর জাহাজের ১৬ প্রকোষ্ঠের মধ্যে ৬ টাতেই পানি ঢুকছে তখন।ক্যাপ্টেন ১২-১০ মিনিটে লাইফবোট বার করতে এবং চারিদিকে বিপদ সঙ্কেত পাঠানোর নির্দেশ দিলেন বেতার কর্মীদের। ১২-৪৫ এ প্রথম লাইফ বোট পানিতে নামল। ২-০৫ এ যখন শেষ লাইফবোট জাহাজ ছাড়ল তখন বাকীদের আর কোন আশাই থাকল না। যাত্রীরা ভেসে থাকার মত হাতের কাছে যা কিছু পেল (যেমন ডেক চেয়ার) তাই আকড়ে ধরে বাচতে চাইল। ২-১৮ মিনিটে জাহাজ ভেঙ্গে দুটুকরো হয়ে , ২-২০ মিনিটে পুরো জাহাজ তলিয়ে গেল পানির নীচে।

উদ্ধার তৎপরতা- বিপদ সঙ্কেত পেয়ে প্রথম এগিয়ে আসে জাহাজ কার্পেথিয়া। ৩-৩০ মিনিটে লাইফবোটের যাত্রীদের নজরে আসে কার্পেথিয়া। ৪-১০ এ প্রথম লাইফবোটের যাত্রীরা কার্পেথিয়াতে ওঠেন। পরবর্তী ৪ ঘন্টা যাবত উদ্ধার তৎ পরতা চালিয়ে ৭০৬ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে কার্পেথিয়া। মারা যান ১৫১৭ জন। উদ্ধারকারী জাহাজ কার্পেথিয়া ১৮ই এপ্রিল বেচে যাওয়া যাত্রীদের নিয়ে নিউ ইয়র্ক পৌছে।

টাইটানিকের যাত্রাপথ এবং দূর্ঘটনাস্থল।

টাইটানিক সম্পর্কে কিছু তথ্য-
১) টাইটানিক জাহাজে পর্যাপ্ত সংখ্যক লাইফবোট ছিল না। জাহাজে ৬৫ টি লাইফবোট নেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও ঐ দিন ছিল মাত্র ২০ টি । লাইফবোটের মোট ক্ষমতা ছিল ১১৭৮ জন। কিভাবে লাইফবোট ব্যবহার করতে হবে সে ব্যাপারে মহড়া অনুষ্ঠানের কথা ছিল ১৪ই এপ্রিল সকালে। অজ্ঞাতকারনে ক্যাপ্টেন স্মিথ ঐ দিন মহড়া অনুষ্ঠান বাতিল করেন। মহড়া হলে আরো কিছু জীবন রক্ষা পেত এমন ধারনা করেন অনেকে।
২) অনেকগুলো লাইফবোট যাত্রী বহনক্ষমতা পুর্ন হওয়ার আগেই সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়া হয়। লাইফ বোট-১ এ ৪০ জন যাত্রী বহন করার ক্ষমতা থাকলেও ছিল মাত্র ১২ জন , প্রথম জলে নামানো লাইফবোট-৭ এ ৬৫ জন বহন ক্ষমতা থাকলেও ছিলেন মাত্র ২৮ জন।
৩) আশে পাশে বরফের চাইয়ের উপস্থিতি টের পাওয়া সত্বেও জাহাজের গতি কমানো হয় নি।জাহাজ ঘোরানোর চেস্টা শুরু করা হয় শেষ মুহুর্তে কিন্তু সঙ্ঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয় নি।
৪) অনান্য জিনিসের মধ্যে ৩০০০ ব্যাগ ডাক এবং একটা গাড়ী নিয়ে যাচ্ছিল টাইটানিক। ইংল্যান্ড থেকে আমেরিকায় ডাক বয়ে নিয়ে যাওয়ার কারনেই এর নাম হয়েছিল RMS Titanic. জাহাজে্র পোস্ট অফিসে পাঁচজন কর্মচারী দিনে ১৩ ঘন্টা করে সপ্তাহের প্রতিদিনই কাজ করতেন। তারা প্রতিদিন ৬০,০০০ চিঠি বাছাই করতেন।
৫) প্রথম শ্রেনীর যাত্রীর স্যুটের টিকিটের ঐ সময় দাম ছিল ৪, ৩০০ ডলার এবং বার্থের টিকিটের দাম ছিল ১৫০ ডলার।
৬) ঐ জাহাজেই সর্বপ্রথম গরম পানির সুইমিং পুলের ব্যাবস্থা রাখা হয়।
৭) যাত্রার সময় জাহাজ এত নতুন ছিল যে অনেক যায়গায় রঙ তখনও শুকায় নি।
8) জাহাজডুবিতে মারা যাওয়া ১৫১৭ জনের মধ্যে মাত্র ৩০৬ জনের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
জাহাজের ক্রু এবং যাত্রী মিলিয়ে মোট ৭০৬ জন ( ৩১. ৬ % ) রক্ষা পান, বাকিদের সলিল সমাধি ঘটে। যদি সমস্ত লাইফ বোট পুরোপুরি ব্যবহার করা হত তাহলে অর্ধেকের ও বেশী (৫৩. ৪%) যাত্রী রক্ষা পেত।
৯) প্রতিটা কক্ষে বিজলী বাতি এবং গরম রাখার ব্যাবস্থা ছিল, যা ঐ সময়ে বিলাস সামগ্রী হিসেবে বিবেচিত হত।
১০) বেচে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে সবচে বেশী ছিলেন প্রথম শ্রেনীর যাত্রীরা। প্রথম শ্রেনীর ৬১% যাত্রী, ২য় শ্রেনীর ৪২% এবং ৩য় শ্রেনীর ২৪% যাত্রী রক্ষা পান।
১১) নারী এবং শিশুদের সর্ব প্রথম লাইফবোটের অধিকার থাকলেও অনেক পূর্ন বয়স্ক লোক লাইফ বোটে উঠে পড়ে উদ্ধার পান এবং অনেক শিশু ও নারী মারা যান যারা ছিলেন ২য় এবং ৩য় শ্রেনীর যাত্রী। মহিলা যাত্রীদের ৭৫% বেচে গেলেও পুরুষদের মাত্র ২০% রক্ষা পান। বেচে যাওয়াদের মধ্যে দুটো কুকুরও ছিল।
১২) এই সমুদ্র যাত্রার পরপরই ক্যাপটেন স্মিথের অবসর নেওয়ার কথা ছিল।
১৩) টাইটানিক জাহাজ নির্মানে খরচ পড়েছিল তখনকার দিনের ৭৫ লক্ষ ডলার, সময় লেগেছিল ৩ বছর।
১৪) যাত্রার সময় জাহাজে খাবার হিসেবে ছিল ৪০হাজার ডিম, ৭৫ হাজার পাউন্ড মাংশ এবং ১০০০ বোতল মদ।
১৫) মোট ৮৮৫ জন ক্রু ছিলেন জাহাজে। ক্রু বাদে যাত্রীবহন ক্ষমতা ছিল ৩৫৪৭ জন।
১৬) জাহাজের প্রতিদিন জ্বালানী লাগত ৮২৫ টন কয়লা ।
১৭) গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ২৩ নট বা প্রায় ৪৩ কিলোমিটার।
১৮) টাইটানিক জাহাজের নিজস্ব সংবাদপত্র প্রকাশে্র ব্যবস্থা ছিল। প্রতিদিন প্রকাশিত হত The Atlantic Daily Bulletin পত্রিকা যা খবর, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি প্রকাশের পাশাপাশি ঐ দিনের যাত্রীদের খাবার তালিকা প্রকাশ করত।
১৯) বিজলী বাতি ছিল ১০,০০০ মত।
২০) প্রতিদিন ব্যবহার হত ১৪,০০০ গ্যালন পানীয় জল ।
২১) জাহাজ সম্পূর্ন ডুবে যেতে সময় লেগেছিল ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট । ১৪ই এপ্রিল রাত ১১-৪০মি থেকে- ১৫ই এপ্রিল সকাল ২- ২০ মিনিট ।
২২) জাহাজ ডুবীর সময় সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ছিল -২ ডিগ্রী, ফলে অধিকাংশ যাত্রী কম তাপমাত্রা বা Hypothermia র কারনে মারা যান।
২৩) বরফের চাই আঘাত হানার আগে মোট ৬ বার সতর্ক সঙ্কেত দেওয়া হয়।
২৪) ডুবে যাওয়া জাহাজ টাইটানিকের যাত্রীদের উদ্ধারে প্রথম পৌছে Carpathia জাহাজ । মজার ব্যাপার হল অপর জাহাজ Californian আরো কাছাকাছি থাকলে ও তা যাত্রীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি। কারন হলCalifornian জাহাজের বেতার কর্মী তখন ঘুমাচ্ছিলেন এবং জাহাজের ক্রুরা রাত ১২- ৪৫ মিনিটে আকাশে অদ্ভুত আলো ( টাইটানিক জাহাজের বিপদ সঙ্কেত) সম্পর্কে ক্যপ্টেনকে জানালেও ক্যাপ্টেন তা উপেক্ষা করেন । ক্যালিফোর্নিয়ান জাহাজ ঘটনাস্থলে আসে অনেক পরে।

২৫) ফ্রাঙ্কো-আমেরিকান অভিযানে ১৯৮৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর Robert Ballard ১২, ৬০০ ফুট গভীরে ডুবে যাওয়া জাহাজ টাইটানিককে সমুদ্র তলে খুজে পান।

Hi...friends .....
12/11/2016

Hi...friends .....

10/11/2016

কেউ যদি অভিমানে তোমার সাথে কথা না বলে, বুঝে নিবে সে তোমায় আড়ালে মিস করে.. আর কেউ যদি না দেখে কাঁদে, বুঝে নিবে সে তোমায় ভীষণ ভালবাসে..!
যে ভালবাসা বুঝেনা, তাকে ভালবাসা শিখাতে যাবেন না! কারন সে ভালবাসা শিখবে আপনার কাছে, কিন্তু ভালবাসবে অন্য জনকে! আর কষ্ট পাবেন আপনি।
কাউকে দুর থেকে ভালবাসাই সব থেকে পবিত্র ভালোবাসা। কারন, এ ভালোবাসায় কোন রকম অপবিত্রতা থাকে না, কোন শারীরিক চাহিদা থাকে না। শুধু নীরব কিছু অভিমান থাকে, যা কখনো কেউ ভাঙায় না। কিছু অশ্রু বিন্দু থাকে, যা কেউ কখনো মুছতে আসে না। আর সবার অজান্তে আড়ালে একা যেখানে একজনই রানী/রাজা।
কাউকে দুর থেকে ভালবাসাই সব থেকে পবিত্র ভালোবাসা।
“ভালোবাসা” শব্দটা হয় না কখনো পুরানো.. হয় না কখনো মলিন.. হয় না ধূসর কিংবা বর্নহীন.. যা শুধু রংধনুর রঙে রঙিন.. হোক না সেটা এপার কিংবা ওপারের.. তারপরেও ভালোবাসা তো শুধুই ভালোবাসা!
শুধু কাছে পাওয়ার জন্য ভালবাসা নয়। শুধু ভালো লাগার জন্য ভালবাসা নয়। নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে ভালোবাসার মানুষকে সুখী রাখার নামই ভালবাসা।
যখন কেউ কারো জন্য কাঁদে সেটা হল আবেগ। যখন কেউ কাউকে কাঁদায় সেটা হল প্রতারনা। আর যখন কেউ কাউকে কাঁদিয়ে নিজেও কেঁদে ফেলে! সেটাই হল প্রকৃত ভালবাসা!
মন নেই ভালো, জানিনা কি হলো। পাসে নেই তুমি, কি করি আমি। পাখী যদি হতাম আমি এই জীবনে, তোমায় নিয়ে উড়ে যেতাম অচিন ভূবনে। তুমি কি যাবে আমার সাথে?
৭ ফেব্রুয়ারি= রোজ ডে। ৮ ফেব্রুয়ারি= প্রপোস ডে। ৯ ফেব্রুয়ারি= চকলেট ডে। ১০ ফেব্রুয়ারি= টেডি ডে। ১১ ফেব্রুয়ারি= প্রমিস ডে। ১২ ফেব্রুয়ারি=hug ডে। ১৩ ফেব্রুয়ারি= কিস ডে। ১৪ ফেব্রুয়ারি= হ্যাপি ভ্যালেন্টাইনস ডে।
আজ না খুব একা একা লাগছে। চোখের সামনে তুমি তবু যেন তোমাকে ছোয়া যায় না। কেন এমন হয় বলোতো ! ভালবাসা বুঝি শুধু কষ্ট দিতেই জানে ! তোমাকে ছাড়া যে আমার নিশ্বাস নিতেও কষ্ট হয় !
ভেবেছিলাম তুমি কতো আপন! ভেবেছি পাশে থাকবে সারা জীবন। কেন তুমি ভাঙলে এই মন? ভাবিনি কখনো করবে এমন! তারপরও তুমি আমারই জীবন।
কেউ কেউ লাভ করে, আবার কেউ করে ইনজয়। কেউ খাঁয় ছেকা, কেউ হয় একা। কেউ বলে জান, কেউ করে বিষপান। কারো মুখা হাসি, আবার কারো গলায় ফাঁসি, Love Is Not Fun, So সাবধান, আর এখনকার মেয়েরা হয় বেইমান।
তুমি রাজি থাকলে প্রেম করবো, কাজী এনে বিয়া করব, রাগ করলে কিস করবো, দূরে গেলে মিস করবো, পাশে থাকলে আদর করবো, আর ভুলে গেলে খুব কষ্ট পাবো…!!
ভালবাসার এস এম এস

যদি বলো তোমার কথা মনে পড়ে কতবার? আমি বলব চোখের পাতা নড়ে যতবার। যদি বলো তোমায় ভালবাসি কত? আমি বলব আকাশে তারা আছে যত..!!
যারা ভালবাসা নিয়ে খেলা করে, তারাই ভালবাসা পায়। আর যারা মন থেকে ভালবাসে, তারা ভালবাসা পায়না। ঠিক কিনা?
একটু ভালোবাসা দিবি? যে ভালোবাসায় থাকবে না কোন দুঃখ, থাকবে না, না পাওয়ার যন্ত্রনা, থাকবে না মায়া কাঁন্না, থাকবে শুধু সীমাহীন অনুভূতি, যেই অনুভূতি কে সাথী করে কাটিয়ে দিবো সারাটা জীবন।
বন্ধু আমি চাইনা তোমার অসীম সুখের ভাগ, কিন্তু যখন থাকবে দুঃখে দিও আমায় ডাক, তোমার মুখে কান্না নয় দেখতে চাই হাসি, মনে রেখো বন্ধু তোমায় অনেক ভালোবাসি !
তুমি যদি বাসো ভালো, চাঁদের মতো দেব আলো, যদি আমায় ভাবো আপন, হব তোমার মনের মতন, নদী যেমন দেয় মোহনা, তেমনি আমি তোমার উপমা।
ভালবাসার এস এম এস হয়ে থাকবো আমি তোমার হৃদয় জুড়ে, প্রেমের এস এম এস রিংটোন হয়ে বাজবো আমি মিষ্টি মধুর সুরে, কখনো ভেবোনা আমি তোমার থেকে দুরে, বন্ধু হয়ে আছি আমি তোমার নয়ন জুড়ে।
ভালবাসা মানে আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হৃদয়ের অভ্যন্তরীণ একটা অনুভুতি, যা কেবল – শুধু মাত্র ভালবাসার মানুষের সামনে ভাষায় অথবা আচরণে প্রকাশ হয়।
এক বিন্দু জল যদি চোখ দিয়ে পড়ে, সেই জলের ফোটা সুধু তোমার কথা বলে.. মনের কথা বুঝনা তুমি মুখে বলি তাই, শত আঘাতের পরেও তোমায় ভালবেসে যাই..!!
অল্প অল্প মেঘ থেকে, হালকা হালকা বৃষ্টি হয়। ছোট্ট ছোট্ট গল্প থেকে, ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। মাঝে মাঝে স্বরন করলে, সম্পর্কটা মিষ্টি হয়।
একটা মেয়ে একটি ছেলেকে যত বেশী ভালোবাসে, তার চোখের দিকে তাকাতে সে তত বেশী লজ্জা বোধ করে। আর একটা ছেলে একটা মেয়েকে যত বেশী ভালোবাসে, তার বেশী সে তার ভালোবাসার মানুষটিকে হারানোর ভয়ে ভীত থাকে।


বন্ধুরা, এতক্ষণে হয়তবা এসএ্এস পড়তে পড়তে বিরক্ত বোধ করছেন, এবার একটু ফান করা যাক, তাও আবার ভিডিও উপভোগের মাধ্যমে, উল্লেখ্য ভিডিওটা প্রেম নিবেদন সম্পর্কিত (ভালবাসার প্রপোজ নিবেদন)। তারপর না হয় আবার ফিরে আসবেন? ভিডিওটা অনেক মজার, না দেখলে কিন্তু মিস করবেন, ভিডিও লিংকটা দিলাম : এখানে যান



1) তোমরা তোমার গার্লফ্রেন্ড কে মনের কথা শেয়ার কর আনলিমিটেড – ১.বাংলা = আমি তোমাকে ভালবাসি ২.ইংরেজি = আই লাভ ইউ ৩.ইতালিয়ান = তি আমো ৪.রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ ৫.কোরিয়ান = তাঙশি নুল সারাঙ হা ইয়ো ৬.কানাডা = নান্নু নিনান্নু প্রীতিসুথিন ৭.জার্মান = ইস লিবে দিস ৮.রাখাইন = অ্যাঁই সাঁইত
ছিড়ে ফেলেছি আমি ডাইরির পাতা… সেথা লেখা ছিল হাজার স্বপ্নের কথা… ছিড়তে পারিনি আমার মনের পাতা..যেখানে জমে আছে জীবনের অনেক ব্যাথা!
তোমার সুখের জন্য যদি তোমাকে ভুলে যেতে হয়, তাহলে আমি ভুলে যেতে রাজি… ভুলতে হয়তো কোনদিনও পারবো না, তবে ভুলে থাকার অভিনয় করতে পারবো!
জীবন হল বাঁচার জন্য। মন হল দেবার জন্য। ভালোবাসা হল সারা জীবন পাশে থাকার জন্য। বন্ধুত্ব হলো জীবন কে সুন্দর করার জন্য।
প্রথম দেখায় কখনো ভালোবাসা হয় না। যা হয় তা হল ভালো লাগা। আর সেই ভালো লাগা নিয়ে ভাবতে থাকলে সৃষ্টি হয় ভালবাসা।
ভালোবাসাকে যদি শস্যক্ষেত্র রুপে কল্পনা করা হয়। তবে বিশ্বাস হলো তার বীজ। আর আবেগ হলো তার পরিচর্যা।
আজকে তুমি রাগ করছো, দু:খ পাবো তাতে। কালকে যখন মরে যাবো, রাগ দেখাবা কাকে? বিধির বিধান এই রকমি, একদিন তো যাবো মরে, বুঝবে সেদিন তুমি, ভালোবাসতাম শুধু তোমাকে …… !
আমি প্রেম কি জানিনা, আমি প্রেম কি বুঝিনা, শুধু ধিকি ধিকি মন যায় জ্বলে!! কে জানে হায় কোন আগুনে, মরিব আমি এই ফাগুনে |
চোখে আমার ঝর্ণা বহে, মনে দুঃখের গান। তরে যদি না পাই আমি, দিব আমার প্রান। শুনতে চাই তর কথা, ধরতে চাই হাত। কেমন করে তরে ছাড়া, থাকি দিন রাত?
টিপ দিলেই বলিস তুই টিপ হয়েছে বাঁকা, ঠিক করার অজুহাতে আমায় ছুঁয়ে থাকা। জ্বর এসেছে শুনলে জানি কপাল ছুঁয়ে দিবি, ভালোবাসি বলতে গাধা আর কত সময় নিবি?
প্রেম হলো সরল অংকের মত। সরল অংকে যেমন যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ ও বন্দনী থাকে। তেমনি প্রেমেও থাকে হাসি-ট্টাটা, মান-অভিমান, বিরহ-বিচ্ছেদ, অনাবিল সুখ আর না পাওয়ার সীমাহীন বেদনা।
ভালবাসো তাকে, যে ভাবে তোমাকে.. বন্ধু করো তাকে, যে চেনে তোমাকে.. আপন করো তাকে, যে ভাবে তোমাকে.. মনে রাখো তাকে, যে কখনো ভোলেনা তোমাকে.. জীবন সাথী কর তাকে, যে থাকবে তোমার পাশে সারা জীবন।
যদি, পৃথিবীকে ধ্বংস করতে একদিন তৃতীয় মহাযুদ্ধ বাঁধে। যদি কমে যায় কভু আলো, আকাশের ঐ চাঁদে, তবুও তুমি আমার, শুধু আমার।
প্রেমের স্বার্থকতা মিলনে। বিরহ-বিচ্ছেদহীনা মিলন, ততটা মধুময় নয়। বিরহ-বিচ্ছেদের পর মিলন, যতটা মধুময় হয়।
মেয়েরা ভুলাতে পারে ছেলেদের মন, মিষ্টি কথার ছলে। তাঁরা নিমিষেই ভাসাতে পারে সুখের সাগরে। তাঁরাই আবার ডুবিয়ে মারে চোখের নোনা জলে। খেলতে পারে সুন্দর করে, নিঠুর প্রেমের খেলা। দিতে পারে হৃদয় জুড়ে মিছে প্রেমের জ্বালা।
যার কাছে সবকিছু বলা যায়… যার হাতে হাত রেখে চলা যায়… যাকে আপন বলে ভাবা যায়… যার কাছে বিশ্বাস টুকো জমা রাখা যায়… তাকেই তো ভালবাসা যায়।
“মনে পড়ে তোমাকে যখন থাকি নিরবে” “ভাবি শুধু তোমাকে সবসময় অনুভবে” “স্বপ্নে দেখি তোমাকে চোখের প্রতি পলকে” “আপন ভাবি তোমাকে আমার প্রতি নিশ্বাসে ও বিশ্বাসে।
শীতের চাদর জড়িযে, কুয়াশার মাঝে দাড়িয়ে, হাত দুটো দাও বারিয়ে, শিশিরের শীতল স্পর্শে যদি, শিহরিত হয় মন” বুঝে নিও আমি আছি তোমার পাশে সারাক্ষন।
আমি চাইনা তুমি আমাকে বার বার বলো আমি তোমাকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি চাচছি তুমি আমার জন্য একটু অপেক্ষা করো, আমি বলছিনা তুমি আমাকে অনেক ভালোবাসবে কিন্তু আমি বলছি তুমি আমাকে একটু সুযোগ দিও তোমাকে মন উজার করে ভালোবাসতে।
ভালবাসা স্বপ্নীল আকাশের মত সত্য, শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র.. কিন্তু সময়ের কাছে পরাজিত, বাস্তবতার কাছে অবহেলিত..!
আমি সেই সুতো হবো , যে তোমায় আলোকিত করে নিজে জ্বলে যাবো . . . আমি সেই নৌকো হবো , যে তোমায় পার করে নিজেই ডুবে যাবো . . . হবো সেই চোখ যে তোমায় দেখেই বুজে যাবো, হবো সেই সুর যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হবো, হবো সেই চাঁদ যে হয়ে গেলে আধ , তোমাকে আলো দেবে দিন ফিরে এলেই আবার ফুরিয়ে যাবো , শুধু ভালোবেসো আমায়!
তুমি সেই কবিতা, যা প্রতিদিন ভাবি…. লিখতে পারিনা, তুমি সেই ছবি, যা কল্পনা করি…. আঁকতে পারি না, তুমি সেই ভালবাসা ! যা প্রতিদিন চাই…. কিন্তূ তা কখনো-ই পাই না।
একটি প্রকৃত ভালবাসা হতে পারে দৈহিক অথবা ঐশ্বরিক। সত্য ভালবাসা হচ্ছে এমন কিছু যা শাশ্বত ও অধিক শান্তিপূর্ন।
হতে পার তুমি মন থেকে দুরে তথাপি, রয়েছো মোর নয়ন পুরে, হয়তো তুমি নেই এই হৃদয়ে, তবুও রয়েছো পরশের-ই ভিতরে।কারণ, ভালবাসি শুধুই তোমারে।
তুমি আমার সৃষ্টিসীমার বাইরে হতে পার, কিন্তূ আমার হৃদয় থেকে দূরে নয়। তুমি আমার নাগালের বাইরে যেতে পার, কিন্তূ আমার মন থেকে নয়। আমি তোমার কাছে কিছু না হতে পারি! But তুমি আমার জীবনের সবকিছু।
যদি বৃষ্টি হতাম…… তোমার দৃষ্টি ছুঁয়ে দিতাম। চোখে জমা বিষাদ টুকু এক নিমিষে ধুয়ে দিতাম। মেঘলা বরণ অঙ্গ জুড়ে তুমি আমায় জড়িয়ে নিতে,কষ্ট আর পারতো না তোমায় অকারণে কষ্ট দিতে..!
আমার জীবনে কেউ নেই তুমি ছাড়া, আমার জীবনে কোনো স্বপ্ন নেই তুমি ছাড়া , আমার দুচোখ কিছু খোজেনা তোমায় ছাড়া, আমি কিছু ভাবতে পারিনা তোমায় ছাড়া , আমি কিছু লিখতে পারিনা তোমার নাম ছাড়া, আমি কিছু বুঝতে চাইনা তোমায় ছাড়া !
ভালবেসে এই মন, তোকে চায় সারাক্ষন। আছিস তুই মনের মাঝে, পাশে থাকিস সকাল সাঝেঁ। কি করে তোকে ভুলবে এই মন, তুই যে আমার জীবন।
চোখে আছে কাজল কানে আছে দুল,ঠোট যেন রক্তে রাঙা ফুল,চোখ একটু ছোট মুখে মিষ্টি হাসি,এমন একজন মেয়েকে সত্যি আমি ভালোবাসি।
হাতে হাত ,কানের কাছে মুখটি এনে বলে , এসো না কাছে ,দুজন ভিজি আজ বৃষ্টির জলে !
ভালোবাসা হল প্রজাপতির মত। যদি শক্ত করে ধর মরে যাবে! যদি হালকা করে ধর উড়ে যাবে আর যদি যত্ন করে ধর কাছে রবে…
মন যদি আকাশ হত তুমি হতে চাঁদ, ভালবেসে যেতাম শুধু হাতে রেখে হাত.. সুখ যদি হৃদয় হত তুমি হতে হাসি, হৃদয়ের দুয়ার খুলে দিয়ে বলতাম তোমায় ভালবাসি..!!
আমি জানি তুমি আসবে, পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে আমায় ছুঁয়ে দিতে অথবা ভোরের কুয়াশা হয়ে আমায় সিক্ত করতে.. আমি জানি তুমি আসবে, বিকেলের রংধনু দিয়ে আমায় রঙিন সাজাতে অথবা শীতের চাঁদর হয়ে আমায় উষ্ণতা দিতে.. আমি জানি তুমি আসবে, শরতের কাশফুল হয়ে মনটা আমার দোলাতে অথবা বৃষ্টির টুপটাপ শব্দে আমায় উদাসী করতে।
আমি এখনও সেই পথে বসে আছি যে পথে তুমি চলেগেছো… আমি এই পথে বসে থাকবো যতোদিন না তুমি ফিরে আসো।
তুমি সেই কবিতা ! যা প্রতি দিন ভাবি…. লিখতে পারিনা, তুমি সেই ছবি ! যা কল্পনা করি…. আঁকতে পারি না। তুমি সেই ভালবাসা ! যা প্রতিদিন চাই…. কিন্তূ তা কখনো-ই পাই না।
এই জীবনে সব পেয়েছি, পাইনি কারো মন জানিনা যে এই জীবনে, কে হবে আপন মনের মত চাই তারে, চাই তার মন হবে কি তুমি, আমার কাছের একজন।
মনেতে আকাশ হয়ে রয়েছো ছড়িয়ে,বলনা কোথায় রাখি তোমায় লুকিয়ে। থাকি যে বিভোর হয়ে শয়নে স্বপনে। যেও না হৃদয় থেকে দূরে হারিয়ে, আমি যে ভালবাসি শুধু-ই তোমাকে।
তুমি চাঁদ নও তবে চাঁদের আলো। তুমি ফুল নও তবে ফুলের সৌরভ। তুমি নদী নও তবে নদীর ঢেউ। তুমি অচেনা নও তুমি আমার চেনা কেউ।
পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দময় জিনিস গুলির জন্যে কিন্তু টাকা লাগে না। বিনা মুল্যে পাওয়া যায় যেমন জোছনা, বর্ষার দিনের বৃষ্টি, মানুষের ভালবাসা।
ফুল লাল, পাতা সবুজ, মন কেন এতো অবুজ। কথা কম কাজ বেশি,মন চায় তোমার কাছে আসি।মেঘ চায় বৃষ্টি, চাঁদ চায় নিশি, মন বলে আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি…
চায়নি হতে তোমার জীবনে কাটা তারের বেড়া জর না করে প্রজাপতির মতন আলত করে ধরে রাখতে চেয়েছিলাম। আজ দেখছি আমি তোমার পথে বাধা হয়ে গেছি এবং সেটা সরানোর দায়ভার টাও আমিই নিলাম।
একটা আঁকাশে অনেক তাঁরা, একটা জীবনে দূঃখ ভরা, অনেক রকম প্রেমের ভুল। ভুলের জন্য জীবন দিবো, তবুও আমি তোমারই রবো।
কোন এক তীর হারা নদীর ধারে, চাঁদ-তারা বসে জুটিয়ে প্রেম করে। তা দেখে রাত হিংসা করে, অন্ধকার লুকিয়ে রেখে আলোয় দেয় ভরে। সে আলোয় চাঁদ-তারা কে হারিয়ে ফেলে। তখন চাঁদ, তারা কে খুঁজতে শুরু করে।এদিকে নদীর এক কোণে বসে তারা কাঁদিয়া কাঁদিয়া মরে।
কেনো হঠাৎ তুমি এলে ? কেনো নয় তবে পুরোটা জুড়ে ? আজ পেয়েও হারানো যায়না মানা, বাঁচার মানেটা রয়ে যাবে দূরে ।
কখনোও কী লিখেছো স্বপ্নের কবিতা হৃদয়ে, ভালবাসার শ্রাবন নামবে মনের আকাশ ছুঁয়ে । এক আকাশে উড়বো দুজনে স্বপ্নের ডানা মেলেক।করবো তোমায় আলোকিত সুখের প্রদীপ জ্বেলে, চাওয়া পাওয়ার স্বপ্নে।
দূর নিলিমায় রয়েছি তোমার পাশে, খুঁজে দেখ আমায় পাবে হৃদয়ের কাছে। শুনাব না কোন গল্প,গাইব শুধু গান, যে গানে খুঁজে পাবে ভালবাসার টান।
যতই দূরে হারিয়ে যাও , আমি তোমাকে খুঁজে বের করবোই। যতই পর ভাবো আমায় , আমি তোমাকে আপন করে নেবো। যতই ঘৃনা কর আমায় , আমি চিরদিন এভাবে তোমায় ভালবেসে যাবো। যতই পাষাণ হোক তোমার মন , ওই মনে আমার জন্যে ভালবাসার ফুল ফুটাবোই।
টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ে, তোমার কথা মনে পড়ে । এ মন না রয় ঘরে, জানি না তুমি আসবে কবে ! এ প্রান শুধু তোমায় ডাকে, আমায় ভালবাসবে বলে ! ফুল হাতে থাকবো দাঁড়িয়ে, বলবো আমি তোমায় পেয়ে । সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে পেয়েছি তোমায় খুঁজে…
ভালবাসা বুকের ভিতর হয়েছে নিঃশ্বাস, তোমার প্রেমে বেঁচে আছি এই তো বিশ্বাস, জান, আমার জান, তুমি আমার প্রাণের মাঝে প্রাণ | জান, আমার জান, তুমি আমার প্রাণের মাঝে প্রাণ |
মহান কোন উপহার পাওয়া য়ায় না কোন দোকানে, পাওয়া য়ায় না কোন গাছের নিচে, সেটা পাওয়া শুধু পাওয়া যায় সত্যকারী ভালবাসার মানুষের মনে।
এই জীবনে সব পেয়েছি, পাইনি কারো মন, জানিনা যে এই জীবনে, কে হবে আপন, মনের মত চাই তারে, চাই তার মন, হবে কি তুমি? আমার কাছের একজন।
ভালবাসা স্বপ্নীল আকাশের মত সত্য, শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র.. কিন্তু সময়ের কাছে পরাজিত, বাস্তবতার কাছে অবহেলিত..!!

10/11/2016

শীতকালে খুসকি দূর করার

এই পোস্টটি শেয়ার করেন......

আমাদের চুলের একটা মোটামুটি কমন সমস্যা হচ্ছে খুসকি, এটা ছেলেদের এবং মেয়েদের সবার চুলেই শীতকালে বেশী দেখা যায়। উকুনের মত খুসকি কোন ধরণের লিঙ্গবৈষম্য করে না, আমরা পজিটিভলি ভাবতেই পারি। আজকে আপনাদেরকে খুসকি দূর করার কিছু প্রচলিত সমাধান এবং সেই সাথে আমি নিজে যেভাবে সফল হয়েছি সেই সম্পর্কে ধারণা দেব।

খুসকি তাড়ানোর প্রচলিত কিছু সমাধান

লেবু, মেথি, পেয়াজের রস, কিটোকোনাজল এইরকম আরো কিছু উপাদান বা, ঔষধি উপকরণ যাই বলেন সেটা আছে যেগুলো খুসকি দূর করতে সাহায্য করে। অনেকে লেবুর রস এবং পেয়াজের রস গরম করে মাথায় মাখেন। লেবুর রস মাখার সময় খেয়াল রাখবেন যেন চোখে না যায়। আর যারা পেয়াজের রস মাখবেন তারা যদি চান চোখেও মেখে দেখতে পারেন, স্বাদটা বোধকরি অজানা হয়। আরো অনেক প্রাকৃতিক উপাদান আছে সেগুলোও সার্চ দিলে জানতে পারবেন যা খুসকি দূর করে। শ্যম্পু সমাধানও অনেকে খুজে থাকেন- ক্লিয়ার থেকে কিটোকোনাজল পর্যন্ত।

আমি যে পদ্ধতিতে খুসকিমুক্ত

অতসব প্রাকৃতিক উপাদানের ঝামেলায় না গিয়ে আমি নিয়মিত বিভিন্ন ধরণের শ্যাম্পু ব্যবহার করেছি, ফলাফল খুসকি আছে শীতকালে। এরপর নিতান্তই বাধ্য হয়ে ভাল কোন সমাধান খুজতে লাগলাম এবং জানলাম কোন কোন উপাদাওগুলো খুসকি দূর করে। সিলেক্ট প্লাস নামে এক ধরণের কিটোকোনাজলযুক্ত শ্যম্পু ব্যবহার করতে শুরু করলাম এবং অদ্ভুতভাবে এত বছরের খুসকি দূর হয়ে গেল। অবশ্যই এই কৃতিত্ব কিটোকোনাজলের, যে শ্যম্পুই ব্যবহার করুন না কেন উপাদানটা দেখে নেবেন। এই উপাদানযুক্ত শ্যম্পুগুলোর দামও সাধারণের চেয়ে বেশীই হয়। এরপর আমি মমতাজ হারবালের তুলনামূলক কমদামী লেবুযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করেছি। এটা দুই বছর আগের কথা, এখন সাধারণ Anti-dandruff শ্যম্পু ব্যবহার করি এবং সেটাতেই সফল।

আমি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে পছন্দ করি বলে ক্লিয়ারের শ্যাম্পু ব্যবহার করি। মোদ্দাকথা হচ্ছে, কিসের শ্যাম্পু সেটা না দেখে কি দিয়ে তৈরি সেটা দেখুন। যদি সেটা আপনার খুসকি দূর করতে সাহায্যকারী উপাদানে তৈরি হয় খুসকির বাপও দূর হবে। শেষ কথাটা যেকোন কিছুর ক্ষেত্রেই কিন্তু সত্যি, উপাদান গুরুত্বপূর্ণ এবং দামের সাথেও যার সম্পর্ক আছে।

10/11/2016

তুই আসবি

দমটুকু ছেড়েই দিলাম তোর আশে।
ঠোঁটটুকু যে তোর ছোঁব, তুই আসবি।
হাসিটুকু জিইয়ে রাখলাম তোর ভাষে,
নাকে ঘষবো নাক, তুই আসবি।

গত শ্রাবণে ভার হওয়া আকাশ,
এই শ্রাবণে ঝরে পড়লো, তোর আসার খবরে।
হাড়ী ভরা মুক্তোর মত চিকচিক করছে
নিত্যকার সফেদ ভাত আজ, যেনো তোর হাসি।

আমার ভেতরের আমি হায় বেরিয়ে যাচ্ছে !
আলগোছে কেঁপে উঠছে লাজে, তুই যে আসবি।
নিজের এলো চুলে সোঁদা গন্ধ পাচ্ছি,
আজ বাবুই পাখির বাসায় তুই আসবি।

তুই আসবি মহীনের ঘোড়ায় চেপে,
জন ডেনভারের কান্ট্রি রোড ধরে।
আজ সকল চিৎকার ছিন্ন করে আমি গাইবো।
আমি হাসবো, আমি খেলবো, ভালোবাসবো।
ভীষণ ভালোবাসবো।
আর,
তোর ভালোবাসা ছোঁব, তোকে ছোঁব।

10/11/2016

""""কে কিভাবে তার প্রেমিকাকে ভালবাসার কথা প্রকাশ করবেন! """"

১৪ই ফেব্রুয়ারি আসছে ভালবাসা দিবস। এই দিনটিকে সামনে রেখে অনেক প্রেমিক ভাইরা প্লান করে থাকেন, কি করে কাটানো যায় এই দিনটিকে। কেউ কেউ আবার তার মনের মানুষকে প্রপোজও করে থাকেন এই বিশেষ দিনে। একেক জনের প্রপোজ করার ধরন আবার একেক রকম। আবার তাদের মনের অব্যক্ত ভালবাসার কথা বলার ধরনও একেক রকম। তাহলে আসুন জেনে নেই এই ভালবাসা দিবসে কে কিভাবে তার প্রেমিকাকে ভালবাসার কথা জানাতে পারে।

১। ডিজুস প্রেমিকের প্রকাশ
Hey, babes. What’s up? আজকে জোশ একটা দিন কাটাবো তোমার সাথে। I know, তোমার একটু আনইজি লাগবে কিন্তু Whatever! Oh boring! Actually… ummm… u know ……. ইউ আর …….. টু মাচ! Somebody call her mama!!! Ummm… aaa… hey sexy… come on …. B-)

২। বহুলুল প্রেমিকের প্রকাশ
তুমি আসলা আজকে! আসলে মানে ...... তোমাকে দেখে আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। তোমাকে আজ অসাধারণ সুন্দরী লাগছে। তবে এত পাতলা শাড়ি পরে এসেছো কেন? সব ......... আসলে......।। আজকে লিটার ............। না মানে সে এমনিতেই আমার সাথে ঘুরতে... আবার এদিকে দুপুরের পর মিতার সাথে আমার আবার......। না মানে রাতে আবার জিনিয়ার সাথে......।। উফফফ! কি হচ্ছে এসব! বাদ দাও। চল, তোমাকে নিয়ে একটা ১৮+ মুভি দেখে আসি। তোমাকে ওখানেই কিছু একটা বলতে চাই। ;)

৩। শিক্ষক প্রেমিকের প্রকাশ
তুমি তো জানোই যে নিউটনের ৩য় সুত্র। নতুন করে বলে দেয়ার কিছু নেই। আমি জানি তুমি আমার ক্লাসের সবচেয়ে মনযোগী ছাত্রী। মাঝে মাঝে তোমাকে পাটিগণিতের সরল পাঠ পড়াতে যেয়ে মনে হয় তোমার চোখের দৃষ্টিতে হারিয়ে গিয়েছি। পরে পথ ফিরে পাই যখন গাছ থেকে ১ টা আপেল আমার মাথায় টুপ করে পরে। তোমাকে আসলে যে কথাটা বলতে চাই সেটা আসলে খুব ছোট একটা কথা। অংকের হিসেবে বিবেচনা করলে ৮ টা সংখ্যা আছে। কবি, লেখকরা দিস্তার পর দিস্তা কালি খরচ করে এই বিষয়ে লিখেছেন। কবি বলেছেন ............।

৪। মাস্তান প্রেমিকের প্রকাশ
ওই হুনসো নি? ঐ পাড়ার কোন বদ পোলা নাকি তোমারে চোখ মারে! আমি কিন্তু কইলাম পুরা সানডে মানডে ক্লোজ কইরা দিমু! ছিল্লা কাইট্টা লবণ লাগাইয়া আচার দিয়া খামু! আমার প্রিয়ার লগে মশকরা করতে আইসে! কোন বাপের ব্যাটা হইসে! এতকিছু বুঝি নাইক্কা। আই তোরে ভালবাসি। এক্ষণ কি কবি ক। আমি এতকিছু জানি না।

৫। রাজনীতিবিদ প্রেমিকের প্রকাশ
আমি নেতার মাথায় হাত রেখে কথা দিচ্ছি, আগামী ৫ বছর তোমাকে আমি রাণী করে রাখবো। এই ৫ বছরে যা কামাবো তা আগামী ২০ বছর ধরে চললেও শেষ হবে না। আমরা আবার ক্ষমতায় আসলে মনে কর যে তোমাকে আমি রাণীর রাণী কইরা রাখুম। আর আমরা আবার আসলেই মনে রাইখো পরের প্রজন্ম তো বটেই তার পরের প্রজন্ম কোন কাম না কইরা বইসা বইসা খাইতে পারবো। এইবার বল তুমি আমাকে ভালবাসো কি না? ............ B-)

৬। বোকা প্রেমিকের প্রকাশ
কি আজব! ভালবাসা আবার কি জিনিস! খায় না মাথায় দেয়। এতদিন জানতাম ভাল + বাসা কিন্তু এখন শুনি ভালবাসা! ২ টা তো এক শব্দ না। আমি ভাই এতকিছু বুঝি না। তুমি কি আমাকে কিছু বলবা? এভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছো কেন? আচ্ছা সবাই এভাবে আমাদের দিকে এভাবে করে তাকিয়ে আছে কেন? :-*

৭। ডাক্তার প্রেমিকের প্রকাশ
আজ তুমি আমাকে ওটি তে নিয়ে যাও। তারপর সবার অগচোরে আমার বুকে ছুরি চালিয়ে দাও। তারপর নিজেই দেখো এই হৃদয়ে কার নাম লেখা! যদি এভাবে তোমার পরীক্ষা করতে ভয় লাগে তাহলে আমার স্টেথস্কোপটা নাও। আরপর পরীক্ষা করে দেখো কেমন দুরু দুরু করছে এই বুকটা। আর তুমি যদি এভাবে দেরি করতে থাকো তাহলে হয়তো আমার প্রেশার বেড়ে যাবে। রক্ত স্বল্পতাও হতে পারে। ইউরিনের প্রব্লেম হওয়াটা উড়িয়ে দেয়া যায় না। আবার ............ :|

যে যেভাবেই বলুক না কেন, তাদের মনের সব কথার মানে একটা কথাতে যেয়েই থেমে যায়। আর তা হল "আমি তোমাকে ভালবাসি" । :)

04/11/2016
30/10/2016

ছোট গল্প-২ (সিকুয়াল পার্ট-১)

এখন রাত ২ টা, প্রায় তিন চার ঘণ্টা থেকে জয়ের ফোনে কল দিয়ে যাচ্ছে রাইনা, কিন্তু জয়ের ফোন ধরার কোন নামও গন্ধ নেই, রাইনা এতক্ষণে রাতে গদগদ করছে।

অনেকক্ষণ পর ঘুম জড়ানো কণ্ঠে ফোন ধরলো জয়।
- হ্যালো, বুড়ী ...
: কি ব্যাপার, কোথায় ছিলে তুমি? এতক্ষণ থেকে ফোন করে যাচ্ছি ফোন ধরছিলে না কেন? রাগান্বিত হয়ে জিজ্ঞেস করলো রাইনা!!
- কি বলছো? তুমি আরও কল দিয়ে ছিলে বুঝি?? সরি!! শুনতে পাইনি শুয়ে ছিলাম!!
: শুয়ে ছিলা নাকি ঘুমিয়ে ছিলা স্বার্থপর??
- আরেহ নাহ্ , আমি কি পাগল নাকি যে এইসময় তোমার সাথে কথা না বলেই ঘুমিয়ে যাবো, আমার কি মাথা খারাপ...
: নাহ! তুমি পাগল হতে যাবা কেনো তুমি তো পাগলের সর্দার বড় পাগল।
- আমি পাগলের সর্দার হলে তুমি কি জানো?? তুমি হলে পাগলের সর্দার মানে বড় পাগলের বউ পাগলী!! খ্যাঁক খ্যাঁক করে হেঁসে উঠে জয়!!
: চুপ বান্দর, আমার দায় পড়েছে তোমার মতন বাঁদরের বউ হতে!! যাও ভাগো...
- ভাগবো কেনো? চুরি করেছি নাকি? ঢাক ঢোল পিটিয়ে বিয়ে করবো, ভাগতে আমি পারব না বস!!
: রাগান্বিত হয়ে ধমক দিয়ে রাইনা জয়কে জিজ্ঞেস করলো, তুমি জানো এখন রাত কয়টা বাজে??
- নাহ!! জানি নাতো, কেন কয়টা বাজে??
: জানো না কেন? রুমে ঘড়ি নাই? নাকি তোমার ঘড়ি ও তোমার মতন পাগলে গেছে??

- ঘড়ি আছে, কিন্তু ঘড়ি তো আমি বন্ধ করে রেখেছি, ওই ঘড়ির সময় শুধু বেহিসেবী বয়ে চলে। আমি যে এই তোমাকে আমার বুকের মাঝে অনুভব করার একটা মুহূর্ত ও বয়ে যেতে দিতে চাই না, আমি চাই সময় ও আমার মতই বেহিসেবি সময় ধরে আমাদের ভালোবাসাতে থমকে থাকুক!! তাই ঘড়ি বন্ধ করে সময় কে থমকে দিয়েছি।

: হয়েছে, হয়েছে স্যার!! অনেক হয়েছে আপনার ভালোবাসার কাব্য করা, এখন শুনো এখন রাত সাড়ে তিনটা বাজে তুমি সকাল ৯টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠে ধানমণ্ডি লেকে চলে আসবা, যদি এক সেকেন্ড ও লেট করো আর ঘুমের বাহানা দেখাও তাহলে তোমাকে আমি খুন করবো!!

- বাহ!! তুমি আমাকে খুন করলে বিধবা হবে কে?? জান, ভালোবেসে আদর করে খুন করলে, তোমার হাতের খুন ও মধুর মনে হবে, আই মিন মৃত্যুও চুইত লাগপে মনে হয়!!
: ওই ফাজলামি করবা না আমার সাথে, সকালে ঠিক সময় মতন না আসলে সত্যি কাল তোমার খবর আছে!! বলে দিলাম!!
- ঠিক আছে পাগলী, আমি সময় মতই আসবো, এখন তাহলে টাটা??
: অকে, টাটা, ঘুমিয়ে থাকো, বাই...

পরের সকালে...

ঘুম ভাঙতেই বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হয়ে তারাতারি হালকা কিছু খেয়েই রওনা করলো জয়। আজ রাইনার কথা মতন ঠিক সময় মতন পৌছাতে না পারলে সত্যি আজ রাইনা জয়কে খুন করেই ফেলবে। কারন গত কয়েকবার থেকে ওদের যতবার দেখা হচ্ছে প্রতিবারেই জয় দেরি করে ফেলে, আর রাইনাও রাগ করে গাল ফুলিয়ে বাচ্চা মেয়েদের মতন বসে থাকে, জয়ের সেই রাগে গালফুলানো পাগলী টাকে দেখতে ভীষণ ভালোলাগে, ইচ্ছে করে এই গালফুলানো বুড়ীটাকে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে রাখতে।

তবুও যত যাই হোক আজ আর দেরী করা চলবে না...

কিন্তু কি করার, রাস্তার জ্যাম কি আর ভালোবাসা বুঝে?? একবার জ্যাম লেগেছে তো লেগেছেই ছাড়ার কোন নাম গন্ধ নেই, এদিকে জ্যামে বসে বসে জয়ের ব্লাড প্রেসার যাচ্ছে বেড়ে। নয় টা বেজে দশ মিনিট, হঠাৎ মুঠো ফোনটা বেজে উঠলো, রাইনার ফোন...

ভয়ে ভয়ে ফোনটা রিসিভ করে কানে দেয় জয়...
- হ্যালো!! রাইনা... ভয়ে ভয়ে বলে জয়।

ওপাশ থেকে... রাইনা রাগান্বিত কণ্ঠে বলে...
: কি ব্যাপার কোথায় তুমি? এখনো আসোনাই??

- এইতো চলে এসেছি প্রায়, আর মাত্র চার-পাঁচ মিনিট লাগবে।
: আচ্ছা থিক আছে!! তারাতারি আসো, আমি এখানেই বসে আছি... বলেই ফোন কেটে দেয় রাইনা!!

ফোন রাখার আরও প্রায় আধা ঘণ্টা পর জয় ধানমণ্ডি লেকে পৌছায়, হাতে একগুচ্ছ রজনীগন্ধা। রজনীগন্ধা রাইনার প্রিয় ফুল, রাগ ভাঙ্গানোর ঘুষ হিসেবেই কাজ করবে আজ ফুলগুলো।

দূরে একটা বেঞ্চিতে বসে আছে রাইনা, জয়ের প্রিয় কালো রঙের শাড়ী পরেছে আজ সে, দূর থেকেও খুব সুন্দর দেখাচ্ছে আজ তাঁকে......

কাছে যেতেই বুঝা যাচ্ছে আজ রাজকুমারী ভীষণ রেগে আছে, ভয়ে ভয়ে চুপ করে রাইনার পাঁশে গিয়ে বসলো জয়, কিছুক্ষণ নীরবতার পর মুখ খুললো রাইনা।

: আচ্ছা জয় বল তো, একমিনিট হয় কয় সেকেন্ডে?? বেশ শান্ত ভাবে জিজ্ঞেস করলো রাইনা!!
- জয় অবাক হয়ে, কাঁপা কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করলো, হতাৎ এইটা জিজ্ঞেস করছো কেনো জান?? জয়ের ভঁয় আরও বেড়ে গেলো, মনে মনে ভাবছে সাইক্লোনের আগে বুঝি মহাসাগর গুলোও ওর মতই শান্ত থাকে!!
"কারন তুমি তো ফোনে বললা, চার-পাঁচ মিনিটের মদ্ধে আসবা, তা তোমার চার-পাঁচ মিনিট কি আধা ঘণ্টায়ও হয় না??
- সরি বুড়ী, রাস্তায় খুব জ্যাম ছিলো সেই জন্যই আসতে একটু দেরী হয়ে গেছে, এই নাও তোমার জন্য একগুচ্ছ রজনীগন্ধা।
: রজনীগন্ধা কেন আনছো?? কয়টা ধূতরা ফুল আনতে পারলানা? ওইটা খাইয়েই তোমাকে মারতে পারতাম। অভিমানী গলায় বলল রাইনা!!

জয় রাইনার হাতটা হাতে নিয়ে আদুরে গলায় বলল...
- আমার বুড়ীটা আজ আমার উপর এতটা অভিমান করে আছে কেন?? কি হয়েছে আমার বুড়ীটার??

রাইনা আরও একটু রেগে গিয়ে বলল...
: দেখো জয়,আমার সাথে ঢং করবা না, এইসব ন্যাকামি আমার একদম পছন্দ না।
- আচ্ছা ঠিক আছে, আমি আর কখন ঢং করে কথা বলব না, কিন্তু তুমিও প্লিজ আমার উপর আর রাগ করে থেকো না, তুমি বুঝোনা? তুমি রাগ করে থাকলে আমারও তো কিচ্ছু ভালোলাগেনা।
: ও আচ্ছা তাই বুঝি?? তুমি প্রত্যেকবার এতো দেরী করে করে আসতে পারবা আর আমি একটু রাগ ও করতে পারবো না তোমার উপর?? অভিমানী সূরে বলল রাইনা!!

- আচ্ছা ঠিক আছে যত ইচ্ছে রাগ দেখিও আমিও দেখবো, কিন্তু এখন না। সকালে তেমন কিছু খাইনি এখন খুব খিদে পেয়েছে চলো আগে কিছু খেয়ে নেই??
: তুমি বাসা থেকে খেয়ে বেরহও নাই?? এতো অনিয়ম করো কেনো তুমি?? কি খাবা বলো? জয়ের খিদে পেয়েছে শুনে রাইনা নিজের রাগটাগ ভুলে জয়কে নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরলো।
- তুমি যা খাওয়াবা তাই, আমার তো পকেট একদম ফাঁকা, তাই তোমার ইচ্ছের উপরই নির্ভরশীল।
: চল আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা চাইনিজে খাঁই?
- বিশেষ দিন মানে? আজকে আবার কিসের বিশেষ দিন? একটু অবাক আর না জানার ভান করে জিজ্ঞাস করলো জয়!
: কেন তুমি জানোনা?? মনে নাই তোমার? একটু রাগ আর হতাশ হয়ে জিজ্ঞেস করলো রাইনা!!
- নাতো কি কেন? কি দিবস আজকে??

: গাধা, আজ আমাদের সম্পর্কের একবছর পূর্ণ হয়েছে, আর আজ থেকেই আমাদের সম্পর্কটা এখানেই শেষ, আর যাই হোক এতো ভুলোমনা একটা ছেলের সাথে আমি আর প্রেম করবো না, করলে দেখা যাবে কবে ভুলতে ভুলতে আমাকেই ভুলে গেছো, আর শুনো আজকের পর থেকে আমাকে কোন ফোন, ম্যাসেজ কিচ্ছু দিবা না তুমি ইডিয়েট!! অনেকটা অভিমান করে বলল রাইনা!!
- আচ্ছা যাও, অকে দিব না... বলেই পকেট থেকে একটা ভাঁজ করা কাগজ বের করলো জয়, কাগজটা রাইনার দিকে এগিয়ে দিয়ে জয় বলল এইটা তোমার জন্য।

কাগজটা হাতে নিয়ে কিছুটা রাগ আর অভিমানেই ভাঁজটা খুললো রাইনা, সেখানে সাদা রঙের কাগজটিতে নীলরঙের কালিতে লেখা...

"আজ এই রাজকুমারীর সাথে এই প্রজাটার ভালোবাসার একটি বছর পূর্ণ হলো, আজকের এই দিনেও এই প্রজাটা চায় তার এই রাজকুমারীর ছোট্ট ভালোবাসার রাজ্যের একমাত্র প্রজা হয়ে বাকি জীবনটাও এই রাজকুমারীটাকে ভালোবেসে যেতে!!"

লেখাটা পড়া শেষ হতে না হতেই রাইনার চোখ ভিজে আসছিলো, পাঁশথেকে জয় অস্পষ্ট গলায় বললো...
- তোমায় রাগিয়ে দিতে আমার ভালোলাগে, তুমি যখন রাগ করা সত্ত্বেও আমার দিকে শান্ত চোখে তাকাও তখন আমার খুব ভালোলাগে, আজও তাই করছিলাম কিন্তু বুঝতে পারিনি তুমি এততা রেগে যাবে, সরি রাইনা!!

ভেজা ভেজা চোখে আড় চোখে জয়ের দিকে তাকায় তাকায় রাইনা, বোকা বোকা চেহারায় লেকের পানির দিকে তাকিয়ে আছে জয়, তাঁর বোকা বোকা চাহূনিটার দিকে তাকাতেই সমস্ত রাগ গুলো মলিন হয়ে গেলো রাইনার, বড্ড বেশী ভালোবাসা জাগলো ছেলেটার জন্য, বুকের ভেতর কেমন জেনো একটা কম্পন অনুভূত হল তাঁর জন্য , কেন জানি ছেলেটার গলা জড়িয়ে ধরে খুব বলতে ইচ্ছে করছিলো...

"তোমাকে খুব বেশী ভালোবাসি তাই এতো রাগাও তুমি আমায় তাইনা? তুমি খুব পচা, তবুও ভীষণ ভালোবাসি তোমাকে, আর বেসে যাবো!! হুহ..."

চলতে থাকবে . . .

Address

Oman Muscat
Ruwi
123

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SK BOOK STORY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category