12/26/2024
স্থানীয় পুলিশ জানায়, মুক্তিযোদ্ধা কানু হত্যা মামলা সহ মোট ৯টি মামলার আসামি। এছাড়াও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে আসা যত অভিযোগ।
১) লুদিয়ারা কুলিয়ারা পাতড্ডা আমজাদের বাজার সারপটি,বেরলা,হিংগুলা সহ আশেপাশে যত সন্ত্রাসী ছিলো সকল সন্ত্রাসীর গড ফাদার ছিলো এই কানু।
২)পাতড্ডা বাজার আমজাদের বাজার অঞ্চলে মাদকের ডিলার ছিলো আব্দুল হাই কানু।
৩) ছোট ছোট কোমলমতি শিশুদের হাতে কলমের পরিবর্তে অশ্র তুলে দিতো এই কানু।
৪) কানুর নির্দেশ জামায়াত শিবিরের নেতা কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা হতো।
৫) কানুর শাসনামলে মামলা হামলা দিয়ে শত শত জামায়াত শিবিরের নেতা কর্মীকে বাড়িছাড়া করছিলেন।
৬) জামায়াত ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি মরহুম আব্দুল হালিম মজুমদার কে কুলিয়ারা স্কুলের সামনে কানু নিজে লাথি মেরে পুকুরে পেলে দিয়েছিলো।
৭) আওয়ামীলীগ নেতা শাহীন হত্যার মূল হোতা ছিলো এই কানু
৮) আওয়ামীলীগ নেতা রানা হত্যার মুল পরিকল্পনাকারী কানু বিপ্লব এবং আওয়ামীলীগির আরেক নেতা সোহাগ হত্যার পিছনে ও ছিলো কানুর হাত।
৯) কানুর নির্দেশে কানুর ছেলে বিপ্লব সহ তার গুন্ডা বাহিনী পাতড্ডা বাজার থেকে শিবিরের থানা শাখার হুন্ডা ও আমির হামজার হুন্ডা তুলে নিয়ে গেছে।
১০) চাঁদাবাজি,টেন্ডারবাজি,চুরি,ডাকাতি, মাদক, সহ কোন ধরনের অপকর্ম বাদ রাখেনি এই কানু।